Category: লাইফস্টাইল

  • রংপুরে চাঞ্চল্যকর ৪ খুনের নেপথ্যে কি ডিআইজি মাবুদ?

    দীপক কুমার আচার্য

    রংপুরের ইতিহাসে অন্যতম নৃশংস ও পৈশাচিক হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন একই পরিবারের চার সদস্য। গণপতি চক্রবর্তী, তার স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী, তাদের কন্যা আগামী চক্রবর্তী এবং পুত্র প্রীতম চক্রবর্তীর এই নির্মম হত্যাকাণ্ড পুরোদেশকে নাড়িয়ে দিয়েছে। শুরুতে এই নৃশংসতাকে নিছক ডাকাতি বা সাধারণ শত্রুতা বলে মনে করা হলেও, সম্প্রতি বেরিয়ে এসেছে এক রোমহর্ষক ও চাঞ্চল্যকর তথ্য।

    অভিযোগের তীর খোদ আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর এক উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তার দিকে।

    অনুসন্ধানে জানা গেছে, সদ্য পদোন্নতি পাওয়া রংপুর রেঞ্জের ডিআইজি (পুলিশ কমিশনার) আবদুল মাবুদের লালসা, ক্ষমতার অপব্যবহার এবং ব্যক্তিগত কেলেঙ্কারি ধামাচাপা দেওয়ার মরিয়া চেষ্টাই মূলত এই চার খুনের নেপথ্য কারণ।

    পুলিশ হেডকোয়ার্টর সূত্রগুলো বলছে, একটি সাধারণ জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধ থেকে কীভাবে একটি পুরো পরিবারকে নিশ্চিহ্ন করে দেওয়া হলো, আর এর পেছনে রক্ষক কীভাবে ভক্ষকের রূপ নিল—তা নিয়ে দেশজুড়ে এখন তোলপাড় চলছে। এ ঘটনায় বাংলাদেশে হিন্দু কমিউনিটিতে এখন চাপা আতঙ্ক চলছে এবং সবাই বলাবলি করছে পুলিশ যেখানে সব শ্রেণী মানুষের নিরাপত্তা দেবে সেখানে যদি পুলিশ নিজেই হিন্দু নিধনে অংশ নেয় তাহলে হিন্দুরা যাবে কোথায়?

    ঘটনার সূত্রপাত কয়েক মাস আগে। নিহত প্রীতিলতা চক্রবর্তীর এক ঘনিষ্ঠ বান্ধবী রংপুরের মাছুয়াপাড়া এলাকায় বসবাস করেন। এই হিন্দু নারী সম্প্রতি তার একটি জমির দখল নিয়ে তীব্র বিরোধ ও হয়রানির শিকার হচ্ছিলেন। প্রতিপক্ষের প্রভাবশালী অবস্থানের কারণে তিনি জমির দখল বুঝে পাচ্ছিলেন না। নিরুপায় হয়ে ওই নারী তার বান্ধবী প্রীতিলতা এবং তার স্বামী গণপতি চক্রবর্তীর শরণাপন্ন হন।

    গণপতি চক্রবর্তী ওই নারীকে আইনি সহায়তার জন্য স্থানীয় থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিলন কুমার চক্রবর্তীর কাছে নিয়ে যান। কিন্তু জমির বিষয়টি অত্যন্ত জটিল হওয়ায় এবং প্রতিপক্ষ প্রভাবশালী হওয়ায় ওসি মিলন কুমার বিষয়টি নিজের হাতে না রেখে রংপুরের তৎকালীন পুলিশ কমিশনার আবদুল মাবুদের কাছে হস্তান্তর করেন। অভিযোগ অনুযায়ী, এখান থেকেই ঘটনার মোড় সম্পূর্ণ ভিন্নদিকে ঘুরে যায়।

    পুলিশ কমিশনার আবদুল মাবুদ জমি উদ্ধারের আইনি প্রক্রিয়ার বদলে ওই অসহায় নারীর সাথে এক ধরনের অনৈতিক রফাদফায় জড়ান। গত তিন মাসের মধ্যে মাবুদ ওই নারীর সাথে জোরপূর্বক সখ্যতা গড়ে তোলেন। জানা যায়,  এই সময়ের মধ্যে তিনি অন্তত চারবার ওই নারীর বাড়িতে যাতায়াত করেন।

    পরিস্থিতি চূড়ান্ত রূপ নেয় আগস্ট মাসের প্রথম সপ্তাহে। অভিযোগ রয়েছে, এই সময়ে আবদুল মাবুদ ওই নারীকে চরমভাবে হয়রানি করেন। তাকে কুপ্রস্তাব দেওয়া হয় এবং অন্তত দুবার জোরপূর্বক শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন বা ধর্ষণের চেষ্টা করা হয়। পুলিশের একজন শীর্ষ কর্মকর্তার এমন বিকৃত ও ভয়ংকর আচরণে ওই নারী মানসিকভাবে সম্পূর্ণ ভেঙে পড়েন।

     

    নিরুপায় ও আতঙ্কিত হয়ে ওই নারী তার ওপর চলা এই ভয়ংকর নিপীড়নের কথা তার ঘনিষ্ঠ বান্ধবী প্রীতিলতা চক্রবর্তীকে জানিয়ে দেন। প্রীতিলতা স্বাভাবিকভাবেই এই অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার হন এবং বিষয়টি ওসি মিলন কুমার চক্রবর্তী সহ আরও কয়েকজনের কান পর্যন্ত পৌঁছে দেন।

    নিজের এমন জঘন্য কেলেঙ্কারির কথা ফাঁস হয়ে যাওয়ায় চরম ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন কমিশনার আবদুল মাবুদ। তার মতো একজন উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তার সম্মান ও ক্যারিয়ার নষ্ট হওয়ার উপক্রম হওয়ায় তিনি বেপরোয়া হয়ে ওঠেন। এই কেলেঙ্কারি নিয়ে আর একটি শব্দও উচ্চারণ করলে তার পরিণতি হবে ভয়াবহ।

    এর কিছুদিন পরেই ঘটে যায় সেই নারকীয় হত্যাকাণ্ড। গণপতি চক্রবর্তী, তার স্ত্রী প্রীতিলতা এবং তাদের দুই নিষ্পাপ সন্তানকে অত্যন্ত সুপরিকল্পিত ভাবে হত্যা করা হয়। এই হত্যার ধরন ও সময়কাল স্পষ্টভাবে ইঙ্গিত করে যে, কমিশনার মাবুদের কেলেঙ্কারি ধামাচাপা দিতেই পুরো পরিবারটিকে চিরতরে স্তব্ধ করে দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে বেঁচে থাকা প্রীতিলতার সেই বান্ধবী ও তার পরিবার চরম নিরাপত্তাহীনতা ও আতঙ্কে বাড়িঘর ছেড়ে রংপুরের অন্য এক অজ্ঞাত স্থানে আত্মগোপনে রয়েছেন।

    আবদুল মাবুদের বিরুদ্ধে এমন নৈতিক স্খলন ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ এটিই প্রথম নয়। তার অতীত ঘাটলে বেরিয়ে আসে আরও চমকপ্রদ তথ্য। ২০১২সালে তিনি যখন ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অ্যাডিশনাল এসপি) হিসেবে কর্মরত ছিলেন, তখন এক নারীর সাথে পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়েন।

    তৎকালীন এসপি আনিসুর রহমান এবং পরবর্তীতে এসপি মনিরুজ্জামান পিপিএম (বার)-এর সময়ে তিনি দুবার হাতেনাতে ধরা পড়েন। একবার রাতের অন্ধকারে ওই নারীর বাড়িতে এলাকাবাসী তাকে অবরুদ্ধ করে ফেলে। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে পুলিশের একটি দল গিয়ে তাকে সেখান থেকে উদ্ধার করে আনে। এই ন্যাক্কারজনক ঘটনার পর পুলিশ হেডকোয়ার্টারে তার বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিকভাবে রিপোর্ট করা হয়। তাকে দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার করে হেড কোয়ার্টারে  সংযুক্ত করা হয়।

    বিগত বছরগুলোতে নিজের অপকর্মের কারণে ক্যারিয়ারে পিছিয়ে পড়া মাবুদ ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর সম্পূর্ণ নতুন রূপে আবির্ভূত হন। তিনি ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের সাথে সুর মিলিয়ে নিজেকে বিগত সরকারের ‘রাজনৈতিক রোষানলের শিকার’হিসেবে দাবি করতে শুরু করেন।

    তিনি প্রচার করেন যে, ২০০১ সালে বিসিএস ২০তম ব্যাচে (বিএনপি-জামায়াত আমলে) চাকরিতে যোগদান করা এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সূর্যসেন হলে ছাত্রদলের সাথে সম্পৃক্ত থাকার কারণেই বিগত সরকার তাকে পদোন্নতি বঞ্চিত রেখেছে। ৫ আগস্টের কথিত জুলাই অভ্যুত্থানে তিনি সাধারণ ছাত্র-জনতার পক্ষে কাজ করেছেন বলেও ফেসবুকে নানা স্ট্যাটাস ও ভিডিও আপলোড করে নিজেকে ‘বিপ্লবী’প্রমাণের চেষ্টা করেন।

    কিন্তু বিশ্বস্তসূত্র ও পুলিশের অভ্যন্তরীণ নথিপত্র বলছে ভিন্নকথা। মাবুদের পদোন্নতি আটকে থাকার মূল কারণ রাজনীতি ছিল না, বরং ছিল তার নৈতিক স্খলন এবং জেএমবি বা ‘বাংলাভাই’ইস্যুর সাথে তার সন্দেহভাজন সম্পৃক্ততা। নোয়াখালীর সেনবাগের সন্তান মাবুদের বিরুদ্ধে সে সময় জঙ্গিবাদের প্রতি সহানুভূতিশীল থাকার গুরুতর অভিযোগ ছিল, যা নিয়ে বিভাগীয় তদন্তও হয়েছিল। অথচ, ৫ আগস্টের পর পুরনো সব কলঙ্কিত ফাইল ধামাচাপা দিয়ে তিনি ব্যাপকভাবে লবিং শুরু করেন। পুলিশের কিছু দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তার যোগসাজশে তিনি দ্রুত পদোন্নতি আদায় করে নেন। প্রথমে এসপি, তারপর অতিরিক্ত ডিআইজি এবং সর্বশেষ রংপুর রেঞ্জের ডিআইজি হিসেবে তিনি পদোন্নতি পান।

    গত ১২ এপ্রিল আবদুল মাবুদ রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার হিসেবে যোগ দেন। কিন্তু হত্যাকাণ্ডের ঠিক আগে, ১২আগস্ট তাকে ডিআইজি হিসেবে বদলি করা হয়। রহস্যজনক ভাবে, তিনি এই বদলি আদেশ পাওয়ার পরও তার নতুন কর্মস্থলে যোগ দেননি। নিজের ক্ষমতা ব্যবহার করে রংপুরে অবস্থান করে তিনি প্রীতিলতার পরিবারের ওপর চাপ সৃষ্টি এবং এই হত্যাকাণ্ডের নীল-নকশা বাস্তবায়নে ব্যস্ত ছিলেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

    রংপুরের এই চার খুনের সাথে পুলিশের এমন একজন শীর্ষ কর্মকর্তার নাম জড়িয়ে পড়ায় পুলিশ হেড কোয়ার্টারে এখন রীতিমতো তোলপাড় চলছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে হেড কোয়ার্টার আবদুল মাবুদের অতীতের সব ফাইল নতুন করে তলব করেছে। ২০১২ সালে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সেই পরকীয়া ও নৈতিক স্খলনের রিপোর্টগুলো পুনরায় খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

     

    একইসাথে মাবুদের বিরুদ্ধে ব্যাপক আর্থিক দুর্নীতি ও অবৈধ সম্পদ অর্জনের নতুন নতুন তথ্যও সামনে আসতে শুরু করেছে। এখন সচেতন মহলের সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হলো—বর্তমান সরকারও কি এমন একজন দাগী, দুর্নীতিবাজ ও খুনের অভিযোগ ওঠা কর্মকর্তাকে রাজনৈতিক পরিচয়ের আড়ালে পার পেয়ে যেতে দেবে? নাকি আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করে রংপুরের এই নিরীহ চক্রবর্তীর পরিবারের হত্যার সুষ্ঠু বিচার নিশ্চিত করবে?

     

    পুরোদেশ এখন তাকিয়ে আছে পুলিশ হেডকোয়ার্টার এবং সরকারের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে। চারখুনের এই নারকীয় ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত এখন সময়ের সবচেয়ে বড়দাবি। প্রকৃত অপরাধী যত প্রভাবশালীই হোক না কেন, তাকে আইনের আওতায় এনে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করতে পারলেই কেবল প্রীতিলতা ও তার পরিবারের আত্মারা শান্তি পাবে। আত্মগোপনে থাকা ওই নারীও হয়তো তখন নির্ভয়ে তার স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারবেন।

    (এনওয়াইভয়েস২৪ ডটকম নিউজ সার্ভিস)

  • শাড়ির নাম কে রাখে ! জেনে নিন শাড়ির ১০০নাম

     

    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    আচ্ছা একটা কথা জানতে চাই; এই যে মেয়েদের শাড়ির নাম হয় বিভিন্ন; এই নাম কে রাখে কেউ জানেন?
    মানে বলতে চাইছি; সেই লোকটিকে আমার দরকার। আমি জানতে চাই এইসব নাম আসে কোথা থেকে; এবং কেন আসে; এই নামগুলো না এলেই বা এই মহাবিশ্বের কি ক্ষতি বৃদ্ধি হতো?

    বিষয়টা খুলেই বলি। আমার বউ এমনিতে ঠিকই আছে; খাচ্ছে দাচ্ছে লাফাচ্ছে ; ছেলের পেছনে চ্যাঁচাচ্ছে; আমার ওপরে খবরদারি করছে….সে করুক। কিন্তু; যত পুজো এগিয়ে আসে; আমার বউয়ের মধ্যে একটা অদ্ভুত পরিবর্তন আসে। একটা ক্রূর জিঘাংসাবৃত্তি জেগে ওঠে; কিরকম যেন একটা আমজাদীয় মনোভাব ফুটে ওঠে। বেশ কয়েক বছর আগে; এক সন্ধ্যায় হঠাৎ এক গব্বর সিং টাইপ্স হিহিহাহাহাহাহা দিয়ে বলল সে নাকি সম্বলপুরী সিল্ক কিনবে এইবার।

    আমি ঢোক গিললাম; জল খেলাম; নাকের ডগা কুরকুর করে চুলকে বললাম ……. সম্বলপুরী? আমি সহায় সম্বলহীন মানুষ; আবার ওসব কেন? তার চেয়ে আসন্ন শীত উপলক্ষে চলো দুটি মোটা কম্বল কিনি; কাজে দেবে। এরপরে টানা তিনদিন যে মানসিক ও পৈটিক অত্যাচার আমি সহ্য করেছি; তা বিশদে শুনলে আপনারা চোখের জলে ঘর ভাসিয়ে ন্যাতা দিয়ে ঘর মুছে ফেলবেন। স্রেফ সাদা আলুর তরকারি আর রুটি খেয়ে ক্ষুন্নিবৃত্তি সেরেছি….

    আর একবার; ঠিক সেইরকমই একটা হাসির সাথে বজ্রনির্ঘোষ এসেছিল…….বোমকাই!!

    বোমকাইয়ের নাম শুনে আমি একপ্রকারের চমকাই। মাথা চুলকে বলেছিলাম……পুলিশ ধরে যদি? ওসব বোম টোম কিনো না ; ছাপার শাড়ি কেনো বরং…….আধখানা ডিমও দেয়নি পরের তিনদিন……

    আর একবার……বিচিত্রপুরী। আমি দোষের মধ্যে বলেছিলাম……এই বাড়িটাই তো একটা বিচিত্রপুরী……বাকিটা আর শুনে কি করবেন? প্রাণ কেঁদে উঠবে; কারবালার প্রান্তরে হাসান হোসেনের ওপরেও এই পাশবিক অত্যাচার হয়নি।

    তবে কেলো অফ অল কেলোস হয়েছিলো যেবার কলমকারি শাড়ির কথা বলেছিলো। আমি মা শীতলার দিব্যি বুঝিনি। খুব গম্ভীরভাবে বলেছি……দেখো মামণি; আজ পর্যন্ত তুমি বহু কেলেঙ্কারি করেছো; আর ওই কেলেঙ্কারি শাড়ি কিনতে হবে না। তারপরে কি হয়েছিলো? থাক…..

    পুজো আবার আসছে। ওই শাড়ির নাম রাখে যে লোকটা; তাকে আমার দরকার। কেউ জানলে জানাবেন দয়া করে……

    শাড়ি লিস্ট  এখানে দিলাম: ইক্কত, কাঞ্জিভরম, বালুচরি, ঢাকাই জামদানি, মুর্শিদাবাদ সিল্ক, বিষ্ণুপুর সিল্ক, বেনারসি, পৈঠানি, মাহেশ্বরী, আর্নি সিল্ক, জর্জেট, গাদোয়াল, মাইশোর সিল্ক, বোমকাই, গামছা শাড়ি, মশারি শাড়ি, অসম সিল্ক, স্বর্ণ কাতান, বেগমপুরি, ধনেখালী, শিফন্ জর্জেট, কাতান বেনারসি, পচমপল্লী, করদানি ঢাকাই, গাছি তসর, সম্বলপুরি সিল্ক, মোডাল সিল্ক, গরদ, কোড়িয়াল সিল্ক, মধুবনী, কাঁথা স্টিচ, অরগেঞ্জা, ঢাকাই মসলিন, স্বর্ণচুড়ী, গুজরাটি কাঁথা, কাশ্মীরি কাঁথা, পশমিনা সিল্ক, আর্ট সিল্ক, নারায়ন পেট, তাঞ্চই, চান্দেরি,  লক্ষ্ণৌ চিকন, কলাখেত্র, পিওর সিল্ক, বাংলার তাঁতের শাড়ি, সাউথ ইন্ডিয়া, টাঙ্গাইল, বালিকা বধূ, কাঁচ কাটা হিরে, আজরাখ, ওপারা শাড়ি, পাটোলা, বান্ধনি, দোলা সিল্ক, লেহেরিয়া, নেট শাড়ি, কোটা ডোরিয়া, কাশ্মীরি সিল্ক, উপ্পাদা, মঙ্গলগিরি, কুর্গি, ভেঙ্কটগিরি, ইলকাল, বাপটা শাড়ি, হ্যান্ডলুম শাড়ি, কটকি, এপ্লিক শাড়ি, কোটা সিল্ক, জারদৌসি, বাহা শাড়ি, সাউথ সিল্ক, তাঁত সিল্ক
    ৭৩)গিছা শাড়ি, কলমকারি, বাটার সিল্ক, খাদি কটন, শান্তিপুরি, ব্যাঙ্গালোর সিল্ক, সুতির ছাপা শাড়ি, কোসা সিল্ক, বাটিক, কোটা দরিয়া, সঙ্গনারী, রাজকোট, বেগমপুরি, মটকা, মনিপুরী সিল্ক, ভাগলপুরি সিল্ক, কোরা সিল্ক, মুগা সিল্ক, পেপার সিল্ক, ফুলকারি, কাসাভা, কাঠিতাওয়ার, ধুপিয়ান সিল্ক, রেশম কোটা, হাকোবা শাড়ি, রাজস্থানী কটন, ববি শাড়ি এবং বাংলাদেশী ঢাকাই।

  • ফ্যাশনের ঝলকানিতে মুখরিত আটলান্টিক সিটি

    সুব্রত চৌধুরী

    নিউজার্সির পর্যটন নগরী আটলান্টিক সিটির শোবোট হোটেলে বসেছিল আটলান্টিক সিটি ফ্যাশন উইক ২০২৬-এর ৩দিনব্যাপী জমজমাট আসর। ১৯ সেপ্টেম্বর শেষ হওয়া এই আয়োজনে ফ্যাশনের ঝলকানিতে মুখরিত ছিল আটলান্টিক সিটি। এক পর্যায়ে ডিজাইনার, মডেল, ফ্যাশন উদ্যোক্তা ও ফ্যাশন-প্রেমীদের মিলনমেলায় পরিণত হয়েছিল আটলান্টিক সিটি। আলোকসজ্জা, র‌্যাম্প আর নজরকাড়া সব ডিজাইনের প্রদশর্নীতে শোবোট হোটেলে যেন তৈরি হয়েছিল ভিন্ন এক ফ্যাশন জগত।

    র‌্যাম্পে একের পর এক নতুন ডিজাইনের পোশাক নিয়ে হাজির হয়েছিলেন  মডেলরা। দেশ-বিদেশের ডিজাইনারদের সৃজনশীলতা, পোশাকের বৈচিত্র এবং আধুনিক ফ্যাশন ট্রেন্ড উঠে এসেছিল এবারের আয়োজনে।

    ফ্যাশন শোর পাশাপাশি পুরো আয়োজন জুড়ে ছিল সৃজনশীলতা, বিনোদন ও নেটওয়ার্কিংয়ের নানা সুযোগ।

    ফ্যাশন শো-তে মডেলরা। ছবি-বাংলা গেজেট।

    এবারের আটলান্টিক সিটি ফ্যাশন উইক আরও বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য । কারণ, আয়োজনটি উদযাপন করেছে তার ১৫তম বার্ষিকী। ২০১১ সালে শুরু হওয়া এই উৎসব বছরে তিনবার অনুষ্ঠিত হয়। সময়ের ব্যবধান এবং প্রয়োজনের তাগিদে এটি আটলান্টিক সিটির ফ্যাশন ও সাংস্কৃতিক ক্যালেন্ডারে একটি পরিচিত আয়োজন হিসেবে জায়গা করে নিয়েছে।

    ফ্যাশন ষ্ট্যাইল ম্যাগাজিন ও কিংবি মিডিয়ার অংশিদারিত্বে অনুষ্ঠিত আটলান্টিক সিটি ফ্যাশন উইকে  অংশ নিয়েছে হাজারো ফ্যাশনপ্রেমী।

  • ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ায় চা-কফি

    খুব গরম চা বা কফি পান করলে খাদ্যনালির একটি নির্দিষ্ট ধরনের ক্যানসারের ঝুঁকি তিন গুণ পর্যন্ত বাড়তে পারে বলে নতুন এক গবেষণায় উঠে এসেছে। যুক্তরাজ্যে প্রায় ৯ লাখ ৮০ হাজার মানুষের তথ্য বিশ্লেষণ করে এ গবেষণা চালিয়েছে অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকেরা। সংবাদ সিএনএন’র।

    গবেষণায় দেখা গেছে, যারা গরম পানীয় পছন্দ করেন, তাদের খাদ্যনালির স্কোয়ামাস সেল কার্সিনোমার ঝুঁকি উষ্ণ পানীয় পছন্দকারীদের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ। আর যারা খুব গরম পানীয় পান করেন, তাদের ঝুঁকি তিন গুণেরও বেশি।

    পানীয়ের পরিমাণও ঝুঁকির সঙ্গে সম্পর্কিত। তাপমাত্রার বিষয়টি বিবেচনায় নেওয়ার পর দেখা যায়, দিনে ছয় বা তার বেশি গরম পানীয় পানকারীদের এই ক্যানসারের ঝুঁকি ছয়ের কম পানকারীদের তুলনায় ৭১ শতাংশ বেশি।

    গবেষণায় অংশ নেওয়া ব্যক্তিদের কাছে পানীয়ের তাপমাত্রা সম্পর্কে তাদের পছন্দ জানতে চাওয়া হয়েছিল। তবে পানীয়ের প্রকৃত তাপমাত্রা মাপা হয়নি। ফলে গবেষকেরা এটিকে সরাসরি কারণ হিসেবে প্রমাণ না করে শক্তিশালী সম্পর্ক হিসেবে দেখেছেন।

    ২০১৬ সালে আন্তর্জাতিক ক্যানসার গবেষণা সংস্থা ৬৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি তাপমাত্রার পানীয়কে মানুষের জন্য সম্ভাব্য ক্যানসার সৃষ্টিকারী হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ করেছিল।

    গবেষকেরা বলছেন, চা বা কফি পান করার আগে কিছুটা ঠান্ডা করে নেওয়া যেতে পারে। পানীয়ের সঙ্গে দুধ মেশানো হলেও গরম অবস্থায় পান করলে ঝুঁকির পরিবর্তন দেখা যায়নি।

    তবে গবেষণার প্রধান লেখক কেরেন পাপিয়ে বলেন, খাদ্যনালির এই ক্যানসারের ক্ষেত্রে ধূমপান এখনো সবচেয়ে বড় ঝুঁকির কারণ।

  • ৫২ বছরের ‘গ্যালাক্সি’ ছাড়ছেন সালমান?

    ৫২ বছরের ‘গ্যালাক্সি’ ছাড়ছেন সালমান?

    দীর্ঘ পাঁচ দশকেরও বেশি সময় ধরে মুম্বাইয়ের বান্দ্রার ঐতিহাসিক গ্যালাক্সি অ্যাপার্টমেন্ট-ই ছিল বলিউড সুপারস্টার সালমান খান-এর স্থায়ী ঠিকানা। তবে এবার সেই ঠিকানা বদলানোর জোর সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। বান্দ্রার ছিম্বাই এলাকায় সমুদ্রসংলগ্ন একটি নতুন ছয়তলা আবাসিক ভবন নির্মাণের অনুমোদন পেয়েছেন তিনি।

    ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, গত ১৬ জুন মহারাষ্ট্র কোস্টাল জোন ম্যানেজমেন্ট অথরিটি (এমসিজেএমএ) নতুন ভবন নির্মাণের চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়। যদিও সালমান খান পরিবারসহ স্থায়ীভাবে নতুন ভবনে উঠবেন কি না, সে বিষয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়নি।

    জানা গেছে, নতুন ভবনটি নির্মিত হবে সালমান খানের বর্তমান বাসভবনের কাছেই। জমিটি তার মা সালমা খান-এর নামে নিবন্ধিত। সেখানে ১৯৫৬ সালের আগে নির্মিত একটি পুরোনো দোতলা বাড়ি ছিল, যা সম্প্রতি জরাজীর্ণ হয়ে পড়ায় ভেঙে ফেলা হয়েছে।

    অনুমোদিত নকশা অনুযায়ী, ভবনটিতে থাকবে একটি গ্রাউন্ড ফ্লোর, স্টিল্ট পার্কিং এবং ওপরের দিকে ছয়টি আবাসিক তলা। প্রায় ১,০১৪ বর্গমিটার জায়গাজুড়ে গড়ে উঠবে এই আবাসন প্রকল্প, যার নির্মাণকাজ পরিচালনা করবে সাচ ডেভেলপার্স। এর আগে ২০২৫ সালের অক্টোবরে বৃহন্মুম্বাই মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশন (বিএমসি) প্রকল্পটির প্রাথমিক অনুমোদন দিয়েছিল।

    পরিবেশগত শর্ত অনুযায়ী, নির্মাণকাজে কোনো পুরোনো গাছ কাটা যাবে না। পাশাপাশি প্রকল্প এলাকায় স্থানীয় প্রজাতির নতুন গাছ লাগানোর নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে।

    নতুন আবাসন প্রকল্পের খবরটি এমন সময়ে সামনে এলো, যখন গ্যালাক্সি অ্যাপার্টমেন্টের বাইরে বিষ্ণোই গ্যাং-এর গুলিবর্ষণের ঘটনার পর সালমান খানের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বেড়েছে। বর্তমানে তিনি ওয়াই-প্লাস (Y+) ক্যাটাগরির নিরাপত্তা সুবিধার আওতায় রয়েছেন।

    প্রধান সড়ক থেকে কিছুটা ভেতরে অবস্থিত নতুন জায়গাটি আগের তুলনায় বেশি ব্যক্তিগত পরিসর এবং উন্নত নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ১৯৭৪ সাল থেকে গ্যালাক্সি অ্যাপার্টমেন্টে বসবাস করে আসা সালমান খানের সম্ভাব্য নতুন ঠিকানার খবরে ইতোমধ্যেই ভক্তদের মধ্যে ব্যাপক কৌতূহল তৈরি হয়েছে।

    সূত্র: এনডিটিভি

  • পুরুষদের দায়িত্বশীল হওয়ার পরামর্শ দিয়ে বিতর্কে সাইমা কুরেশি

    পুরুষদের দায়িত্বশীল হওয়ার পরামর্শ দিয়ে বিতর্কে সাইমা কুরেশি

    পাকিস্তানের জনপ্রিয় অভিনেত্রী সাইমা কুরেশি সম্প্রতি এক পডকাস্টে অংশ নিয়ে বিয়ে ও সম্পর্ক নিয়ে মন্তব্য করে সামাজিক মাধ্যমে বিতর্কের ঝড় তুলেছেন। তিনি দাবি করেছেন, ‘৯৫ শতাংশ পুরুষ দ্বিতীয় বিয়ে করতে চায়’ এবং পরকীয়ার চেয়ে বৈধভাবে দ্বিতীয় বিয়ে করাই ভালো।

    প্রতিবেদনের মূল অংশ (পয়েন্ট আকারে):

    বিতর্কিত মন্তব্য: অভিনেত্রী সাইমা কুরেশি দাবি করেছেন যে, ‘৯৫ শতাংশ পুরুষ দ্বিতীয় বিয়ে করতে চায়’।

    দ্বিতীয় বিয়ের পক্ষে যুক্তি:

    তিনি পরকীয়ায় আগ্রহী পুরুষদের দায়িত্বশীল হওয়ার এবং ‘বৈধভাবে’ বিয়ে করার পরামর্শ দেন। তার মতে, তাদের বেপরোয়া আচরণের কারণে পরিবার ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের ক্ষতি হতে পারে।

    সাইমা কুরেশি মনে করেন, কারও অনুভূতি নিয়ে খেলার চেয়ে একজন পুরুষের বৈধভাবে দ্বিতীয়বার বিয়ে করা অনেক ভালো। তিনি প্রশ্ন তোলেন, গোপন সম্পর্কের চেয়ে দ্বিতীয় বিয়ে কেন খারাপ হিসেবে বিবেচিত হবে?

    পুরুষদের প্রতি পরামর্শ: অভিনেত্রীর পরামর্শ হলো, পুরুষদের উচিত পরিষ্কার ও দায়িত্বশীল সিদ্ধান্ত নেওয়া এবং অবৈধ সম্পর্ক থেকে বিরত থাকা। তিনি জোর দিয়ে বলেন, ব্যক্তিগত চাহিদা সমাজের চাপে নয়, বরং ধর্মীয় নীতিমালার ভিত্তিতে পূরণ করা উচিত।

    বিতর্কের ঝড়: সাইমার এই মন্তব্য ছড়িয়ে পড়ার পরই পাকিস্তানসহ আন্তর্জাতিক পর্যায়েও বিতর্ক শুরু হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকে তার বক্তব্যকে ধর্মীয় ও সামাজিক দৃষ্টিকোণ থেকে সমর্থন করছেন, আবার কেউ কেউ নারীর মর্যাদা ও অধিকার নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।

    ব্যক্তিগত পরিচিতি: ৫১ বছর বয়সী এই অভিনেত্রী পাকিস্তানি চলচ্চিত্র জগতের বর্ষীয়ান অভিনেত্রী রোজিনার কন্যা। তিনি ২০০৫ সালে পরিচালক সৈয়দ নূরকে বিয়ে করেন এবং ২০১৮ সালে তাদের বিচ্ছেদ হয়। তাদের পুত্রসন্তান দানিয়াল খান ইতোমধ্যে অভিনয়ে নাম লিখিয়েছেন।

  • বাংলাদেশে ডেঙ্গুতে একদিনে আরও ৬ জনের মৃত্যু

    বাংলাদেশে ডেঙ্গুতে একদিনে আরও ৬ জনের মৃত্যু

    দেশে ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব অব্যাহত রয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় এ রোগে আক্রান্ত হয়ে আরও ৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৫৮৬ জন রোগী।
    বৃহস্পতিবার (১১ সেপ্টেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত প্রতিবেদনে জানানো হয়, মৃতদের মধ্যে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ৩ জন, আর ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন, ময়মনসিংহ বিভাগ ও রাজশাহী বিভাগের একজন করে রয়েছেন।

    সর্বমোট পরিস্থিতি:

    চলতি বছরে ডেঙ্গুতে এ পর্যন্ত মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৪৫ জনে।

    এখন পর্যন্ত মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৩৬ হাজার ৬৬২ জন।

    বর্তমানে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ১ হাজার ৭৯২ জন রোগী চিকিৎসাধীন, এর মধ্যে ঢাকার বাইরে রয়েছেন ১ হাজার ৪৬ জন।

  • গবেষণা জরিপ: অসহনীয় তাপদাহে নারীরাই বেশী ক্যান্সারে আক্রান্ত হচ্ছেন

    গবেষণা জরিপ: অসহনীয় তাপদাহে নারীরাই বেশী ক্যান্সারে আক্রান্ত হচ্ছেন

    বিশ্বব্যাপী পরিচালিত এক গবেষণা জরিপে উদঘাটিত হয়েছে যে, মধ্যপ্রাচ্য এবং উত্তর আফ্রিকার ১৭টি দেশে অসহনীয় তাপদাহের কারণে তথা জলবায়ু পরিবর্তনের অশুভ প্রতিক্রিয়ায় নারীর মধ্যে স্তন, ডিম্বাশয়, জরায়ু এবং জরায়ু’র ক্যান্সার বেড়েছে। একইভাবে ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর হারও বেড়েছে গত দুই দশকে। ‘ফন্ট্রিয়ার্স ইন পাবলিক হেল্্থ’ জার্নালে মঙ্গলবার প্রকাশিত এই জরিপ রিপোর্টে আরো বলা হয়েছে যে, অত্যধিক গরম আবহাওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে খরা এবং দাবানলের প্রকোপও বেড়েছে। যে কারণে পরিবেশ দুষিত হয়ে পড়ছে আড়ের যে কোন সময়ের তুলনায় অনেক বেশী।

    এই জরিপ পর্যালোচনার পর ইউনিভাসিটি অব মিনেসোটার ম্যাসনিক ক্যান্সার সেন্টারের জনস্বাস্থ্য বিষয়ক অধ্যাপক আইরিনা স্টিপ্যানোভ বলেছেন, উত্তপ্ত আবহাওয়া এবং পরিবেশ দুষণের ফলশ্রুতিতে ক্যান্সারে আক্রান্ত হবার ঝুঁকি ক্রমান্বয়ে বেড়েছে। আর সবচেয়ে বেশী আক্রান্ত হচ্ছেন নারীরা। কারণ , ঐসব দেশের দারিদ্রপীরিত জনগোষ্ঠির নারীরা প্রত্যাশিত চিকিৎসা-সেবা পায় না। এমনকি পরিবেশ দুষণের ভয়ংকর প্রতিক্রিয়া সম্পর্কে জনসচেতনতা সৃষ্টির কার্যক্রমও তেমনভাবে নেই ঐসব অঞ্চলে। কায়রোস্থ আমেরিকান ইউনিভার্সিটির সিনিয়র ফেলো গবেষক এবং এই জরিপের আলোকে পরিচালিত গবেষণা টিমের অন্যতম ড. ওয়াফা আবেলখেইর মাতারিয়া মনে করছেন, ঐসব অঞ্চলের নারীরা সামাজিকভাবেও পিছিয়ে রয়েছেন অর্থনৈতিক কারণে। এহেন অবস্থার অবসানে গরিবের চেয়েও গরিব অঞ্চলের জনগোষ্ঠিকে পরিবেশ দুষণের ব্যাপারে সচেতন করতে হবে। অণ্যথায় ক্যান্সারের মহামারি রোধ করা সম্ভব হবে না।

    ১৯৯৮ থেকে ২০১৯ সালের মধ্যে ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণকারিদের নিয়ে উপরোক্ত গবেষণা জরিপে আরো উদঘাটিত হয়েছে যে, প্রতি লাখে ১৭৩ জন থেকে ২৮০ জনে উন্নীত হয়েছে ক্যান্সারে আক্রান্তের ঝুঁকি। কাতার, বাহরাইন, জর্দান, সউদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং সিরিয়ার মত দেশেও নারীরা ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে সুচিকিৎসার অভাবে ইন্তেকাল করেছেন বলে ঐ জরিপে জানা গেছে।