পাইলট প্রোগ্রাম

যুক্তরাষ্ট্রের ট্যুরিস্ট/বিজনেস ভিসা প্রার্থীকে ১৫ হাজার ডলারের বন্ড দিতে হবে

বিশেষ সংবাদদাতা   প্রিন্ট
মঙ্গলবার, ০৫ আগস্ট ২০২৫   সর্বশেষ আপডেট : ৮:৩৬ পূর্বাহ্ণ

যুক্তরাষ্ট্রের ট্যুরিস্ট/বিজনেস ভিসা প্রার্থীকে ১৫ হাজার ডলারের বন্ড দিতে হবে

স্টেট ডিপার্টমেন্ট।

নন-ইমিগ্র্যান্ট তথা ট্যুরিস্ট/বিজনেস ভিসা পাবার পূর্বশর্ত হিসেবে ‘ফেরতযোগ্য নগদ অর্থের বন্ড’ সাবমিট করতে হবে। যে সব দেশের ট্যুরিস্ট/বিজনেস ভিসাধারী অনেকেই যুক্তরাষ্ট্রে এসে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ফিরে যাননি সে সব দেশের ক্ষেত্রে নয়া এই বিধি কার্যকর হবে ২০ আগস্ট থেকে। আর এই পাইলট প্রোগ্রাম চলবে এক বছর পর্যন্ত। ৪ অগাস্ট প্রকাশিত সরকারী গ্যাজেট অনুযায়ী, বন্ডের পরিমাণ হচ্ছে ৫ হাজার ডলার, ১০ হাজার ডলার এবং ১৫ হাজার ডলার করে। সর্বশেষ ২০২৩ সালের পরিসংখ্যান অনুযায়ী এঙ্গোলা, রাইবেরিয়া, মরিতানিয়া, সিয়েরা লিয়ন, নাইজেরিয়া, টগো, জিবুটিতি, বুরুন্ডি, কাবো ভার্দে, বুরকিনা ফ্যাসো, মিয়ানমার, আফগানিস্তান, ইরান, ইরিত্রিয়া, লাউস, সুদান, সিরিয়া, ইয়েমেন, হাইতি প্রভৃতি দেশের নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাধারীর ১০% এর অধিক নিজ দেশে ফিরে যায়নি। এছাড়া, যেসব দেশের এয়ারপোর্টের নিরাপত্তা ব্যবস্থা যুক্তরাষ্ট্রের মানদন্ড অনুযায়ী বিশ্বাসযোগ্য নয় সেসব দেশকেও টার্গেট করা হয়েছে। তবে সে তালিকায় বাংলাদেশ নেই বলে স্টেট ডিপার্টমেন্টের একাধিক সূত্রে এ সংবাদদাতা জানতে পেরেছেন। প্রসঙ্গত: উল্লেখ্য, এর আগের একটি বিধি অনুযায়ী বাংলাদেশ, ভারত, চীন, মেক্সিকো, ব্রাজিল, দক্ষিণ আফ্রিকা, ফিলিপাইনসহ বিভিন্ন দেশের নাগরিকদের যুক্তরাষ্ট্রের ট্যুরিস্ট/বিজনেস ভিসার ফি ২৫০ ডলার করে বাড়ানো হয়েছে । বর্তমানে যে ফি দিতে হচ্ছে তার সাথে ২৫০ ডলার করে যোগ হবে ১ অক্টোবর থেকে। এছাড়া অনলাইনে (‘ইলেক্ট্রনিক সিস্টেম ফর ট্র্যাভেল অথরাইজেশন’) আবেদনের জন্যে বর্তমানের ২১ ডলার ফি থেকে বেড়ে ৪০ ডলার হবে। তবে অস্ট্রেলিয়া, চিলি, ফ্রান্স, কাতার, সিঙ্গাপুর-সহ ৪০টি দেশের নাগরিকদের জন্যে এখোনকার মত নয়াবিধি কার্যকরী হলেও লাগবে না ভিসা ফি।

বন্ডের অর্থ ফেরৎ দেয়া হবে বেধে দেয়া সময়ের মধ্যে নিজ দেশে ফিরে যাবার পর। যারা সে নিয়ম লংঘন করবেন তাদের বন্ডের অর্থ যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা হবে। অর্থাৎ এই অর্থেও সমন্বয় ঘটানো হবে অবৈধভাবে বসবাসরতদের গ্রেফতার ও বহিষ্কারের প্রক্রিয়ায়। স্টেট ডিপার্টমেন্ট জানিয়েছে, কন্স্যুলার অফিসারকে পূর্ণ ক্ষমতা দেয়া হয়েছে বন্ডের পরিমাণ নির্দ্ধারণের জন্যে। আর এটি হবে ৫০০০ অথবা ১০০০০ কিংবা ১৫ হাজার ডলার। উল্লেখ্য, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদের শেষে অর্থাৎ ২০২০ সালের নভেম্বরেও এমন বিধি জারি করা হয়েছিল। কিন্তু সেটি কার্যকর হয়নি করোনা মহামারিতে গোটাবিশ্ব লকডাউনে থাকায়।

হোমল্যান্ড সিকিউরিটি মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে যে, নয়া এই বিধি অনুযায়ী বছরে দুই হাজার ভিসা প্রার্থীর একেক জনকে গড়পরতা ১০ হাজার ডলার করে বন্ড সাবমিট করতে হবে।

ইউএস কাস্টমস অ্যান্ড বর্ডার পেট্রোল প্রটেকশনের তথ্য অনুযায়ী ২০২৩ সালে ভিসার নিয়ম লংঘন করে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করেছেন ৫ লাখের অধিক বিদেশী। এরমধ্যে সবচেয়ে বেশী হচ্ছে কলম্বিয়া-৪০৮৮৪, হাইতি-২৭২৬৯, ভেনিজুয়েলা-২১৫১৩, ব্রাজিল-২০৮১১ এবং ডমিনিকান রিপাবলিক-২০২৫৯ জন।

Facebook Comments Box

Posted ৮:৩৬ পূর্বাহ্ণ | মঙ্গলবার, ০৫ আগস্ট ২০২৫

nyvoice24 |

Address
New York
Phone: 929-799-2884
Email: nyvoice24@gmail.com
Follow Us