অনলাইন ডেস্ক
প্রিন্ট
শনিবার, ২৯ নভেম্বর ২০২৫ সর্বশেষ আপডেট : ৮:৩১ পূর্বাহ্ণ
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, বিগত ফ্যাসিস্ট সরকার দেশের অর্থনীতি ও রাষ্ট্র পরিচালনায় এক বৈষম্যমূলক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করেছিল, যেখানে মাফিয়া ও লুটেরা শ্রেণিই ক্ষমতায় ছিল। এর ফলে সাধারণ মানুষের মৌলিক অধিকার এবং আকাঙ্ক্ষা বারবার উপেক্ষিত হয়েছিল। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সমাজের বৃহত্তর জনগণের মধ্যে সহযোগিতার সৃষ্টি হয়েছে, যার ফলস্বরূপ জুলাই অভ্যুত্থান সংগঠিত হয়। এটি ছিল একটি বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন, যেখানে তরুণরা তাদের ন্যায্য পাওনা এবং আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নের জন্য সংগ্রাম করেছিল। সাধারণ মানুষের আকাঙ্ক্ষা উপেক্ষিত হলে নতুন অভ্যুত্থান হতে পারে।
রাজধানীর ঢাকার প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে শনিবার চতুর্থ বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। সম্মেলনের আয়োজন করে ‘দৈনিক বণিক বার্তা’।
নাহিদ ইসলাম বলেন, এই আন্দোলন রাজনৈতিকভাবে গণঅভ্যুত্থান হিসেবে পরিগণিত হলেও, এর পেছনে ছিল জনগণের সার্বিক উন্নতির জন্য একটি গভীর আকাঙ্ক্ষা।
তিনি বলেন, বর্তমানে দুটি বড় চ্যালেঞ্জ রয়েছে—একটি হলো কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং দ্বিতীয়টি হলো মেট্রোপলিটন শহরগুলোর উঠতি মধ্যবিত্তের জীবন-জীবিকার সুরাহা। স্বাস্থ্য, শিক্ষা এবং মৌলিক সেবার ন্যায্য চাহিদা পূরণ করা অপরিহার্য।
এনসিপি আহ্বায়ক বলেন, নতুন রাষ্ট্রীয় বন্দোবস্তে নগরের গণপরিবহন, তরুণদের কর্মসংস্থান এবং উদ্যোক্তা উন্নয়নে বিশেষ মনোযোগ দিতে হবে।
প্রবাসীদের দেশের উন্নয়নে রাজনৈতিকভাবে যুক্ত হওয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, প্রবাসীরা দেশের উন্নয়নে যুক্ত হতে চান, তবে ন্যায়ভিত্তিক অর্থনীতি গড়ে তোলা না হলে, উন্নয়ন সম্ভব হবে না। সুশাসন ও দুর্নীতি দমন ছাড়া কোনো উন্নয়নই স্থায়ী হবে না।
নাহিদ ইসলাম বলেন, যদি সমাজে ফ্যাসিবাদী মনোভাব বিদ্যমান থাকে, তাহলে বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করা সম্ভব হবে না। স্থায়িত্ব না থাকলে সংস্কার এবং উন্নয়ন দীর্ঘস্থায়ী হবে না।
তিনি বলেন, পাচারকৃত অর্থ ফেরত আনার উদ্যোগ চলছে। এভাবেই আমরা দেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি পুনরুদ্ধারে সচেষ্ট থাকবো।
Posted ৮:৩১ পূর্বাহ্ণ | শনিবার, ২৯ নভেম্বর ২০২৫
nyvoice24 | New York Voice 24
এ বিভাগের আরও খবর