খতিয়ে দেখা হচ্ছে আবেদনের নথি : দু:স্কর্মে লিপ্তদের ভিসা বাতিলের নির্দেশ

যুক্তরাষ্ট্রে ভিসাধারীর জন্যে চরম দু:সংবাদ

বিশেষ সংবাদদাতা   প্রিন্ট
শুক্রবার, ২২ আগস্ট ২০২৫   সর্বশেষ আপডেট : ১০:৫২ পূর্বাহ্ণ

যুক্তরাষ্ট্রে ভিসাধারীর জন্যে চরম দু:সংবাদ

স্টেট ডিপার্টমেন্ট।

সাড়ে ৫ কোটি ভিসাধারীকেই ভীতির মধ্যে নিপতিত করার পদক্ষেপ নিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। এসব ভিসাধারীরা ভিসার আইন ভঙ্গ করেছেন কিনা কিংবা ভিসা বাতিলযোগ্য অপরাধে জড়িত কিনা তা খুঁজে বের করতে সর্বশেষ গৃহিত পদক্ষেপ অনুযায়ী বৈধ ভিসাধারীদের নথি যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে বলে ২১ আগস্ট বৃহস্প্রতিবার স্টেট ডিপার্টমেন্টের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। এর আগে এক ঘোষণায় যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থ বিরোধী কর্মকান্ডে জড়িত থাকা গ্রীণকার্ডধারী, এমনকি সিটিজেনদের বহিষ্কারের প্রক্রিয়া অবলম্বনের নির্দেশ জারির তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। উল্লেখ্য, গাজায় ইসরায়েলের আগ্রাসী তৎপরতার বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ভার্সিটিসমূহে তুমুল বিক্ষোভের পর আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীগণের ভিসা বাতিলের পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। এখোন সেই পদক্ষেপে যুক্ত করা হলো সকল নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাধারীদেরকেও। ভিসার আবেদনে মিথ্যা তথ্য প্রদান, ভিসা ইস্যুর পর তা বাতিল হবার মত আচরণে লিপ্ত কিংবা ভিসার মেয়াদ ফুরিয়ে গেলেও যুক্তরাষ্ট্র ত্যাগ না করে ভিন্ন কর্মসূচিতে (বিবাহ, এসাইলাম, রিফ্যুজি, নির্যাতিত ভিকটিম) অভিবাসনের মর্যাদার জন্যে আবেদনকারিরা এ পদক্ষেপে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসের অযোগ্য বলে বিবেচিত হবেন অর্থাৎ তাদেরকে বহিষ্কার করা হবে। ফৌজদারি মামলায় অভিযুক্ত/দোষী সাব্যস্ত হওয়া বিদেশীরাও গ্রেফতারের আওতায় আসবে এবং কোন ধরনের প্রোগ্রামে স্থায়ীভাবে বসবাসের আবেদন করে থাকলে সেগুলোও বাতিল বল গণ্য হবে। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, ট্রাম্প প্রশাসন যুক্তরাষ্ট্রের ভঙ্গুর অভিবাসন ব্যবস্থাকে ঢেলে সাজাতে যতটা কঠোর হওয়া দরকার তা অবলম্বন করেছেন। ইতিমধ্যেই সীমান্তকে নিñিদ্র নিরাপত্তার আওতায় আনা হয়েছে। ইমিগ্র্যান্ট/নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা প্রদানের ক্ষেত্রে কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে। নাম পাল্টিয়ে অথবা ঠিকানা বদলকারি অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্ত এবং গ্রেফতারের প্রক্রিয়াকেও ঢেলে সাজানো হয়েছে। অবৈধ/অপরাধী অভিবাসীদের চিহ্নিত ও গ্রেফতারের দায়িত্বপ্রাপ্ত ‘ইমিগ্রেশন এ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট’ তথা আইসে জনবলের যে সংকট ছিল তা পূরণের স্বার্থে অতিরিক্ত বাজেট বরাদ্দ করেছে কংগ্রেস। ফলে নির্বাচনী অঙ্গিকার প্রতিপালনে ট্রাম্প প্রশাসন বিন্দুমাত্র কার্পণ্য করছে না বলে জানা গেছে। উল্লেখ্য, জুলাই পর্যন্ত চলতি বছরের ৭ মাসে এক লাখ ৮০ হাজার অভিবাসীকে গ্রেফতারের পর বহিষ্কার করা হয়েছে। আরো লক্ষাধিক অবৈধ অভিবাসীকে ডিটেনশন সেন্টারে রাখা হয়েছে বহিষ্কারের অপেক্ষায়। এরমধ্যে অনেক গ্রীণকার্ডধারী, এমনকি বহুবছর আগে সিটিজেন হওয়া ব্যক্তিরাও আছেন বলে ইউএসসিআইএস জানিয়েছে। ৩/৪ দশক আগে মামুলি অপরাধে গ্রেফতার হওয়া ব্যক্তিরা পরবর্তীতে গ্রীণকার্ড পেয়েছেন কিংবা সিটিজেনশিপ নিয়েছেন-তারাও চলমান অভিবাসন বিরোধী অভিযানের আওতায় এসেছেন। এহেন অবস্থায় অভিবাসীদের রক্ত-ঘামে গড়া আমেরিকা এখোন কঠোর পরিশ্রমী অভিবাসীদের জন্যে ভীতিকর একটি জায়গায় পরিণত হয়েছে। কেউই স্বস্তিতে নেই।

জানা গেছে, ফেডারেল প্রশাসনের চাপে ইউএসসিআইএস অনেক স্বাভাবিক কাজেও স্বস্তি পাচ্ছে না। সবসময় তাদেরকে তটস্থ থাকতে হচ্ছে নিত্য নতুন বিধি প্রতিপালনে। সর্বশেষ এই নির্দেশ বাস্তবায়নে মনোনিবেশ করার অর্থ হবে অভিবাসনের স্বাভাবিক কাজগুলো আরো স্থবিরতায় আক্রান্ত হওয়া অর্থাৎ ইতিমধ্যেই যেসব আবেদন ১৫/১৬ বছরের ব্যাকলগে পড়েছে, সেগুলো আরো বিলম্বের মুখে পড়বে। কারণ, নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাধারীগণের গতিনিধি যাচাই-বাছাইয়ের প্রক্রিয়াটি খুবই জটিল হবে। নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসায় আগতরা সাধারণত: একই ঠিকানায় বাস করেন না। ফলে তারা কখন কোথায় কী ধরনের অপকর্মে লিপ্ত হচ্ছেন তা খতিয়ে দেখা অসম্ভব না হলেও সময়সাপেক্ষ ব্যাপার বলে সংশ্লিষ্ট মন্তব্য করেছেন। অবৈধ অভিবাসীর অনেকের সন্তান জন্মেছে আমেরিকায়। তারা জন্মগত অধিকারের আওতায় নানা সুযোগ-সুবিধা পাচ্ছে। ঐসব সুবিধার তালিকাভুক্ত হয়েছেন তাদের মা-বাবারাও। যদিও এটি তারা পাবার যোগ্য নন। এমন তথ্যও যাচাই করতে হবে ইউএসসিআইএস অথবা অভিবাসনের অন্য দফতরকে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে সামলাতে হবে ভিসার সময়-সীমা লংঘনকারিদের হদিস উদঘাটনে। এটিও জটিল একটি প্রক্রিয়া। ফলে এসব সেক্টরের স্বাভাবিক কাজকর্মে বিঘœ ঘটবে বলে আশংকা করা হচ্ছে।

স্টেট ডিপার্টমেন্ট তথা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ এই পদক্ষেপ জননিরাপত্তার জন্যে হুমকিস্বরূপ ভিসাধারীদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে। এক্ষেত্রে আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারি বাহিনী এবং অভিবাসন দফতরের রেকর্ড-কে পর্যালোচনা করতে হবে। জানা গেছে, এ বছরের জানুয়ারি থেকে জুলাই পর্যন্ত ভিসা বাতিলের ঘটনা ঘটেছে গতবছরের একই সময়ের দ্বিগুণ। এমন পদক্ষেপকে অনেকে সমালোচনার দৃষ্টিতে দেখলেও ইউএসসিআইএস (ইউনাইটেড স্টেটস ইমিগ্রেশন এ্যান্ড সিটিজেনশিপ সার্ভিস)’র মুখপাত্র ম্যাথিউ ট্র্যাগেসার এক বিবৃতিতে উল্লেখ করেছেন যে, আমেরিকা-বিরোধী কর্মকান্ডে লিপ্তদের সাথে আপসের কোন সুযোগ নেই। জাতীয় নিরাপত্তাকে সবকিছুর উর্দ্ধে রাখতে সংকল্পবদ্ধ ট্রাম্প প্রশাসন।

এদিকে, ট্রাম্প প্রশাসনের অভিবাসন-বিরোধী পদক্ষেপের পরিপ্রেক্ষিতে যুক্তরাষ্ট্রে অবৈধভাবে আগমনের হার এ বছর অনেক কমেছে। সেনসাস ব্যুরোর উদ্ধৃতি দিয়ে পিউ রিসার্চ সেন্টার বৃহস্প্রতিবার জানায়, এ বছরের জানুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসীর সংখ্যা ছিল ৫ কোটি ৩৩ লাখ। অর্থাৎ মোট জনসংখ্যার ১৫.৮%। কিন্তু ৬ মাস পর জুনে তা দাড়িয়েছে ৫ কোটি ১৯ লাখে। অর্থাৎ মোট জনসংখ্যার ১৫.৪% হয়েছে। এ সংখ্যা নবাগতদের যোগ করেই পাওয়া গেছে। অর্থাৎ চলমান গ্রেফতার ও বহিষ্কারের কার্যক্রমে যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসনের সংখ্যা হ্রাস পেয়েছে। পিউ রিসার্চের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালে যুক্তরাষ্ট্রে অবৈধ অভিবাসীর সংখ্যা ছিল এক কোটি ৪০ লাখ। এবং সেটি ছিল সর্বোচ্চ। কারণ, ২০২১ ও ২০২২ সালে প্রেসিডেন্ট বাইডেনের নমনীয় নীতির কারণে ৩৫ লাখের অধিক বিদেশী যুক্তরাষ্ট্রে ঢুকেছে বেআইনীভাবে। চার বছরের ব্যবধানে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের কঠোর মনোভাবের পরিপ্রেক্ষিতে বেআইনীভাবে আগমণে ভাটা পড়েছে। ফলে বর্তমানে অবৈধ অভিবাসীর সংখ্যা কমে এক কোটি ১০ লাখ হয়েছে। হোমল্যান্ড সিকিউরিটি ডিপার্টমেন্টের তথ্য অনুযায়ী চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে জুলাইয়ের মধ্যে বহিষ্কারের পাশাপাশি গ্রেফতারের আতংকে ১৬ লাখের অধিক অবৈধ অভিবাসী যুক্তরাষ্ট্র ত্যাগ করেছে। এরফলে, নিরাপদ জনজীবন, ট্যাক্স প্রদানকারিদের স্বার্থ সুরক্ষা, পাবলিক স্কুল ও হাসপাতালে বৈধ অভিবাসী তথা নাগরিকগণের সুযোগ সুবিধা বেড়েছে।
কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রও প্রসারিত হয়েছে বলে ট্রাম্পের হোমল্যান্ড সিকিউরিটি মন্ত্রী ক্রিস্টি নইম ১৪ আগস্ট এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করেছেন। স্মরণ করা যেতে পারে, গত ২০ জানুয়ারি দ্বিতীয় মেয়াদের প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ গ্রহণের দিন থেকে ১০০ দিনের মধ্যে ডোনাল্ড ট্রাম্প ১৮১টি নির্বাহী আদেশ জারি করেছেন। এরমধ্যদিয়ে বেআইনীভাবে ঢুকে পড়া বিদেশীদের এসাইলাম প্রার্থনার সুযোগ রহিত হয়েছে, যারা আগে করেছেন সেগুলো বাতিলের পর্যায়ে অথবা পর্যালোচনার আওতায় এসেছে। অনেকে গ্রেফতার হয়েছেন পূর্বনির্দ্ধারিত তারিখে ইমিগ্রেশন আদালতে অথবা এসাইলাম অফিসারের সামনে হাজিরার সময়ে। ২০২৩ সালের পর যারা মেক্সিকো সীমান্ত অতিক্রম করে এসাইলামের আবেদন করেছেন তারা চরম ঝুঁকিতে পড়েছেন। কারণ, এ সময়ের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে সীমান্ত পথে আসার আগে তৃতীয় কোন দেশে এসাইলামের আবেদন করা বাধ্যতামূলক ছিল। অনেকে সে রীতি অনুসরণ করেননি। ফলে সে সব আবেদন বাতিল বলে গণ্য হচ্ছে। ইমিগ্রেশন নিয়ে কর্মরত এটর্নীরা বর্তমানের পরিস্থিতিকে একেবারেই অচেনা বলে মন্তব্য করছেন। ফলে এক সময় যারা যুক্তরাষ্ট্রকে নিরাপদ বলে মনে করতেন এখোন হয়েছে তা একেবারেই উল্টো-এ মন্তব্য করেছেন নিউইয়র্কে বহু বছর যাবত অভিবাসন নিয়ে কর্মরত এডভোকেট মোহাম্মদ আলী। তিনি সংশ্লিষ্ট সকলকে পরামর্শ দিয়েছেন অভিজ্ঞ এটর্নীর মাধ্যমে পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণের জন্যে।

এদিকে, নানাবিধ কারণে চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসেই যুক্তরাষ্ট্রের যত নাগরিক কানাডায় শরণার্থী হিসেবে বসবাসের আবেদন করেছেন তা গত বছরের পুরো সময়জুড়ে হওয়া আবেদনের তুলনায় বেশি। বৃহস্পতিবার কানাডার অভিবাসন ও শরণার্থী বোর্ডের দেওয়া তথ্যে এ পার্থক্য দেখা গেছে। তাদের হিসাবে, ২০১৯ সাল থেকে শুরু করে ২০২৪ পর্যন্ত প্রতি বছর যত মার্কিনি আবেদন করেছেন, তার চেয়ে ২০২৫ সালের প্রথমভাগেই বেশি আবেদন জমা পড়েছে। সব মিলিয়ে কানাডায় এখন আশ্রয়প্রার্থীর সংখ্যা প্রায় ৫৫ হাজার, এর মধ্যে মার্কিন আবেদনকারীর সংখ্যা ২৪৫। প্রতিবেশী এ দেশটিতে যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের করা শরণার্থী আবেদন অতীতে খুব একটা গৃহীত হতে দেখা যায়নি। স্থলসীমান্ত দিয়ে যুক্তরাষ্ট্র পেরিয়ে কানাডায় আশ্রয় চাওয়া অন্য দেশের নাগরিকদের ক্ষেত্রে অটোয়া দ্বিপাক্ষিক এক চুক্তির আওতায় ওই আবেদনকারীদের যুক্তরাষ্ট্রেই ফেরত পাঠায়। এক্ষেত্রে তাদের যুক্তি থাকে, আবেদনকারীর উচিত সেই দেশেই আশ্রয় চাওয়া, প্রথম যে ‘নিরাপদ’ দেশে তিনি নেমেছিলেন।

গত বছর কানাডায় আশ্রয় চেয়ে করা আবেদনে ২০৪ জন যুক্তরাষ্ট্রে নিপীড়িত হওয়ার কথা কিংবা সম্ভাব্য নিপীড়নের আশঙ্কার কথা বলেছেন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদেও কানাডায় আশ্রয়প্রার্থী মার্কিনির সংখ্যা বাড়তে দেখা গিয়েছিল।

কেন মার্কিনিরা আশ্রয়ের আবেদন করছে, কানাডার অভিবাসন ও শরণার্থী বোর্ডের তথ্যে তা বলা হয়নি। তবে ৮ জন আইনজীবী গণমাধ্যমকে বলেছেন, অনেক ট্রান্স আমেরিকানই এখন দেশ ছাড়তে চাইছেন বলে তারা শুনতে পাচ্ছেন। প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প ও মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট সম্প্রতি ট্রান্স আমেরিকানদের অধিকার সীমিত করেছে। জেন্ডার সংক্রান্ত চিকিৎসা, সেনাবাহিনীতে নিয়োগ, বাথরুম ব্যবহার, বিভিন্ন খেলায় তাদের অংশগ্রহণে নানান বিধিনিষেধও আরোপ হয়েছে।

শরণার্থী মর্যাদা পেতে হলে, আশ্রয় প্রার্থীকে অবশ্যই যুক্তরাষ্ট্রের কোথাও যে তার জন্য নিরাপদ নয়- কানাডার অভিবাসন ও শরণার্থী বোর্ডকে তা বিশ্বাস করাতে হবে। কানাডার এ বোর্ড সম্প্রতি হিউম্যান রাইটস ওয়াচের মতো কিছু মানবাধিকার গোষ্ঠীর নথি বিবেচনায় নিয়েছে, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রে এলজিবিটিকিউ ব্যক্তিদের সঙ্গে আচরণ খতিয়ে দেখা হয়েছে। অভিবাসন ও শরণার্থী বোর্ড এসব নথিকে দেশভিত্তিক পরিস্থিতি সংক্রান্ত জাতীয় নথি প্যাকেজে অন্তর্ভুক্ত করেছে।

এ প্রসঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের হোমল্যান্ড সিকিউরিটি মন্ত্রণালয়ের এক মুখপাত্র বলেছেন, যে মার্কিন নাগরিকরা কানাডায় শরণার্থী মর্যাদা চেয়েছে তারা ‘সত্যিকারের আতঙ্ক ও নিপীড়নের মুখে থাকা’ ব্যক্তিদের জন্য জায়গা খালি করবেন।

Facebook Comments Box

Posted ১০:৫২ পূর্বাহ্ণ | শুক্রবার, ২২ আগস্ট ২০২৫

nyvoice24 |

Address
New York
Phone: 929-799-2884
Email: nyvoice24@gmail.com
Follow Us