নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রিন্ট
সোমবার, ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ সর্বশেষ আপডেট : ৯:০৫ পূর্বাহ্ণ
নিউইয়র্কস্থ ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী যুক্তরাষ্ট্রে ৬ কোটি মানুষের ক্রেডিট কার্ডে দেনার পরিমাণ বেড়ে ১.২১ ট্রিলিয়ন ডলারে উঠেছে। আরো জানা গেছে, গত বছর দেনার দায় বেড়েছে ৪২ বিলিয়ন ডলার অর্থাৎ আগের দেনার সাথে ৭.৩% যোগ হয়েছে। উল্লেখ্য, ক্রেডিট কার্ডের দেনা ট্রিলিয়ন ডলার অতিক্রম করেছে ২০২৩ সালে। ক্রেডিট কার্ডের গতি-প্রকৃতি নিয়ে বিশ্লেষণকারি সংস্থাসমূহের প্রধান ম্যাট স্কাল্্জ এ প্রসঙ্গে গণমাধ্যমে বলেছেন, মুদ্রাস্ফীতির যাতাকলে পড়েছে বিরাটসংখ্যক আমেরিকান। একইসাথে ক্রেডিট কার্ডের সুদের হার গড়পরতা ২০% বৃদ্ধিকেও দায়ী করা হচ্ছে। আর এ বৃদ্ধি ঘটছে চক্রবৃদ্ধি হারে।
ফেডারেল ব্যাংক প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী ১৮ ট্রিলিয়ন ডলারের ঋণ নিয়েছেন আমেরিকানরা। এরমধ্যে বাড়ি-ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের বিপরীতে ১২.৬ ট্রিলিয়ন ডলার, গাড়ি ক্রয়ের জন্যে ১.৬৫ ট্রিলিয়ন ডলার, স্টুডেন্ট লোন ১.৬১ ট্রিলিয়ন ডলার এবং ১.২১ ট্রিলিয়ন ডলার হচ্ছে ক্রেডিট কার্ডের ঋণ। অবশিষ্ট দেনা হচ্ছে ছোট-খাটো সহায়-সম্পদের বিপরীতে। গত বছর পুরনো দেনার সাথে ১১ বিলিয়ন ডলারের সুদ যোগ হয়েছে মর্টগেজ বাবদ। এ সেক্টরের চক্রবৃদ্ধি সুদের হার সবচেয়ে বেশী। ২০২৩ সাল থেকে গত বছর পর্যন্ত এ খাতে বেড়েছে মোট ৩৫৩ বিলিয়ন ডলালের ঋণ। মুদাস্ফীতির কারণে আমেরিকানদের ক্রেডিট কার্ডের দেনা গত বছর বেড়েছে ৭%। এসব কার্ডে বকেয়ার পরিমাণ ৯০ দিনেরও বেশী হওয়ায় চক্রবৃদ্ধি লোনে তার প্রভাব পড়ছে। ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংকের মতে মর্টগেজ খাতে ৫% এবং অন্য সকল প্রকারের ক্রেডিট কার্ডে ১০% দেনা বেড়েছে গত বছর। ৩.৬% দেনা পরিশোধের সময় ৯০ দিনেরও আগে ফুরিয়ে গেছে, তবুও আদায় করা সম্ভব হচ্ছে না ঋণ গ্রহণকারির সক্ষমতা না থাকায়। এ অবস্থায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ শীঘ্রই ব্যাঙ্কক্রাপসী আইনকে আরো সহজ করার কথা ভাবছে বলে শোনা যাচ্ছে। অন্যথায় ঋণ প্রদানকারি সংস্থাসমূহের টিকে থাকাটা অনিশ্চিত হয়ে পড়তে পারে বলে মনে করছেন অর্থনৈতিক বিশ্লেষকরা।
Posted ৯:০৫ পূর্বাহ্ণ | সোমবার, ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৫
nyvoice24 | New York Voice 24
এ বিভাগের আরও খবর