নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রিন্ট
বৃহস্পতিবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫ সর্বশেষ আপডেট : ৯:২৩ পূর্বাহ্ণ
ঢাকার আদালতে এক সাংবাদিকের ওপর বিএনপি-জামাতী এডভোকেটদের হামলার ঘটনা ঘটে বিচারকের সামনেই।
যেই লাউ সেই কদু। বৈষম্য কাহাকে বলে, কত প্রকার এবং কি কি? তা এখোন হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছেন বাংলাদেশীরা। শেখ হাসিনার আমলে যতটা বৈষম্য হয়েছে, তার হাজার গুণ বেশী বৈষম্য এখোন চলছে। বৈষম্যের জের হিসেবে চাকরি থেকে বরখাস্ত অথবা পদোন্নতি আটকে থাকতো শেখ হাসিনার আমলে-এমন অভিযোগ ছিল। আর এখোন বৈষম্য চলছে নিয়োগ এবং বরখাস্তের মাধ্যমে। আইনের শাসন নেই বলে ‘ফ্যাসিস্ট’র দোসর আখ্যা নিয়ে মোটা অংকের চাঁদা দাবি করা হচ্ছে ব্যবসায়ী-শিল্পপপতিগণের কাছে থেকে। এলাকার ধনাঢ্য কৃষক অথবা ঠিকাদাররাও চাঁদা দিতে বাধ্য হচ্ছেন। না দিলেই কথিত হত্যা মামলায় জড়ানো হচ্ছে এবং ইতিমধ্যেই হাজারো ঘটনা ঘটেছে চাঁদা না পেয়ে চাঁদাবাজরাই মারধরের পর পুলিশে সোপর্দ করেছে সহজ-সরল মানুষকে। এরপর হত্যা মামলায় নাম উঠানো হয় স্থানীয় চাঁদাবাজ (জঙ্গি গ্রুপ)দের ইঙ্গিতে। শুধু তাই নয়, কল্পিত হত্যা মামলায় গ্রেফতারকৃতদের আদালতে হাজির করার পর বিচারপতির সামনেই বিএনপি-জামাতের জঙ্গিরা হামলা করছে। বিএনপি-জামাত-শিবিরের লেবাসধারী এডভোকেটরাও আদালতে সাংবাদিকের ওপর হামলে পড়ছে। কিন্তু বিচারক কোন পদক্ষেপ নিচ্ছেন না। এমন জঘন্য ঘটনাবলি চলছে বলে ইতিমধ্যেই অনেকে বলতে শুরু করেছেন যে, শেখ হাসিনার আমলেই ভালো ছিলাম।
গণমাধ্যমের স্বাধীনতার নাম-নিশানা নেই বাংলাদেশে। শেখ হাসিনার আমলে ডিজিডিএফআই অথবা এনএসআই অফিসের বড় কর্তারা মাঝেমধ্যে গণমাধ্যমে ফোন করতেন। বিশেষ ইস্যুতে দিক-নির্দেশনার চেষ্টা করেছেন। কিংবা কখনো কখনো জোরালো ভাষায় অনুরোধ করেছেন কোন কোন সংবাদ প্রকাশ না করার জন্যে। আর এখোন ডিজিডিএফআই অথবা এনএসআইয়ের বালাই নেই। টোকাইরা ‘সমন্বয়কারি’ পরিচয় দিয়ে গণমাধ্যমে হুমকি-ধমকি দিচ্ছে। আর এই সমন্বয়কারি নামক চিজগুলোর সাথে থাকে মাস্তান-সন্ত্রাসীরা। কথা না শুনলেই পত্রিকা অফিসে হামলা করা হচ্ছে। অর্থাৎ রামরাজত্ব চলছে গোটা বাংলাদেশে। গুটিকতক চাঁদাবাজ-ধান্দাবাজ-সন্ত্রাসী ছাড়া স্বস্তিতে নেই কেউই। এমনকি বিএনপি-জামাতের মডারেট সদস্যরাও অস্বস্তিতে দিনাতিপাত করছেন। আর এজন্যেই সকলে অধীর আগ্রহে রয়েছেন জঙ্গি সরকারের দ্রুত পতনের।
Posted ৯:২৩ পূর্বাহ্ণ | বৃহস্পতিবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫
nyvoice24 | New York Voice 24
এ বিভাগের আরও খবর