Blog

  • আসুন ইউনূস-অপসারণে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন রচনা করি: জননেত্রী শেখ হাসিনা পরিষদের সভাপতি

    আসুন ইউনূস-অপসারণে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন রচনা করি: জননেত্রী শেখ হাসিনা পরিষদের সভাপতি

    বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতার সূতিকাগার হিসেবে পরিচিত ধানমন্ডির ৩২ নম্বর বাড়িটি বোলডোজার দিয়ে গুড়িয়ে দেয়ার নিন্দা ও প্রতিবাদ এবং রাজাকারের প্রেতাত্মা মুহাম্মদ ইউনূসের বিচার দাবিতে ১৬ ফেব্রুয়ারি রোববার জর্জিয়া স্টেটের আটলান্টায় ‘জননেত্রী শেখ হাসিনা পরিষদ’র এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতির বক্তব্যে বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ আলী হোসেন প্রচন্ড ক্ষোভের সাথে বলেন, একাত্তরের পরাজিত শক্তি তথা রাজাকার-জামায়াতের লোকজন এবং আন্তর্জাতিক জঙ্গিরা সম্মিলিতভাবে কোটা আন্দোলনের লেবাসে শেখ হাসিনাকে উৎখাতের গভীর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত ছিল। সময়ের পরিক্রমায় তা এখোন সকলের কাছেই স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। এ অবস্থায় প্রবাসীদের ঐক্যবদ্ধ হতে হবে বাংলাদেশকে সঠিক ট্র্যাকে ফিরিয়ে আনার জন্যে।

    এ সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দিয়েছেন জননেত্রী শেখ হাসিনা পরিষদের ভাইস প্রেসিডেন্ট সৈয়দ আলম, যুগ্ম সম্পাদক উত্তম দেব ও মাহাবুব আলম এবং সাংগঠনিক সম্পাদক ইলিয়াস হাসান।

    আধুনিক বাংলাদেশের রূপকার শেখ হাসিনার প্রত্যাবর্তনের মধ্যদিয়েই বাংলাদেশ আবারো উন্নয়নের মহাসড়কে উঠবে বলে মন্তব্য করেন বক্তারা। তারা বলেন, ৫ আগস্ট থেকে আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, মহিলা আওয়ামী লীগের শত সহস্র নেতা-কর্মীকে ইউনূসের লেলিয়ে দেয়া জঙ্গিরা হত্যা করেছেন। নেতা-সমর্থকদের বাড়ি-ঘর লুটের পর জ্বালিয়ে দেয়া হচ্ছে। এমন অসহনীয় পরিস্থিতি থেকে বাংলাদেশকে রক্ষায় শেখ হাসিনাকে পুনরায় রাষ্ট্র ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত করার বিকল্প নেই।

    সভার শুরুতে জননেত্রী শেখ হাসিনা পরিষদের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ আলী হোসেন লিখিত বক্তব্যে উল্লেখ করেন, বাংলাদেশ আবারো চরমপন্থি-জঙ্গিবাদের খপ্পড়ে পড়েছে। খুবলে খাচ্ছে মুক্তিযুদ্ধের নাম-নিশানা। জ্বালিয়ে দেয়া হয়েছে বাঙালির মুক্তি আন্দোলনের সূতিকাগার ধানমন্ডির ৩২ নম্বর বাড়ি। তছনছ করা হচ্ছে মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্বপ্রদানকারি আওয়ামী লীগের অফিস এবং জ্বালিয়ে দেয়া হচ্ছে নেতৃবৃন্দের বাড়ি-ঘর-ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। কেন্দ্র থেকে গ্রাম পর্যায়ের ৩ হাজারের অধিক নেতা-কর্মীকে হত্যা এবং হাত-পা কেটে ফেলা হয়েছে শতশত নেতা-কর্মীর। গ্রেফতার করা হয়েছে ১৫ হাজারের অধিক নেতা-কর্মীকে। গায়েবী খুনের মামলা দায়ের করা হয়েছে বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনাসহ হাজারো নেতা-কর্মীর নামোল্লেখ করে। হাস্যকর হলেও সত্য যে, জঙ্গি নিয়ন্ত্রিত জুলাই-আগস্টের সন্ত্রাসী কর্মকান্ডকে গণহত্যা হিসেবে অভিহিত করে আন্তর্জাতিক যুদ্ধাপরাধ আদালতে জননেত্রী শেখ হাসিনা-সহ শীর্ষ নেতাদের মৃত্যুদন্ড প্রদানের নাটক শুরু হয়েছে।

    তিনি আরো বলেন, আপনার জেনে অবাক হবেন যে, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা লালনকারি সাংবাদিকরাও জঙ্গিদের রোষানলে পড়েছেন। ৬ সাংবাদিককে হত্যা, ১৮ জনকে গ্রেফতার, টিভি-পত্রিকার ৫০টি অফিসে হামলা এবং ক্ষতিসাধন করা হয়েছে। এক হাজারের মত সম্পাদক-সাংবাদিককে বরখাস্তে বাধ্য্ করা হয়েছে মালিক-কে চাপ দিয়ে। ১৬৮ সাংবাদিকের প্রেস অ্যাক্রিডিটেশন কার্ড কেড়ে নেয়া হয়েছে। বেশ কিছু সাংবাদিকের ব্যাংক একাউন্ট জব্দ করার ঘটনাও ঘটেছে। অর্থাৎ শান্তিতে নোবেল পুরস্কার বিজয়ী মুহম্মদ ইউনূস তার মুখোশ উম্মোচিত করেছেন একাত্তরের ঘাতকদের প্রেতাত্মা হিসেবে।

    আলী হোসেন আরো উল্লেখ করেন, বাংলাদেশে আইন ও প্রশাসন বলতে কিছু নেই। ইউনূসের টোকাই বাহিনী সন্ত্রাসী জনপদে পরিণত করেছে গোটা বাংলাদেশকে। পুলিশী ব্যবস্থা তছনছ করার পর সেনাবাহিনীকেও বিতর্কিত করা হচ্ছে-যাতে শীঘ্রই বাংলাদেশকেও তালেবানি রাষ্ট্রে পরিণত করা সহজ হয়। ব্যাংকে নগদ অর্থ উঠানোর পথ রুদ্ধ হয়েছে। টোকাইদের অঙ্গুলি হেলনে চলছে অচলাবস্থায় নিপতিত করার সর্বশেষ কর্মকান্ড। এ অবস্থায়ও বাংলাদেশের কথিত সুশীল সমাজ আজ নিরব কেন? তাহলে তারাও কি ইতিপূর্বে জঙ্গিদের পয়সায় শেখ হাসিনা সরকারের বিরুদ্ধে বিষোদগারে লিপ্ত ছিলেন?

    বীর মুক্তিযোদ্ধা আলী হোসেন বলেন, টিআইবি নামক ভাড়াটে একটি সংস্থা ৫ আগস্টের আগে ১৫ বছরে বাংলাদেশ থেকে ৯৪ হাজার কোটি টাকা পাচারের উদ্ভট তথ্য প্রচার করেছে। অথচ গত ৬ মাস ১০ দিনে এমন কোন তথ্য জাতির সামনে হাজির করতে সক্ষম হননি যে, একশত কোটি টাকা পাচার হয়েছে। যেভাবে আসিফ নজরুল নামক এক দুষ্ট চরিত্রের অধ্যাপক বছরের পর বছর টক শো-তে বলেছেন যে, বাংলাদেশে ২৬ লাখ ভারতীয় চাকরি করছেন। এখোন সেই আসিফরা ক্ষমতায়, গত ৬ মাসে একজনকেও তো কথিত চাকরি থেকে বরখাস্ত করতে দেখিনি। একইভাবে টিআইবিও জঘন্য মিথ্যাচারে লিপ্ত হয়েছে আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে।

    আলী হোসেন বলেন, দেখতে দেখতে জঙ্গিরা জল অনেক ঘোলা করেছে। আর সময় দেয়া ঠিক হবে না। তাই আসুন প্রবাস থেকে যতটা সম্ভব জঙ্গিদের গুরু মুহম্মদ ইউনূসের স্বরূপ উদঘাটনে সচেষ্ট হই। একাত্তরের মত দেশপ্রেমিক প্রতিটি প্রবাসী ঐক্যবদ্ধ হয়ে মার্কিন কংগ্রেস, সিনেট এবং হোয়াইট হাউজে লবিং জোরদার করি। একইসাথে ইউনূসের লেলিয়ে দেয়া ঘাতকদের হাতে নিহতদের এবং যারা প্রাণের ভয়ে আত্মগোপনে যেতে বাধ্য হয়েছেন সে সব অসহায় পরিবারের পাশে দাঁড়াই।

    আলী হোসেন ক্ষোভের সাথে বলেন, গত ১৫ বছর ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের কাছে থেকে যারা নানা সুযোগ-সুবিধা নিয়েছেন, তাদের প্রতিও আহবান রাখছি দুর্দিনে সরব হবার জন্যে। তা না হলে সময় পাল্টালে তৃণমূলের কর্মীদের তোপের মুখে পড়তে হবে। তখোন পরিস্থিতি সামাল দেয়া কঠিন হয়ে পড়বে। কারণ, মুজিব আদর্শে উজ্জীবিতরা কখনো অন্যায়-অবিচারকে সহ্য করে না।

     

    Facebook Comments Box
  • উত্তরায় স্ত্রীর সামনে স্বামীকে কোপ, দুই যুবক আটক

    উত্তরায় স্ত্রীর সামনে স্বামীকে কোপ, দুই যুবক আটক

    রাজধানীর উত্তরায় নিয়ন্ত্রণ বিহীনভাবে মোটরসাইকেল চালানোর প্রতিবাদ করায় স্ত্রীর সামনে স্বামীকে রামদা দিয়ে কুপিয়ে আহত করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত মো. মোবারক হোসেন (২৫) ও রবি রায় (২২) নামের দুই যুবককে আটক করেছে পুলিশ।

    সোমবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে উত্তরা পশ্চিম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাফিজুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

    স্ত্রীর সামনে স্বামীকে কোপানোর কয়েক সেকেন্ডের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।

    ওই ভিডিওতে দেখা যায়, ক্ষিপ্ত হয়ে দুই যুবক ওই দম্পতিকে রামদা দিয়ে আঘাত করছে। এ সময় জীবন বাঁচাতে হামলাকারীদের উদ্দেশ্যে হাতজোড় করে তাকে বাঁচানোর চেষ্টা করছেন ওই নারী।

    ওসি হাফিজুর রহমান জানান, উত্তরা ৭ নম্বর সেক্টরের ৯ নম্বর রোডে চারজন যুবক নিয়ন্ত্রণ বিহীনভাবে দুটি মোটরসাইকেল চালিয়ে যাওয়ার সময় একটি রিকশার সঙ্গে ধাক্কা লাগে। এ নিয়ে রিকশাচালকের সঙ্গে দুই যুবকদের কথা কাটাকাটি হয়। অপর মোটরসাইকেলে থাকা দম্পতি এর প্রতিবাদ করে।

    একপর্যায়ে ওই দম্পতির সঙ্গে দুটি মোটরসাইকেলে থাকা চার যুবকেরও কথা কাটাকাটি হয়। তখন চার যুবকের সংবাদে আরও কয়েকজন যুবক ঘটনাস্থলে এসেই রামদা দিয়ে কোপাতে থাকেন ওই নারীর স্বামীকে। এ ঘটনার পরপরই স্থানীয় জনতা দুইজনকে ধরে পুলিশে সোপর্দ করেছে।

    ওসি আরও জানান, আটক দুই যুবককে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। আর আহত ব্যক্তিকে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত অন্যদের আটক করতে অভিযান চলছে। বিস্তারিত পরে জানানো হবে।

    Facebook Comments Box
  • নিউ হ্যামশায়ার স্টেট পার্লামেন্টে রেজ্যুলেশনে বাংলাদেশে জ্বালাও-পোড়াও-গ্রেফতার-নির্যাতন বন্ধে ট্রাম্পের হস্তক্ষেপ কামনা

    নিউ হ্যামশায়ার স্টেট পার্লামেন্টে রেজ্যুলেশনে বাংলাদেশে জ্বালাও-পোড়াও-গ্রেফতার-নির্যাতন বন্ধে ট্রাম্পের হস্তক্ষেপ কামনা

    হোয়াইট হাউজে ১৩ ফেব্রুয়ারি অপরাহ্নে নরেন্দ্র মোদির সাথে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের বৈঠকের সময় রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসি থেকে ২৬০ মাইল দূর নিউ হ্যামশায়ার স্টেট পার্লামেন্টে বাংলাদেশের পরিস্থিতি নিয়ে একটি রেজ্যুলেশন (এইচআর ১১) পাশ হয় ৩২৮-৪১ ভোটে। রিপাবলিকান এবং ডেমক্র্যাট-উভয় পার্টির অকুন্ঠ সমর্থনের এই রেজ্যুলেশনে হোয়াইট হাউজ, কংগ্রেস, স্টেট ডিপার্টমেন্টের প্রতি উদাত্ত আহবান জানানো হয় অন্তর্বর্তী সরকার কর্তৃক ধর্মীয় সংখ্যালঘু সম্প্রদায় এবং শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের হত্যা, গ্রেফতার ও বাড়ি-ঘর জ্বালিয়ে দেয়ার মত হিংস্র আচরণ বন্ধে যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণের জন্যে। ‘আর্জিং দ্য ইউনাইটেড স্টেটস গভর্ণমেন্ট টু ইনভেস্টিগেট অ্যালিগেশন্স অব এ্যবুজ অব মাইনোরিটিজ, স্পেশালি হিন্দুজ, বুড্ডিস্টস, ক্রিস্টিয়ান্স, অ্যান্ড আদার রিলিজিয়াস মাইনোরিটিজ বাই দ্য ইন্টারিম গভর্ণমেন্টস অব বাংলাদেশ’ ( ঁৎমরহম ঃযব টহরঃবফ ঝঃধঃবং মড়াবৎহসবহঃ ঃড় রহাবংঃরমধঃব ধষষবমধঃরড়হং ড়ভ ধনঁংব ড়ভ সরহড়ৎরঃরবং, বংঢ়বপরধষষু ঐরহফঁং, ইঁফফযরংঃং, ঈযৎরংঃরধহং, ধহফ ড়ঃযবৎ ৎবষরমরড়ঁং সরহড়ৎরঃরবং নু ঃযব রহঃবৎরস মড়াবৎহসবহঃ ড়ভ ইধহমষধফবংয) শীর্ষক রেজ্যুলেশনে উল্লেখ করা হয়েছে, ইসলামিক মৌলবাদিদের উষ্কানীতে তথাকথিত ছাত্র আন্দোলনে শেখ হাসিনার সরকার উৎখাতের পর ধর্মীয় সংখ্যালঘু নিধন, ধর্মীয় উপাসনালয় ধ্বংস, জাতিরজনকের বাড়ি গুড়িয়ে দেয়া, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ও প্রথিতযশা সাংবাদিকদের হেনস্থা, গ্রেফতার ও খুন করা, শাহ পরাণ এবং দেওয়ানবাগ, গরিবউল্লাহ শাহ মাজারসহ ৫০টি মাজারে হামলা, অগ্নি সংযোগে ধ্বংস করা, এমনকি ৩০ লাখ শহীদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত বাংলাদেশের স্বাধীনতার ইতিহাস মুছে ফেলার অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে। এহেন অপকর্মের বিরুদ্ধে কথা বললেই খুন হতে হচ্ছে সংশ্লিষ্টদেরকে; শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকারের সাথে সংশ্লিষ্ট ছিলেন এমন মন্ত্রী-এমপি, রাজনীতিকের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের এবং গ্রেফতার করা হচ্ছে। এমনকি শতশত পুলিশ অফিসারকেও হত্যার ঘটনা ঘটেছে এবং এখনো পুলিশের ওপর বর্বরোচিত আক্রমণের ঘটনা ঘটছে। বিচারবহির্ভূত হত্যাকান্ড অব্যাহত রয়েছে গোটা বাংলাদেশে

    (—–  that government was overthrown by a so-called student uprising supported by Islamic fundamentalists that is hostile to religious minorities; and Whereas, attacks on places of religious worship and cultural figures, harassment and attacks on Hindu religious centers, have increased resulting in many deaths and injuries; and

    Whereas, at least 50 Shrines, including the Shah Paran shrine, the Dewanbagh shrine in

    Narayanganj, and the Garibullah Shah shrine in Chittagong, were attacked and set on fire; and

    Whereas, Muhammad Yunus, the current leader of Bangladesh, has attempted to erase the

    history of Bangabandhu by canceling national holidays such as the father of the nation

    Bangabandhu’s birthday and removing plaques and renaming institutions that were placed or

    named in his honor; and Whereas, there have been extradjudicial killings of citizens who either have spoken out against the Yunus government or who were members of the previous government, including members Bangladesh Awami League, and including the killing of police officers; and; now, therefore, be it Resolved by the House of Representatives: the United States government is urged investigate

    allegations of abuse of minorities, especially Hindus, Buddhists, Christians, and other religious

    minorities by the interim government of Bangladesh.

    Let it be further resolved that copies of this resolution be sent to the members of the New

    Hampshire Congressional delegation, the Secretary of State of the United States, the President of

    the United states, and the White House Press Office.)|এই রেজ্যুলেশন উত্থাপন করেছিলেন নিউ হ্যামশায়ার স্টেটের রকিংহাম ডিস্ট্রিক্ট-৩০ এর রিপ্রেজেনটেটিভ (রিপাবলিকান) আবুল বি খান। বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশনের যুক্তরাষ্ট্র শাখার অন্যতম সহ-সভাপতি আবুল বি খানের উত্থাপিত রেজুলেশনটি বিভিন্ন প্রক্রিয়ায় পাশের পর পার্লামেন্ট ভবনে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে কো-স্পন্সর ডোগ থমাস এবং জোনা হুইলারকে পাশে নিয়ে আবুল বি খান বলেন, মাতৃভ’মি ছেড়ে ৪৫ বছর আগে যুক্তরাষ্ট্রে এলেও মাঝেমধ্যেই বাংলাদেশে যাই নাড়ির টানে। কিন্তু গত ৫ আগস্টে নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে কথিত এক ছাত্র-জনতার আন্দোলনে উচ্ছেদের পর বাংলাদেশে এক অসহনীয় পরিস্থিতি বিরাজ করছে। আওয়ামী লীগ ও তার অঙ্গ এবং সহযোগী সংগঠনের সর্বস্তরের নেতা-কর্মীরা আক্রান্ত হচ্ছেন। হত্যা করা হচ্ছে পুলিশ-প্রশাসনের সামনে। এমনকি কদিন আগে বোলডোজার দিয়ে গুড়িয়ে দেয়া হয়েছে জাতিরপিতার স্মৃতি বিজড়িত ভবনটিকে। লুট-তরাজের পর আগুন দিয়ে পুড়ে ফেলা হয় সেনাবাহিনীর সামনে। বলার অপেক্ষা রাখে না যে, রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর সেনাবাহিনীকে ম্যাজিস্ট্রেসী ক্ষমতা দেয়া হয়েছে। অথচ তারা কথিত ছাত্র-আন্দোলনকারীদের অপকর্ম বন্ধে ন্যূনতম কোন পদক্ষেপ নিচ্ছে না। এরফলে সাধারণ মানুষেরাও সন্ত্রস্ত অবস্থায় দিনাতিপাত করছেন। আবুল খান উল্লেখ করেন, নিজের দেশের মানুষের নিরাপত্তা দিতে চরম ব্যর্থতা প্রদর্শনকারি সেনাবাহিনীকে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশনে রাখার যৌক্তিকতা আদৌ আছে কিনা তা খতিয়ে দেয়া দরকার। আবুল খান বলেন, বাংলাদেশের গণমাধ্যমের ন্যূনতম স্বাধীনতা নেই। হুমকির মুখে সাংবাদিকতার পেশা আজ বিপর্যস্ত। কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তা না থাকায় অনেক শিল্প-কারখানা বন্ধের উপক্রম। কথিত আন্দোলনের সমন্বয়কারি ও আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসী চক্রের সদস্যরা মোটা অংকের চাঁদাবাজি করছে ব্যবসায়ী ও শিল্পপতিগনের কাছে। চাঁদা না দিলে মামলা-হামলার হুমকি দেয়া হচ্ছে। এভাবে গোটা সমাজকে অসহনীয় অবস্থায় নিপতিত করা হয়েছে-যা কখনোই মানবতার পরিপূরক নয়।

    নিউ হ্যামশায়ার স্টেট পার্লামেন্টে রেজ্যুলেশন পাশের পর প্রবাসী নেতৃবৃন্দ। ছবি- এনওয়াইভয়েস২৪।

    এদিকে, নিউ হ্যামশায়ার স্টেট পার্লামেন্টে এই বিল পাশের সময় গ্যালারিতে নেতৃবৃন্দের মধ্যে ছিলেন বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশনের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট এম ফজলুল হক, যুগ্ম সম্পাদক আলিম খান আকাশ, মোহাম্মদ জাফরউল্লাহ, আফসার আলী, নিউইংল্যান্ড আওয়ামী লীগের নেতা বিন্দু সফেদা বসু, টিপু চৌধুরী, প্রিতম বড়ুয়া, আশিষ দে প্রমুখ।

    এই রেজ্যুলেশনের পরিপূরক একটি প্রশ্ন করা হয়েছিল ১৩ ফেব্রুয়ারি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ও নরেন্দ্র মোদির আনুষ্ঠানিক বৈঠকের আগে যৌথ প্রেস কনফারেন্সে। একজন সাংবাদিক প্রশ্ন করেছিলেন, আমরা জানি বাংলাদেশে ক্ষমতার পালাবদলে বাইডেন প্রশাসনের সময় ডিপস্টেট জড়িত ছিল, সম্প্রতি মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে জুনিয়র সোরেসের (জর্জ সোরেসের ছেলে) বৈঠকেও তা প্রমাণিত। তো বাংলাদেশ নিয়ে আপনি কী বলবেন? জবাবে ডনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, না, আমাদের ডিপ স্টেটের এখানে কোন ভ’মিকা ছিল না। প্রধানমন্ত্রী (ভারতের) এই বিষয়টা নিয়ে বহুদিন ধরে কাজ করছেন—–। কাজেই বাংলাদেশের বিষয়টি আমি প্রধানমন্ত্রীর ওপরই ছেড়ে দেবো’-পাশে বসা নরেন্দ্র মোদির দিকে ইঙ্গিত করে বলেন মি. ট্রাম্প।

    Facebook Comments Box
  • শীতকালীন ঝড়ে লন্ডভন্ড আমেরিকা, নিহত ১১

    শীতকালীন ঝড়ে লন্ডভন্ড আমেরিকা, নিহত ১১

    শীতকালীন তীব্র ঝড়ে যুক্তরাষ্ট্রে অন্তত ১১ জনের প্রাণহানি ঘটেছে। এর মধ্যে শুধু কেন্টাকিতেই মারা গেছেন ১০ জন। একজন পেনসিলভেনিয়ায়। এ ছাড়া প্রবল বর্ষণে স্থবির হয়ে পড়েছে জনজীবন।

    কেন্টাকি রাজ্যের গভর্নর অ্যান্ডি বেসিয়ার বলেছেন, বন্যায় আটকে পড়া শত শত মানুষকে রোববার উদ্ধার করা হয়েছে। তবে তার আগেই দুর্ভাগ্যজনকভাবে পানিতে আটকে যাওয়া একটি গাড়ির ভেতর সাত বছরের এক শিশু ও তার মায়ের মৃত্যু হয়েছে।
    ঝড় ও বন্যাকবলিক মানুষদের সতর্ক করে অ্যান্ডি বেসিয়ার বলেন, ‘আপনারা এই মুহূর্তে রাস্তায় বের হওয়া থেকে বিরত থাকুন এবং নিজেদের নিরাপদ জায়গায় রাখুন।’

    ঝড়ের কারণে প্রায় ৩৯ হাজার বাড়ীর বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে বলেও জানান গভর্নর অ্যান্ডি বেসিয়ার। তিনি বলেন, ‘তীব্র ঝড়ের কারণে হাজার হাজার বাড়ি বিদ্যুৎহীন হয়ে পড়েছে। বাতাসের কারণে ভোগান্তি আরও বাড়তে পারে।’

    ঝড়ের তীব্রতা না কমায় জর্জিয়া ও ফ্লোরিডার কিছু অংশেও টর্নোডো সতর্কতা জারি করা হয়েছে। আবহাওয়াবিদেরা বলছেন, যুক্তরাষ্ট্রে এই মুহূর্তে সবচেয়ে ঠান্ডা বইতে পারে। নিউইয়র্ক, নিউজার্সি, কানেকটিকাট, রোড আইল্যান্ড, ম্যাসেচুসেট্স, ভার্জিনিয়া, পেনসিলভেনিয়া, ওয়াশিংটন ডিসিতেও শীতকালিন ঝড়ের সাথে তুষারপাতও ঘটছে।

    Facebook Comments Box
  • গ্রেটার খুলনা সোসাইটির বর্ণাঢ্য অভিষেক

    গ্রেটার খুলনা সোসাইটির বর্ণাঢ্য অভিষেক

    নিজ এলাকা এবং কম্যুনিটির সামগ্রিক উন্নয়ন-কল্যাণে ঐক্যবদ্ধ কর্মসূচি পালনের অঙ্গিকারে গ্রেটার খুলনা সোসাইটি অব ইউএসএ’র নতুন কমিটির অভিষেক সম্পন্ন হলো। গত ৯ ফেব্রুয়ারী জ্যাকসন হাইটসের নবান্ন পার্টি সেন্টারে এ অনুষ্ঠানে বৃহত্তর খুলনার ৩জন গরীব অথচ মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীকে এককালীন এক লাখ টাকা করে বৃত্তি প্রদানের ঘোষণা দেয়া হয়। খুলনাবাসীর এ মিলনমেলায় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক পরিবেশনাও ছিল।

    উৎসবমুখর পরিবেশে নতুন কমিটির কর্মকর্তাদের শপথ বাক্য পাঠ করান সংগঠনের প্রধান উপদেষ্টা ডা. খন্দকার মাসুদুর রহমান।

    ২০২৫-২০২৬ সালের জন্য নির্বাচিত ১৯ সদস্য বিশিষ্ট কার্যকরী কমিটির অভিষিক্ত কর্মকর্তারা হলেন : সভাপতি ওয়াহিদ কাজী এলিন, সিনিয়র সহ সভাপতি শেখ ফারুকুল ইসলাম, সহ সভাপতি শেখ হাসান আলী, ইসমত জাহান পলি ও শেখ আল আমিন, সাধারণ সম্পাদক হাওলাদার শাহিনুল ইসলাম, সহ সাধারণ সম্পাদক শেখ কামাল হোসেন, কোষাধ্যক্ষ শেখ আনোয়ার হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ সবুর, সমাজ কল্যাণ সম্পাদক মোহাম্মদ ঈদ ই আমিন, প্রচার ও গণসংযোগ সম্পাদক মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান, সাংস্কৃতিক সম্পাদক মোহাম্মদ আনারুল হক, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক ইসমত জাহান পপি, ক্রীড়া ও আপ্যায়ন সম্পাদক মোহাম্মদ শাহীনুর হোসেন, কার্যকরী সদস্য বিলকিস ফাতিমা লাভলী, জাভেদ ইকবাল, শামসুদ্দিন নান্টু, আরিফ শাহরিয়ার এবং উজ্জ্বল হোসেন।

    সংগঠনের সভাপতি ওয়াহিদ কাজী এলিনের সভাপতিত্বে এবং সিনিয়র সহ সভাপতি শেখ ফারুকুল ইসলামের পরিচালানায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ সোসাইটির সভাপতি আতাউর রহমান সেলিম। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন ফোবানা স্টিয়ারিং কমিটির চেয়ারম্যান গিয়াস আহমেদ, বাংলাদেশ সোসাইটির সিনিয়র সহ সভাপতি মহিউদ্দীন দেওয়ান, সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আলী, কোষাধ্যক্ষ মফিজুল ইসলাম ভূঁইয়া রুমি, সারাহ হোম কেয়ারের ডাইরেক্টর মো. আব্দুল খালেক।

    অন্যদের মধ্যে আরো বক্তব্য রাখের আয়োজক সংগঠনের উপদেষ্টা নিউইয়র্ক পুলিশের ল্যাফটেন্যান্ট সৈয়দ এনায়েত আলী, সাবেক সভাপতি মুরারী মোহন দাস, সিনিয়র সহ সভাপতি শেখ মো. নওশাদ আক্তার, সহ সভাপতি শেখ হাসান আলী, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক শেখ কামাল হোসেন, কোষাধ্যক্ষ শেখ আনোয়ার হোসেন প্রমুখ।

    বৈরী আবহাওয়া উপেক্ষা করে কমিউনিটির বিশিষ্ট ব্যক্তিসহ বিপুল সংখ্যক গ্রেটার খুলনা প্রবাসী সপরিবারে অনুষ্ঠানে অংশ নেন।

    সভাপতি ওয়াহিদ কাজী এলিন ও সাধারণ সম্পাদক হাওলাদার শাহিনুল ইসলাম শপথ নেয়ার পর তাদের শুভেচ্ছা বক্তব্যে গ্রেটার খুলনাবাসীর স্বার্থ রক্ষায় কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করে সবার সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেন। তারা অনুষ্ঠানে উপস্থিত হওয়ার জন্য সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

    প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ সোসাইটির সভাপতি আতাউর রহমান সেলিম বলেন, গ্রেটার খুলনা সোসাইটিকে সাথে নিয়েই তারা সোসাইটির অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখবেন।

    সভায় বক্তারা নতুন কার্যকরী কমিটিকে অভিনন্দন জানিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করে গ্রেটার খুলনা সোসাইটি অব ইউএসএকে আরো এগিয়ে নেয়ার আহ্বান জানান।

    সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে সঙ্গীত পরিবশেন করেন প্রবাসের জনপ্রিয় শিল্পী বাপ্পি সোম, মিতা এবং স্থানীয় শিল্পীরা।

    Facebook Comments Box
  • বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘরে রাষ্ট্রীয় মদদপুষ্ট হামলা ও ধ্বংসযজ্ঞের নিন্দা

    বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘরে রাষ্ট্রীয় মদদপুষ্ট হামলা ও ধ্বংসযজ্ঞের নিন্দা

    যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানরত বাংলাদেশি শিক্ষাবিদ ও বিজ্ঞানীরা এক যুক্ত বিবৃতিতে সম্প্রতি বাংলাদেশে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্মৃতিবিজড়িত সকল স্থাপনার অবমাননা ও ধ্বংসযজ্ঞের তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন। ধানমন্ডি ৩২-এর ঐতিহাসিক বাসভবন ধ্বংস, বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য ভাঙচুর এবং তার ঐতিহ্য বিকৃত করার প্রচেষ্টা চরম উদ্বেগজনক। এই জঘন্য কার্যকলাপ ফ্যাসিবাদী ডানপন্থী, চরমপন্থী ইসলামপন্থী, মুক্তিযুদ্ধ বিরোধী ও পাকিস্তানপন্থী শক্তির দ্বারা সংঘটিত হয়েছে, যারা বাংলাদেশের অর্জিত স্বাধীনতা এবং রাষ্ট্রের ধর্মনিরপেক্ষ এবং প্রগতিশীল ভিত্তি ধ্বংস করতে চায়।

    বিবৃতিতে আরো বলা হয়েছে, বাংলাদেশ রাষ্ট্রের স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দৃষ্টিভঙ্গি, নেতৃত্ব ও আত্মত্যাগের বিনিময়ে ১৯৭১ সালে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছিল, যার মূলমন্ত্র ছিল গণতন্ত্র, ধর্মনিরপেক্ষতা ও ন্যায়বিচার। বঙ্গবন্ধুর স্মৃতি ও আদর্শ বিকৃত করার যেকোনো প্রচেষ্টা শুধু ইতিহাসের ওপর নয়, বরং বাংলাদেশের আত্মার ওপর আঘাতের শামিল।

    বিবৃতিদাতারা উল্লেখ করেছেন, আমরা বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানাই তারা যেন অবিলম্বে এই ইতিহাস সংরক্ষণ ও পুনরুদ্ধারে কার্যকর পদক্ষেপ নেয়, বঙ্গবন্ধুর স্মৃতিচিহ্ন ও ঐতিহাসিক স্থানগুলোর সুরক্ষা নিশ্চিত করে এবং এই জঘন্য কর্মকান্ডের জন্য দায়ীদের শাস্তির আওতায় আনে। বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাকালীন আদর্শের ওপর এই আক্রমণ বিনা বিচারে পার পেতে পারেনা।

    ‘বঙ্গবন্ধুর আদর্শ হলো একটি ন্যায়সংগত, স্বাধীন ও অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশের স্বপ্ন। আমরা মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের সকল শক্তির পাশে আছি, যারা ইতিহাসের বিকৃতি ও চরমপন্থার বিরুদ্ধে বঙ্গবন্ধুর উত্তরাধিকার রক্ষায় প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা হোক। ইতিহাস রক্ষিত হোক’-উল্লেখ করা হয়েছে ১৩ ফেব্রুয়ারি প্রদত্ত এ বিবৃতিতে। এতে স্বাক্ষর করেছেন ডঃ বামন দাস বসু (বস্টন), ডঃ সৈয়দ হাসান মামুন (নিউইয়র্ক), ডঃ নুরান নবী (নিউজার্সি), ডঃ সিদ্দিকুর রহমান (নিউজার্সি), ডঃ এবিএম নাসির (নর্থ ক্যারোলিনা), ডাঃ মোহাম্মদ আলী মানিক (আটলান্টা), ডঃ প্রদীপ কর (নিউইয়র্ক), ডঃ জীনাত নবী (নিউজার্সি), ডঃ নাহীদ বানু (নিউইয়র্ক), ডঃ বিনয় পাল (বস্টন), ডাঃ আব্দুল বাতেন (নিউইয়র্ক), ডঃ আশীষ দেব (বস্টন), ডঃ সামশুদ্দিন ইলিয়াস (নর্থ ক্যারোলিনা), ডাঃ অনুপ দেব (বস্টন), কাজী নিয়াজ (বস্টন), ইকবাল ইউসুফ (বস্টন), মাসুদুল হাসান প্রমুখ।

     

     

    Facebook Comments Box
  • ইতিহাস-ঐতিহ্য সমুন্নত রাখার সংকল্প যুক্তরাষ্ট্রস্থ মাণিকগঞ্জ কল্যাণ সমিতির

    ইতিহাস-ঐতিহ্য সমুন্নত রাখার সংকল্প যুক্তরাষ্ট্রস্থ মাণিকগঞ্জ কল্যাণ সমিতির

    মাণিকগঞ্জের ইতিহাস-ঐতিহ্য সমুন্নত রেখে বহুজাতিক এ সমাজে মানবতার কল্যাণে নিবেদিত থাকার অঙ্গিকার ব্যক্ত করলেন যুক্তরাষ্ট্রস্থ মাণিকগঞ্জ কল্যাণ সমিতির ২০২৫-২০২৬ মেয়াদের জন্যে গঠিত কমিটির কর্মকর্তারা। ১৬ ফেব্রুয়ারি রোববার সন্ধ্যায় নিউইয়র্ক সিটির কুইন্স প্যালেসে উৎসবের আমেজে এ অভিষেক অনুষ্ঠানে কম্যুনিটির সর্বস্তরের প্রবাসীরা জড়ো হয়েছিলেন সপরিবারে। শীতের ২৩ রকমের পিঠা প্রদর্শনীর পর তা সুশৃঙ্খলভাবে সকলের মধ্যে পরিবেশনের মধ্যদিয়ে শুরু হওয়া শপথ গ্রহণের অনুষ্ঠান সঞ্চালনা ও পরিচালনায় ছিলেন নূরজাহান ভ’ইয়া ঋতু এবং ওমর ফারুক চৌধুরী। মঞ্চে আহবানের সময় সকলকেই লাল গোলাপ শুভেচ্ছা জানানো হয়। এ পর্বে সভাপতিত্ব করেন বিদায়ী সভাপতি সাজ্জাদ হোসেন বিশ্বাস সেলিম। সমিতির স্থায়ী কমিটির সদস্য আলতাফ হোসেন গাজি কর্তৃক শপথ গ্রহণকারি কর্মকর্তারা হলেন : সভাপতি লুৎফর রহমান যুবায়ের, সিনিয়র সহ-সভাপতি এম রউফ রাসেল, সহ-সভাপতি সৈয়দা পারভীন আক্তার, মাহিদুর রহমান, মো মোবারক হোসেন, মো মাসুদ রানা পারভেজ, তাপস কুমার সাহা রবি, আব্দুল বারেক, মিরানা দেওয়ান, সাধারন সম্পাদক সজীব চৌধুরী, যুগ্ম সাধারন সম্পাদক মো সোলায়মান, সহ সাধারন সম্পাদক মো মনিরুজ্জামান নাইস এবং মো লাভলু মিয়া, সাংগঠনিক সম্পাদক আশরাফুল ইসলাম সুমন, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ রওশন বাবু, কোষাধ্যক্ষ দেওয়ান আব্দুর রউফ, সহ কোষাধ্যক্ষ মো সাইফুল আলম অপু, প্রচার সম্পাদক মোহাম্মদ রহমান বাদল, যুগ্ম প্রচার সম্পাদক মো জোনায়েদ হোসেন, দপ্তর সম্পাদক মতিউর রহমান, সহ দপ্তর সম্পাদক শফিকুল ইসলাম, ধর্ম সম্পাদক মোহাম্মদ আলাউদ্দিন, সহ ধর্ম সম্পাদক রাসেল মিয়া, সাংস্কৃতিক সম্পাদক তানজিম আহমদ সজিব, সহ সাংস্কৃতিক মিজানুর রহমান, ক্রীড়া সম্পাদক আমিনুর রহমান ফরহাদ, যুগ্ম ক্রীড়া সম্পাদক ফয়সাল আহমদ, শিক্ষা সম্পাদক মাহবুব সুলতানা শিখা, সহ শিক্ষা সম্পাদক সুদেষ্ণা সিংহ, নারী ও শিশু বিষয়ক সম্পাদক ছামেদা ইয়াসমিন কান্তা, যুগ্ম নারী ও শিশু বিষয়ক সম্পাদক সালমা ইসলাম, আইন বিষয়ক সম্পাদক তাসমিনা আহমেদ সিমি, সহ আইন সম্পাদক মোহাম্মদ আখতারুজ্জামান হিটু, প্রবাসী কল্যাণ সম্পাদক মো আরিফ হোসেন, সহ প্রবাসী সম্পাদক সৈয়দা তাসমিয়া চৌধুরী, তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক আসিফ খান, সহ তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান, আন্তর্জাতিক সম্পাদক রেকায়তুল ইসলাম মনি, সহ আন্তর্জাতিক সম্পাদক তানজিব আহমেদ সোহেল, সমাজ কল্যান সম্পাদক আসাদ খান, সহ সমাজ কল্যান সম্পাদক মুন্নু খান, উন্নয়ন সম্পাদক মো রহমান চঞ্চল, সহ উন্নয়ন সম্পাদক হযরত আলী মল্লিক, আপ্যায়ন সম্পাদক শারমিন আক্তার নূপুর, সহ আপ্যায়ন সম্পাদক ফেরদৌস ইসলাম।

    পরিচয় করিয়ে দেয়া হয় মাণিকগঞ্জ কল্যাণ সমিতির উপদেষ্টাবৃন্দকে। ছবি-এনওয়াইভয়েস২৪।

    কার্যকরী সদস্যরা হলেন : জসিম উদ্দিন পিন্টু, আইয়ুব আলী, তালাত মাহমুদ, সামসুল মোহামদ হক (ভার্জিনিয়া), আশিকুর রহমান শাহীন (টেক্সাস), মো রফিকুল আবেদীন খান (ফ্লোরিডা), মো সাইদুর রহমান হিপু (লাস ভেগাস ), সালাউদ্দিন বাবু (নেভাদা), মো নাহিদ খান (মায়ামী), রুবেল চৌধুরী (কানেকটিকাট) এবং মোহাম্মদ শাহরিয়ার (বাফেলো)।

    মাণিকগঞ্জ কল্যাণ সমিতির নয়া কমিটির সাফল্য কামনায় কেক কাটেন অতিথিবৃন্দ। ছবি-এনওয়াইভয়েস২৪।

    কার্যকরী কমিটির কর্মকর্তাগণের শপথ গ্রহণের পরই উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যবৃন্দকেও ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয় বিপুল করতালির মধ্যে। এরা হলেন : প্রধান উপদেষ্টা সাইফুল ইসলাম খান, উপদেষ্টা সাংবাদিক আনিসুর রহমান, নূরল আমিন মুকুল, বীর মুক্তিযোদ্ধা জাহিদ হোসেন, আলতাফ হোসেন, আদিল মোহাম্মদ, নূরজাহান ভ’ইয়া ঋতু এবং ওমর ফারুক চৌধুরী।

    মাণিকগঞ্জ কল্যাণ সমিতির নয়া কমিটির অভিষেক উৎসবের শুরুতে শীতের পিঠা পরিবেশন। ছবি-এনওয়াইভয়েস২৪।

    এরপর শুরু হয় অনুষ্ঠানের বিশেষ সম্মানীত অতিথিগণকে পাশে নিয়ে কল্যাণ সমিতির নয়া কমিটির শুভ কামনায় কেক কাটার পালা। এ সময় মঞ্চে ছিলেন কম্যুনিটি লিডার আহসান হাবিব, ফাহাদ সোলায়মান, ধামরাই উপজেলার সভাপতি জিয়াউর রহমান মিলন, কোষাধ্যক্ষ গোলাম মোস্তফা, ইকবাল ভূইয়া, রকি আলিয়ান, মাসুদ রানা, রতন মাহমুদ, মোবারক হোসেন, সেলিম রেজা প্রমুখ। সকলেই নয়া কমিটির কল্যাণমূলক কাজে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন।

    নতুন প্রজন্মের মুসা ভূইয়া কর্তৃক পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াতের পর আমেরিকা ও বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গিত পরিবেশিত হয় অনুষ্ঠানের শুরুতে।

    সমাপ্তি ঘটে দেশ ও প্রবাসের জনপ্রিয় শিল্পীদের গান আর নাচে।

    Facebook Comments Box
  • দেনার দায়ে জর্জরিত ৬ কোটি আমেরিকান

    দেনার দায়ে জর্জরিত ৬ কোটি আমেরিকান

    নিউইয়র্কস্থ ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী যুক্তরাষ্ট্রে ৬ কোটি মানুষের ক্রেডিট কার্ডে দেনার পরিমাণ বেড়ে ১.২১ ট্রিলিয়ন ডলারে উঠেছে। আরো জানা গেছে, গত বছর দেনার দায় বেড়েছে ৪২ বিলিয়ন ডলার অর্থাৎ আগের দেনার সাথে ৭.৩% যোগ হয়েছে। উল্লেখ্য, ক্রেডিট কার্ডের দেনা ট্রিলিয়ন ডলার অতিক্রম করেছে ২০২৩ সালে। ক্রেডিট কার্ডের গতি-প্রকৃতি নিয়ে বিশ্লেষণকারি সংস্থাসমূহের প্রধান ম্যাট স্কাল্্জ এ প্রসঙ্গে গণমাধ্যমে বলেছেন, মুদ্রাস্ফীতির যাতাকলে পড়েছে বিরাটসংখ্যক আমেরিকান। একইসাথে ক্রেডিট কার্ডের সুদের হার গড়পরতা ২০% বৃদ্ধিকেও দায়ী করা হচ্ছে। আর এ বৃদ্ধি ঘটছে চক্রবৃদ্ধি হারে।

    ফেডারেল ব্যাংক প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী ১৮ ট্রিলিয়ন ডলারের ঋণ নিয়েছেন আমেরিকানরা। এরমধ্যে বাড়ি-ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের বিপরীতে ১২.৬ ট্রিলিয়ন ডলার, গাড়ি ক্রয়ের জন্যে ১.৬৫ ট্রিলিয়ন ডলার, স্টুডেন্ট লোন ১.৬১ ট্রিলিয়ন ডলার এবং ১.২১ ট্রিলিয়ন ডলার হচ্ছে ক্রেডিট কার্ডের ঋণ। অবশিষ্ট দেনা হচ্ছে ছোট-খাটো সহায়-সম্পদের বিপরীতে। গত বছর পুরনো দেনার সাথে ১১ বিলিয়ন ডলারের সুদ যোগ হয়েছে মর্টগেজ বাবদ। এ সেক্টরের চক্রবৃদ্ধি সুদের হার সবচেয়ে বেশী। ২০২৩ সাল থেকে গত বছর পর্যন্ত এ খাতে বেড়েছে মোট ৩৫৩ বিলিয়ন ডলালের ঋণ। মুদাস্ফীতির কারণে আমেরিকানদের ক্রেডিট কার্ডের দেনা গত বছর বেড়েছে ৭%। এসব কার্ডে বকেয়ার পরিমাণ ৯০ দিনেরও বেশী হওয়ায় চক্রবৃদ্ধি লোনে তার প্রভাব পড়ছে। ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংকের মতে মর্টগেজ খাতে ৫% এবং অন্য সকল প্রকারের ক্রেডিট কার্ডে ১০% দেনা বেড়েছে গত বছর। ৩.৬% দেনা পরিশোধের সময় ৯০ দিনেরও আগে ফুরিয়ে গেছে, তবুও আদায় করা সম্ভব হচ্ছে না ঋণ গ্রহণকারির সক্ষমতা না থাকায়। এ অবস্থায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ শীঘ্রই ব্যাঙ্কক্রাপসী আইনকে আরো সহজ করার কথা ভাবছে বলে শোনা যাচ্ছে। অন্যথায় ঋণ প্রদানকারি সংস্থাসমূহের টিকে থাকাটা অনিশ্চিত হয়ে পড়তে পারে বলে মনে করছেন অর্থনৈতিক বিশ্লেষকরা।

     

    Facebook Comments Box
  • বাংলাদেশে ২৯ মিলিয়ন ডলারের অর্থায়ন বাতিল করল যুক্তরাষ্ট্র

    বাংলাদেশে ২৯ মিলিয়ন ডলারের অর্থায়ন বাতিল করল যুক্তরাষ্ট্র

    বাংলাদেশ এবং ভারতসহ বিশ্বের অনেক দেশে বড় ধরনের অর্থায়ন বাতিল করেছে যুক্তরাষ্ট্র। এর মধ্যে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য বাংলাদেশের ২৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের কর্মসূচিও রয়েছে।

    স্থানীয় সময় রবিবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) ভারতের সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের নতুন দপ্তর ডিপার্টমেন্ট অব গভর্নমেন্ট ইফিসিয়েন্সি (ডিওজিই) এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বৈদ্যুতিক গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান টেসলার প্রধান নির্বাহী ইলন মাস্কের নেতৃত্বাধীন এই দপ্তর বাজেট কমানোর অংশ হিসেবে অর্থায়ন বাতিলের ঘোষণা দিয়েছে।

    এ ছাড়া ভারতের জন্য নির্ধারিত ২১ মিলিয়ন ডলারের কর্মসূচিও বাতিল করেছে যুক্তরাষ্ট্র। ডিওজিই জানিয়েছে, ভারতে ভোটারদের উপস্থিতি বাড়ানোর লক্ষ্যে ২১ মিলিয়ন ডলারের একটি প্রোগ্রাম এবং বাংলাদেশের রাজনৈতিক ল্যান্ডস্কেপকে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে নির্ধারিত ২৯ মিলিয়ন ডলারের কর্মসূচি বাতিল করা হয়েছে।

    ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ডোনাল্ড ট্রাম্পের নেতৃত্বে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন প্রশাসন বাজেট কমিয়ে আনার জন্য নানা পদক্ষেপ নিচ্ছে। এরই পরিপ্রেক্ষিতে ভারত-বাংলাদেশসহ বেশ কয়েকটি দেশের জন্য মিলিয়ন মিলিয়ন ডলারের তহবিল বাতিল করেছে যুক্তরাষ্ট্র।

    এ ছাড়া ডিওজিই জানিয়েছে, মোজাম্বিকের জন্য ১০ মিলিয়ন ডলার, কম্বোডিয়ার জন্য ২.৩ মিলিয়ন ডলার, সার্বিয়ার জন্য ১৪ মিলিয়ন ডলার, মলদোভায় ২২ মিলিয়ন ডলার, নেপালে দুটি উদ্যোগে ৩৯ মিলিয়ন ডলার এবং মালিতে ১৪ মিলিয়ন ডলারের প্রকল্প বাতিল করা হয়েছে।

    গত ২০ জানুয়ারি শপথ গ্রহণের মাধ্যমে দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় বসেন ট্রাম্প। প্রথমদিনেই ট্রাম্প শতাধিক নির্বাহী আদেশে সই করে একপ্রকার ঝড় তুলেন। এরপর ২৫ জানুয়ারি বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বিদেশে সব ধরনের সহায়তা কার্যক্রম স্থগিত করেছে এবং নতুন সাহায্য অনুমোদন বন্ধ রেখেছে।

    ফাঁস হওয়া নথির বরাত দিয়ে বিবিসি জানায়, আগামী ৯০ দিনের জন্য সব মার্কিন বৈদেশিক সহায়তা কর্মসূচি সাময়িকভাবে বন্ধ করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে যেসব বৈদেশিক সহযোগিতা স্থগিত করা হয়েছে সেগুলো বর্তমান মার্কিন প্রশাসনের পররাষ্ট্রনীতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ কী না তা খতিয়েও দেখা হচ্ছে।

    Facebook Comments Box
  • পাসপোর্টের জন্য পুলিশ ভেরিফিকেশন বাতিল

    পাসপোর্টের জন্য পুলিশ ভেরিফিকেশন বাতিল

    পাসপোর্ট দেয়ার জন্য পুলিশ ভেরিফিকেশনের বিধান বাতিল করেছে সরকার। ফলে এখন থেকে পাসপোর্টে পেতে হলে পুলিশের ক্লিয়ারেন্স লাগবে না বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

    রবিবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) প্রধান উপদেষ্টা এ ঘোষণা দিয়েছেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন প্রধান উপদেষ্টার সিনিয়র সহকারী প্রেস সচিব ফয়েজ আহম্মদ।

    প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, পাসপোর্ট পাওয়া নাগরিক অধিকার। পাসপোর্ট করতে পুলিশ ভেরিফিকেশন লাগবে কেন, নাগরিকদের অনেকগুলো অধিকারের মধ্যে এটাও একটি। আমি চোর নাকি ডাকাত সেটা ভিন্নভাবে পুলিশ বিচার করবে।

    তিনি বলেন, জন্ম সনদ ও জাতীয় পরিচয়পত্র তৈরি করতে প্রয়োজন হয়নি। পাসপোর্টও এ দেশের নাগরিকের পরিচয়পত্র। এখানে পুলিশ ভেরিফিকেশন কেন লাগবে। আমরা আইন করে দিয়েছি এখন থেকে পুলিশ ভেরিফিকেশন লাগবে না।

    ফয়েজ আহম্মদ জানিয়েছেন, জেলা প্রশাসক সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান উপদেষ্টা এই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন। প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের শাপলা হলে আয়োজিত এই সম্মেলন তিনদিন ধরে চলবে।

    সম্মেলনে অধ্যাপক ইউনূস দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে জেলা প্রশাসকদের সজাগ থাকার নির্দেশ দেন। একইসঙ্গে তিনি নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের বাজারদর নিয়ন্ত্রণে রাখতে মাঠ পর্যায়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন।

    Facebook Comments Box
  • জ্যাকসন হাইটসের ‘আব্দুল্লাহ স্যুইটস’ পুনরায় চালু

    জ্যাকসন হাইটসের ‘আব্দুল্লাহ স্যুইটস’ পুনরায় চালু

    নিউইয়র্ক অঞ্চলের জনপ্রিয় ‘আব্দুল্লাহ স্যুইটস অ্যান্ড রেস্টুরেন্ট’ নব আঙ্গিকে চালু হলো ১৪ ফেব্রুয়ারি ভালবাসা দিবসে। জ্যাকসন হাইটসের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত রেস্টুরেন্টটি ৬ মাস আগে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। এরপর সেটিকে পরিপাটি করে সাজিয়ে পুনরায় গ্রহকের জন্যে উম্মুক্ত করা উপলক্ষে শুক্রবার বিকেলে দোয়া-মাহফিলের আয়োজন করা হয়। কম্যুনিটির সর্বস্তরে প্রতিনিধিত্বকারি ব্যক্তিবর্গের অংশগ্রহণে এ মাহফিল পরিচালনা করেন হাফেজ মাওলানা সাঈদ রব্বানী। এ সময় প্রদত্ত বক্তব্যে রেস্টুরেন্টটির মালিক সুলতান আহমেদ বলেন, কম্যুনিটির সকলের আন্তরিক সহায়তায় আব্দুল্লাহ স্যুইটস অ্যান্ড রেস্টুরেন্ট আবার রচিদায়ক খাবার ও রসগোল্লা নিয়ে হাজির হলো। আশা করছি সকলকে তৃপ্ত করতে সক্ষম হবে।

    জ্যাকসন হাইটসের আব্দুল্লাহ স্যুইটস অ্যান্ড রেস্টুরেন্ট পুনরায় চালু উপলক্ষে বিশেষ দোয়া-মাহফিলে সুধীজন। ছবি-এনওয়াইভয়েস২৪।

    বিশেষ করে আসন্ন রমজানের ইফতারী-বক্স এবার বহু আইটেমে বাজারজাত করতে সক্ষম হবো এবং দাম ধার্য করবো তুলনামূলকভাবে কম। উল্লেখ্য, আব্দুল্লাহ স্যুইটসের প্রথম শাখা সগৌরবে ব্যবসা চালাচ্ছে এই সিটির ব্রুকলীনে। এটি হচ্ছে দ্বিতীয় শাখা-যেখান থেকে কম্যুনিটির প্রথম পছন্দের রসগোল্লা এবং জিলাপি হ্রাসকৃত মূল্যে বিক্রি করা হচ্ছে।

    Facebook Comments Box
  • নিউইয়র্কে ‘গ্রীণটাচ’র পিঠা উৎসব

    নিউইয়র্কে ‘গ্রীণটাচ’র পিঠা উৎসব

    নিউইয়র্কে জন্মগ্রহণকারি শিশু-কিশোরদেরকে বাঙালি সংস্কৃতির সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে রাখার অভিপ্রায়ে ৯ ফেব্রুয়ারি জ্যাকসন হাইটসে ব্যতিক্রম ধর্মী এক পিঠা উৎসবের আয়োজন করেছিল ‘গ্রীণটাচ’ নামক একটি সংগঠন। বাংলাদেশ-সহ বিভিন্ন দেশের পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠির পাশাপাশি নিউইয়র্কে স্বল্প আয়ের পরিবারের সন্তানদের শিক্ষা-স্বাস্থ্য সহায়তা প্রদানে নিরন্তরভাবে কর্মরত ‘গ্রীণটাচ’র প্রতিষ্ঠাতা ও সিইও ভিক্টর এলাহির সার্বিক তত্ত্বাবধানে বাঙালির শীতের পিঠার ঐতিহ্য আলোকে সংক্ষিপ্ত একটি সমাবেশের পরিচালনা ও উপস্থাপনা করেন সংস্থাটির কালচারাল সেক্রেটারি নিরভানা লিপি। অতিথি ছিলেন স্বেরাচ্ছাসেবী সংগঠনের পরিচালক নেলসন স্যামুয়েল, মনিরুল ইসলাম প্রধান, ড. আবুল কাশেম চৌধুরী, আব্দুল মান্নান, সোহেল হামিদ প্রমুখ।


    গ্রীণটাচ’র পিঠা উৎসবের প্রেক্ষাপট উপস্থাপন করছেন ভিক্টর এলাহি। ছবি-এনওয়াইভয়েস২৪।

    আলোচনার পরই ২০/২২ রকমের পিঠার প্রদর্শনী শেষে তা দিয়ে সকলকে আপ্যায়িত করা হয়। এ সময় প্রদত্ত বক্তব্যে ‘গ্রীণটাচ’র সিইও ভিক্টর এলাহি বলেন, গ্রীণটাচ সবসময় ভালো কাজের সাথে রয়েছে। সে তাগিদেই শিশু-শিক্ষা প্রদানের কর্মসূচি পরিচালনা করছি এই সিটিতে। শিশুদেরকে বাঙালি কালচারের সাথে পরিচিত এবং সকলের সাথে নম্র-ভদ্র আচরণের প্রয়োজনীয়তা জানাচ্ছি। বহুজাতিক এ সমাজে নানাবিধ কারণে মা-বাবার পক্ষে সন্তানকে যথাযথ সময় দেয়া সম্ভব হয় না। সেই ঘাটতিটুকু পূরণে আমাদের এই প্রয়াস অনেক পুরনো। দিন যত যাচ্ছে তা তত সমৃদ্ধ হচ্ছে। এখানকার শিশু-কিশোরেরা নিজ নিজ ক্লাসে বিশেষ মেধার স্বাক্ষর রাখছে এবং অন্য সকলের চেয়ে একটু আলাদাভাবে নিজকে উপস্থাপনে সক্ষম হচ্ছে। এটাই আমাদের স্বার্থকতা বলে মনে করছি।

    অনুষ্ঠানে আগতরাও শিশু-কিশোরের সাথে পিঠা গ্রহণ করেন পরম তৃপ্তির সাথে।

    Facebook Comments Box
  • জামালপুর সমিতির সভাপতি সিদ্দিক, সেক্রেটারি জাস্টিস

    জামালপুর সমিতির সভাপতি সিদ্দিক, সেক্রেটারি জাস্টিস

    আমেরিকাস্থ ‘জামালপুর জেলা সমিতি’র নতুন কার্যকরী কমিটির (২০২৫-২৬ সাল) সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন সাপ্তাহিক আজকালের জেনারেল ম্যানেজার মো: আবু বকর সিদ্দিকী এবং সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন মশিউর রহমান জাস্টিস। ১০ ফেব্রুয়ারী সন্ধ্যায় নিউইয়র্ক সিটির জ্যাকসন হাইটসের নবান্ন রেষ্টুরেন্টে সংগঠনের সদস্য-কর্মকর্তা ছাড়াও কমিউনিটির বিশিষ্ট ব্যক্তিগণের উপস্থিতিতে নয়া কমিটি গঠিত হয়। কার্যকরী কমিটির কর্মকর্তারা হলেন : সভাপতি: মো: আবু বকর সিদ্দীকী, সহ সভাপতি-আজিজুল হক,সাইদুর রহমান এবং সাইফুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক-মশিউর রহমান জাস্টিস, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক-খোরশেদ আলম, সাংগঠনিক সম্পাদক- মো: সেলিম রেজা, সহকারী সাংগঠনিক সম্পাদক-মো: নূরে আলম সিদ্দিকী, কোষাধ্যক্ষ- মিজানুর রহমান, প্রচার সম্পাদক-সাইম ইসলাম, সাহিত্য ও প্রকাশনা সম্পাদক- মো: মোক্তার, সাংস্কৃতিক সম্পাদক-মো: আনিছ মিয়া, ক্রীড়া সম্পাদক- সাকির উল্লাহ, মহিলা সম্পাদক-মোছা: কনিকা, আপ্যায়ন সম্পাদক-কানিজ ফাতেমা, সমাজ কল্যান ও ত্রাণ সম্পাদক-মোঃ মিলন কবির। সদস্যরা হলেন মোঃ হোসেন মোক্তার, শফিকুল ইসলাম সাবু,আব্দুর রশিদ, মো: আব্দুল বাছেদ, ফজলুর রহমান, আব্দুল্লাহ আল মামুন, সিফাত উল্লাহ, রাকিবুল হাসান সবুজ, সিদ্দীক শেখ ও আব্দুল আল মামুন।

    জামালপুর জেলা সমিতির কর্মকর্তারা। ছবি-এনওয়াইভয়েস২৪।

    নতুন কমিটিকে সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস দিয়ে বক্তব্য রাখেন সংগঠনের উপদেষ্টা ফরিদ আলম, জিল্লুর রহমান, আলমগীর হোসেন, ডিউক খান প্রমুখ। নব নির্বাচিত সভাপতি আবু বকর সিদ্দিকী তার বক্তব্যে সংগঠনকে আরও গতীশীল, কার্যকর ও যুক্তরাষ্ট্রের মূলস্রোতের সাথে কাজ করার অঙ্গিকার ব্যক্ত করেন। আবু বকর সিদ্দিকী আরও বলেন, নতুন কমিটির মাধ্যমে জামালপুর জেলা সমিতি ইউ.এস.এ একটি শক্তিশালী ও যুগোপযোগী সংগঠন হিসেবে আত্মপ্রকাশ করবে। আমরা সবার সহযোগিতা নিয়ে এই সংগঠনকে এগিয়ে নিতে চাই।

    সাধারণ সম্পাদক মশিউর রহমান জাস্টিস বলেন, জামালপুর জেলার ইতিহাস-ঐতিহ্য নিউইয়র্কের মাটিতে তুলে ধরতে এই সংগঠনটি আন্তরিকভাবে কাজ করে যাবে।

    Facebook Comments Box
  • অভিবাসন আদালতের ২০ বিচারকসহ হাজারো কর্মচারী ছাটাই

    অভিবাসন আদালতের ২০ বিচারকসহ হাজারো কর্মচারী ছাটাই

    অভিবাসন-বিরোধী অভিযানের পাশাপাশি ১৫ ফেব্রুয়ারি অভিবাসন-বিষয়ক ২০ বিচারককে বরখাস্ত করলেন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প। করোনাকালিন জট হ্রাসের অভিপ্রায়ে যে শতাধিক বিচারক নিয়োগ করেছিলেন প্রেসিডেন্ট বাইডেন এরা তাদেরই অংশ। উল্লেখ্য, ফেডারেল সরকারের লাখো কর্মচারি ছাটাইয়ের চলমান কার্যক্রমের আওতায় অভিবাসন দফতরের ৭০০ বিচারকের মধ্যে আরো অনেককে বরখাস্ত করা হবে বলে বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তারা আশংকা করছেন। আরো উল্লেখ্য, ইতিমধ্যেই অভিবাসন-আদালতে ঝুলে থাকা মামলার সংখ্যা ৩৭ লাখ ছাড়িয়েছে। এমনি অবস্থায় বিচারক কমানো হলে মামলাসমূহ (রাজনৈতিক আশ্রয় প্রার্থনা, রিফ্যুজির আবেদন ইত্যাদি) নিষ্পত্তির ধিরগতি আরো বাড়বে। একইসাথে সিটিজেনদের স্বজনের জন্যে করা আবেদনের নিস্পত্তির ব্যাপারটিও দীর্ঘতর হবে বলে আশংকা করছেন ইমিগ্রেশন এ্যাটর্নীরা। বর্তমানে সিটিজেনদের ভাই-বোনরা যুক্তরাষ্ট্রে আসতে ১৮ বছরের অধিক সময় লাগছে।

    ভালোবাসা দিবস অর্থাৎ ১৪ ফেব্রুয়ারিতে বরখাস্তের আদেশপ্রাপ্তগণের মধ্যে ৫ জনই হলেন সহকারি মুখ্য ইমিগ্রেশন জজ। এই ২০ জনের বাইরে আরো কয়েক ডজন নিয়োগের সকল প্রক্রিয়া শেষে কাজে যোগদানের অপেক্ষায় ছিলেন, সেটি বাতিল করা হয়েছে। সারা আমেরিকায় অভিবাসন আদালতে বিচারকের সংখ্যা ৭০০ জন। প্রয়োজনের তুলনায় তা নিতান্তই কম বলে দীর্ঘদিন ধরেই বিভিন্ন মহলে আলোচনা হচ্ছিল। ডেমক্র্যাট এবং রিপাবলিকান পার্টির লোকজনও দাবি জানাচ্ছিলেন বিচারকের সংখ্যা বৃদ্ধির জন্যে। বাইডেন আমলে অর্থ সংকটের অজুহাত দেখিয়ে প্রত্যাশার পরিপূরক বিচারক সম্ভভ না হলেও ১৩০ জনের মত নিয়োগ করা হয়েছিল বলে জানা যায়।

    সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, বরখাস্তের আদেশ প্রাপ্ত ২০ জনের একজনও আগাম কোন নোটিশ পাননি। ফলে গোটা প্রশাসনে এক ধরনের উদ্বেগ-উৎকন্ঠা দেখা দিয়েছে।

    প্রসঙ্গত: উল্লেখ্য, ডনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনে স্বচ্ছ্বতা ও জবাবদিহিতার আওতায় আনার পাশাপাশি ফেডারেল প্রশাসনে অপ্রয়োজনীয় কর্মচারি হ্রাসের অভিপ্রায়ে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের গঠিত নতুন দফতর ‘ডিপার্টমেন্ট অব গভর্ণমেন্ট অ্যাফিয়েন্সি’ তথা ‘ডোজ’র প্রধান কর্মকর্তা (মন্ত্রী) বিলিয়োনেয়ার ইলোন মাস্ক ১৩ ফেব্রুয়ারি ট্রাম্পের পাশে বসে দাবি করেছেন যে, অযথা কিছু অফিস রয়েছে, যেগুলোতে হাজার হাজার কর্মচারি বেতন-ভাতা নিচ্ছে। মাস্কের সাথে কন্ঠ মিলিয়ে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প উচ্চারণ করেন, ‘ইতিমধ্যেই আমরা খুঁজে পেয়েছি যে বিপুল অংকের অর্থ তছরুপ করা হয়েছে প্রতারণার মাধ্যমে। এভাবে চলতে দেয়া হবে না।’

    শনিবার প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, ফেডারেল প্রশাসনের মোট কর্মচারির মধ্যে দুই লাখ ১৬ হাজার জনের চাকরির বয়স মাত্র এক বছর। এর বাইরের কয়েক লাখ কর্মচারির মধ্যে ইতিমধ্যেই ভ্যাটারান্স এ্যাফেয়ার্স-১০০০, এডুকেশন-২২০০, কঞ্জ্যুমার প্রটেকশন ব্যুরো-১২০০, ইউএসসিআইএস-২০০, হেল্্থ অ্যান্ড হিউম্যান সার্ভিস-৫২০০, হোমল্যান্ড সিকিউরিটি মন্ত্রণালয়-৪০০, সাইবার সিকিউরিটি-১৩০, ফেমা-২০০, সিডিসি-১৩০০ জনকে বরখাস্ত করা হয়েছে। বিদেশের দূতাবাসের কর্মচারিরাও বরখাস্তের নোটিশ পাচ্ছেন বলে জানা গেছে।

    অর্থাৎ গোটা প্রশাসনকে এক ধরনেরহ-য-ব-র-ল অবস্থায় নিপতিত করা হয়েছে। এরফলে প্রশাসনিক কাজকর্ম তথা নাগরিকদের প্রয়োজনীয় সেবা প্রদান চরমভাবে ব্যহত হবার আশংকা করছেন জনপ্রতিনিধিরা। বিভিন্ন দফতরের শ্রমিক-কর্মচারিগণেল সমন্বয়ে গঠিত ‘এএফএল-সিআইও’র নেতৃবৃন্দ গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন গোটা প্রশাসনকে নাজুক অবস্থায় নিপতিত করার প্রক্রিয়া অবলম্বন করার অভিযোগে। উল্লেখ্য, কেন্দ্রীয় এই শ্রমিক ফেডারেশন ‘এএফএল-সিআইও’র নেতৃত্বে রয়েছেন ডেমক্র্যাটরা।

     

    Facebook Comments Box
  • রোহিঙ্গা গণহত্যা: মিয়ানমার জান্তা প্রধান ও সু চিসহ ২৫ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা

    রোহিঙ্গা গণহত্যায় জড়িত থাকার অভিযোগে মিয়ানমারের সামরিক বাহিনীর প্রধান কমান্ডার সিনিয়র জেনারেল মিন অং হ্লাইং, সাবেক প্রেসিডেন্ট তিন কিয়াও ও গণতন্ত্রপন্থি নেত্রী অং সান সু চিসহ মোট ২৫ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।

    গত বৃহস্পতিবার এই গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন আর্জেন্টিনার একটি আদালত। ২০১৭ সালে রোহিঙ্গাদের ওপর চালানো গণহত্যায় জড়িত থাকার অভিযোগে এ আদেশ দিয়েছেন আদালত। জানা গেছে, মিন অং হ্লাইং, সাবেক প্রেসিডেন্ট তিন কিয়াও ও গণতন্ত্রপন্থি নেত্রী অং সান সু চি ছাড়া আরও ২২ সামরিক কর্মকর্তার নাম পরোয়ানার তালিকায় রাখা করা হয়েছে। তবে পরোয়ানার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন মিন অং হ্লাইং, যিনি ২০২১ সালে অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ক্ষমতা দখলের পর মিয়ানমারের সামরিক জান্তার নেতৃত্বে রয়েছেন।

    অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের মতে, নিজ দেশে তারা বর্ণবাদী আচরণের শিকার হয়ে আসছে রোহিঙ্গারা। বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী পশ্চিম মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যভিত্তিক এই জনগোষ্ঠীর ওপর ২০১৭ সালে গণহত্যা চালায় দেশটির কুখ্যাত সেনাবাহিনী।

    সম্প্রতি রোহিঙ্গা অধিকার নিয়ে কাজ করা একটি গোষ্ঠী আর্জেন্টিনার আদালতে অভিযোগ দায়ের করেন। সেই অভিযোগের প্রেক্ষিতে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন বুয়েন্স আয়ার্স আদালত। আর্জেন্টিনার আদালতের গ্রেফতারি পরোয়ানার সমালোচনা করেছে মিয়ানমার জান্তা।

    Facebook Comments Box