অজিত ভৌমিক
প্রিন্ট
শুক্রবার, ৩০ মে ২০২৫ সর্বশেষ আপডেট : ১০:৫২ পূর্বাহ্ণ
পারিবারিক সুখ, শান্তি, সমৃদ্ধি কল্যাণ ও বিশ^ শান্তির জন্য হরিনাম সংকীর্ত্তন গত রোববার ২৫ মে অনুষ্ঠিত হলো নিউইয়র্ক সিটির জ্যাকসন হাইটসে ওঁম্শক্তি মন্দিরে। হল ভর্তি বিপুল দর্শক সমাগম হয়েছিলো। তিল ধারনের ঠাঁই ছিলোনা। ভক্তদের আনাগোনা ছিল সন্ধ্যা পর্যন্ত।
হায়-হায় নাম কর। কী চাস? চাস কী? সংসার কামিনী, মায়া-কী চা’স? কর্ম, পুত্র-কী চা’স? ছুটে আয়, কীর্ত্তন কর, সব ছেড়ে দিয়ে কীর্ত্তন কর;- কয়েক ঘন্টা মাত্র কীর্ত্তন কর। যা চাস-তাই পাবি। খ্রীষ্টান, বৌদ্ধ, জৈন, ব্রাহ্মণ, চন্ডাল, ধনী, দরিদ্র, রাজা, পর্ণকুটিরবাসী আয়রে সন্তান শোকাতুরা, হরি হরি ব’লে একবার কীর্ত্তনে মেতে পড়। নিমেষে সব মুছে যাবে; না যায় আমি সব নিয়ে যাব। আমি দেবার জন্য এসেছি। আমি পরমাত্মা আমি তোদের ভিতর ফুটে উঠব, তোদের সব মুছে দেব। দ্যাখ কীর্ত্তনটা কি ভালো জিনিস! একাধারে সৎসঙ্গ-সাধনা।
হরিনাম সংকীর্তনে ভক্তরা। ছবি-এনওয়াইভয়েস২৪ডটকম।
কীর্ত্তনে ঢুকতে হলে ঘৃনা, লজ্জা, ভয়, মান, অপমান সব ছেড়ে’ দিতে হয়। গান গা’বি, সব ভাববি ইষ্টদেব। যাহা দেখবি- ‘‘যাঁহা-যাঁহা দৃষ্টি পড়ে, তাঁহা তাঁহা কৃষ্ণ স্ফুরে।” কীর্ত্তনের পরে সন্ধ্যা-আহ্নিক করবি। কীর্ত্তনের আগুন জ¦ালিয়ে দে, ঘরে-ঘরে ধরিয়ে দে, দ্যাখ, সব পাবি। এক কীর্ত্তনে সব পাবি। দ্যাখ, কীর্ত্তন-আগুনে সব ছেয়ে ফেলছে। কীর্ত্তনময় হ’লেই নামময় হ’ল। আবার শ্যামের বাঁশী বেজে উঠবে। আবার ওঁ জেগে উঠবে। হরিনাম করলে সব ভালো হয়ে যায়। রোগ-শোক-পাপ-তাপ কিছু থাকেনা। নামই ব্রহ্ম বলে ধরতে হয়। নামই পরমব্রহ্ম।
Posted ১০:৫২ পূর্বাহ্ণ | শুক্রবার, ৩০ মে ২০২৫
nyvoice24 | New York Voice 24
এ বিভাগের আরও খবর