অনলাইন ডেস্ক
প্রিন্ট
রবিবার, ২৩ মার্চ ২০২৫ সর্বশেষ আপডেট : ২:০৭ অপরাহ্ণ
ছবি সংগৃহীত
আওয়ামী লীগ নেতা তাজউদ্দীন আহমদসহ সত্তরের নির্বাচনে বিজয়ী চার শতাধিক রাজনীতিবিদের বীর মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে স্বীকৃতি বাতিল করা হয়েছে। তাদের পরিচয় এখন ‘মুক্তিযুদ্ধের সহযোগী’ হিসেবে চিহ্নিত হবে। এ সিদ্ধান্তে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন তাজউদ্দীন আহমদের ছেলে সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী সোহেল তাজ। রোববার (২৩ মার্চ) তিনি এক ফেসবুক পোস্টে এ ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
জানা গেছে, বিদ্যমান জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল (জামুকা) আইন সংশোধনের চূড়ান্ত খসড়ায় এ প্রস্তাব করা হয়েছে। জামুকার ৯৪তম সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী গত ১০ মার্চ এ-সংক্রান্ত রেজুলেশনে স্বাক্ষর করেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক উপদেষ্টা ফারুক-ই-আজম।
সোহেল তাজ ফেসবুক পোস্টে উল্লেখ করেন, ‘জিয়াউর রহমানের মতো একজন বীর মুক্তিযোদ্ধার বীর উত্তম খেতাব বিগত আওয়ামী লীগ সরকার প্রত্যাহার করেছিল। সেটিও শেষ পর্যন্ত ধোপে টেকেনি।” তিনি প্রশ্ন তোলেন, “নতুন ইতিহাস ও সংজ্ঞা নির্ধারণের নেপথ্যে যদি কোনো খারাপ উদ্দেশ্য থাকে, সেটি জনগণ প্রত্যাখ্যান করবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘গত ২১ মার্চ ‘মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি থাকছে না শেখ মুজিবসহ চার শতাধিক নেতার’ শিরোনামে প্রকাশিত খবরের অর্থ কি? বঙ্গবন্ধু ও তাজউদ্দীনের মতো নেতারা মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন না? তাদেরকে ‘সহযোগী মুক্তিযোদ্ধা’ বলার মধ্য দিয়ে কি তাদের সম্মান বাড়ানো হচ্ছে নাকি অসম্মানিত করা হচ্ছে?’
সোহেল তাজ বলেন, ‘১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধটি বঙ্গবন্ধুর নামে এবং তাজউদ্দীনের নেতৃত্বে পরিচালিত হয়েছে। সুতরাং, যাদের নেতৃত্বে মুক্তিযুদ্ধ হলো, তারা মুক্তিযোদ্ধা নন বরং সহযোগী মুক্তিযোদ্ধা—এমন ধারণা বিপজ্জনক।’
তিনি আরও বলেন, ‘মুক্তিযোদ্ধা মানেই যে তাকে অস্ত্র নিয়ে শত্রুর দিকে গুলি ছুড়তে হবে তা নয়। ১৯৭০ সালের নির্বাচনের বিজয়ী জাতীয় ও প্রাদেশিক পরিষদের সদস্যরা মুক্তিযুদ্ধে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে অংশ নিয়েছেন। তাদের সকলেই মুক্তিযোদ্ধা।’
সোহেল তাজের এই মন্তব্যগুলো দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে নতুন বিতর্কের জন্ম দিতে পারে, বিশেষ করে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ও মুক্তিযোদ্ধাদের স্বীকৃতির বিষয়টি নিয়ে।
Posted ১০:০৩ পূর্বাহ্ণ | রবিবার, ২৩ মার্চ ২০২৫
nyvoice24 | New York Voice 24
এ বিভাগের আরও খবর