নিউইয়র্কে বিজয় দিবসে বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশনের সমাবেশ

একাত্তরের ন্যায় আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে প্রবাসী সরকার চাই

দীপক কুমার আচার্য   প্রিন্ট
বৃহস্পতিবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৫   সর্বশেষ আপডেট : ১১:৩২ পূর্বাহ্ণ

একাত্তরের ন্যায় আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে প্রবাসী সরকার চাই

বিজয় সমাবেশে বক্তব্য রাখছেন এমিরিটাস অধ্যাপক এ কে এ মোমেন। ছবি-জাগো প্রহরী।

বিজয়ের চেতনা সমুন্নত রাখতে প্রবাসীদের ঐক্যবদ্ধ থাকার উদাত্ত আহবানে ১৬ ডিসেম্বর ৫৫তম বিজয় দিবস পালিত হলো নিউইয়র্কসহ সমগ্র যুক্তরাষ্ট্রে। নিউইয়র্কে বিপুলসংখ্যক বীর মুক্তিযোদ্ধার উপস্থিতিতে বিজয় দিবসের আলোচনা সমাবেশ হয় জ্যামাইকায় কলাপাতা রেস্টুরেন্টের মিলনায়তনে। ইকরা পার্টি হল ছাড়াও বিজয় সমাবেশ হয়েছে নিউইয়র্ক কন্স্যুলেটে। ফ্লোরিডা, জর্জিয়া, মিশিগান, শিকাগো, টেক্সাস, পেনসিলভেনিয়া, নিউজার্সি, কানেকটিকাট, ক্যালিফোর্নিয়া, আরিজোনা, প্রভৃতি স্থানে যথাযথ মর্যাদায় বিজয় দিবস উদযাপিত হয়েছে।
নিউইয়র্ক সিটির জ্যামাইকায় ‘কলাপাতা’ পার্টি হলে যুক্তরাষ্ট্র বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশন’র সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং বস্টনের ফ্রেমিংহাম ইউনিভার্সিটির সাবেক এমিরিটাস অধ্যাপক ড. এ কে এ মোমেন বলেন, আমেরিকা যদি দক্ষিণ এশিয়া উপমহাদেশের সাথে সম্পর্ক ভালো রাখতে চায় তাহলে আওয়ামী লীগের সাথে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রাখতে হবে। কারণ, আওয়ামী লীগ হচ্ছে বিশ্বাসযোগ্য একটি দল। একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধের বিপক্ষে অবস্থান এবং পরবর্তীতে ঘটনাবলি সত্বেও আওয়ামী লীগ সবসময় আমেরিকার সরকারের সাথে সুসম্পর্ক রেখে চলেছে। তাই বাংলাদেশ তথা দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখার স্বার্থেই আওয়ামী লীগের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক বহাল রাখা দরকার।
জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালনকারি ড. মোমেন উল্লেখ করেন, একাত্তরে সাইক্লোস্টাইলে প্রকাশিত ‘জয় বাংলা’ পত্রিকা এবং চরমপত্র ছিল মুক্তিযোদ্ধাগণের অনুপ্রেরণার অন্যতম প্রধান অবলম্বন। আর এখোন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অনেক সাহসী বাঙালির পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের দস্তগীর জাহাঙ্গির ‘দ্য ভয়েস নিউজ’ প্রকাশ করেছেন। সেই ধারায় নিউইয়র্ক থেকে সাপ্তাহিক ‘জাগো প্রহরী’ যুক্ত হওয়ায় আমি খুবই আশাবাদি যে, বাংলাদেশ পুনরায় প্রগতির ধারায় ফিরবে।

বক্তব্য রাখছেন ইঞ্জিনিয়ার ফজলুল হক। ছবি-জাগো প্রহরী।

ড. মোমেন উল্লেখ করেন, বৈষম্যের বিলুপ্তি ঘটানোর অঙ্গিকারে ক্ষমতা দখলকারি ইউনূস ও তার সাঙ্গ-পাঙ্গরা ইতিহাসে নিকৃষ্টতম আচরণে লিপ্ত হয়েছে। বৈষম্যের চরম ধৃষ্ঠতা দেখাচ্ছে। অন্তর্ভুক্তিমূলক নির্বাচনের কথা মুখে বলা হলেও আওয়ামী লীগের মত বিশাল একটি রাজনৈতিক দলকে নির্বাচন থেকে সরিয়ে রাখার প্রক্রিয়া অবলম্বন করা হয়েছে। এভাবে কী সত্যিকারের গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হবে? আওয়ামী লীগ হীন নির্বাচনের গ্রহণযোগ্যতা কী আন্তর্জাতিক মহলে থাকবে? তাই আশা করছি, প্রতিটি প্রবাসী নিজ নিজ অবস্থান থেকে আন্তর্জাতিক বন্ধুদের সাথে দেন-দরবার জোরদার করবেন। ড. মোমেন বলেন, সব রাজনৈতিক দল আগামী নির্বাচনে অংশগ্রহণ করলেই একটি নিরপেক্ষ নির্বাচন করা সম্ভব হবে। আর এজন্যই তিনি যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসীদের নিজ নিজ অবস্থান থেকে আওয়াজ তুলার আহ্বান জানিয়েছেন। ড. মোমেন উল্লেখ করেন ইউনূসের দু:শাসনের ১৫ মাসে আওয়ামী লীগের ৭৭০০ জন নেতা-কর্মীকে প্রকাশ্যে পিটিয়ে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। একটি ঘটনারও মামলা নেয়নি ইউনূসের পুলিশ।

বক্তব্য রাখছেন বীর মুক্তিযোদ্ধা জাহিদ হোসেন। ছবি-জাগো প্রহরী।

বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশনের সভাপতি আব্দুল কাদের মিয়ার সভাপতিত্বে বিজয় দিবসের এ সমাবেশে সম্মানীত অতিথির বক্তব্যে মার্কিন ডেমক্র্যাটিক পার্টির ডিস্ট্রিক্ট লিডার ড. দিলীপ নাথ বলেন, আওয়ামী লীগকে মাইনাস করে কোন নির্বাচন হতে দেয়া হবে না। একাত্তরের ন্যায় আবারো আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে ‘প্রবাসী সরকার’ গঠন করা উচিত। একইসাথে রেমিট্যান্স বন্ধ করতে হবে। দেশে খাজনা-সহ সবকিছু বন্ধ রাখতে হবে। এভাবে একটি নাজুক পরিস্থিতি তৈরী করতে না পারলে জঙ্গি ইউনূস সরকারকে সরানো যাবে না। কারণ তাদের প্ল্যান হচ্ছে বাংলাদেশকে সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস করে দেয়ার। বাংলাদেশকে আফগানিস্তানের পর্যায়ে নেয়ার আগেই প্রবাসীদের সোচ্চার হওয়া জরুরী। ডেমক্রাটিক পার্টির তৃণমূলের এই নেতা দিলীপ নাথ বলেন, সময় পাল্টাচ্ছে। সামনের নভেম্বরে মধ্যবর্তী নির্বাচনে ডেমক্র্যাটরা আবারো কংগ্রেসে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাবে বলে আশা করছি। সেটি হলে গ্রেগরী মিক্স কংগ্রেসে ফরেন এ্যাফেয়ার্স কমিটির চেয়ারম্যান হবেন। তিনি বাংলাদেশের ব্যাপারে অত্যন্ত ওয়াকিবহাল। কংগ্রেসের স্পিকার হবেন হাকিম জেফরিজ। ট্রাম্পের জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থার পরিচালক তুলশী গ্যাবার্ড , তিনিও বাংলাদেশের পরিস্থিতিতে উদ্বিগ্ন। শুধু তাই নয়, পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিয়ো বাংলাদেশের খোঁজ-খবর রাখছেন। তিনিও ইউনূসের আচরণে বিব্রত-ক্ষুব্ধ। তাই বাংলাদেশ যে আবারো সঠিক ট্র্যাকে ফিরবে-সেটি সময়ের ব্যাপার মাত্র। আর এজন্যেই প্রবাসীদেরকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। এবং প্রবাসী সরকার গঠন করতে হবে।

ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক কামাল হোসেন মিঠুর সঞ্চালনায় এ সমাবেশ জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি ও সংসদ সদস্য ফরিদা ইয়াসমিন বলেন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ একটি গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দল। স্বাধীনতা ও উন্নয়ন এ দল ছাড়া বাংলাদেশের আর কোন রাজনৈতিক দল করতে পারেনি। তিনি বলেন, এখন বাংলাদেশে মানুষের উপর নির্যাতন ও নিপীড়ন চলছে। এসব বন্ধ করতে হলে আওয়ামী লীগকে আগামী সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করার সুযোগ দিতে হবে এবং জয়ী করতে হবে। তিনি কারাবন্দি সাংবাদিক জাতীয় প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক শ্যামল দত্ত, একাত্তর টিভির ব্যবস্থাপনা সম্পাদক মোজাম্মেল বাবু-সহ সকল সাংবাদিকসহ রাজবন্দিদের অবিলম্বে মুক্তির দাবি করেন।

বক্তব্য রাখছেন ড. মাহাবুবুর রহমান টুকু। ছবি-জাগো প্রহরী।

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজ কল্যাণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম আমিন বলেন, বাংলাদেশের রাজনীতি করতে গেলে বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনাকে ক্ষমতায় আনতে হবে, এর কোন বিকল্প নাই। দেশে এখন, লুটতরাজ ও অরাজকতা চলছে। হাজার হাজার নেতাকর্মীকে হত্যা করা হয়েছে। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এলে এসবের বিচার করা হবে বলে তিনি জানান। ছাত্রলীগের সাবেক নেতা আমিনুল ইসলাম ইতিহাসের আলোকে সকলকে আশ্বস্ত করেন যে, শেখ হাসিনা আবারো বাংলাদেশের হাল ধরবেন। তবে দেশপ্রেমিক প্রতিটি বাঙালিকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।

বক্তব্য রাখছেন বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল বাশার চুন্নু। ছবি-জাগো প্রহরী

সাংবাদিক নেতা ও ভারতে বাংলাদেশের সাবেক প্রেস মিনিস্টার শাবান মাহমুদ বলেছেন, বাংলাদেশে আজ দুর্দিন। চারপাশে হায়েনারা ওৎ পেতে আছে। মানুষ আতঙ্কে পলাতক জীবন-যাপনে বাধ্য হচ্ছে। না খেয়ে দিনাতিপাত করতে বাধ্য হচ্ছেন। কোথাও কোন শান্তি নেই। আওয়ামী লীগ সরকার যদি শিগগিরই ক্ষমতায় ফিরতে না পারে তাহলে দেশে আর শান্তি আসবে না।

বক্তব্য রাখছেন ড. দীলিপ নাথ। ছবি-জাগো প্রহরী।

বাংলাদেশের গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নেই। প্রাণের ভয়ে সাংবাদিকরা সত্য লিখতে পারছেন না। এমনি একটি পরিস্থিতির মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র থেকে ‘দ্য ভয়েস নিউজ’ (অনলাইন পোর্টাল) আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। এবারের বিজয় দিবসে ড. মাহাবুবুর রহমান টুকুর উদ্যোগে সাপ্তাহিক জাগো প্রহরীর আত্মপ্রকাশ ঘটলো। সময়ের প্রয়োজনে জাগো প্রহরী সাহসী ভ’মিকা পালসে সক্ষম হবে বলে আশা করছি এবং পত্রিকাটি দেশপ্রেমিক প্রতিটি প্রবাসীর সমর্থন পাবে বলে মনে করছি।

এই অনুষ্ঠানে সাংবাদিক দস্তগীর জাহাঙ্গীর বলেছেন, তিনি আওয়ামী লীগের পক্ষ্যে বিভিন্ন মাধ্যমে কথা বলছেন। তিনি এখনো বিশ্বাস করেন, শেখ হাসিনাই এখন বৈধ প্রধানমন্ত্রী এবং তাকেই বাংলাদেশ পরিচালনা করতে হবে।

বক্তব্য রাখছেন দিনা মনি । ছবি-জাগো প্রহরী।

জাগো প্রহরীর সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি ড. মাহাবুবুর রহমান টুকু বলেন, শুধু আওয়ামী লীগ নয়, প্রবাসীদের সুখ-দুঃখ ও বেদনার কথা বলার জন্য তিনি এ পত্রিকাটি বের করছেন। বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতা হচ্ছে জাগো প্রহরীর একমাত্র লক্ষ্য।

বক্তব্য রাখছেন শাবান মাহমুদ। ছবি-জাগো প্রহরী।

বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশনের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট ইঞ্জিনিয়ার মো. ফজলুল হক বলেন, ৩০ লাখ শহীদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত বাংলাদেশটাকে আবারো হায়েনার দল খামচে ধরেছে। ওরা জাতীয় সঙ্গীতকে পাল্টে দিতে চাচ্ছে। তিনি বলেন, মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তির মধ্যে এখনো কিছু সুবিধাবাদি লোক রয়েছে। তারা ঘাপটি মেরে আছেন যে, আবারো যদি নেত্রী (শেখ হাসিনা) ক্ষমতায় ফেরেন তাহলে আগের জায়গাটি পেয়ে যাবো। ফজলুল হক বলেন, বাংলাদেশে আওয়ামী লীগের কর্মী-সমর্থকেরা খুবই সংকটে রয়েছেন। আমি আমার এলাকার অসহায় কর্মী-সমর্থকগণের জন্যে কাজ করছি। আশা করছি, মানবিকতার খাতিয়ে হলেও সকলে নিজ এলাকার অসহায় কর্মীগণের পাশে দাঁড়াবেন।

বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশনের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আলিম খান আকাশ সকলকে বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, এখোন সময় হচ্ছে দেশমাতৃকার স্বার্থে সকলকে ঐক্যবদ্ধ থাকার।

বক্তব্য রাখছেন ফরিদা ইয়াসমিন। ছবি-জাগো প্রহরী।

বীর মুক্তিযোদ্ধা জাহিদ হোসেন বাংলাদেশে মুক্তিযোদ্ধাগণকে নানাভাবে লাঞ্ছিত-নির্যাতনের প্রসঙ্গ উপস্থাপনকালে কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন এবং বলেন, জীবন বাজি রেখে দেশটাকে স্বাধীন করেছি। আজ সেই দেশটা আবারো একাত্তরের রাজাকারেরা দখলে নিয়েছে। এ অবস্থা থেকে বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশকে মুক্ত করতে সকলকে আরেকটি যুদ্ধে লিপ্ত হতে হবে।

বক্তব্য রাখছেন আব্দুল কাদের মিয়া। ছবি-জাগো প্রহরী।

সেক্টর কমান্ডারস ফোরাম-মুক্তিযুদ্ধ’৭১ এর সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল বাশার চুন্নু বলেছেন, একাত্তরের পরাজিত শক্তি গভীর ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে বাংলাদেশের ক্ষমতা দখল করেছে। ওদেরকে রুখতে হবে। বিজয় দিবসে এটাই হচ্ছে মূল অঙ্গিকার।

ফাউন্ডেশনের যুগ্ম সম্পাদক এবং চট্টগ্রাম সমিতির সাধারণ সম্পাদক আরিফুল ইসলাম আরিফ প্রচন্ড ক্ষোভের সাথে বলেন, একাত্তরের রাজাকারদের সাথে ইউনূসের জঙ্গিরা বাংলাদেশকে নিশ্চিহ্ন করার গভীর ষড়যন্ত্রে মেতে উঠেছে। এহেন অবস্থা থেকে দেশমাতৃকাকে মুক্ত করতে ঐক্যের বিকল্প নেই।
অনুষ্ঠানে দিনা মনি বঙ্গবন্ধুর প্রিয় একটি গানে কন্ঠ মিলিয়ে পুরো অনুষ্ঠানে ভিন্ন মাত্রা এনেছিলেন।

বক্তব্য রাখছেন আমিনুল ইসলাম আমিন। ছবি-জাগো প্রহরী।

সমাবেশে বীর মুক্তিযোদ্ধাগণের মধ্যে ছিলেন লাবলু আনসার, ইঞ্জিনিয়ার আশরাফ চৌধুরী, আবুল বাশার চুন্নু, গোলজার হোসেন, এম এ হাসান, আশরাফ আলী, জসিমউদ্দিন, অবিনাশ চন্দ্র, এনামুল হক, আব্দুর রহমান, জাহিদুল ইসলাম, হাবিব আকন্দ, মাসুদ আহমদ, প্রাণ গোবিন্দ কুন্ডু, জাহিদ হোসেন, মোহাম্মদ আলী, শফিউল আলম প্রমুখ।

সমাবেশে সুধীজনের একাংশ। ছবি-জাগো প্রহরী।

সভাপতির সমাপনী বক্তব্যে মো. কাদের মিয়া সকলের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বলেন, হাড় কাঁপানো শীত উপেক্ষা করে বীর মুক্তিযোদ্ধাগণও বিজয় দিবসের সমাবেশে এসেছেন, তাদেরকে সশ্রদ্ধ অভিবাদন ও সালাম। আপনাদেরকে সাক্ষী রেখে আজ অঙ্গিকার করছি যে, বাংলাদেশকে হায়েনামুক্ত না করা পর্যন্ত আমরা সরব থাকবো।

অভিবাদন ও সালাম। আপনাদেরকে সাক্ষী রেখে আজ অঙ্গিকার করছি যে, বাংলাদেশকে হায়েনামুক্ত করা পর্যন্ত আমরা সরব থাকবো।

Facebook Comments Box

Posted ৯:৫৩ পূর্বাহ্ণ | বৃহস্পতিবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৫

nyvoice24 |

Address
New York
Phone: 929-799-2884
Email: nyvoice24@gmail.com
Follow Us