Blog

  • রাজনীতিতে স্লোগান নয়, মেধা ও বুদ্ধির প্রতিযোগিতা চলছে: ফখরুল

    রাজনীতিতে স্লোগান নয়, মেধা ও বুদ্ধির প্রতিযোগিতা চলছে: ফখরুল

    দেশের বর্তমান রাজনীতিতে স্লোগান নয়, বরং মেধা ও বুদ্ধির প্রতিযোগিতা চলছে বলে জানিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

    তিনি বলেছেন, এখন রাজনীতিতে যে প্রতিযোগিতা চলছে, এটি কিন্তু স্লোগান দেওয়ার প্রতিযোগিতা নয়। এখন কিন্তু মেধা এবং বুদ্ধির প্রতিযোগিতা। সোশ্যাল মিডিয়ায় কে কেমন লিখতে পারেন, কে কেমন কথা বলতে পারেন, তার প্রতিযোগিতা চলছে। এ বিষয়গুলো আমাদের মাথায় রাখতে হবে। শুধু স্লোগান দিয়ে সামনের যুদ্ধ জয় করতে পারবো না।

    সোমবার (২০ জানুয়ারি) গুলশান কার্যালয়ে দলের ‘প্রাথমিক সদস্যপদ নবায়ন’ কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চুয়ালি যোগ দেন দলটির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

    মির্জা ফখরুল বলেন, যারা সদস্য ছিলেন তাদের পদই নবায়ন হবে। এ নবায়ন ফরমগুলো জেলা, উপজেলা, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ে যাবে। এক্ষেত্রে আমাদের সাংগঠনিক ও সহ-সাংগঠনিক সম্পাদককে এই কাজ নিশ্চিত করতে হবে। এটি করা গেলে আমরা এক মাসের মধ্যে তৃণমূলে পৌঁছে যেতে পারবো। এক্ষেত্রে সদস্যদের জানাতে হবে, আপনার সদস্যপদ নবায়ন হচ্ছে। যদি তিনি না জানেন তবে আগ্রহ হারাবেন।

    এক্ষেত্রে অভিজ্ঞতা শেয়ার করে তিনি বলেন, অতীতে যেটা হয়েছে, বিশেষ করে আমাদের যারা এমপি পদপ্রার্থী, তারা সবগুলো কিনে নিয়ে চলে গেছেন। এই জিনিসটা খেয়াল রাখার পরামর্শ দেন তিনি।

    ‘এটি যেন সাংগঠনিকভাবেই যায়। যারা এমপি পদপ্রত্যাশী তারা যেন আবার সেগুলো নিয়ে চলে না যায়।’

    বিএনপি মহাসচিব বলেন, আমাদের প্রশিক্ষণের প্রয়োজন আছে খুব বেশি। নেতাকর্মীরা কেন জানি না রাজনীতি থেকে দূরে সরে যাচ্ছেন।

    গতকাল রোববার দলের প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের মাজারে কিছু কর্মীর স্লোগানের সমালোচনা করে তিনি বলেন, এটি রাজনীতি না। কোনো রাজনৈতিক কর্মীর মুখ থেকে এ ধরনের স্লোগান আসা উচিত নয়। এটি রাজনীতির কত বড় দেউলিয়াপনা হতে পারে তা এখান থেকে বোঝা যায়। এ জায়গাটাতে আমাদের একটা চরম দৈন্যতা আছে। এখান থেকে আমাদের বেরিয়ে আসা উচিত। এক্ষেত্রে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান উদ্যোগ নেবেন বলে নিজের বিশ্বাসের কথা জানান তিনি।

    মির্জা ফখরুল বলেন, প্রতিটি জেলা-উপজেলায় রাজনৈতিক প্রশিক্ষণ খুব জরুরি। কিভাবে বক্তৃতা করতে হবে, কিভাবে একটা সভা চলে, কিভাবে উপস্থাপনা করবেন, এড্রেস কিভাবে করবেন- এই জিনিসগুলোর খুব বেশি প্রয়োজন।

    বিএনপি মহাসচিব আরও বলেন, সত্যিকার অর্থে আমাদের একটি রাজনৈতিক দল তৈরি করা দরকার। একটি পলিটিক্যাল পার্টি তৈরি করা দরকার। আমাদের এখন সত্যিকার অর্থেই একটি আদর্শিক রাজনৈতিক দলে পরিণত হতে হবে।

    তিনি বলেন, সামনে যখন আমরা দলে রিক্রুট করবো তখন যেন ভালো ও মেধাবী মানুষদের সদস্য করি। দল যেন সামনে আরও শক্তিশালী হয়।

    Facebook Comments Box
  • অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতি সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করলো যুক্তরাষ্ট্র

    অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতি সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করলো যুক্তরাষ্ট্র

    ঢাকায় যুক্তরাষ্ট্রের ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূত ট্র্যাসি এন জ্যাকবসন বাংলাদেশে উন্নয়ন এবং সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলাসহ বিভিন্ন বিষয়ে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রতি তার দেশের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেছেন।

    সোমবার (২০ জানুয়ারি) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে তিনি বলেন, আমরা একটি জাতি হিসেবে আপনাদের সরকারকে বিভিন্ন বিষয়ে সহায়তা করতে প্রস্তুত।

    প্রধান উপদেষ্টা চলমান সংস্কার উদ্যোগ, জুলাই ঘোষণাপত্র নিয়ে রাজনৈতিক ঐকমত্য গড়ে তোলার প্রচেষ্টা এবং পরবর্তী সাধারণ নির্বাচন পরিকল্পনা সম্পর্কে আলোচনা করেন।

    জুলাই ঘোষণাপত্র প্রসঙ্গে প্রধান উপদেষ্টা জানান, তিনি ফেব্রুয়ারির শুরুর দিকেই রাজনৈতিক দলগুলোর কাছ থেকে ঐকমত্যের প্রত্যাশা করছেন।

    জুলাই ঘোষণাপত্র বিষয়ে তিনি বলেন, এ পর্যন্ত আমি কোনো ভিন্ন মত শুনিনি। তিনি জুলাই ঘোষণাপত্র বিষয়ে ঐকমত্য গড়ে তোলার রাজনৈতিক প্রক্রিয়াকে ‘কঠিন’ উল্লেখ করে বলেন, প্রস্তাবিত ঘোষণাপত্রের মূল বিষয়বস্তু হবে ‘ঐক্য’।

    প্রধান উপদেষ্টা বলেন, সরকার শুধু একটি সুবিধাদাতা ভূমিকা পালন করবে। আমার কাজ হচ্ছে ঐকমত্য গড়ে তোলা। আমি কোনো ধারনা চাপিয়ে দিচ্ছি না।

    তিনি বলেন, একবার রাজনৈতিক দলগুলো সংস্কার প্রস্তাবের বিষয়ে একমত হলে, সরকার তাদের তা স্বাক্ষর করার অনুরোধ করবে, যেন একটি ‘জুলাই চার্টার’ গড়ে তোলা যায়।

    ‘আমরা জানি না বিষয়বস্তুতে অনেক কিছু থাকবে, নাকি কিছু বিষয় থাকবে’- মার্কিন কূটনীতিককে বলেন তিনি।

    ড. ইউনূস আরও বলেন, এটি কঠিন কাজ, আমাদের রয়েছে বিভিন্নমুখী মতামত। তবে প্রক্রিয়াটি শুরু হয়েছে। একবার স্বাক্ষরিত হলে আমাদের রাজনীতি জুলাই চার্টারের ওপর ভিত্তি করে চলবে।

    এসময় রাষ্ট্রদূত ট্র্যাসি এন জ্যাকবসন কয়েকজন সাংবাদিক গ্রেফতার এবং ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে সহিংসতার কিছু রিপোর্ট নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন।

    তখন প্রধান উপদেষ্টা বলেন, তার সরকার দেশের প্রত্যেক নাগরিকের জন্য ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

    ঘণ্টাব্যাপী এ বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা এবং রাষ্ট্রদূত ট্র্যাসি এন জ্যাকবসন বাংলাদেশের সঙ্গে প্রতিবেশী দেশগুলোর সম্পর্ক, রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে অগ্রগতি এবং মিয়ানমারের নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করেন।

    প্রধান উপদেষ্টা বলেন, বাংলাদেশ তার প্রতিবেশীদের সঙ্গে সম্পর্ককে মূল্যায়ন করে। এই ধারণা থেকেই সার্ক সৃষ্টি হয়েছিল এবং আমরা এর উদ্ভাবক।

    সার্ক পুনরুজ্জীবিত করার সাম্প্রতিক উদ্যোগ এবং এটিকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের মতো একটি প্ল্যাটফর্মে রূপান্তরিত করার পরিকল্পনার কথা উল্লেখ করেন তিনি। উপস্থিত ছিলেন।

    Facebook Comments Box
  • অগ্রাধিকারে অর্থনীতির উন্নয়ন, মুদ্রাস্ফীতি হ্রাস এবং অপরাধ দমন: যুুব আমেরিকানরা ট্রাম্প প্রেসিডেন্সিতে খুবই আশাবাদী

    অগ্রাধিকারে অর্থনীতির উন্নয়ন, মুদ্রাস্ফীতি হ্রাস এবং অপরাধ দমন: যুুব আমেরিকানরা ট্রাম্প প্রেসিডেন্সিতে খুবই আশাবাদী

    দ্বিতীয় মেয়াদে প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের শাসনের ব্যাপারে সবচেয়ে বেশী আশাবাদি যুবসমাজ। আর সবচেয়ে বেশি হতাশা প্রকাশ করেছেন ৬৫ বছরের উর্দ্ধ বয়সীরা। সিবিএস এবং ইউগভ পরিচালিত জরিপে এমন মনোভাব প্রকাশিত হয়েছে। সোমবার ৪৭তম প্রেসিডেন্ট হিসেবে ট্রাম্পের শপথ গ্রহণের প্রাক্কালে প্রকাশিত এ জরিপে অংশগ্রহণকারি ১৮ থেকে ২৯ বছর বয়েসী যুব সমাজের ৬৭% বলেছেন যে, ট্রাম্প প্রেসিডেন্সিকে তারা স্বাগত জানাচ্ছেন এবং খুবই উৎসাহবোধ করছেন সামনের চারটি বছর নিয়ে। আর সকল বয়েসী আমেরিকানের ৬০% এর মধ্যে ট্রাম্প প্রেসিডেন্সি নিয়ে এমন উচ্ছ্বাসের প্রকাশ ঘটেছে। তবে সিনিয়র সিটিজেন তথা ৬৫ বছরের অধিক বয়সীর সিংহ ভাগেরই হতাশা প্রকাশিত হয় বলে জরিপ পরিচালনাকারিরা উল্লেখ করেছেন। গত চার বছরে বাইডেনের দুর্বল শাসনামলের অস্থিরতা কাটিয়ে সুন্দরভাবে দিনাতিপাতের অভিপ্রায়ে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি, নিরাপত্তা এবং বিচক্ষণতার যুগে নিয়ে যাবার অঙ্গিকারে ২০ জানুয়ারি সোমবার কনকণে ঠান্ডার মধ্যেও লাখো আমেরিকানের উচ্ছ্বল উপস্থিতিতে ৪৭তম প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নিলেন ডনাল্ড ট্রাম্প।

    ট্রাম্পের শপথ অনুষ্ঠানে যুবদলের নেতা এম এ বাতিন (সর্ববামে)। ছবি-এনওয়াই ভয়েস২৪।

    উল্লেখ্য, ‘ব্ল্যাক লাইভস ম্যাটার্স’ স্লোগানে চার বছর আগে সমগ্র আমেরিকায় যারা ট্রাম্প-বিরোধী মনোভাবকে জাগ্রত করেছিলেন, জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে ট্রাম্পের হেলাফেলাকে যারা সহ্য করতে না পেরে রাজপথে তুমুল আন্দোলন রচনা করেছিলেন, চার বছরের ব্যবধানে সেই জনগোষ্ঠির মধ্যে ট্রাম্প-প্রশাসন নিয়ে কেন এমন পরিবর্তন? এ প্রসঙ্গে সাবেক প্রতিরক্ষা মন্ত্রী মার্ক এ্যাসপার বলেছেন, প্রথম মেয়াদে ট্রাম্প এমন আন্দোলন দমনে পুলিশী ক্ষমতা প্রয়োগের হুমকি দিয়েছিলেন। আর এখোন যুব সমাজে বিশ্বাস আর আস্থা জন্মেছে যে, ট্রাম্পই তাদের সুন্দর দিনাতিপাতের পথ সুগমে অধিকতর অবদান রাখতে সক্ষম হবেন। একই প্রত্যাশা জোরালো হওয়ায় সর্বশেষ নির্বাচনে হিসপ্যানিক পুরুষ ভোটারের অধিক পেয়েছেন ডনাল্ড ট্রাম্প। শুধু তাই নয়, ডেমক্র্যাটদের কৃষ্ণাঙ্গ ভোট ব্যাংকেও চির ধরাতে সক্ষম হয়েছেন ডনাল্ড ট্রাম্প।

    যুব সমাজের মধ্যে ট্রাম্পের আশা জাগানিয়া বক্তব্য-বিবৃতিও প্রভা ফেলেছে বলে জরিপ পরিচালনাকারিরা মনে করছেন। সারা আমেরিকায় প্রাপ্ত বয়স্কদের মধ্যে পরিচালিত এ জরিপে আরো উদঘাটিত হয়েছে যে, ২০২০ সালে বাইডেনের প্রতি যে জনপ্রিয়তা ছিল, তার চেয়ে ২% বেশী জনপ্রিয়তা দেখা গেল এবার ট্রাম্পের প্রতি। জরিপে আরো দৃশ্যমান হয় যে, সামনের চার বছর ভোটারের সবচেয়ে বেশী অগ্রাধিকারের তালিকায় রয়েছে অর্থনীতির সমৃদ্ধি, মুদ্রাস্ফীতি হ্রাসে সর্বশক্তি নিয়োগ এবং অপরাধ দমনে যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ। জরিপে অংশগ্রহণকারিদের ৭৪% মনে করছেন যে, খাদ্য-সামগ্রিসহ নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য হ্রাসে ট্রাম্পের পদক্ষেপ সুফল আনবে। মাত্র ৩৯% মনে করেছেন যে দ্রব্যমূল্য তেমনভাবে হ্রাস পাবে না। অধিকন্তু ৩৭% এর ধারণা নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্য আরো বাড়তে পারে।

    Facebook Comments Box
  • শুরু হলো ধর-পাকড়ের ঢালাও অভিযান: অবৈধ অভিবাসীদের সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ

    শুরু হলো ধর-পাকড়ের ঢালাও অভিযান: অবৈধ অভিবাসীদের সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ

    নির্বাচনী অঙ্গিকার অনুযায়ী ২০ জানুয়ারি প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প ক্ষমতা গ্রহণের দিনই যুক্তরাষ্ট্র থেকে অবৈধ অভিবাসী তাড়ানোর কাজ শুরু করলেন। আর এ অভিযাত্রার সূচনা ঘটালেন ভার্জিনিয়া স্টেটের ফল্সচার্চ থেকে গ্রেফতারকৃত এক ব্যক্তিকে মেক্সিকো-তে পাঠিয়ে দেয়ার মধ্যদিয়ে। সোমবার ভোর রাতের মধ্যেই শিকাগো, লসএঞ্জেলেস, মিশিগানের ডেট্রয়েট, পেনসিলভেনিয়ার ফিলাডেলফিয়া, নিউইয়র্ক এবং বস্টন সিটিতে আইস’র (ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট) এজেন্টরা গুরুতর অপরাধে লিপ্ত অবৈধ অভিবাসী গ্রেফতারের অভিযান শুরু করেছে। নানা অপরাধে দোষী সাব্যস্ত অথবা মামলায় অভিযুক্ত ৬ লাখ ৬০ হাজার অবৈধ অভিবাসীর তালিকা নিয়ে মাঠে নেমেছে আইসের ৬ হাজার এজেন্ট। ইউএস অভিবাসন দফতরের তথ্য অনুযায়ী, এ সময়ে সিটিজেনশিপ-স্ট্যাটাস নেই এমন ৭৬ লাখ অভিবাসীর ওপর গভীর নজরদারি থাকবে। ট্রাম্পের নীতি-নির্দ্ধারকেরা জানিয়েছেন, দক্ষিণের সীমানা দিয়ে একজনকেও বেআইনীভাবে ঢুকতে না দেয়ার রেড এলার্ট কার্যকর করা হয়েছে। যদি কেউ সীমান্ত রক্ষীদের দৃষ্টি এগিয়ে প্রবেশের চেষ্টা করে তবে তাকে গ্রেফতারের পরই মেক্সিকো-তে পাঠিয়ে দেয়া হবে। এ নিয়ে কালক্ষেপণের কোনই অবকাশ নেই।

    অভিবাসন দফতরের তথ্য অনুযায়ী, সারা আমেরিকায় অবৈধ অভিবাসীদের ডিটেনশন সেন্টারে সর্বমোট ৪১ হাজার ৫০০ বেডের একটিও খালি নেই। অর্থাৎ ট্রাম্পের ইচ্ছার পরিপূরক পদক্ষেপ গৃহিত হবার পর তাকে শতভাগ সফল করতে গ্রেফতারের পরই বহিষ্কারের বিকল্প নেই। বহিষ্কারে বিলম্ব হলেই গ্রেফতারকৃতরা আইনগত লড়াইয়ের সুযোগ পারে এবং একবার কোর্টে যাবার অর্থ হবে মাসের পর মাস ডিটেনশন সেন্টার অথবা কারাগারে রেখে ট্যাক্স প্রদানকারীদের অর্থ সাবাড় করতে হবে। এটি করার আগ্রহ নেই ট্রাম্প প্রশাসনের। ফেডারেল সূত্রে আরো জানা গেছে, গুরুতর অপরাধে দন্ডভোগের পর নানা অজুহাতে প্যারলে মুক্তিপ্রাপ্ত অবৈধ অভিবাসীকে খুঁজে বের করা থেকে গ্রেফতার পর্যন্ত গড়ে ৬৬৫৩ ডলার করে ব্যয় হয়। একদিকে, আইসের লোকবল কম, অপরদিকে বিপুল এই অর্থ ব্যয়ের ব্যাপারটি এখোনন সামনে চলে এসেছে ঢালাওভাবে অবৈধ অভিবাসী গ্রেফতার-অভিযান শুরুর পরই।

    ট্রাম্প প্রশাসনের এই অভিযানকে আমেরিকানরা অভিনন্দিত করলেও মানবাধিকার নিয়ে কর্মরত সংগঠনগুলো ক্ষোভ প্রকাশ করেছে। শনি ও রোববার নিউইয়র্ক, পেনসিলভেনিয়া, বস্টন, আটলান্টা, ডেট্রয়েট, ডালাস, হিউস্টন, লসএঞ্জেলেস, সানফ্রান্সিসকো, ফিনিক্স প্রভৃতি সিটিতে অনুষ্ঠিত র‌্যালি থেকে কাগজপত্রহীন অভিবাসীদের মধ্যে গ্রেফতার ও বহিষ্কারের আতংক ছড়িয়ে দেয়ার জন্যে ট্রাম্পের নিন্দা জ্ঞাপন করা হয়েছে। সমাবেশের বক্তারা উল্লেখ করেছেন, অভিবাসীদের মেধা আর রক্ত-মাংসে গড়ে উঠা আমেরিকায় অভিবাসীদের নিরাপত্তাহীনতায় ঠেলে দেয়ার ভিকটিম প্রকারান্তরে আমেরিকা-কেই হতে হবে। রোববার ওয়াশিংটন ডিসিতেও বড় ধরনের একটি র‌্যালি থেকে অভিবাসন-বিরোধী পদক্ষেপের সমালোচনা করা হয়েছে। হোমল্যান্ড সিকিউরিটি মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার আমলে অর্থাৎ ২০১৩ অর্থ বছরে সবচেয়ে বেশী অবৈধ অভিবাসীকে যুক্তরাষ্ট্র থেকে বহিষ্কারের ঘটনা ঘটেছে। সে সংখ্যা ছিল ৪ লাখ ৩৮ হাজার ৪২১। এর আগের অর্থ বছরও অনেক বেশী অবৈধকে বহিষ্কার করা হয় ওবামার নির্দেশে। সে সংখ্যা ছিল ২ লাখ ১৮ হাজার। এরপর ট্রাম্পের চার বছরের কোন বছরই এর ধারে-কাছে ছিল গ্রেফতার অথবা বহিষ্কারের ঘটনা। অপরদিকে, প্রথম টার্মে ক্ষমতা গ্রহণের পর প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ‘অভ্যন্তরীন নিরাপত্তা জোরদারকল্পে’ ২০১৭ সালের ২৫ জানুয়ারি ১৩৭৬৮ নম্বরের নির্বাহী আদেশ ( Executive Order (EO) 13768, Enhancing Public Safety in the Interior of the United States,) অনুযায়ী মাত্র ১৪৩৪৭০ অবৈধ অভিবাসীকে গ্রেফতারের ঘটনা ঘটেছিল। এর ৯২% ছিল গুরুতর অপরাধে দন্ডিত অবৈধ অভিবাসী। সে অর্থ বছর বহিষ্কারের ঘটনা ঘটেছিল ২ লাখ ২৬ হাজার ১১৯ জন। অর্থাৎ ঢাক-ঢোল পিটিয়ে অভিবাসন-বিরোধী অভিযানের ফলাফল ছিল ওবামা আমলের গতানুগতিক পর্যায়ের মতোই। এহেন অবস্থায় ‘আমেরিকান ইমিগ্রেশন কাউন্সিল’র সিনিয়র পলিসি কাউন্সেলর আর্ডিয়েল ওরস্কো বলেন, রিপাবলিকান প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের কঠোর বার্তায় গোটা কম্যুনিটিতে আতংক ছড়িয়ে পড়লেও ফলাফল খুব একটা ভালো হবে বলে মনে করছি না। কারণ, গত চার বছরে বাইডেন প্রশাসনের উদারনীতির কারণে ২২ লাখের অধিক বিদেশী ঢুকেছে আমেরিকায়। এর অধিকাংশই নিজ নিজ দেশে গুরুতর অপকর্মে লিপ্ত ছিল। তারা আমেরিকার সমাজ-জীবনকে হুমকির মুখে নিপতিত করেছে বলে ট্রাম্প অভিযোগ করলেও কার্যত: নানা সীমাবদ্ধতার কারণে ফলপ্রসূ কোন রেজাল্ট আসবে না।

    উল্লেখ্য, ডেমক্র্যাট শাসিত ফিলাডেলফিয়া, শিকাগো, নিউইয়র্ক, বস্টন, লসএঞ্জেলেস ইত্যাদি সিটিতে আইসের অভিযান জোরদারের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। এর মধ্যদিয়ে ট্রাম্পের রাজনৈতিক প্রতিহিংসাপরায়নতার ব্যাপারটি দৃশ্যমান হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন ইউএস সুপ্রিম কোর্টে বাংলাদেশী আমেরিকান এটর্নী মঈন চৌধুরী। ইমিগ্রেশনে ব্যাপক পরিচিতি থাকা এই এটর্নী বলেন, ‘যত গর্জে তত বর্ষে না’র মতোই পরিস্থিতি দেখবো আমরা বেলাশেষে। কারণ, ইমিগ্রেশন বিভাগের কর্মচারি সংকট প্রকট আকার ধারণ করায় গত কয়েক ব্ছর থেকেই কাজকর্মে স্থবিরতা দেখা দিয়েছে। এক কোটির অধিক অবৈধ অভিবাসীকে গ্রেফতার ও বহিষ্কারে আইসের প্রয়োজনীয় লোকবলের সিকিভাগও নেই। তহবিলের বরাদ্দও নগন্য। এটর্নী মঈন চৌধুরী কাগজপত্রহীন বাংলাদেশীদেরকে নিজ নিজ এটর্নীর পরামর্শক্রমে চলাফেরার আহবান জানিয়েছেন।

    Facebook Comments Box
  • হাসিনার আমলে বগুড়ায় উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি: বিএনপি নেতা গিয়াস আহমেদের অভিযোগ

    হাসিনার আমলে বগুড়ায় উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি: বিএনপি নেতা গিয়াস আহমেদের অভিযোগ

    বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির অন্যতম সদস্য এবং আমেরিকা বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্সের (এবিসিসিআই) চেয়ারম্যান গিয়াস আহমেদ বলেছেন, বাংলাদেশের একজন ক্ষণজন্মা মহান পুরুষ শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান। যিনি বগুড়ার গাবতলীর মহিষাবান ইউনিয়নে জন্মগ্রহণ করেন। এ কারণে ক্ষমতাচ্যুত শেখ হাসিনা সরকারের দীর্ঘ ১৭ বছরে বগুড়ায় উন্নয়নের কোনো ছোঁয়া পড়েনি। বগুড়াবাসীর বড় দাবির কোনোটিই পূরণ হয়নি। রাজনৈতিক প্রতিহিংসায় এ জেলার উন্নয়ন নিয়ে চলেছে বৈষম্য।

    রোববার রাতে জিয়াউর রহমানের নিজ বাড়ি বগুড়ার গাবতলীতে “কমল ও জিয়া” কবিতা গ্রন্থের মোড়ক উম্মোচন এবং শীতবস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে গিয়াস আরো বলেন, এখন সময় হচ্ছে শহীদ জিয়ার আদর্শে ঐক্যবদ্ধ থেকে সামনের নির্বাচনে বিএনপিকে বিপুল বিজয় প্রদানের। ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রতি আহ্বান থাকবে যেন দ্রুত পরিকল্পনার মাধ্যমে অবহেলিত এই অঞ্চলের উন্নয়ন ঘটানো হয়।

    বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও সাবেক এমপি হেলালুজ্জামান তালুকদার লালুর সভাপতিত্বে এ অনুষ্ঠানে বিশের অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন এবিসিসিআই’র কো চেয়ারম্যান বিশিষ্ট শিল্পপতি হাসানুজ্জামান হাসান। অন্যান্যের মধ্যে বগুড়া জেলা বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদলের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

    শীতবস্ত্র নিতে আসা মানুষেরা। ছবি-এনওয়াইভয়েস২৪।

    গিয়াস আরও বলেন, বগুড়ায় রয়েছে একটি পূর্ণাঙ্গ বিমানবন্দর। আরও আছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়াম। দ্বিতীয় বিসিক শিল্পনগরীর জন্য নির্ধারিত স্থান ছাড়াও সিরাজগঞ্জ-বগুড়া রেলপথ নির্মাণ প্রকল্পের কার্যক্রমের নথি মন্ত্রণালয়ে পড়ে আছে বছরের পর বছর। একইভাবে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রকল্পের বিষয়ও রয়েছে অনুমোদনের অপেক্ষায়। শুরু থেকেই এসব প্রকল্প নিয়ে আওয়ামী লীগ সরকার ছিল উদাসীন। নানা প্রতিবন্ধকতার অজুহাতে দেড় যুগেরও বেশি সময় ধরে ফাইলবন্দি করে রাখা হয়।

    সভাপতির বক্তব্যে হেলালুজ্জামান তালুকদার লালু বলেন, বিগত ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লাগ সরকার শুধু বগুড়াবাসীর প্রতিই অন্যায় করেনি বরং সমস্ত দেশবাসীর উপর জুলুম অন্যায়-অত্যাচার করেছে। হাজার হাজার কোটি টাকা ব্যাংক থেকে লুট করে বিদেশে পাচার করেছে। তিনি অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতি এই চোরদের দ্রুত বিচারের দাবি জানান।

    অনুষ্ঠান শুরুতে শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের দাদা মরহুম কামাল উদ্দিন মন্ডল সহ পারিবারিক গোরস্তানে সকলের আত্মার মাগফেরাত কামনা এবং দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রোগমুক্তির জন্য দোয়া করা হয়।

    Facebook Comments Box
  • গুলিতে প্রাণ ঝরলো নীরিহ ওয়াকারের

    গুলিতে প্রাণ ঝরলো নীরিহ ওয়াকারের

    নিউইয়র্ক সিটির কুইন্সে সেন্ট আলবেন্স এলাকায় ২০৪ স্ট্রিট এবং মারড্কো এভিনিউতে দুর্বৃত্তের গুলিতে মারা গেছেন ৫১ বছর বয়েসী শারমেন ওয়াকার। রোববার ১৯ জানুয়ারি সকালে পুলিশ এ তথ্য জানিয়েছে। ঘাড়, বুক এবং বাম পায়ে গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর অ্যাম্বুলেন্স নিয়ে অকুস্থলে পুলিশ এসেছিল। তাকে নেয়া হয় নিকটস্থ জ্যামাইকা হাসপাতালে। কিন্তু জরুরী বিভাগের চিকিৎসকরা জানান যে তিনি অকুস্থলেই মারা গেছেন।

    অকুস্থলের নিকটেই ২০ বছর যাবত বসবাস করছেন ড্যারেন গর্ডন। তিনি পুলিশকে জানান, টিভিতে ফুটবল খেলা দেখার সময় পরপর চারটি গুলির শব্দ শোনেন। এর কয়েক সেকেন্ড আরো আরো চার রাউন্ড গুলির শব্দ কানে আসে। গর্ডন আরো জানান, গুলির শব্দের আগে কোন ধরনের হৈ চৈ বা বাক-বিতন্ডা শুনিনি। আমি হতবাক হয়েছি দরজা খুলে বাইরে তাকিয়ে।
    আরেক বাসিন্দা শারমেন ওয়াকারকে অত্যন্ত ভালো মেজাজের একজন হিসেবে উল্লেখ করেন। যেখানে গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা গেছেন তার কাছেই একটি বেসেমেন্টে বাস করতেন ওয়্কাার। ওয়াকার গান-বাজনা পছন্দ করতেন। অনুষ্ঠানাদি নিয়েও ব্যস্ত থাকতেন বলে জানিয়েছেন আরেক প্রতিবেশী।

    উল্লেখ্য, কুইন্সের ১১৩ নম্বর প্রেসিঙ্কট এলাকায় এটি হচ্ছে এ বছরের প্রথম খুনের ঘটনা। গত বছর খুনের ঘটনা ঘটেছে ৭টি।

    Facebook Comments Box
  • সোমবার সুইজারল্যান্ড যাচ্ছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস

    সোমবার সুইজারল্যান্ড যাচ্ছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস

    ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের (ডব্লিউইএফ) বার্ষিক সম্মেলনে যোগ দিতে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস সোমবার (২০ জানুয়ারি) সুইজারল্যান্ড যাচ্ছেন।

    ছবি সংগৃহীত

    রোববার (১৯ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে এক ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান প্রধান উপদেষ্টার উপ-প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদার।

    Facebook Comments Box
  • দাবার বিশ্বচ্যাম্পিয়নকে হারিয়ে দিল বাংলাদেশের বালক

    দাবার বিশ্বচ্যাম্পিয়নকে হারিয়ে দিল বাংলাদেশের বালক

    পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন এবং দাবায় বর্তমান বিশ্বের অন্যতম সেরা তারকা নরওয়ের ম্যাগনাস কার্লসেনকে বুলেট গেমে হারিয়েছেন বাংলাদেশের ৯ বছর বয়সী রায়ান রশিদ মুগ্ধ।

    অনলাইন দাবার প্ল্যাটফর্ম চেস ডট কমে অনুষ্ঠিত হয়েছে মুগ্ধ-কার্লসেনের ম্যাচ। তাদের খেলা বুলেট গেমটি মূলত এক মিনিটের ম্যাচ। এই অনলাইন গেমে কার সঙ্গে কার খেলা পড়বে, তা আগে থেকে জানার উপায় থাকে না। সফটওয়ারের মাধ্যমে নির্ধারিত হয় কে কার সঙ্গে খেলবে। সেভাবেই সৌভাগ্যক্রমে ম্যাগনাস কার্লসেনের মুখোমুখি হয় মুগ্ধ। আর সুযোগ পেয়েই নিজেকে প্রমাণ করেছেন তিনি।

    ৯ বছর বয়সী মুগ্ধ রাজধানীর সাউথ পয়েন্ট স্কুলের তৃতীয় শ্রেণীর একজন শিক্ষার্থী। মাত্র ৯ বছর বয়সী হলেও বয়সভিত্তিক দাবায় নিজেকে ইতিমধ্যে প্রমাণ করেছেন তিনি। বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১০ জুনিয়র চ্যাম্পিয়ন হয়ে নজর কেড়েছেন তিনি। এছাড়াও গত ডিসেম্বরে খেলেছেন ব্যাংককে এশিয়ান স্কুল দাবায়।

    চেস ডটকম দাবার একটি অনলাইন প্ল্যাটফর্ম। সেখানে সাধারণত নিজের প্রোফাইল থেকে খেলতে হয়। ৯ বছরের মুগ্ধর প্রোফাইল না থাকায় কোচ নাঈম হকের প্রোফাইল দিয়ে কার্লসেনের বিপক্ষে খেলেছেন তিনি। শিষ্যের অনবদ্য অর্জনে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন কোচ নাঈম।

    দেশের একটি গণমাধ্যমকে তিনি বলেন, ‘আমি মুগ্ধকে খেলা শেখাই। ও সব সময় অনলাইনে খেলতে চায়। আমি বললাম, তাহলে আমার আইডি দিয়ে খেলো। এরপর ও হঠাৎ ফোন করে বলে কার্লসেনকে হারিয়ে দিয়েছে। শুনে তো আমি বিশ্বাস করিনি। ও এরপর খেলার স্ক্রিনশটসহ সব তথ্য পাঠিয়ে দেয় আমাকে।’

    মুগ্ধর মধ্যে ভবিষ্যতে গ্র্যান্ডমাস্টার হওয়ার উপকরণ আছে বলেও মনে করেন নাঈম, ‘ওর মধ্যে আমি অনেক সম্ভাবনা দেখেছি। এখনকার সময়ের অনেক দাবাড়ুর চেয়ে সে এগিয়ে।’

    Facebook Comments Box
  • আমরা ভুল করলে পস্তাতে হবে: তারেক রহমান

    আমরা ভুল করলে পস্তাতে হবে: তারেক রহমান

    বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, জনগণই হচ্ছে আমাদের শক্তি। জনগণই হচ্ছে আমাদের সমর্থন। জনগণ সঙ্গে না থাকলে; জনগণ ৫ আগস্ট দেখিয়ে দিয়েছে। আমরা যদি ভুল করি তাহলে জনগণ আবার কোন একটা কিছু দেখিয়ে দেবে তখন কিন্তু পস্তাতে হবে।

    তিনি বলেন, আমাদের কাছে স্পষ্ট উদাহরণ রয়েছে, জনগণ যখন ক্ষিপ্ত হয়, তখন কিভাবে স্বৈরাচারকে দেশ থেকে পালিয়ে যেতে বাধ্য করে। সহকর্মীর উদ্দিন তো মাত্র কদিন আগে এখনো চোখের সামনে জ্বলজ্বল করছে। জনগণ যদি ক্ষিপ্ত হয়। যদিও মনেমনে ভাবতে পারেন বিএনপি একটি বড় দল।

    রবিবার (১৯ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। বিএনপি`র প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের ৮৯তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে বিএনপি এই আলোচনা সভার আয়োজন করে।

    নেতা কর্মীদের উদ্দেশ্যে তারেক রহমান বলেন, জনগণের সমর্থন যদি পেতেই হয় তাহলে কেন আমরা ভালোভাবে নেওয়ার চেষ্টা করবো না। সহকর্মীবৃন্দ দিন শেষে জনগণের কাছে আপনাকে যেতে হবে। জনগণ যদি মুখ ফিরিয়ে নেয় তাহলে আপনার আমার কোন স্থান নেই। নিজেকে যত বড় কিছুই মনে করি না কেন।

    তারেক রহমান বলেন, সহকর্মীবৃন্দ এখনো সময় আছে আসুন আমরা জনগণের পাশে থাকি। যারা এমন করছে করবে যা আপনাকে আমাকে ক্ষতিগ্রস্ত করবে, দল ক্ষতিগ্রস্ত হবে; আমরা তার বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলবো।

    নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, জনগণ যেন বুঝে তারা যেভাবে চায় আমরা সেভাবেই আছি। জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী আমরা সেভাবেই তাদের পাশে রয়েছি। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৮৯তম জন্মবার্ষিকীতে এই হোক আমাদের শপথ।

    নেতাকর্মীদের উদ্দেশ করে তারেক রহমান বলেন, অন্য কেউ যদি সরকার গঠন করে তাহলে আপনাদের মাথায় এতটুকু সেন্স থাকতে হবে। বাংলাদেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে হোক বা আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপটের শত্রু হোক সেটা কি জাতির জন্য ভালো হবে? এখনো আমাদের হাতে সময় আছে মানুষের পাশে দাঁড়ানোর। এখনো আমাদের হাতে সময় আছে মানুষ যেভাবে চায় সেভাবে চলার জন্য। দিনশেষে রাজনৈতিক দল হিসেবে রাজনৈতিক কর্মী হিসেবে দিন শেষে ওই মানুষটার কাছে ওই ভোটারের কাছে আপনাকে যেতে হবে।Travel packages

    বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, কিছু রাজনৈতিক দল তারা বিভিন্নভাবে আমাদের বিপক্ষে ওই মোটরসাইকেল ওয়ালাদের কিছু কাজের কারণে তাদের সাথে আমাদের নেতা কর্মীদের যুক্ত করে কিছু কিছু কথা বলার চেষ্টা করছে।আমাদেরকে সতর্ক সচেতন হতে হবে। কয়েক মাস ধরে বলছি সামনের নির্বাচন এত সহজ নয়। আপনারা যত সহজ ভাবছেন। ভাবতে পারেন বিএনপির তো গ্রাম পর্যন্ত শাখা প্রশাখা রয়েছে এত বড়াইয়ের কিছু নেই।

    বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সভাপতিত্বে ও প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকুর সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ড. আব্দুল মঈন খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সালাহ উদ্দিন আহমেদ, বেগম সেলিমা রহমান, মেজর (অব:) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ, ভাইস চেয়ারম্যান আহমদ আজম খান, বিশিষ্ট কবি সাংবাদিক আব্দুল হাই সিকদার, যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানীসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।

    Facebook Comments Box
  • কম সংস্কার চাইলে ডিসেম্বরেই নির্বাচন হতে পারে: প্রেস সচিব

    কম সংস্কার চাইলে ডিসেম্বরেই নির্বাচন হতে পারে: প্রেস সচিব

    রাজনৈতিক দলগুলো কম সংস্কার চাইলে ডিসেম্বরে নির্বাচন হতে পারে, আর যদি প্রয়োজনীয় সংস্কার চায় তাহলে আরও ছয় মাস বেশি লাগতে পারে বলে জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।

    রোববার (১৯ জানুয়ারি) কৃষি সাংবাদিকতা বিষয়ক প্রশিক্ষণ উদ্বোধন শেষে তিনি এসব কথা বলেন।

    প্রেস সচিব বলেন, সংস্কার কমিশনের প্রতিবেদনগুলো নিয়ে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস সব রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে বৈঠক করবেন। তারপর সবার মতামতের ভিত্তিতে নির্বাচনের দিনক্ষণ চূড়ান্ত হবে।

    আওয়ামী লীগের বিষয়ে শফিকুল আলম বলেন, এখন পর্যন্ত আওয়ামী লীগের কোনো নেতার অনুশোচনাবোধ দেখছি না। এখনো তারা মিথ্যাচার করে যাচ্ছে। যারা অপরাধী তাদের প্রত্যেকের বিচার হবে। রাজনৈতিক দল হিসেবে আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ হবে কিনা এটা রাজনীতির দলগুলোর বিষয়। তবে অন্তর্বর্তী সরকারের এ বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নেই।

    তিনি আরও বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার এতদিন দেশবাসীকে মিথ্যা তথ্য দিয়েছে। বলেছে বছরের পর বছর উৎপাদন বেড়েছে। কিন্তু ঘটনা উল্টো। যার ফলেই অন্তরবর্তী সরকার বাজার নিয়ন্ত্রণে হিমশিম খাচ্ছে।

    সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণে সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হচ্ছে জানিয়ে প্রেস সচিব বলেন, আলুর উৎপাদন কম হওয়ায় দাম বেড়েছে। যদিও বিগত সরকার আলুর বাম্পার দেখিয়েছে।

    প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেন, সরকারি কর্মচারীদের মহার্ঘ ভাতা দেওয়ার যে সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে সেটা খুবই যৌক্তিক। আরেকটু বুস্টআপ করা গেলে অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়াবে।

    Facebook Comments Box
  • বিডিআর বিদ্রোহ: বিস্ফোরক মামলায় আড়াই শতাধিক আসামির জামিন

    বিডিআর বিদ্রোহ: বিস্ফোরক মামলায় আড়াই শতাধিক আসামির জামিন

    ২০০৯ সালের বিডিআর বিদ্রোহের ঘটনায় করা বিস্ফোরক মামলায় জামিন পেয়েছেন আড়াই শতাধিক আসামি।

    কেরাণীগঞ্জের কেন্দ্রীয় কারাগারে স্থাপিত অস্থায়ী আদালতে রোববার শুনানি শেষে এ আদেশ দেন ঢাকার বিশেষ ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক ইব্রাহিম মিয়া।

    আসামিদের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী আমিনুল ইসলাম, মোহাম্মদ পারভেজ হাসান ও ফারুক আহাম্মদ। রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি বোরহান উদ্দিন জামিনের বিরোধিতা করেন।

    বোরহান উদ্দিন বিকেল ৪টায় গণমাধ্যমকে বলেন, কতজন জামিন পেয়েছেন তা এখনো নিশ্চিত হতে পারিনি আমরা। রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামি পক্ষ কেউই জানে না। তবে আড়াই শতাধিক জামিন পেয়েছেন। এর মধ্যে হত্যা মামলায় যারা খালাস পেয়েছিলেন এবং ওই মামলায় পরবর্তীতে হাই কোর্টে ১৫ জনের সাজা বাড়ানো হয়েছিল, তারা ছাড়া যারা খালাস পেয়েছিলেন, তারা জামিন পেয়েছেন।

    এদিকে আসামিদের স্বজনরা সকাল থেকেই কারাগারের মূল ফটকের সামনে অবস্থান করছেন। প্রিয়জনদের জামিনের জন্য তাদের প্রার্থনা করতে দেখা গেছে।

    ২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি ঢাকার পিলখানায় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর সদরদপ্তরে বিদ্রোহের ঘটনায় ৫৭ সেনা কর্মকর্তাসহ ৭৪ জন নিহত হন। দেশের গণ্ডি পেরিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আলোড়ন তোলে ওই ঘটনা। সেই বিদ্রোহের পর সীমান্ত রক্ষা বাহিনী বিডিআরের নাম বদলে যায়, পরিবর্তন আসে পোশাকেও। এ বাহিনীর নাম এখন বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ বা বিজিবি।

    বিদ্রোহের বিচার বিজিবির আদালতে হলেও হত্যাকাণ্ডের মামলা বিচারের জন্য আসে প্রচলিত আদালতে। এই ঘটনায় হত্যা ও বিস্ফোরক আইনে দুটি মামলা হয়। হত্যা মামলায় খালাস বা সাজাভোগ শেষে বিস্ফোরক মামলার কারণে মুক্তি আটকে যায় ৪৬৮ বিডিআর সদস্যের।

    বিস্ফোরক আইনের মামলায় ৮৩৪ জন আসামির বিরুদ্ধে বিচারকাজ শুরু হয়েছিল ২০১০ সালে। কিন্তু মাঝপথে বিস্ফোরক মামলার কার্যক্রম এক প্রকার স্থগিত রেখে কেবল হত্যা মামলার সাক্ষ্য উপস্থাপন করে রাষ্ট্রপক্ষ। এ কারণে এই মামলার বিচার ঝুলে যায়। অন্যদিকে হত্যা মামলায় ৮৫০ জনের বিচার শেষ হয় ২০১৩ সালের ৫ নভেম্বর। তাতে ১৫২ জনের ফাঁসি, ১৬০ জনের যাবজ্জীবন ও ২৫৬ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেয়া হয়। খালাস পান ২৭৮ জন।

    ২০১৭ সালের ২৭ নভেম্বর সেই মামলার ডেথ রেফারেন্স ও আপিলের রায়ও হয়ে যায় হাই কোর্টে। তাতে ১৩৯ আসামির মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখা হয়। যাবজ্জীবন সাজা দেওয়া হয় ১৮৫ জনকে। আরো ২২৮ জনকে দেওয়া হয় বিভিন্ন মেয়াদে সাজা। খালাস পান ২৮৩ জন।

    হাই কোর্টের রায়ের আগে ১৫ জনসহ সব মিলিয়ে ৫৪ জন আসামি মারা গেছেন। হত্যা মামলায় হাই কোর্টের দেয়া রায়ের বিরুদ্ধে ২২৬ জন আসামি আপিল ও লিভ টু আপিল করেছেন। অন্যদিকে হাই কোর্টে ৮৩ জন আসামির খালাস এবং সাজা কমানোর রায়ের বিরুদ্ধে লিভ টু আপিল করেছে রাষ্ট্রপক্ষ। এসব আপিল ও লিভ টু আপিল এখন শুনানির অপেক্ষায়।

    আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নিলে বিডিআর বিদ্রোহের ঘটনার তদন্ত পুনরায় শুরুর দাবি ওঠে। গত ১৯ ডিসেম্বর অভিযোগ নিয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে যান শহিদ পরিবারের সদস্যরা। এই হত্যাকাণ্ড পুনঃতদন্তের জন্য গত ২৪ ডিসেম্বর একটি কমিশন গঠন করে ৯০ দিনের সময় বেঁধে দিয়েছে সরকার।

    Facebook Comments Box
  • বাংলাদেশ-চীন-ভারতসহ এশিয়ানদের ঐক্য সুসংহত করতে নিউইয়র্কে ৭ সাংবাদিককে এওয়ার্ড প্রদান

    বাংলাদেশ-চীন-ভারতসহ এশিয়ানদের ঐক্য সুসংহত করতে নিউইয়র্কে ৭ সাংবাদিককে এওয়ার্ড প্রদান

    মার্কিন বহুজাতিক সমাজে এশিয়ানদের অবস্থানকে আরো সুসংহত করার অভিপ্রায়ে নিরলসভাবে কর্মরত বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, চীন, ফিলিপাইন, নেপাল-সহ ৭ দেশের ৭ সাংবাদিককে এওয়ার্ড প্রদান করলো ‘ত্রিভেনি টাইমস’ নামক নেপালি একটি সংবাদপত্র। এ সময় কংগ্রেসওম্যান গ্রেস মেং কর্তৃক কংগ্রেসনাল প্রক্লেমেশন, স্টেট অ্যাসেম্বলীওম্যান জেনিফার রাজকুমার ইস্যুকৃত ‘আন সাঙ হিরো’ সার্টিফিকেট ছাড়াও কুইন্স বরো প্রেসিডেন্টের বিশেষ সম্মাননা সার্টিফিকেটও বিতরণ করা হয় সাংবাদিক এবং সম্পাদকগণের মধ্যে।

    কম্যুনিটিকে মূলধারায় একিভ’ত করতে নিরন্তরভাবে কর্মরত সাংবাদিক ও বীর মুক্তিযোদ্ধা লাবলু আনসারকে এওয়ার্ড দিচ্ছেন ত্রিভেনি টাইমস কর্তৃপক্ষ। ছবি-এনওয়াইভয়েস২৪।

    নিউইয়র্ক সিটির কুইন্স লাইব্রেরি মিলনায়তনে ১৮ জানুয়ারি শনিবার দুপুরে অনাড়ম্বর এ অনুষ্ঠানে এওয়ার্ডপ্রাপ্ত সাংবাদিকরা হলেন বাংলাদেশ প্রতিদিনের লাবলু আনসার, ভারতীয় মিডিয়ার হারপ্রিত সিং টুর, হ্যালো আমেরিকান টিভির সম্রাট কারকি, দ্য চায়না প্রেসের ইয়োঈ জীন, পাকিস্তানের দুনিয়া টিভির মঞ্জুর হোসেন, অন্নপূর্ণা মিডিয়া নেটওয়ার্ক’র মনোজ বাসেত এবং ফিলিপাইন ব্রডকাস্টিং নেটওয়ার্কের ড্যাভ লাভেন্স।

    ৭ দেশের ৭ সাংবাদিককে এওয়ার্ড বিতরণের অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের নাচ পরিবেশন করে ছোট্টমনি আদ্রিকা ভৌমিক। ছবি-এনওয়াইভয়েস২৪।

    ‘ত্রিভেনি টাইমস’র প্রকাশনার বর্ষপূর্তি উপলক্ষে কম্যুনিটিভিত্তিক গণমাধ্যমের নিবেদিতপ্রাণ সম্পাদক ও সাংবাদিকগণের মধ্য থেকে বাছাইকৃত ৭ জনকে এওয়ার্ড হস্তান্তর করেন ‘ত্রিভেনি টাইমস’র সম্পাদক খাম লাল ভাট্টা এবং নির্বাহী সম্পাদক নবরাজ কেসি। এ সময় স্টেট অ্যাসেম্বলীওম্যান জেনিফার রাজকুমারের ডেপুটি চীফ অব স্টাফ নীল ত্রিভেদি এবং কুইন্স বরো প্রেসিডেন্টের প্রতিনিধি শুভ্র দত্তসহ অতিথিরা পাশে ছিলেন।

    বাংলাদেশের নাচের সাথে সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য উপস্থাপন করেন আদ্রিকা ভৌমিকের মা সুমিত্রা সেন। ছবি-এনওয়াইভয়েস২৪।

    এর আগে শুভেচ্ছা বক্তব্যে ডেমক্র্যাটিক পার্টির ডিস্ট্রিক্ট লিডার ড.দীলিপ নাথ এওয়ার্ডপ্রাপ্ত সাংবাদিকগণকে অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, সত্য, ন্যায়নিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনের মধ্যদিয়ে সুশাসনের পথ সুগম এবং গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানকে সুসংহত করতে বিভিন্ন ভাষার মিডিয়ার ভ’মিকা অপরিসীম এবং গোটা কম্যুনিটিকে ঐক্যবদ্ধ করতেও গণমাধ্যমগুলো দায়িত্বশীল ভ’মিকা পালন করছে। তেমনি মেধাবি ও পরিশ্রমী সাংবাদিকরা পুরস্কৃত হবার মাধ্যমে অন্যেরাও পেশাগতভাবে আরো দায়িত্বশীল ভ’মিকায় অবতীর্ণ হবেন বলে আশা করছি এবং সে তাগিদেই ‘ত্রিভেনি টাইমস’র এ উদ্যোগ অনন্তকাল ধরে উজ্জীবিত থাকবে-এ কামনা আমার।

    এ সময় হোস্ট পত্রিকার নির্বাহী সম্পাদক নবরাজ কেসি বলেন, শুরু হওয়া এ যাত্রা অব্যাহত থাকবে এবং এ আয়োজনে সকল কম্যুুনিটির অকুন্ঠ সমর্থনের ব্যাপারটি আমাদেরকে অভিভ’ত ও উৎসাহিত করেছে।

    বাংলাদেশের নাচের সাথে সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য উপস্থাপন করেন আদ্রিকা ভৌমিকের মা সুমিত্রা সেন। ছবি-এনওয়াইভয়েস২৪।

    আয়োজনের প্রেক্ষাপট আর কথামালার ফাঁকে বাংলাদেশ, নেপাল, চীন, ফিলিপাইনের শিল্পীরা নিজ নিজ দেশের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের পরিপূরক নাচ আর গানে উপস্থিত সকলকে মাতিয়ে রেখেছিলেন। বাংলাদেশের লোকসঙ্গীত ‘জলের ঘাটে বাঁশী বাজে গো কমলা আমরা জলের ঘাটে যাই’ এর সাথে ছোট্টমনি আদ্রিকা ভৌমিকের নাচ সকলকে আপ্লুত করেছে। এ সময় আদ্রিকার মা এবং অনুপ দাস ড্যান্স একাডেমি (আড্ডা)’র শিক্ষিকা সুমিত্রা সেন গানের প্রেক্ষাপট ইংরেজীতে উপস্থাপন করেন।

    ৭ দেশের ৭ সাংবাদিককে এওয়ার্ড বিতরণের অনুষ্ঠানে সুধীর একাংশ। ছবি-এনওয়াইভয়েস২৪।

    নিউইয়র্কে বিভিন্ন কম্যুনিটির বিশিষ্টজনদের মধ্যে অনুষ্ঠানে আরো ছিলেন বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশনের যুক্তরাষ্ট্র শাখার সভাপতি মো. আব্দুল কাদের মিয়া, কুইন্স কম্যুনিটি বোর্ড-৩ এর নির্বাহী সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মুকিত চৌধুরী, মানিকগঞ্জস কল্যাণ সমিতির উপদেষ্টা আনিসুর রহমান এবং সিটি ফ্যাইন্যান্স ডিপাার্টমেন্টের কর্মকর্তা গনেশ ভৌমিক।

    Facebook Comments Box
  • স্বৈরাচার হাসিনার বিচার না হওয়া পর্যন্ত স্বস্তি পাবো না: প্রবাসী নেতৃবৃন্দকে শাহ মোফাজ্বল হোসেন কায়কোবাদ

    স্বৈরাচার হাসিনার বিচার না হওয়া পর্যন্ত স্বস্তি পাবো না: প্রবাসী নেতৃবৃন্দকে শাহ মোফাজ্বল হোসেন কায়কোবাদ

    বিএনপির ভাইস প্রেসিডেন্ট, সাবেক প্রতিমন্ত্রী এবং কুমিল্লা-৩ আসন থেকে ৫ বারের এমপি কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ বলেছেন, ‘মিথ্যা মামলা দিয়ে দীর্ঘ ১৩টি বছর আমাকে নির্বাসনে পাঠানো হয়েছিল। এরমধ্যে মা অসুস্থ হয়ে ইন্তেকাল করেছেন। শেষবারের মত তার মুখটি দেখারও সুযোগ পাইনি। এছাড়া, পরিবারের সাথেও সাক্ষাতের সুযোগ ছিল না- এমনি একটি বিভিষিকাময় পরিস্থিতি থেকে বাংলাদেশকে মুক্ত করতে দেশের ছাত্র-জনতার সাথে আমেরিকা প্রবাসীরাও অপরিসীম ভূমিকা পালন করেছেন। এজন্যে আমি তাদেরকে অভিনন্দন জানাচ্ছি।’

    নিউইয়র্ক স্টেট বিএনপির সভাপতি মাওলানা অলিউল্লাহ আতিকুর রহমান, সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট জসিমউদ্দিন (ভিপি) এবং সেক্রেটারি সাঈদুর রহমান সাঈদের নেতৃত্বে বিএনপির প্রবাসী নেতৃবৃন্দ শনিবার কুমিল্লার মুরাদনগরে কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাাদের সাথে সাক্ষাত করতে গেলে এসব কথা বলেন তিনি। বিএনপির এই নেতা প্রচন্ড ক্ষোভের সাথে আরো বলেন, স্বৈরাচার হাসিনা ও তার সাঙ্গ-পাঙ্গদের উপযুক্ত শাস্তি না হওয়া পর্যন্ত আমার মত বিএনপির লাখো নেতা-কর্মীর মনোকষ্ট দূর হবে না। কাজী শাহ কায়কোবাদ আরো বলেন, গণতন্ত্রেওর দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামের সুফল পেতে হলে শীঘ্রই নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের সরকার গঠনের বিকল্প নেই। সে আশায় প্রহর গুণছে গোটা জাতি। কাজী শাহ কায়কোবাদ আরো উল্লেখ করেছেন, দলের প্রয়োজনে এবং দেশের বৃহত্তর স্বার্থে আমাকে যদি এর চেয়েও বেশী ত্যাগ করতে হয় তবুও দ্বিধা করবো না।

    প্রবাস বিএনপির এই প্রতিনিধি দলে আরো ছিলেন স্টেট বিএনপির নেতা হুমায়ূন কবির, আহসান চৌধুরী হানিফ, করিম চেয়ারম্যান, শাহীন প্রমুখ। ঢাকা থেকে পাওয়া তথ্যের উদ্ধৃতি দিয়ে নিউইয়র্কে এ সংবাদদাতাকে বিস্তারিত জানিয়েছেন নিউইয়র্ক স্টেট বিএনপির সাবেক যুগ্ম আ্হবায়ক আনিসুর রহমান।

    Facebook Comments Box
  • নিউইয়র্ক পাতাল ট্রেনের যাত্রীরা স্বস্তিতে নেই

    নিউইয়র্ক পাতাল ট্রেনের যাত্রীরা স্বস্তিতে নেই

    নিউইয়র্ক সিটির সাবওয়েতে রাত ৯টা থেকে ভোর ৫টা পর্যন্ত চলাচলকারী প্রতিটি ট্রেনে দু’জন করে পুলিশ মোতায়েনে স্টেট গভর্নর ক্যাথি হোকুলের ঘোষণার পরদিনই ম্যানহাটানে পেন স্টেশনে ২০ বছর বয়েসী এক দুর্বৃত্ত ৪৫ বছরন বয়সী এক যাত্রীকে নির্দয়ভাবে মারধর করেছে। শুক্রবার রাত ৮টায় ২ নম্বর ট্রেনের জন্যে অপেক্ষমান যাত্রীকে আক্রমণের সময় অন্যসকলে হতবাক হয়ে পড়েন এবং সকলেই ভীত-সন্ত্রস্ত অবস্থায় স্টেশনে ট্রেনের অপেক্ষায় ছিলেন। প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে এমটিএ মুখপাত্র আরো জানান, দুর্বৃত্তটি কোনো ধরনের বাগ্বিতণ্ডা ছাড়াই বয়স্ক লোকটির মুখে কিল-ঘুষি মারতে থাকে। এ সময় আত্মরক্ষার্থে প্যাসেঞ্জারও পাল্টা আক্রমণ চালান দুর্বৃত্তকে। এমনি অবস্থায় ট্রেন আসে প্লাটফর্মে। ট্রেনে থাকা পুলিশ উভয়কেই গ্রেফতার করেছে। এজন্যে এই লাইনে কিছুক্ষণ ট্রেন চলাচল বন্ধ ছিল। কারণ, মারপিটে উভয়েরই রক্ত ঝরেছে। সেই রক্ত পরিস্কার করার পরই পুনরায় ট্রেন চলাচল শুরু হয় বলে পুলিশ ও এমটিএ জানায়।

    সাবওয়ে দুর্বৃত্ত কামেল হোন্সিকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে। ছবি-এনওয়াইভয়েস২৪।

    উল্লেখ্য, সোমবার ২০ জানয়ারি থেকে প্রতিটি ট্রেনেই দু’জন করে পুলিশ মোতায়েণ করা হবে। আরো উল্লেখ্য, গত কয়েক মাস ধরেই সাবওয়েতে দুর্বৃত্তের ধাক্কায় ১০ যাত্রীর প্রাণ গেছে। কয়েক ডজন যাত্রী গুরুতরভাবে আহত হয়েছেন। ফলে রাতে চলাচলকারি যাত্রীরা এক ধরনের অস্বস্তি নিয়ে কর্মস্থল থেকে বাড়ি ফেরেন। এ নিয়ে অনেক অভিযোগের পরই সাবওয়ে নিরাপত্তা নিশ্চিতে স্টেট গভর্ণর বিশেষ এই কর্মসূচির পাশাপাশি গোলযোগ বেশী হওয়া স্টেশনে এবং তার আশেপাশে টহল পুলিশের সংখ্যা বাড়ানোর কথাও জানিয়েছেন। এটা মাস চলবে পরীক্ষামূলকভাবে। তারপর গ্রহণ করা হবে পরবর্তী প্রক্রিয়া। স্টেট গভর্নর বলেছেন, সাবওয়ে যাত্রীদের নিরাপত্তায় সবকিছু করা হবে। এজন্যে যত অর্থ প্রয়োজন তাও ব্যয় করতে স্টেট প্রশাসন দ্বিধা করবে না বলে উল্লেখ করেছেন ক্যাথি হোকুল।

    প্রসঙ্গত, টহল পুলিশ তৎপর হওয়ার পরও শনিবার দিনভর বিভিন্ন স্টেশনের প্ল্যাটফরমে যাত্রীদেরকে একবারে দেয়ালে পীঠ ঠেকিয়ে ট্রেনের জন্যে অপেক্ষা করতে দেখা যায়। অর্থাৎ দুর্বৃত্তরা আচমকা ধাক্কা দিলেও রেল লাইনে পড়তে হবে না। ৩১ ডিসেম্বর ওয়েস্ট ১৮ স্ট্রিট সাব্রওয়েতে যোসেফ লিনস্কি নামক এক যাত্রীকে ধাক্কা দিয়ে রেল লাইনের ওপর ফেলে দেয়া হয়েছিল। তিনি গুরুতরভাবে আহত হয়েছেন। সেই দুর্বৃত্ত কামেল হোকিন্সকে পুলিশ গ্রেফতার করলেও যাত্রীরা স্বস্তিবোধ করছেন না।

    Facebook Comments Box
  • কর্ণফুলী ট্রাভেলসের ওমরাহ হজের এক্সক্লুসিভ প্যাকেজ

    কর্ণফুলী ট্রাভেলসের ওমরাহ হজের এক্সক্লুসিভ প্যাকেজ

    উত্তর আমেরিকার প্রবাসীদের মাঝে স্বনামধন্য ট্রাভেল্স এজেন্সি ‘কর্ণফুলী ট্রাভেল্স’ ওমরাহ হজের জন্যে গত এক বছরে প্রায় ১৫টি হজ টিম প্রেরণ করেছে। পবিত্র মাহে রমজানের পূর্বে কর্ণফুলী ট্রাভেলসের ওমরাহ হজের এক্সক্লুসিভ প্যাকেজ নিয়ে কাজ চলছে। আগামী ৫ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দশ দিনের এই ওমরাহ প্যাকেজের সমস্ত প্রক্রিয়া এরই মধ্যে সম্পন্ন হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রতিষ্ঠানের কর্ণধার মুহাম্মদ সেলিম (হারুন)।

    অংশ গ্রহণকারীদের নিয়ে ওয়ার্কশপ ও সেমিনারের আয়োজন করেছিল ১১ জানুয়ারি, শনিবার বিকাল ৩টায়। ওমরাহ হাজিদের নিয়ে জ্যাকসন হাইটসের ৭৩ স্ট্রিটস্থ কর্ণফুলী ট্রাভেলসের কার্যালয়ে আয়োজিত এই ওয়ার্কশপ ও সেমিনারে ওমরাহ হজ সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়ের উপর ওমরাহ হজে আগ্রহীদের ধারণা দেয়া হয়, যাতে পবিত্র ওমরাহ হজ পালনে কোনো প্রকার অসুুবিধা না হয়। প্রতিষ্ঠানের কর্ণধার মুহাম্মদ সেলিম (হারুন) ও সিইও রেহেনা আক্তার (মিনু) সেমিনারে বিস্তারিত তুলে ধরেন।

    মুহাম্মদ সেলিম (হারুন) জানিয়েছেন, দীর্ঘ দুই দশক ধরে ওমরাহ হজের জন্য বিখ্যাত এবং সৌদি হজ মন্ত্রণালয় অনুমোদিত প্রতিষ্ঠান কর্ণফুলী ট্রাভেল্স। এই প্যাকেজের মধ্যে বিশেষ কিছু সার্ভিস যোগ করা হয়েছে। হাজীদের সন্তুষ্টির জন্য যে সব সার্ভিস দেয়া প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে তার মধ্যে রয়েছে এয়ার লাইন্স টিকেট, ৫ তারকা হোটেল (মক্কা মোবাম্পিক এবং মদিনা মোবাম্পিক), ভিসা, ফুল ট্রান্সপোর্টেশন (জেদ্দা টু মক্কা, মক্কা টু মদিনা, মদিনা টু এয়ারপোর্ট), প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি জেদ্দা এয়ারপোর্ট থেকে হাজীদেরকে পিকআপ করেন। ওমরাহ গাইড, সাইডসিয়িং, ব্রেকফাস্ট, তায়েফ ট্যুর ও জিনপাহাড় ইত্যাদি।

    এই প্যাকেজে মক্কা-মদিনায় দুইটি জুম্মা এবং পবিত্র শবেবরাত যাতে পালন করতে পারেন এই বিষয়গুলিকে সামনে রেখে প্যাকেজ তৈরী করা হয়েছে। আরো জানানো হয়, এই প্যাকেজের মূল্য ধরা হয়েছে জনপ্রতি ২৬০০ ডলার করে। কর্ণফুলী ট্রাভেল্স দীর্ঘদিন ধরে হাজীদের সেবা দিয়ে আসছে অত্যন্ত নির্ভুলভাবে। সেলিম (হারুন) বলেন, মহান আল্লাহর অসিম রহমতে আজ পর্যন্ত কোন হাজী সার্ভিস নিয়ে কোন প্রকার অভিযোগ আনেননি। ভবিষ্যতেও আমরা আমাদের সর্বাত্মক প্রচেষ্টার মাধ্যমে আমাদের সুনাম অক্ষুন্ন রাখার চেষ্টা করে যাচ্ছি। তিনি আরো জানান,ওমরাহ হাজীদের জন্য সৌদি সরকার ম্যানিনজাইটিস এবং পলিমিটিস ভ্যাকসিন বাধ্যতামূলক করেছেন। হজ্বে যাবার পূর্বে হাজিগণ যেন তাদের প্রয়োজনীয় সব কাগজপত্র এয়ারপোর্টে নিয়ে যান।

    Facebook Comments Box