নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রিন্ট
শুক্রবার, ৩০ মে ২০২৫ সর্বশেষ আপডেট : ১০:৫৬ পূর্বাহ্ণ
নিউইয়র্ক সিটির মতো পুরো নিউইয়র্ক স্টেটে ঈদের দিন ছুটি ঘোষণা-সহ মোট ৯টি দাবি স্টেট সিনেট ও অ্যাসেম্বলিতে উপস্থাপন করেছে ‘বাংলাদেশি আমেরিকান অ্যাডভোকেসি গ্রুপ’ (বাগ)। ২৭ মে মঙ্গলবার নিউইয়র্কের রাজধানী আলবেনীতে ১১তম মুসলিম এডভোকেসি লেজিসলেটিভ ডে’তে এসব দাবি জানানো হয় অর্ধ শতাধিক স্টেট অ্যাসেম্বলিম্যান ও সিনেটরের সঙ্গে আলোচনায়। ৯ দাবির মধ্যে আটটিই সিনেট ও অ্যাসেম্বালিতে বিল আকারে তোলা হয়েছে। অ্যাডভোকেসি ডে’র সহ আয়োজক হিসেবে ছিল কাউন্সিল অন আমেরিকান ইসলামিক রিলেশনস অব নিউইয়র্ক (কেয়ার)।
বাগের প্রেসিডেন্ট জয়নাল আবেদীনের নেতৃত্বে এ দলে ছিলেন সেক্রেটারি শাহানা মাসুম, ট্রেজারার ইঞ্জিনিয়ার রহিম, পার্লামেন্টারিয়ান মাহতাব খান, উপদেষ্টা জুয়েল এম চৌধুরী, বোর্ড সদস্য সাবুল উদ্দিন, দিলরুবা চৌধুরী ও সামিরা নাজনীন। কমিউনিটি ব্যক্তিত্বের মধ্যে ছিলেন মীর মাসুম আলী, শরফুদ্দিন চিশতী, ড. রফিকুল ইসলাম, ক্যাপ্টেন (রিটায়ার্ড) মোসাব্বির মিয়া, জালালাবাদ এসোসিয়েশেনের প্রচার সম্পাদক ফয়সাল আলম, হোম ওনার্স এসোসিয়েশনের প্রতিনিধি এমডি রহিম, এমডি আলম, এমডি ফিরোজ, নাজরীন সুলতানা, নীলিমা বারী, শিরিন আকতার রাখী। তরুন সদস্যদের মধ্যে ছিলেন সাকিব আবেদীন, আম্মার এলাহী, আফিফ, রোদোয়ানা, সোনিয়া।
এবারের অ্যাডভোকেসি ডে’র হোস্ট ছিলেন অ্যাসেম্বলীম্যান জোহরান মামদানি, চার্লস ফলস, স্টেট সিনেটর জেসিকা র্যামোস, রবার্ট জ্যাকসন। আরোছিলেন ডেভিড ওয়েপ্রিন, অ্যাসেম্বলি মেম্বার ফারা ফরেস্ট।
অনুষ্ঠানের অংশ হিসাবে আলবেনির লেজিসলেটিভ বিল্ডিংয়ের মিলিয়ন ডলার স্টেয়ার কেসে এক সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সংবাদ সম্মেলনে প্রেসিডেন্ট জয়নাল আবেদীন, সেক্রেটারি শাহানা মাসুম, কেয়ারের আফাফ নাসের, মরিয়ম শোয়েব, অ্যাসেম্বলি মেম্বার ডেভিড ওয়েপ্রিন, সিনেটর জেসিকা র্যামোস, রবার্ট জ্যাকসন, অ্যাসেম্বলি মেম্বার ফারা ফরেস্ট, মাহতাব খান, আম্বার এলাহী বক্তব্য রাখেন।
সিনেট ও অ্যাসেম্বলিতে উত্থাপিত দাবির মধ্যে রয়েছে নিউইয়র্ক সিটির মতো পুরো নিউইয়র্ক স্টেট জুড়েই ঈদের দিনে সরকারি ছুটি ঘোষণা করা। এ ঘোষণায় স্টেটের সব স্কুল ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান অন্তর্ভুক্ত করা। নিউইয়র্ক মুসলিম আমেরিকান এডভোকেসি কাউন্সিল গঠন করা। যাতে এ কাউন্সিল স্টেট আইন প্রণেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে মুসলিমদের স্বার্থ রক্ষা করতে পারে। নিউইয়র্কের স্কুল কজেলগুলোতে বাকস্বাধীনতা রক্ষার অধিকার নিশ্চিত করা। যাতে কোন বিষয়ে মতামতের জন্য কোন শিক্ষার্থীকে আইনগত হুমকিতে না পড়তে হয়।
নিউইয়র্কের বিভিন্ন ডিটেনশন সেন্টারের বন্দীরা যাতে ন্যায্য ও সাংবিধানিক সুবিধা পায়। সেজন্য ‘নিউইয়র্ক ডিগনিটি নট ডিটেনশন অ্যাক্ট’র প্রস্তাব করা হয়েছে। স্টেটের সব স্কুলে যাতে ধর্মীয় বৈষম্য না থাকে সেজন্য ‘প্রোটেকশন ফ্রম রিলিজিয়াস ডিসক্রিমিনিশন ইন স্কুল’ বিধি চালুর দাবিও করা হয়। এছাড়া স্কুল ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আঞ্চলিক বৈষম্য নিরসন করা এবং সব অঞ্চেলের মানুষকে শিক্ষায় সমান সুযোগ দিতে হবে। বিশেষ করে মধ্য ও উত্তর আাফ্রিকানদের সুবিধায় অন্তর্ভুক্ত করা। ব্যাংকিংয়ের ক্ষেত্রে যেন মুসলিম বা অন্য কোন ধর্মের ক্ষেত্রে বৈষম্য না হয়। অর্থাৎ বিল অব রাইট প্রতিষ্ঠা করা। যাতে হঠাৎ করে কারো ব্যাংকিং সেবা কেড়ে নেয়া না হয়।
Posted ১০:৫৬ পূর্বাহ্ণ | শুক্রবার, ৩০ মে ২০২৫
nyvoice24 | New York Voice 24
এ বিভাগের আরও খবর