আনসার আহমেদ উল্লাহ
প্রিন্ট
মঙ্গলবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৫ সর্বশেষ আপডেট : ১০:১৭ পূর্বাহ্ণ
ইসরায়েল ও হামাসের মধ্যে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার একদিন পর ১১ অক্টোবর শনিবার লন্ডনের কেন্দ্রস্থলে হাজার হাজার মানুষ “গাজায় স্থায়ী শান্তি”র দাবিতে বিক্ষোভে অংশ নেন।
প্যালেস্টাইন সলিডারিটি ক্যাম্পেইন (পিএসসি) আয়োজিত এই বিক্ষোভ মিছিল ভিক্টোরিয়া এমব্যাঙ্কমেন্ট থেকে শুরু হয়ে হোয়াইটহল পর্যন্ত গিয়েছিল। মিছিলটি গাজায় যুদ্ধের দুই বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত হয়। আয়োজকরা এটিকে “দুই বছরের গণহত্যা” বলে উল্লেখ করেন এবং বলেন, যুদ্ধবিরতি হলেও যুক্তরাজ্য সরকারের ওপর চাপ বজায় রাখা জরুরি। “যুদ্ধবিরতি হলেও পরিস্থিতি বদলায়নি। এখন আরও বেশি করে আমাদের যুক্তরাজ্য সরকারকে চাপ দিতে হবে, যেন ইসরায়েল তার গণহত্যা, দখলদারিত্ব ও বর্ণবৈষম্যমূলক শাসন বন্ধ করে,” আয়োজকদের পক্ষ থেকে বলা হয়।
পিএসসির এক বিবৃতিতে বলা হয়, লন্ডনের এই মিছিল প্যালেস্টাইনের জনগণের সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করছে, “যেখানে গণহত্যায় ৬৭০০০-এরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন, যার মধ্যে ১৮০০০ শিশু। গাজার অবকাঠামো ধ্বংস হয়ে গেছে, ৯০% ঘরবাড়ি ধ্বংস, কোনো হাসপাতাল পুরোপুরি সচল নয়, আর লক্ষাধিক মানুষ অনাহারের মুখে।”
যুদ্ধবিরতির খবরে অংশগ্রহণকারীরা স্বস্তি প্রকাশ করলেও, অনেকেই আশঙ্কা প্রকাশ করেন যে এটি টিকবে না। আয়োজকরা বলেন, অতীতের অভিজ্ঞতায় দেখা গেছে ইসরায়েল প্রতিটি যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করেছে এবং পশ্চিমা দেশগুলো, বিশেষত যুক্তরাজ্য, তাদের এতে সহায়তা করেছে।
“এই কারণেই আমাদের মিছিল চালিয়ে যেতে হবে যাতে আমাদের সরকার ইসরায়েলের গণহত্যা, দখল ও বর্ণবৈষম্যের সহযোগিতা বন্ধ করে,” বলেন আয়োজকরা।
নূরুদ্দিন আহমেদ, লন্ডনভিত্তিক সংগঠন বেঙ্গলিজ ফর প্যালেস্টাইন (বিএফপি)’র প্রতিনিধি, বলেন, “এই সংগ্রাম ন্যায়বিচার ও প্যালেস্টাইনের জনগণের অধিকার অর্জনের সংগ্রাম। আমাদের কেউই মুক্ত নই, যতক্ষণ না প্যালেস্টাইনের জনগণ মুক্ত হয়েছেন ।” তার সহকর্মী রাজনউদ্দিন জালাল যোগ করেন, “এই কারণেই আমরা আবারও, শত-সহস্র মানুষ নিয়ে, লন্ডনে মিছিল করছি।”
বিক্ষোভে আরও উপস্থিত ছিলেন সাবেক কাউন্সিলর শহিদ আলী, সৈফুল আলম, আহমেদ ফকর কামা
Posted ১০:১৫ পূর্বাহ্ণ | মঙ্গলবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৫
nyvoice24 | New York Voice 24
এ বিভাগের আরও খবর