নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রিন্ট
শনিবার, ১৩ ডিসেম্বর ২০২৫ সর্বশেষ আপডেট : ৮:২৪ পূর্বাহ্ণ
কথা বলছেন কারিশমা মঞ্জুর। পাশে কম্যুনিটি লিডার কাদের মিয়া। ছবি-এনওয়াইভয়েস২৪ ডটকম।
বাংলাদেশী আমেরিকান কারিশমা মঞ্জুর মার্কিন সিনেটে নির্বাচিত হবার মধ্যদিয়ে প্রথম বাংলাদেশী এবং প্রথম মুসলমান সিনেটর হিসেবে ইতিহাস গড়ার লড়াইয়ে অবতীর্ণ হয়েছেন। শুধু তাই নয় বিজ্ঞানী থেকে রাজনীতিক হবার প্রত্যাশাও রয়েছে কারিশমা মঞ্জুরের। সামনের বছর নভেম্বরে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে কারিশমা ডেমক্র্যাটিক পার্টির মনোনয়নের দৌড়ে রয়েছেন নিউ হ্যামশায়ার স্টেট থেকে। উল্লেখ্য, এই এলাকার ইউএস সিনেটর জীন শাহিন পুনরায় প্রার্থী হবেন না। তার শুন্য আসনে কারিশমার সাথে আরো দুই ডেমক্র্যাট রয়েছেন। গত আগস্টে প্রতিদ্বন্দ্বিতার ঘোষণা দেয়ার পরই সারা আমেরিকায় আলোচনার ঝড় তুলেছেন বিজ্ঞানী কারিশমা। কারণ, রাজনীতিতে একেবারেই নবীন হলেও পেশাগতভাবে মানবিকতার অনন্য উদাহরণ সৃষ্টি করেছেন কারিশমা। টানা ২০ বছর যাবত মৃগীরোগ এবং বিষন্নতায় আক্রান্তদের চিকিৎসার মধ্যদিয়ে নিজের মানবিকতার সাথে বহু আমেরিকানকে পরিচিত করতে সক্ষম হয়েছেন। স্ব্চ্ছোসেবক হিসেবে প্রগতিশীল চিন্তা-চেতনার মানুষদের একজন হওয়ায় নতুন প্রজন্মেও কারিশমার জনপ্রিয়তা ব্যাপক। সে আলোকেই তার নির্বাচনী অঙ্গিকারে প্রাধান্য পেয়েছে প্রশাসন ও রাজনীতিকে দুর্নীতি মুক্ত করা, লোভী ব্যবসায়ীগণের কাছে থেকে চাঁদা নেয়ার প্রবণতা দূর করা, সকলের মৌলিক চাহিদা পূরণে সজাগ থাকা এবং সমস্যায় জর্জরিত আমেরিকানদের পাশে অবস্থানের। ট্রাম্প প্রশাসনের অভিবাসন-বিরোধী নানা পদক্ষেপ রুখে দিতে সর্বস্তরে প্রতিরোধ গড়া এবং আমেরিকানদের ট্যাক্সের অর্থ দেশে দেশে বর্বরতা চালানোর জন্যে ব্যয়ের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ করা। কারিশমা বলেন, অভিবাসীদের মেধা আর রক্ত-ঘামে যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বের শ্রেষ্ঠতম রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছে। তাই কঠোর পরিশ্রমী সকল অভিবাসীর জীবন-মানের সামগ্রিক উন্নয়নে আমাদেরকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।
কারিশমা মঞ্জুর ১২ ডিসেম্বর নিউইয়র্কে এসেছিলেন প্রবাসী বাংলাদেশীদের সাথে মতবিনিময়ের জন্যে। তারই ফাঁকে একান্তে কথা হয় এ সংবাদদাতার সাথে। সে সময় কারিশমা তার জন্মভ’মি বাংলাদেশ ও প্রবাসী বাংলাদেশীদের ব্যাপারে নিজের অকৃপণ দরদের বর্ণনাকালে বলেন, ভাল-মন্দ মিলিয়েই একটি জাতিগোষ্ঠি। এই দেশে যারা বসতি গড়েছি তাদের সুন্দর ভবিষ্যতের জন্যে নিরন্তর চেষ্টায় কমতি নেই। অনেকের সাপ্তাহিক ছুটির দিন বলতে থাকে না। সন্তানের লালন-পালনের পাশাপাশি সন্তানদের সুশিক্ষায় শিক্ষিত করতেও সর্বাত্মক ত্যাগ স্বীকার করছেন। আর এ কারণেই বাংলাদেশী দ্বিতীয় প্রজন্মের অনকে আজ বহুজাতিক এ সমাজে বিশেষ এক আসনে অধিষ্ঠিত হয়েছে-যা প্রকারান্তরে বাংলাদেশকেই মহিমান্বিত করছে।
কারিশমা ক্ষোভের সাথে বলেন, হোয়াইট হাউজ থেকে শয়তানের মত আচরণকারিদের তাড়াতে সকলকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। ব্যালট যুদ্ধে আরো জোরদার ভূমিকায় লিপ্ত হতে হবে। বিশ্বব্যাপী আলোড়ন সৃষ্টিকারি নির্বাচনে জোহরান মামদানির বিজয়ে নিউইয়র্কের প্রবাসীদের ভ’মিকা আজ সগৌরবে উচ্চারিত হচ্ছে আন্তর্জাতিক মিডিয়ায়। সেই ধারা অব্যাহত রাখতে হবে কংগ্রেসে নিজেদের লোকজনকে জয়ী করতে। কারিশমার সরল উচ্চারণ, ডোনাল্ড ট্রাম্প পারস্পরিক ঘৃণার বীজ বপন করছেন। একজনকে লেলিয়ে দিচ্ছেন আরেকজনের বিরুদ্ধে। এহেন বাজে অবস্থার অবসানে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।
বাংলাদেশীদের ব্যাপারে আপনার অঙ্গিকার কী-জানতে চাইলে কারিশমা বলেন, বাংলাদেশীদের জন্যে আমার যে কমিটমেন্ট, তা অন্য সকল কম্যুনিটির জন্যেও সমান। কারণ সকলেই মর্যাদা ও সম্মানের অধিকার নিয়ে দিনাতিপাত করতে চান। আপনি কোন দেশ থেকে এসেছেন, কোন জাতিগোষ্ঠি অথবা বর্ণের মানুষ, কোথায় আপনি জন্মেছেন-তা কোন ব্যাপার হতে পারে না। সকল মানুষই যুক্তরাষ্ট্রে বাস করতে চান শান্তি ও সৌহার্দপূর্ণ পরিবেশে জীবন-যাপনের জন্যে, নিজের সুন্দর ভবিষ্যতের পথ সুগম করতে। এমনি প্রত্যাশার মধ্যে নিউইয়র্ক সিটির মেয়র নির্বাচনে বাংলাদেশীরা যে ভ’মিকায় অবতীর্ণ হয়েছিলেন তা সকলকে অভিভ’ত করেছে।
কারিশমা নিজের নির্বাচনী অঙ্গিকারসমূহের ব্যাপারে বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের এমন কিছু সেক্টর রয়েছে যেগুলো (কন্সট্রাকশন, হাসপাতাল, প্রবীনদের সেবা, কৃষি উৎপাদন এবং ভ’মি সংস্কার) অভিবাসীগণের দ্বারা পরিচালিত হচ্ছে। এজন্যে এসব সেক্টরে কর্মরত সকলের মর্যাদাপূর্ণ জীবন-যাপনের পথ সুগম করতে আমি সর্বাত্মকভাবে সচেষ্ট থাকবো। তাদের ন্যূনতম মজুরি বৃদ্ধি, যাদের অভিবাসনের স্ট্যাটাস নিয়ে সমস্যা রয়েছে সেগুলোর অবসান ঘটাতে কাজ করবো। তবে যারা প্রচলিত আইনের প্রতি সম্মান দেখায় না-প্রতিনিয়ত আইন লংঘনের মত আচরণে লিপ্ত-তাদেরকে অবশ্যই কাঠগড়ায় দাঁড় করাতে হবে। তা হতে হবে বিদ্যমান আইন অনুযায়ী। আইন বহির্ভূতভাবে কাউকে গ্রেফতার করা চলবে না এবং গ্রেফতারকৃতদের আত্মপক্ষ সমর্থনের সকল সুযোগ নিশ্চিত করতে হবে। কারিশমা ইমিগ্রেশন এনফোর্সমেন্ট এজেন্ট তথা আইসের বর্তমান আচরণের সমালোচনা করে বলেন, তারা যা করছে তা কোনভাবেই সমর্থনযোগ্য নয়। গ্রেফতারী পরোয়ানা ছাড়াই রাস্তা-ঘাট, কর্মস্থল এমনকি আদালত প্রাঙ্গন থেকেও অভিবাসীদেরকে গ্রেফতার করা হচ্ছে। নিষ্ঠুর আচরণ করা হচ্ছে আইনের শাসনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি প্রদর্শনের মধ্যদিয়ে। এমনকি, গ্রেফতারকৃতদের অজান্তে ভিন্ন দেশে পাঠিয়ে দেয়া হচ্ছে। আবার অনেক মানুষকে মাসের পর মাস ডিটেনশন সেন্টারে রাখা হচ্ছে। এ ধরনের বেআইনী কর্মকান্ড অবশ্যই থামিয়ে দিতে হবে। কারণ, ডোনাল্ড ট্রাম্প এখোন যা করছেন তা মানবতাবিরোধী অপরাধের সামিল। তা আন্তর্জাতিক আইনেরও পরিপন্থি। এজন্যে তাকে রুখে দিতে হবে। আমরা আইনে শাসনে বিশ্বাসী, আইন ভঙ্গ করে আইনের শাসনের সবক দেয়া যায় না।
কারিশমা বলেন, আমরা কান্ডজ্ঞানহীন ইমিগ্রেশন ব্যবস্থাকে চলতে দিতে পারি না। আমরা চাই কমপ্রিহেনসিভ ইমিগ্রেশন পলিসি, যেখানে সীমান্ত এলাকা নিñিদ্র নিরাপত্তায় আসবে। সন্ত্রস্ত পরিস্থিতি থাকবে না সীমান্তে। আমরা সীমান্তে আরো বেশী পুলিশ চাই। বিচারকের সংখ্যা বাড়াতে হবে। কেউ যদি যুক্তরাষ্ট্রে এসে রাজনৈতিক আশ্রয় প্রার্থনা করেন তাহলে আইনী প্রক্রিয়ায় তা বিবেচনার বিদ্যমান পথরেখা চালু করতে হবে।
কারিশমা বলেন, আমি আমেরিকানদেরকে সবসময় সাহস জোগাবো অন্যায়কারিদের বিরুদ্ধে, এবং সকলের জন্যে সমান সুযোগ নিশ্চিত করতে সরব থাকবো।
পিএইচডি ডিগ্রিধারী নারী হিসেবে কারিশমা বিজয়ী হলে তিনি হবেন প্রথম ইউএস সিনেটর এবং নিজ মেধার গুণে সিনেটে বিজ্ঞান-চেতনার প্রভাব খাটিয়ে মার্কিন অর্থনীতিকে শক্তিশালী, জনস্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে নিরাপদ, এবং চিকিৎসা-বিজ্ঞানে আমেরিকাকে এক নাম্বারে রাখতে সক্ষম হবেন বলে অনেকে মনে করছেন।
কারিশমা উল্লেখ করেছেন যে, আমি খেটে খাওয়া পরিবারের মানুষ এবং সেভাবেই বাকিটা জীবন কাটাতে চাই। এজন্যে রাজনীতি ও প্রশাসনকে মুনাফালোভী ব্যবসায়ীগণের নিয়ন্ত্রণ থেকে মুক্ত রাখতে চেষ্টা করবো। আমি সিনেটে আসন গাড়তে চাই কারণ, যুক্তরাষ্ট্রসহ বিভিন্ন দেশে বহুমানুষ অপ্রয়োজনে মৃত্যুর শিকার হচ্ছে। আমরা সকলের জন্যে চিকিৎসা-সহায়তার দিগন্ত অবারিত রাখতে চাই। সকলের জন্যে গৃহায়ন ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে চাই। স্বচ্ছন্দে দিনাতিপাত করতে পারবেন তেমন বেতন-কাঠামো তৈরী করতে চাই। এবং আমাদের পররাষ্ট্র নীতির ভীত হবে শান্তি, জাতীয় নিরাপত্তা, এবং মানবাধিকার নিশ্চিত করার। আর এ ভাবেই আমরা বিশ্বের সত্যিকারের নেতা হিসেবে সম্মানজনক আসনে অধিষ্ঠিত হতে পারবো।
প্রগতিশীল চিন্তা-চেতনার ডেমক্র্যাটদের সংগঠন ‘ওপেন ডেমক্র্যাসি, নিউ হ্যামশায়ার পীচ এ্যাকশন এবং র্যাঙ্ক চয়েস ভোটিং সিস্টেমের সাথে দীর্ঘদিন কাজের অভিজ্ঞাসম্পন্ন কারিশমা বলেন, ১৯ বছর বয়েসী কন্যা এবং ১৬ বছর বয়েসী পুত্র ও স্বামীর সাথে ইক্সেটার সিটিতে বাস করছি এবং মলিক্যুলার বায়োলজি ও বায়োকেমিস্ট্রিতে পিএইচডি গ্রহণের পর আমি নিউরোলজি সম্পর্কিত রোগীদের সেবায় কাজ করছি। কিছুদিন আমি আলঝেইমার রোগের চিকিৎসাও করেছি। সবসময়ই আমি দায়িত্বকে অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে পালন করেছি। মানুষকে রোগ মুক্ত করার মধ্যে যে আনন্দ আর তৃপ্তি-তা প্রকাশের ভাষা আমার নেই। আর এটাই হচ্ছে আমরা সবচেয়ে বড় শক্তি ও সাহস মানুষের পাশে থাকার।
রাজনীতিতে আসতে কোন বিষয়টি আপনাকে সবচেয়ে বেশী অনুপ্রাণীত করেছে? জবাবে মিষ্টভাষী কারিশমা বলেন, চাঁদা প্রদানকারিরাই রাজনীতিতে বড় ফেক্টর। তাদের স্বার্থেই কাজ করেন জনপ্রতিনিধিরা। অবহেলিত থাকেন সাধারণ ভোটারেরা। এলাকার সমস্যার সমাধানের চেয়ে চাঁদাদাতা ব্যবসায়ীগণের স্বার্থকে প্রাধান্য দেন অনেক সিনেটর-কংগ্রেসম্যান-গভর্ণর, এমনকি প্রেসিডেন্টরাও। নিউ হ্যামশায়ারের মত অত্যন্ত ছোট একটি স্টেটের নির্বাচনেও ২০২২ সালের সিনেট পদে একজন প্রার্থীকে ৪৪ মিলিয়ন ডলারের তহবিল গড়তে হয়েছিল। বিপুল পরিমাণের এই অর্থ কোত্থেকে এসেছিল-প্রশ্ন কারিশমার। ১৪ লাখ মানুষের স্টেট হচ্ছে নিউ হ্যামশায়ার। সে অনুযায়ী প্রতিজনকে গড়ে ৪৪ ডলার করে প্রদানের কথা। কিন্তু তা দেখা যায়নি। তাহলে কোত্থেকে এসেছে এই ৪৪ মিলিয়ন ডলার? তা এসেছে বাইরের স্টেট থেকে বিশেষ ফায়দা নিতে বদ্ধপরিকর গোষ্ঠি থেকে। তা এসেছে কাল টাকার থলে থেকে। ঐসব চাঁদাদাতাদের সম্পর্কে তেমন কিছুই জানতে পারেন না চাঁদা গ্রহণকারি। কারিশমা বলেন, ডেমক্র্যাট প্রার্থীকে ভোট দিলেই আপনার দায়িত্ব ফুরিয়ে যায় না। আপনি কাকে ভোট দিচ্ছেন সেটি হচ্ছে মূল দায়িত্ব। আপনাকে ভোট দিতে হবে যিনি এলাকার মানুষের কল্যাণে বদ্ধ পরিকর, সকলের জন্যে চিকিৎসা-সেবার নিশ্চয়তা দেন এবং এমন প্রার্থীকে বেছে নিতে হবে যিনি মোটা অংকের চাঁদার কাছে এলাকাবাসীর স্বার্থকে জলাঞ্জলি দেবেন না। এমন ভাবনা থেকে নিজেই প্রার্থীতা ঘোষণা করেছি।
কারিশমা উল্লেখ করেন, সংবিধানে সকলের অধিকার নিশ্চিতের কথা থাকলেও সামাজিক বৈষম্য কুড়ে কুড়ে খাচ্ছে আমেরিকানদের। বিশ্বের শ্রেষ্ঠ ধনীর তকমা লাগানো আমেরিকার ৩৩ কোটি মানুষের মধ্যে ফুড স্ট্যাম্পের ওপর নির্ভরশীল সাড়ে চার কোটি মানুষ। অর্থনৈতিক বৈষম্য তীব্র আকারের ফলে এহেন অবস্থা তৈরী হয়েছে-যা চাঁদানির্ভর রাজনীতির পরিণতি। নিষ্ঠার সাথে কঠোর শ্রম দিয়েও অনেক মানুষ ন্যায্য পারিশ্রমিক পাচ্ছেন না। অপরদিকে, কিছু মানুষ আছেন যারা মেধা আর শ্রমনির্ভর মানুষকে জিম্মি করছেন। এমন অবিশ্বাস্য সামাজিক বৈষম্য দূর করতে কংগ্রেসকে একেবারেই নির্লোভ মনোভাব নিয়ে ভ’মিকা রাখতে হবে-আর এজন্যেই আমার মত মানুষের ভীষন প্রয়োজন রাজনীতি ও প্রশাসনে।
সামনের বছর ৮ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হবে দলীয় প্রার্থী বাছাইয়ের নির্বাচন। সেই নির্বাচনে জয়ের লক্ষ্যে এখোনই মাঠে নেমেছেন কারিশমা মঞ্জুর। তার বিরুদ্ধে আছেন আরো দু’জন। তবে সকল জরিপে এগিয়ে আছেন কারিশমা। নিউ হ্যামশায়ার থেকে নিউইয়র্কে এসেছেন প্রবাসীসহ দক্ষিণ এশিয়ানদের সমর্থন আদায়ের জন্যে। নির্বাচনী তহবিল যতটা স্ফীত হবে ততোই বিজয়ের পথ ত্বরান্বিত হবে। প্রবাসীরা কারিশমাকে দ্ব্যর্থহীন সমর্থন দিয়েছেন এবং রমজানের পর সম্মিলিতভাবে নিউইয়র্কে একটি তহবিল সংগ্রহের সমাবেশের কথা ভাবছেন। কারণ, এই প্রথম একজন বাংলাদেশী ইউএস সিনেটের নির্বাচনে প্রার্থীতা ঘোষণা করেছেন। কম্যুনিটির বিশিষ্টজনদের সাথে ব্রঙ্কস এবং কুইন্সের তিনটি স্থানে মতবিনিময় সমাবেশে কারিশমা সকলের আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করেছেন। হিলসাইড এভিনিউতে ডাল-চাল রেস্টুরেন্টের পার্টি হলের মতবিনিময় সভায় অন্যান্যের মধ্যে কথা বলেন কম্যুনিটি লিডার মো. শাহজাহান, সমাজ-সেবক আব্দুল কাদের মিয়া, সমাজ-সংগঠক ইঞ্জিনিয়ার মো. ফজলুল হক, নির্মাণ ব্যবসায়ী মো. জাফরউল্লাহ, সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও অধ্যাপক এমিরিটাস এ কে এ মোমেন প্রমুখ। এ সময় নিউ হ্যামশায়ার স্টেট রিপ্রেজেনটেটিভ সুরজ বুদাথোকি ছিলেন কারিশমার সাথে।
Posted ৮:২১ পূর্বাহ্ণ | শনিবার, ১৩ ডিসেম্বর ২০২৫
nyvoice24 | New York Voice 24
এ বিভাগের আরও খবর