নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রিন্ট
সোমবার, ১২ মে ২০২৫ সর্বশেষ আপডেট : ৮:২৭ অপরাহ্ণ
ফাইল ছবি
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনগুলোর সব ধরনের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
সোমবার (১২ মে) মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ থেকে এই আদেশ জারি করা হয়।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, বিচার সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত আওয়ামী লীগ, এর অঙ্গসংগঠন, সহযোগী সংগঠন ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনগুলোর রাজনৈতিক, সাংগঠনিক ও প্রচারণামূলক সব কার্যক্রম স্থগিত থাকবে। এ নিষেধাজ্ঞার আওতায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দলটির প্রচার-প্রচারণাও বন্ধ থাকবে।
সরকারি প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, ২০০৯ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত ক্ষমতায় থাকাকালে আওয়ামী লীগ ও তার সহযোগী সংগঠনগুলো নানা মানবাধিকার লঙ্ঘন ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিল বলে অভিযোগ রয়েছে। ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের সময় (২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে) এসব সংগঠনের বিরুদ্ধে গুম, খুন, অগ্নিসংযোগ, গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের তথ্য দেশি-বিদেশি তদন্ত প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।
সরকার জানিয়েছে, এসব ঘটনায় দায়ের করা মামলাগুলোর বিচার চলমান থাকলেও সম্প্রতি দলের নেতাকর্মীরা বিচার প্রক্রিয়ায় বাধা সৃষ্টি করছেন। তারা রাষ্ট্রবিরোধী প্রচারণা, মিছিল, উসকানিমূলক বক্তব্য ও সহিংস তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছেন, যা রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব, নিরাপত্তা এবং আইনের শাসনের জন্য হুমকিস্বরূপ।
প্রজ্ঞাপনে আরো জানানো হয়, ‘সন্ত্রাস বিরোধী আইন, ২০০৯’ এবং ‘সন্ত্রাস বিরোধী (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫’-এর ধারা অনুযায়ী সরকার এই নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। আদেশে দলটির গণমাধ্যম ও সামাজিক মাধ্যমে প্রচারসহ মিছিল, সভা, সমাবেশ, সম্মেলন আয়োজন এবং সকল সংগঠনিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা হয়েছে।’
এদিকে আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধের দাবিতে কয়েকদিন ধরে আন্দোলন চালিয়ে আসছিল জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ও সমমনা রাজনৈতিক দলগুলো। আন্দোলনের প্রেক্ষিতে সরকার গত ১০ ও ১১ মে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনে সংশোধনী এনে এবং সন্ত্রাসবিরোধী অধ্যাদেশ জারি করে এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করে।
সরকার জানিয়েছে, বিচার সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত এই নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকবে এবং পরবর্তীতে পরিস্থিতি বিবেচনায় প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। সৌজন্যে: বিজনেসআই২৪
Posted ৯:৪৮ পূর্বাহ্ণ | সোমবার, ১২ মে ২০২৫
nyvoice24 | New York Voice 24
এ বিভাগের আরও খবর