Blog

  • নিউইয়র্কে খলিল গ্রুপের সঙ্গে ‘আমেরিকান কারি অ্যাওয়ার্ডস ২০২৫’ আয়োজন করছে আশা মাল্টিমিডিয়া

    নিউইয়র্কে খলিল গ্রুপের সঙ্গে ‘আমেরিকান কারি অ্যাওয়ার্ডস ২০২৫’ আয়োজন করছে আশা মাল্টিমিডিয়া

    প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে “আমেরিকান কারি অ্যাওয়ার্ড-২০২৫”। আগামী ২৪ মে, শনিবার নিউইয়র্ক সিটির কুইন্সে অভিজাত ভ্যেনু ‘ট্যারেস অন দ্য পার্ক’এ এর মূল পর্ব অনুষ্ঠিত হবে। এর আগে বাংলাদেশ, ভারতসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে কারি রন্ধনশিল্পের সঙ্গে যুক্ত শেফ এবং অন্য প্রফেশনালরা এই অ্যাওয়ার্ড আয়োজনের বিভিন্ন পর্বে অংশ নেবেন। একই সঙ্গে হোম শেফদেরও এতে অংশগ্রহণের সুযোগ থাকবে। ফলে ব্রিটিশ কারি অ্যাওয়ার্ডের মতো ‘আমেরিকান কারি অ্যাওয়ার্ড’ও ইতিমধ্যেই বিশ্বব্যাপী সাড়া ফেলেছে। উল্লেখ্য, এই আয়োজনের মূল উদ্যোক্তা ‘খলিল গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজ’র সহ প্রতিষ্ঠান খলিল ফুড ও খলিল ফুড ফাউন্ডেশন। এর সাথে যুক্ত হয়েছে নিউইয়র্কের আরেক উদিয়মান ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান ‘আশা গ্রুপ অব কোম্পানিজ’। বিশেষ করে, আশা গ্রুপের সহ-প্রতিষ্ঠান আশা মাল্টিমিডিয়া এলএলসি (সাপ্তাহিক সাদাকালো এবং এটিভি ইউএসএ) এই আয়োজনের অংশীদার হিসেবে যুক্ত হয়েছে সমঝোতা স্মারক সইয়ের মাধ্যমে। সমঝোতা স্মারক সই উপলক্ষে ৫ ফেব্রুয়ারি বুধবার সন্ধ্যায় জ্যামাইকার আশা পার্টি হলে একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে বক্তব্য রাখেন খলিল গ্রুপ অব ইন্ড্রাস্টিজ’র প্রেসিডেন্ট ও সিইও মো. খলিলুর রহমান ও আশা গ্রুপ অব কোম্পানীজ’র প্রেসিডেন্ট ও সিইও আকাশ রহমান। এসময় তারা সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন। কিং শেফ মো. খলিলুর রহমান বলেন, “একটি বিশ্বমানের ইভেন্ট আয়োজনে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। এই আয়োজনের মধ্য দিয়ে কারি রন্ধন শিল্প যেমন অন্য একটি উচ্চতায় যাবে, তেমনি বাংলাদেশের নামও হবে উজ্জ্বল। অত্যন্ত জমকালো এবং স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় এই আয়োজন হবে। এতে অংশ নেবে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের খ্যাতিমান শেষ ও প্রতিযোগীরা”। আশা গ্রুপ এই উদ্যোগে যুক্ত হওয়ায় তিনি তাদেরকে সাধুবাদ জানিয়েছেন।

    অন্যদিকে আকাশ রহমান বলেছেন, “যেখানেই ভালো উদ্যোগ থাকবে, সেখানেই যুক্ত হবে আশা গ্রুপ।’’ তিনি বলেন, তার উদ্দেশ্য ব্যবসার পাশাপাশি সামাজিক নানা দায়িত্ব পালন করা। আকাশ রহমান আরও বলেছেন, অসাধারণ একটি ইভেন্ট আয়োজনের জন্যে সর্বাত্মক প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছে।

    এটিভি ইউএসএ’র স্টেশন চীফ শামীম আল আমিন ও সাপ্তাহিক সাদাকালোর নির্বাহী সম্পাদক কাশেম মোহাম্মদের সঞ্চালনায় এসময় বক্তব্য রাখেন এটর্নি রাজু মহাজন, কী/ম্যাক্স রিয়েল্টির ফাউন্ডার মোহাম্মদ কবীর, জাতীয় পুরস্কার বিজয়ী সঙ্গীত পরিচালক ও শিল্পী তানভীর তারেক, বিশিষ্ট গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব এজাজ খান স্বপন, অভিনেতা তরিকুল ইসলাম মিঠু, কমিউনিটি অ্যাকটিভিস্ট আহসান হাবীব, আশা গ্রুপের জেনারেল ম্যানেজার বোরহানুস সুলতান প্রমুখ।

    Facebook Comments Box
  • শ্রীকৃষ্ণ ভক্তসংঘের সরস্বতী পূজা উদযাপন

    শ্রীকৃষ্ণ ভক্তসংঘের সরস্বতী পূজা উদযাপন

    নিউইয়র্কস্থ শ্রীকৃষ্ণ ভক্তসংঘের উদ্যোগে নতুন প্রজন্মের সরব উপস্থিতিতে সরস্বতী পূজা অনুষ্ঠিত হলো ২ ফেব্রুয়ারি জ্যামাইকাস্থ শ্রীকৃষ্ণ মন্দিরে। সকাল থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত টানা ১২ ঘন্টা পর্যন্ত পূজা-অর্চনা, নৃত্য-সঙ্গীত, অঙ্কন প্রতিযোগিতা আর গীতা পাঠসহ ধর্মীয় আলোচনায় দিবসের কর্মসূচি সকলের প্রশংসা কুড়িয়েছে। বিদ্যাদেবির উদ্দেশে অঞ্জলি প্রদান এবং আগত সকলের মধ্যে প্রসাদ বিতরণের কর্মসূচিতেও আপ্লুত সকলে। সবকিছুকে ছাপিয়ে যায় প্রবাসের জনপ্রিয় সঙ্গীত শিক্ষার প্রতিষ্ঠান ‘বহ্নিশিখা সঙ্গীত নিকেতন’র প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান ড. সবিতা দাসের নেতৃত্বে শিশু-কিশোর-তরুণ-তরুণীর সঙ্গীত ও নৃত্য পরিবেশনা। এতে অংশ নেন ড. সবিতা দাস, জয়শ্রী রায়, অঞ্জলি সরকার, শম্পা রায়, বীথিকা কুন্ডু, রত্না চন্দ, মনিকা দাস, মমতা ভৌমিক, অনিন্দিতা ভট্টাচার্য , শান্তি সাহা, সুস্মিতা পাল, অজিত চন্দ, অনামিকা চন্দ। নৃত্য পরিবেশনায় ছিল অস্মিতা মন্ডল, অনিন্দিতা ভট্টাচার্য, শ্রেয়া মন্ডল, অঙ্কিতা বিশ্বাস এবং অর্ণা গুপ্তা।

    শ্রীকৃষ্ণ ভক্তসংঘ আয়োজিত সরস্বতী পূজায় ভক্ত-অনুরক্তরা। ছবি-এনওয়াইভয়েস২৪।

    পূজা-অর্চনায় পুরোহিত্য করেন জগদীশ ব্রক্ষ্মচারী। শ্রীকৃষ্ণ ভক্তসংঘের চেয়ারম্যান ডা, প্রভাত চন্দ্রদাস, সভাপতি অজিত চন্দ এবং সাধারণ সম্পাদক অর্ধেন্দু চন্দ্রবিশ্বাসের সার্বিক সমন্বয়ে সরস্বতী পূজা উদযাপনের বিস্তারিত কর্মসূচির সফল আয়োজনে ছিলেন আহবায়ক নিতাই পাল, সুমন মিত্র এবং রাজউৎস নাথ।

     

    Facebook Comments Box
  • ওয়াশিংটন ডিসিতে ব্রেকফাস্ট প্রেয়ার কমিটির শীর্ষ কর্মকর্তার সাথে ব্যারিস্টার জাইমার বৈঠক

    ওয়াশিংটন ডিসিতে ব্রেকফাস্ট প্রেয়ার কমিটির শীর্ষ কর্মকর্তার সাথে ব্যারিস্টার জাইমার বৈঠক

    ওয়াশিংটন ডিসিতে ‘ন্যাশনাল প্রেয়ার ব্রেকফাস্ট ফাউন্ডেশন’র অন্যতম কর্মকর্তা এবং সাউথ ক্যারোলিনার সাবেক গভর্নর ডেভিড বিসলির সাথে ৫ ফেব্রয়ারি বুধবার এক সৌজন্য সাক্ষাতে মিলিত হন বিএনপির প্রতিনিধি দলের নেতা ব্যারিস্টার জাইমা রহমান এবং সাথে ছিলেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খশরু মাহমুদ চৌধুরী । উল্লেখ্য, ৬ ফেব্রুয়ারি এই প্রেয়ার ব্রেকফাস্টে যোগদানের জন্যে বিএনপি নেতৃবৃন্দ ওয়াশিংটনে অবস্থান করছেন। আরো উল্লেখ্য, ডেভিড বিসলি ছিলেন রিপাবলিকান স্টেট গভর্নরস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি এবং ওয়ার্ল্ড ফুড প্রোগ্রামের প্রেসিডেন্ট হিসবে বাংলাদেশে রোহিঙ্গা শরনার্থীদের জন্যেও মানবিকতার অসামান্য অবদান রেখেছেন। ২০২০ সালে শান্তিতে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ডেভিড বিসলি বাংলাদেশও সফর করেছেন। বিএনপি প্রতিনিধি দলের সাথে বৈঠকে রিপাবলিকান পার্টির এই নেতা বাংলাদেশের সামগ্রিক উন্নয়ন ও কল্যাণে ভবিষ্যতেও বিএনপির সাথে কাজের অঙ্গিকার করেছেন বলে এ সংবাদদাতাকে জানান ওয়াশিংটন ডিসি বিএনপির সভাপতি হাফিজ খান সোহায়েল। তিনি আরো জানান, বিশ্বব্যাংকের পরবর্তী প্রেসিডেন্ট হওয়ার জন্য প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের সংক্ষিপ্ত তালিকাতেও তার নাম রয়েছে।

    একইদিন যুক্তরাষ্ট্রের গণতন্ত্র, মানবাধিকার ও শ্রম বিষয়ক সাবেক অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি অব স্টেট রবার্ট এ ডেস্ট্রোর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন বিএনপির প্রতিনিধি দলটি। রবার্ট এ ডেস্ট্রো ট্রাম্প প্রশাসনের ট্রানজিশন টিমের সঙ্গে কাজ করেছেন। তিনি একজন আইনজীবী; মানবাধিকার ও নাগরিক অধিকার আইন নিয়ে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে তার। যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক অধিকার কমিশনের একজন কমিশনার হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন রবার্ট এ ডেস্ট্রো। নির্বাচন, কর্মসংস্থান এবং সংবিধান আইন বিষয়ে তিনি একজন বিশেষজ্ঞ হিসেবে বিবেচিত। এ সাক্ষাতের সময় বাংলাদেশের সাথে ট্রাম্প প্রশাসনের সম্পর্ক আরো দৃঢ়তর করা নিয়ে কথা বলেছেন বিএনপির শীর্ষ কর্মকর্তারা।

    ন্যাশনাল ব্রেকফাস্ট প্রেয়ারে হোয়াইট হাউজ, কংগ্রেসের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিবর্গ ছাড়াও শতাধিক দেশের রাষ্ট্র ও সরকার প্রধানসহ ৩ হাজার বিশিষ্ট ব্যক্তিরা অংশ নিচ্ছেন। এতে বিভিন্ন ধর্মের স্কলার, মানবাধিকার সংগঠনের শীর্ষ কর্মকর্তা, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, সাংবাদিক-শিক্ষক-শিল্পী-সাহিত্যিকরাও রয়েছেন এ তালিকায়। অর্থাৎ ধর্মীয় সম্প্রীতির আবহে বিশ্বশান্তির ফল্গুধারায় উন্নয়ন অভিযাত্রাকে ত্বরান্বিত করার ক্ষেত্রে এই আয়োজনের গুরুত্ব অপরিসীম বলে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক বিশ্লেষকেরা মন্তব্য করেছেন। বাংলাদেশের খ্যাতিমান একটি রাজনৈতিক পরিবারের সদস্য হিসেবে ব্যারিস্টার জাইমা এই প্রথম বিএনপির প্রতিনিধি দলের নেতা হয়ে আন্তর্জাতিক সমাবেশে অংশ নিচ্ছেন। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের প্রতিনিধিত্ব করছেন ব্যারিস্টার জাইমা।

    Facebook Comments Box
  • নিউইয়র্কে বিক্ষোভ-সমাবেশ: বঙ্গবন্ধুৃ ভবন গুড়িয়ে দেয়া জাতীয় দুশমনদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা

    নিউইয়র্কে বিক্ষোভ-সমাবেশ: বঙ্গবন্ধুৃ ভবন গুড়িয়ে দেয়া জাতীয় দুশমনদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা

    ঢাকায় ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে বিনা উষ্কানীতে হামলা ও বুলডোজার দিয়ে তা গুড়িয়ে দেয়ার সংবাদে ক্ষুব্ধ প্রবাসীরা ৫ ফেব্রুয়ারি বুধবার সন্ধ্যায় হাড় কাঁপানো শীত উপেক্ষা করে তাৎক্ষণিক এক প্রতিবাদ র‌্যালি করেন। নিউইয়র্ক সিটির জ্যাকসন হাইটসে ডাইভার্সিটি প্লাজায় ‘রুখে দাঁড়াও বাংলাদেশ’ ব্যানারের সামনে মূল বক্তব্য প্রদানকালে প্রবীন সাংবাদিক সৈয়দ মুহম্মদ উল্লাহ ক্ষুব্ধচিত্তে বলেন, ‘একাত্তরে যুদ্ধ শুরু হয়েছিল বাংলাদেশ থেকে এবং সে যুদ্ধে সর্বাত্মক সমর্থন দিয়েছেন প্রবাসীরা। আজ সময় এসেছে প্রবাস থেকেই যুদ্ধ শুরু করার এবং এ যুদ্ধের বিস্তৃতি ঘটবে সারা বাংলায়। বঙ্গবন্ধুর বাড়ি ধ্বংস করেছে যারা আমরা ওদেরকে ধ্বংস করবো। ওদের ভিডিও সংরক্ষণ করুন। আমরা আজ আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়ে দিতে চাই যে, ওদের প্রত্যেকের তালিকা আমরা করছি। তালিকানুযায়ী ওদের প্রত্যেককে নিধন করা হবে। নিশ্চিহ্ন করা হবে। কুলঙ্গার, জাতীয় শত্রু ড. ইউনূস-সহ প্রত্যেককে ধ্বংস করা হবে। যারা বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সূতিকাগার ৩২ নম্বর বঙ্গবন্ধুৃ ভবনসহ বাঙালি চেতনায় ও মুক্তিযুদ্ধের স্থাপনায় আঘাত করেছে সেই জাতীয় দুশমনদের বিরুদ্ধে প্রবাসীরা আজ যুদ্ধ ঘোষণা করলো।’ উত্তর আমেরিকায় বাংলা ভাষার প্রথম নিয়মিত সাপ্তাহিক ‘প্রবাসী’র প্রতিষ্ঠাতা-সম্পাদক সৈয়দ মুহম্মদ উল্লাহ (৮৪) আরো বলেন, এবারের সংগ্রাম একাত্তরের শত্রুদের বিরুদ্ধে, এবারের সংগ্রাম বিদেশী শক্তির ষড়যন্ত্রে বাংলাদেশের ক্ষমতায় আসিন ড. মুহম্মদ ইউনূসের বিরুদ্ধে, ইউনূসের সাথে তার সমস্ত কুলঙ্গার সাথীদের বিরুদ্ধে। এ যুদ্ধ একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে বিরোধিতাকারি-মানবতাবিরোধী অপরাধকারি জামাতের বিরুদ্ধে।’
    শাহবাগের গণজাগরণ মঞ্চের অন্যতম সংগঠক সৈয়দ জাকির আহমেদ রনি বলেন, শুধু ৩২ নম্বর নয়, সারাদেশে সর্বদিকে সর্বপ্রান্তে কী এক অমোঘ চক্রান্তে, বিদ্বেষে নাম মুছে ফেলা হচ্ছে। আমরা তা বসে দেখছি। এটা নিলয়ের গল্পে মত। রোম যখোন পুড়ছিল নিলয় তখোন বাশী বাজাচ্ছিল। আমরা বাশী বাজাচ্ছি। আমরা বক্তৃতা করছি। আমাদের সাহস নেই রাস্তায় দাঁড়ানোর। তবে একটা সাহস আছে। আমাদের মনে রাখার সাহস আছে। আমরা বারবার পরাজিত হয়েছি, বারবার ফিরে এসেছি। বারবার আমরা পড়ে গেছি। বারবার আমরা উঠে দাঁড়িয়েছি। এবারও যদি আমাদেরকে পড়ে যেতে হয়, আবার আমরা উঠে দাঁড়াবো। যে সিগন্যাচার, যে স্বাক্ষর আপনারা রেখে গেলেন, তা আমাদের মনে রয়ে গেল। এর চ’ড়ান্ত পরিণতি কী হবে, জবাব কী হবে-সেটাও আমরা আপনাদের দেখিয়ে দেব। আজ থেকে সেই দেখানো আমরা শুরু করি। আপনারা আসুন আমরা জমায়েত হই, এগিয়ে যাই। আমরা আমাদের অধিকার সংরক্ষণে ঝাঁপিয়ে পড়ি।

    রনি উল্লেখ করেন, ৫ ফেব্রুয়ারি ছিল গণজাগরণ মঞ্চের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী,জন্যে কিছুটা ভাবাবেগে ছিলাম। এমনি অবস্থায় ভোরে যখোন ঘুম ভাঙলো-আমরা দু:খে আক্রান্ত হলাম। আমরা ভারাক্রান্ত হলাম। আমরা টিভিতে দেখলাম-আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধের, স্বাধীনতা সংগ্রামের, আমাদের স্বাধিকার আন্দোলনের যে কেন্দ্রস্থল, সেই স্থানে একদল হিংস্র জানোয়ার তাদের যা কিছু আছে ঝাঁপিয়ে পড়েছে। কি অন্যায়, কি পাপ, কি অপরাধ, কীসের বিচার, কোথায় বিচার, আমরা কিছুই জানলাম না। বুঝলাম না। আমরা দেখলাম আমাদের চোখের সামনে থেকে আমাদের স্বাধীনতার সূতিকাগার ৩২ নম্বরে একটা একটা করে ইট খুলে পড়ে যাচ্ছে। স্মৃতিকাতর প্রতিটি বস্তু আগুনে পুড়ে যাচ্ছে। কয়লা হয়ে যাচ্ছে।
    এ র‌্যালির আয়োজকদের অন্যতম মোজাহিদ আনসারীর পরিচালনায় এ সমাবেশে আরো বক্তব্য দেন আর্টিস্ট ড. ওবায়দুল্লাহ মামুন, কম্যুনিটি অ্যাক্টিভিস্ট জাকির হোসেন বাচ্চু, গোলাম কিবরিয়া অনু, সুব্রত বিশ্¦াস প্রমুখ। র‌্যালিতে জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু স্লোগানে নেতৃত্ব প্রদানকারিগণের মধ্যে আরো ছিলেন বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশনের যুক্তরাষ্ট্র শাখার সভাপতি আব্দুল কাদের মিয়া, সম্পাদকমন্ডলীর সদস্য আফসার আহমেদ, অজিৎ ভৌমিক, আওয়ামী লীগ নেতা খালেদুজ্জামান প্রদীপ, দীনেশ মজুমদার, গণমাধ্যমকর্মী সঞ্জিবন সরকার প্রমুখ।

    এই র‌্যালির পর একইস্থানে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের উদ্যোগে আরেকটি প্রতিবাদ সমাবেশ হয়। ‘শেখ হাসিনার বাংলায় জঙ্গিদের ঠাঁই নেই’, ‘ফাদার অব তালেবান-ইউনূস ইউনূস’, ‘কীলার অব বাংলা-ইউনূস ইউনূস’, ‘জয় বাংলা-জয় বঙ্গবন্ধু’ ‘রক্তের বন্যায়-ভেসে যাবে অন্যায়’, ‘দিয়েছি তো রক্ত-আরো দেব রক্ত’, ‘‘একাত্তরের হাতিয়ার-গর্জে উঠুক আরেকবার’, ‘হটাও ইউনূস ফ্রম বাংলাদেশ-শেখ হাসিনার নির্দেশ’ ইত্যাদি স্লোগানে প্রকম্পিত অবস্থায় সংগঠনের সভাপতি ড. সিদ্দিকুর রহমান বলেন, ধৈর্যের সীমা ছাড়িয়ে গেছে। এখোন রুখে দাঁড়ানোর সময়। এখোন অস্ত্র হাতে নেয়ার সময়। তাই আমি নেত্রীর কাছে আবেদন জানাচ্ছি, আমাদের আর চুপ করে থাকা যাবে না। আমরা অস্ত্র চাই। জঙ্গিদের উৎখাতের জন্যে অস্ত্র দরকার। আমরা আপনার অনুমতি চাই সশস্ত্র যুদ্ধে ঁঝাপিয়ে পড়ার জন্যে।

    এ র‌্যালিতে নেতৃবৃন্দের মধ্যে ছিলেন আব্দুস সামাদ আজাদ, ইমদাদ চৌধুরী, মুজিবুর রহমান মিয়া, সোলায়মান আলী, সাহানারা রহমান, দরুদ মিয়া রনেল প্রমুখ।

    Facebook Comments Box
  • গাজা নিয়ে ট্রাম্পের পরিকল্পনা জাতিগত নিধনের সামিল: জাতিসংঘ

    গাজা নিয়ে ট্রাম্পের পরিকল্পনা জাতিগত নিধনের সামিল: জাতিসংঘ

    ফিলিস্তিনের যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজাবাসীদের স্থানান্তর ও উপত্যকাটির অর্থনৈতিক উন্নয়ন নিয়ে ট্রাম্পের পরিকল্পনা জাতিগত নিধনের সামিল বলে মন্তব্য করেছেন জাতিসংঘের মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেস।

    নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদক ফারনাজ ফাসিহির গাজা নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের পরিকল্পনার বিষয়ে করা এক প্রশ্নের জবাবে এ উত্তর দেন জাতিসংঘ মহাসচিব।

    নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদক জানান, গুতেরেস আরো বলেছেন, ‘ট্রাম্পের পরিকল্পনা চিরকালের জন্য একটি ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র গঠনের সম্ভাবনাকে অসম্ভব করার ঝুঁকি তৈরি করেছে।’

    ট্রাম্প ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে একটি যৌথ সংবাদ সম্মেলনে গাজা উপত্যকার নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার ঘোষণা দেওয়ার নিউ ইয়র্ক টাইমসকে দেয়া এক প্রতিক্রিয়ায় জাতিসংঘের মহাসচিব এমন মন্তব্য করেন।

    মঙ্গলবার (৪ ফেব্রুয়ারি) মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প জানান, যুক্তরাষ্ট্র গাজা ‘দখল’ করবে এবং এটি পুনর্গঠন করে নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেবে। তিনি বলেন, ধ্বংসস্তূপে পরিণত হওয়া এই উপত্যকা পুনর্নির্মাণ করে ব্যাপক অর্থনৈতিক উন্নয়ন ঘটানো হবে, যা বিপুলসংখ্যক কর্মসংস্থান ও আবাসন সৃষ্টি করবে।

    ট্রাম্প বলেন, ‘আমরা এটির (গাজার) মালিক হবো এবং সেখানকার সমস্ত বিপজ্জনক অবিস্ফোরিত বোমা এবং অন্যান্য অস্ত্র নির্মূল করব, ভূখণ্ডটি সমতল করব এবং ধ্বংস হওয়া বিল্ডিংগুলো থেকেও আমরা মুক্তি পাবো, এগুলোকে সমতল করব (এবং) সেখানে এমন অর্থনৈতিক উন্নয়ন করব যা ওই এলাকার মানুষের জন্য প্রচুর চাকরি এবং আবাসন সৃষ্টি করবে।’

    গাজাবাসীদের মধ্যপ্রাচ্যের এক বা একাধিক দেশে চলে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন ট্রাম্প। তিনি বলেন, ‘আমি বলতে চাইছি যে, তারা সেখানে আছে কারণ তাদের কোনো বিকল্প নেই। তাদের কী আছে? এটি এখন ধ্বংসস্তূপের একটি বিশাল স্তূপ।’

    তবে, যুক্তরাষ্ট্রের গাজা দখল ও নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার এই পরিকল্পনার বিরুদ্ধে দেশটির মিত্র এবং প্রতিপক্ষ উভয়েরই তীব্র বিরোধিতার আশঙ্কা রয়েছে।

    Facebook Comments Box
  • এবার ধানমন্ডি ৩২-এ আগুন দিলো ছাত্র-জনতা

    এবার ধানমন্ডি ৩২-এ আগুন দিলো ছাত্র-জনতা

    নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীদের সঙ্গে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভার্চুয়াল অধিবেশন নিয়ে রাজধানীর ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। ছাত্র-জনতার পক্ষ থেকে ঘোষণা করা ‘বুলডোজার মিছিল’ চলছে। একযোগে বাড়ির ভেতরে ঢুকে চলছে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ।

    বুধবার (৫ ফেব্রুয়ারি) রাত ৯টায় ‘লং মার্চ টু ধানমন্ডি-৩২’ নামের এই কর্মসূচির ঘোষণা দেওয়া হয়। এরপরই বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের বাড়ির সামনে জড়ো হতে শুরু করে বিক্ষুব্ধ ছাত্র-জনতা। এক পর্যায়ে তারা বাড়ির ভেতর ঢুকে পড়েন ও ভাঙচুর চালান।

    রাত ১৯টার দিকে সরেজমিনে দেখা যায়, ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে ব্যাপক ভাঙচুর চালানো হচ্ছে। জ্বলছে আগুন। অনেকেই দিচ্ছে মুহুর্মুহু স্লোগান। পুরো বিল্ডিংটির অবকাঠামোই ভেঙে ফেলা হচ্ছে। যদিও গত ৫ আগস্ট এক দফা ৩২  নম্বরের এই বাড়িতে আগুন দেওয়া হয়েছিল।

    বিক্ষুব্ধ ছাত্র জনতা বলছেন, যারা ছাত্র হত্যার সঙ্গে জড়িত ছিল সেসব ফ্যাসিবাদীদের কোনো চিহ্ন বাংলাদেশের মাটিতে রাখতে চাই না। অবিলম্বে শেখ হাসিনাকে দেশে ফেরত এনে তার শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে।

    এছাড়া উত্তেজিত ছাত্র-জনতাকে, ‘খুনি আসলে লাইভে, জনতা যাবে ৩২ এ’, ‘দিল্লি না ঢাকা, ঢাকা ঢাকা’ ইত্যাদি বিভিন্ন স্লোগান দিতে দেখা গেছে।

    ছবি সংগৃহীত

    এর আগে ধানমন্ডি-৩২ নম্বরে ভাঙচুর করে ছাত্র-জনতা। রাত ৮টার দিকে একদল ছাত্র-জনতা বিভিন্ন স্লোগান দিতে দিতে ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে শেখ মুজিবুর রহমানের বাড়িতে ঢুকে পড়ে। তারা বাড়ির দেয়াল, দরজা-জানালাসহ বিভিন্ন কক্ষে ভাঙচুর চালায়।

    ৩২ নম্বরের বাড়িতে প্রবেশের মুখে স্থাপিত শেখ মুজিবুর রহমানের ম্যুরালটি ভেঙে ফেলা হচ্ছে। এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কোনও সদস্যকে সেখানে দেখা যায়নি।

    Facebook Comments Box
  • World Leaders Responded to Trump’s Gaza Proposal?

    World Leaders Responded to Trump’s Gaza Proposal?

    President Donald Trump has provoked international condemnation after declaring that the United States would “take over” the Gaza Strip and suggesting Palestinians be permanently relocated elsewhere.

    The statement, made during a White House press conference with Israeli Prime Minister Benjamin Netanyahu, was met with widespread rejection from world leaders who denounced it as a violation of international law.

    Trump framed his proposal as a redevelopment project, saying that Gaza could become “the Riviera of the Middle East,” while also describing the territory as a “demolition site.”

    He added that “the world’s people will live there… also Palestinians,” and did not rule out deploying U.S. troops to enforce his plan.

    Senior Hamas official Sami Abu Zuhri rejected Trump’s comments, warning of potential “chaos.”

    “We reject Trump’s statements,” Abu Zuhri  in a statement. “We consider them a recipe for creating chaos and tension in the region.”

    The proposal has drawn sharp criticism from leaders across the globe, including key U.S. allies, Middle Eastern nations, and human rights organizations. Below is a breakdown of the strongest reactions to Trump’s remarks.

    Mohammed bin Salman, Crown Prince of Saudi Arabia

    Saudi Arabia swiftly rejected Trump’s proposal, reaffirming its position on Palestinian statehood.

    “Saudi Arabia rejects any attempts to displace the Palestinians from their land,” the Saudi Foreign Ministry said. It also stated that Riyadh “would not establish ties with Israel without the creation of a Palestinian state,” contradicting Trump’s earlier claim that normalization did not require Palestinian sovereignty.

    Anthony Albanese, Prime Minister of Australia

    Australian Prime Minister Anthony Albanese reaffirmed his country’s commitment to a two-state solution and dismissed Trump’s plan.

    “Australia’s position is the same as it was this morning, as it was last year. The Australian government supports, on a bipartisan basis, a two-state solution,” Albanese said at a press briefing in Canberra.

    Olaf Scholz, Chancellor of Germany

    German Chancellor Olaf Scholz strongly condemned Trump’s proposal to relocate Palestinians from Gaza to Jordan and Egypt, calling it “unacceptable.”

    “Any resettlement plans, the idea that the citizens of Gaza will be expelled from there to Egypt or Jordan, is unacceptable,” Scholz said at a campaign event in Berlin.

    He further emphasized his support for a two-state solution and stated that the Palestinian Authority must assume responsibility for Gaza.

    “The fragile hope for peace that is now possible must not be squandered,” Scholz added, referring to the recent ceasefire agreement.

    Chris Murphy, U.S. Senator (D-CT)

    Senator Chris Murphy, a member of the Senate Foreign Relations Committee, criticized Trump’s comments on social media, warning that they could drag the U.S. into another prolonged conflict.

    “A U.S. invasion of Gaza would lead to the slaughter of thousands of U.S. troops and decades of war in the Middle East. It’s like a bad, sick joke,” Murphy said on X.

    Rashida Tlaib, U.S. Representative (D-MI)

    Palestinian-American Congresswoman Rashida Tlaib strongly rebuked Trump’s proposal, calling it an endorsement of ethnic cleansing.

    “Palestinians aren’t going anywhere. This president can only spew this fanatical bullshit because of bipartisan support in Congress for funding genocide and ethnic cleansing,” Tlaib said. “It’s time for my two-state solution colleagues to speak up.”

    Chris Van Hollen, U.S. Senator (D-MD)

    Senator Chris Van Hollen warned that Trump’s comments could worsen instability in the region.

    “Trump’s proposal to push 2 million Palestinians out of Gaza and take ‘ownership’ by force, if necessary, is simply ethnic cleansing by another name. This declaration will give ammunition to Iran and other adversaries while undermining our Arab partners in the region,” he said.

    Council on American-Islamic Relations (CAIR)

    The leading U.S. Muslim civil rights organization, CAIR, strongly opposed Trump’s proposal.

    “Gaza belongs to the Palestinian people, not the United States, and President Trump’s call to expel Palestinians from their land is an absolute non-starter. If the Palestinian people were ever somehow forcibly expelled from Gaza, this crime against humanity would spark widespread conflict, put the final nail in the coffin of international law, and destroy what remains of our nation’s international image and standing,” CAIR said in a statement.

    Facebook Comments Box
  • জাইমা রহমানের আগমনে যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি পরিবারে উচ্ছ্বাস

    জাইমা রহমানের আগমনে যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি পরিবারে উচ্ছ্বাস

    ধর্মীয় সম্প্রীতির বন্ধন সুসংহত করার মধ্যদিয়ে বিশ্বের উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির পথ সুগম করার অভিপ্রায়ে ৬ ফেব্রুয়ারি ওয়াশিংটন ডিসিতে ‘৭৩তম ন্যাশনাল প্রেয়ার ব্রেকফাস্ট’ অনুষ্ঠানে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, বৃটেন, অষ্ট্রেলিয়া, বাংলাদেশসহ শতাধিক দেশের রাষ্ট্রনায়ক, সরকার প্রধান, নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিসহ বিভিন্ন ধর্মের স্কলাররা অংশ নেবেন। এতে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপার্সন তারেক রহমানের প্রতিনিধিত্ব করবেন তার কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমান। ৪ ফেব্রুয়ারি লন্ডন থেকে নিউইয়র্কে এসেছেন ব্যারিস্টার জাইমা। তিনি লং আইল্যান্ডে তার এক আত্মীয়ের বাসায় অবস্থান করবেন ওয়াশিংটন ডিসির উদ্দেশ্যে ৫ ফেব্রুয়ারি বুধবার রওয়ানা দেয়ার আগ পর্যন্ত। ব্যারিস্টার জাইমার আগমণ ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রে বিএনপি পরিবারে এক ধরনের উচ্ছ্বাস পরিলক্ষিত হচ্ছে। যদিও কেউই এয়ারপোর্টে তাকে স্বাগত জানানোর সুযোগ পাননি কিংবা প্রেয়ার ব্রেকফাস্টে যোগদানের পরও দলীয় কোন ফোরামে তিনি কথা বলবেন বলে জানা যায়নি। তবুও কেন এত উচ্ছ্বাস, আনন্দ আর আবেগ? জবাবে নিউইয়র্কে বসবাসরত বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির অন্যতম সদস্য আলহাজ্ব আব্দুল লতিফ সম্রাট এ সংবাদদাতাকে বললেন, আন্তর্জাতিকভাবে এমন গুরুত্বপূর্ণ একটি অণুষ্ঠানে বিএনপি চেয়ারপার্সনের প্রতিনিধিত্ব করার দায়িত্ব নিয়ে এসেছেন ব্্যারিস্টার জাইমা রহমান। এটা প্রবাসের সচেতন সকল বাংলাদেশীর জন্যেই অহংকার আর গৌরবের। এ অনুষ্ঠানে বিশ্ব নেতৃবৃন্দের সাথে মিলিত হবার সুযোগ বাংলাদেশের সামগ্রিক কল্যাণ ও উন্নয়নের ব্যাপারেও কথা বলবেন। এবং আন্তর্জাতিক এ সমাবেশের মধ্যদিয়েই ব্যারিস্টার জাইমার বাংলাদেশের নেতৃত্বে দাদি ও বাবার পাশে অধিষ্ঠত হবার পথ বিস্তৃত হবে বলে আশা করছি। যুক্তরাষ্ট্রের বিএনপির সর্বস্তরের নেতা-কর্মী ও দেশপ্রেমিক প্রবাসীগণের পক্ষ থেকে আমিও ব্যারিস্টার জাইমা রহমানকে স্বাগত ও শুভেচ্ছা জানাচ্ছি।

    মার্কিন ধারার রাজনীতিক ও বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির অপর প্রভাবশালী সদস্য গিয়াস আহমেদ বলেন, আমি ব্যারিস্টার জাইমার এ সফরের সর্বাত্মক সাফল্য কামনা করছি এবং আশা করছি ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপার্সন তারেক রহমানের বার্তা তিনি বিশ্বসভায় উপস্থাপনে সক্ষম হবেন। গিয়াস আহমেদ আরো বলেন, বাংলাদেশের উন্নয়ন আর সংস্কারে জাইমা রহমানের মত মানুষের ভীষন প্রয়োজন। যারা প্রবাসে বেড়ে উঠেন, উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত হয়েছেন তাদের পক্ষেই বাংলাদেশের সত্যিকার সংস্কার করা সম্ভব। কারণ, যারা বাংলাদেশে বেড়ে উঠেছেন ও লেখাপড়া করছেন-তারা তো সার্বক্ষণিকভাবে অনিয়ম-অনাচার আর অব্যবস্থাপনার সাথে জড়িয়ে ছিলেন। তাই তাদের দৃষ্টিতে অনিয়ম-দুর্নীতি-অব্যবস্থাপনার সত্যিকার অবস্থা ধরা পড়বে না পু্খংপুঙ্খানুভাবে। জাইমা রহমান রাজনৈতিক পরিবারের সন্তান, তাই তার মত তরুণ নেতৃত্ব প্রয়োজন বাংলাদেশকে সামগ্রিক উন্নয়ন দিতে এবং সে তাগিদেই আমাদের নেতা তারেক রহমান তাকে পাঠিয়েছেন গুরুত্বপূর্ণ এ আন্তর্জাতিক সমাবেশে।

    উল্লেখ্য, এই ব্রেকফাস্ট প্রেয়ারে যোগদানের জন্যে বিএনপি মহাসচিব মীর্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির মাহমুদ চৌধুরীও যুক্তরাষ্ট্রে এসেছেন। তারাও দলীয় কোন কর্মসূচিতে অংশ নেবেন বলে শোনা যায়নি। যদিও ওয়াশিংটন ডিসি, ভার্জিনিয়া এবং ম্যারিল্যান্ড বিএনপির নেতা-কর্মীর অনেকেই ঐ প্রেয়ার ব্রেকফার্স্টে অংশ নেবেন। তিন হাজারের অধিক মানুষ এই বিশেষ প্রার্থনা সমাবেশে অংশগ্রহণ করবেন বলে আয়োজকরা জানিয়েছেন। সমাবেশটি অনলাইনেও সম্প্রচারিত হবে।

    Facebook Comments Box
  • ইয়াঙ্গুনে ইয়ুথ ফেস্টিভ্যাল

    ইয়াঙ্গুনে ইয়ুথ ফেস্টিভ্যাল

    মিয়ানমারের তরুণদের কাছে বাংলাদেশি সংস্কৃতি এবং রসনা সম্ভার উপস্থাপন। রাষ্ট্রদূত ড. মোঃ মনোয়ার হোসেন বলেছেন, তরুণরা তাঁদের কর্মচাঞ্চল্য, আবেগ এবং উদ্যোগ দিয়ে নতুন পৃথিবী গড়তে এবং বিশ্বজুড়ে পরিবর্তন আনতে সক্ষম। তিনি গত ১ ফেব্রুয়ারী শনিবার ইয়াঙ্গুনস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসের উদ্যোগে ‘ইয়ুথ ফেস্টিভ্যাল-২০২৫’ সমাবেশে বক্তব্য রাখছিলেন। অনুষ্ঠানমালায় ছিল তরুণদের অংশগ্রহণমূলক বিভিন্ন গেমস, বাংলাদেশী পোশাক, পাট ও চামড়াজাত পণ্যেও প্রদর্শনী, সাংস্কৃতিক পরিবেশনা, মেহেদি লাগানো, মাটিরপাত্রে আলপনা, বাংলাদেশি শাড়ি-পাঞ্জাবি পরিধান, দেশাত্মবোধক ভিডিও চিত্র প্রদর্শন এবং বাংলাদেশী খাবারের আয়োজন। মিয়ানমারের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের সদস্য, বাংলাদেশ কমিউনিটি এবং দূতাবাস পরিবারের সদস্যসহ প্রায় ২০০ তরুণ-তরুণী এই অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন।

    রাষ্ট্রদূত ড. হোসেন তার বক্তৃতায় বাংলাদেশ ও মায়ানমারের মধ্যে পোশাক, সংস্কৃতি এবং খাবারে সাদৃশ্যের কথা তুলে ধরে বলেন যে, বিভিন্নক্ষেত্রে বিদ্যমান এই মিল দুই দেশের মধ্যে সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করতে পারে। দিবসটির প্রতিপাদ্য ‘ঊহমধমরহম ণড়ঁঃয, ঈড়হহবপঃরহম ঋঁঃঁৎব’ উল্লেখ করে ড. হোসেন বলেন যে, তরুণরাই পারে দুদেশের মানুষের মধ্যেকার বন্ধন জোরদার করতে।
    অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের বিভিন্ন ঐতিহাসিক স্থাপনা, পর্যটনকেন্দ্র, মৃৎশিল্প, পাটশিল্প,পাটজাত ও চামড়াজাত পণ্য, সিরামিক এবং রপ্তানিযোগ্য পোশাকের বেশ কয়েকটি স্টল ছিল। বাংলাদেশের পোশাকের সমৃদ্ধ ঐতিহ্য প্রদর্শন করে একটি পোশাক ট্রাই-অন বুথ নির্মিত হয়, যেখানে মিয়ানমারের তরুণরা বাংলাদেশী জামদানি শাড়ি এবং পাঞ্জাবি পরিধান করে। এছাড়াও, মেহেদী কর্নারে মায়ানমারের তরুণীরা বাংলাদেশী ঐতিহ্যবাহী মেহেদীর রঙ্গে হাত রাঙায়। বাংলাদেশী প্রচলিত আল্পনার ডিজাইনে একটি ফটোফ্রেম এবং ঐতিহ্যবাহী রিকশার আদলে ফ্রেম স্থাপন করা হয় যেখানে সবাই ছবি তোলে।

    সাংস্কৃতিক পর্বে মায়ানমারের তরুণ-তরুণীরা বাংলাদেশী ও বার্মিজ গানের সাথে মনোমুগ্ধকর নৃত্য পরিবেশন করে। দূতাবাস পরিবারের শিশু-সদস্যরা ঐতিহ্যবাহী বাংলা গানের সাথে নৃত্য পরিবেশন করেন। আগত অতিথিদের জন্য বিরিয়ানি, সিঙ্গারা, পিয়াজু, পিঠা, মিষ্টি এবং বার্মিজ মিষ্টান্নসহ বিভিন্ন ধরণের বাংলাদেশী খাবারের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠান শেষে বাংলাদেশের বিভিন্ন পর্যটন কেন্দ্র এবং প্রাকৃতিক সৌন্দর্য তুলে ধরে একটি সুন্দও ভিডিওচিত্র প্রদর্শিত হয়। অনুষ্ঠানটি মিয়ানমারের তরুণ সমাজের মাঝে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে।

    Facebook Comments Box
  • নিজেকে নিয়ে শাহরুখের মন্তব্য

    নিজেকে নিয়ে শাহরুখের মন্তব্য

    বলিউড বাদশা শাহরুখ খানের বড় ছেলে আরিয়ান খান ‘দ্য বাডস অব বলিউড’ নামে ওয়েব সিরিজ নির্মাণ করেছেন। গতকাল নেটফ্লিক্স আয়োজিত অনুষ্ঠানে হাজির হয়ে পুত্রের অভিষেক প্রজেক্ট নিয়ে কথা বলেন শাহরুখ। আরিয়ান পরিচালিত এই সিরিজে অভিনয়ও করেছেন এই বলিউড কিং।

    স্ত্রী গৌরি খান, কন্যা সুহানা খান ও পুত্র আরিয়ানের সঙ্গে মঞ্চে দেখা যায় শাহরুখ খানকে। সন্তানদের জন্য দোয়া চেয়ে তিনি বলেন, ‘আমার প্রার্থনা, বিগত সময়ে মানুষের যে পরিমাণ ভালোবাসা পেয়েছি, তার ৫০ শতাংশ যেন তারা (ছেলে-মেয়ে) পায়। এটাও অনেক পাওয়া হবে।’

    আরিয়ানের ওয়েব সিরিজটি প্রযোজনা করছে শাহরুখ খানের রেড চিলিস এন্টারটেইনমেন্ট। অর্থাৎ অভিনয়ের পাশাপাশি সিরিজটিতে প্রযোজক হিসেবেও যুক্ত রয়েছেন শাহরুখ। প্রযোজক হিসেবে কর্মযজ্ঞ বর্ণনা করতে গিয়ে নিজেকে ‘ব্লাডি স্টার’ বলে মন্তব্য করেন এই নায়ক।

    শাহরুখ খান বলেন, ‘সবকিছু উনারাই সামলে নেন, আমি শুধু নামে প্রযোজক। আমি আসলে একজন ব্লাডি স্টার, আসল কাজটা পরিচালক, প্রযোজক, চিত্রনাট্যকার আর প্রোডাকশন টিমের।’

    জানা গেছে, ৬ পর্বের এই ওয়েব সিরিজে ক্যামিও চরিত্রে দেখা যাবে সালমান খান, শাহরুখ, রণবীর কাপুর, বাদশা ও ববি দেওলকে। গত বছরের মে মাসে সিরিজটির শুটিং শেষ করেন। চলতি বছরের শেষে নেটফ্লিক্সে এটি মুক্তির কথা রয়েছে।

    Facebook Comments Box
  • জোড়া গোলে ৭০০ জয়ের মাইলফলক ছুঁলেন রোনালদো

    জোড়া গোলে ৭০০ জয়ের মাইলফলক ছুঁলেন রোনালদো

    ক্যারিয়ার জুড়ে ভুরি ভুরি গোল করেছেন। তার সেই গোলে ভর করে জয়ও কম আসেনি। এই যেমন সোমবার (০৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫) রাতে এশিয়ান চ্যাম্পিয়নস লিগে আল-ওয়াসলের বিপক্ষে আল-নাসরের হয়ে জোড়া গোল করেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। তাতে আল-নাসরও পায় ৪-০ ব্যবধানের দাপুটে জয়। আর এই জয়ের মধ্য দিয়ে ক্লাব ফুটবলে ৭০০ জয়ের মাইলফলক স্পর্শ করেন পর্তুগীজ সুপারস্টার। শুধু তাই নয়, এটা ছিল সৌদি আরবের ক্লাবটির হয়ে রোনালদোর ৬৬তম জয়।

    রোনালদো ২০০২ সালের আগস্টে তার পেশাদার ফুটবল ক্যারিয়ার শুরু করেন। এরপর থেকে তার হিসাবের খাতায় জয়ের পরিসংখ্যান যুক্ত হতে শুরু করে। ২০২৫ সালে এসে সেই সংখ্যাটা ৭০০ স্পর্শ করলো।

    ২০০৩ সালে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডে যোগ দেওয়ার আগে স্পোর্টিং সিপির হয়ে ১৩ ম্যাচে জয় পান ইউরো জয়ী তারকা। দুই দফায় ম্যানইউতে তিনি ৩৪৫ ম্যাচ খেলে ১৪৫ গোল করেন। সে সময় জয় পান ২১৪ ম্যাচে।

    রিয়াল মাদ্রিদে তার ক্যারিয়ারের সবচেয়ে স্বর্ণালী সময় পার করেন। সেখানে তিনি ৩১৫ ম্যাচে জয় পান। শিরোপা জিতেন ১৫টি। তার মধ্যে রয়েছে চার-চারটি উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগের শিরোপা।

    রিয়াল থেকে জুভেন্টাসে যোগ দিয়ে রোনালদো ৯২টি জয়ের স্বাদ পান। আল-নাসরে এসে পেলেন ৬৬ জয়ের স্বাদ। তাতে জয়ের সংখ্যা ছুঁলো ৭০০।

    তার সময়ে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী লিওনেল মেসির ক্যারিয়ারও অত্যন্ত বর্ণাঢ্য। কিন্তু মোট জয়ের হিসাবে তিনি বেশ খানিকটা পিছিয়ে আছেন রোনালদোর চেয়ে। ক্লাব ফুটবলে মেসি এ পর্যন্ত ৬১৩টি জয় পেয়েছেন। তার মধ্যে ৫৪২টি-ই পেয়েছেন বার্সেলোনার জার্সি গায়ে।

    এদিন ম্যাচের ২৫ মিনিটে আলী আল-হাসানের গোলে লিড নেয় আল-নাসর। ৪৪ মিনিটে পেনাল্টি থেকে রোনালদোর পাওয়া গোলে ব্যবধান দ্বিগুণ হয়। বিরতি থেকে ফিরে ৭৮ মিনিটে দারুণ একটি গোলে নিজের জোড়া গোল পূর্ণ করেন সিআরসেভেন। আর ৮৮ মিনিটে মোহাম্মেদ আল-ফাতিলের গোলে ৪-০ ব্যবধানের জয় নিশ্চিত হয় আল-নাসরের।

    এটা ছিল সব ধরনের প্রতিযোগিতায় আল-নাসরের টানা চতুর্থ জয়। এই জয়ে এসিএল’র নকআউট পর্বে এক পা দিয়ে রেখেছে সৌদি প্রো লিগের ক্লাবটি।

    Facebook Comments Box
  • পাসপোর্টে থাকছে না পুলিশ ভেরিফিকেশন

    পাসপোর্টে থাকছে না পুলিশ ভেরিফিকেশন

    পাসপোর্ট ইস্যু ও নবায়নের ক্ষেত্রে থাকছেনা পুলিশ ভেরিফিকেশন।

    মঙ্গলবার (৪ ফেব্রুয়ারি) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। এরআগে পাসপোর্টের জটিলতা নিরসনের লক্ষ্যে আজ সকালে সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব ড. নাসিমুল গণির সভাপতিত্বে একটি সভা অনুষ্ঠিত হয়।

    পাসপোর্টের ক্ষেত্রে জাতীয় পরিচয়পত্র ও জন্মনিবন্ধন পাসপোর্ট ইস্যুর মূল ভিত্তি ধরা হয়। এ দুটি সঠিক থাকলে পাসপোর্ট দেওয়ার ক্ষেত্রে কোনো বাধা থাকার কথা নয়- উপদেষ্টা পরিষদের সভায় এমন মতামত উঠে আসার পরই এ নিয়ে কাজ শুরু করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুরক্ষা সেবা বিভাগ।

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মকর্তা জানান, এ বিষয়ে সভায় অনেকটা এগিয়ে গেছে। পরবর্তীতে আরেকটি সভা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। সভায় বেশিরভাগ প্রতিনিধি পাসপোর্টে ভেরিফিকেশন উঠানোর বিষয়ে মত দিয়েছেন।

    জানা গেছে, সভায় পাসপোর্ট জটিলতা নিরসনের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় সুপারিশ প্রণয়ন করা হয়। উপদেষ্টা পরিষদের নির্দেশনার আলোকে সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করে এ-সংক্রান্ত আদেশ জারি করা হবে। সভায় প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়, আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়, পুলিশের বিশেষ শাখাসহ অন্যান্য বিভাগের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

    সভায় উপস্থিত প্রতিনিধিদের মধ্যে ছিলেন- প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় সচিব সাইফুল্লাহ পান্না, আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সচিব শেখ আবু তাহের, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় সচিব, মো. রুহুল আমিন, বহিরাগমন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল নূরুল আনোয়ার, মোহাম্মদ নুরুল, বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগ মহাপরিচালক (অতিরিক্ত সচিব), এ এস এম হুমায়ুন কবীর, জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা অধিদপ্তর যুগ্ম-পরিচালক, মো. জিয়াউল কাদের, অতিরিক্ত সচিব, স্থানীয় সরকার বিভাগ রেজিস্ট্রার জেনারেল, জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধন, মো. যাহিদ হোসেন, অতিরিক্ত পুলিশ মহাপরিদর্শক, গোলাম রসূল, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় উপসচিব আমিন আল পারভেজ, বিশেষ পুলিশ সুপার, (এসবি) হায়াতুন্নবী, বাংলাদেশে ই-পাসপোর্ট ও স্বয়ংক্রিয় বর্ডার নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাপনা প্রবর্তন শীর্ষক প্রকল্প পরিচালক, মো. সাইদুর রহমান, লেফটেন্যান্ট কর্নেল সাফি প্রমুখ।

    Facebook Comments Box
  • আওয়ামী লীগের লিফলেট বিতরণ করলেই গ্রেপ্তার: প্রেস সচিব

    আওয়ামী লীগের লিফলেট বিতরণ করলেই গ্রেপ্তার: প্রেস সচিব

    যারা আওয়ামী লীগের লিফলেট বিতরণ করছেন, তাদের গ্রেপ্তার করা হবে বলে সতর্ক করেছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম। “যারা লিফলেট বিতরণ করবেন তাদের জন্য কড়া বার্তা, তাদের গ্রেপ্তার করা হবে। লিফলেটের যেসব কথা আছে, তা আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিকে হুমকিতে ফেলার কথা। এদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।” সোমবার ঢাকার ফরেন সার্ভিস অ্যাকাডেমিতে ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন শফিকুল আলম। গণ অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে গত বছরের ৫ অগাস্ট আওয়ামী লীগের ১৫ বছরের শাসনের অবসান ঘটে। এরপর থেকে দলের প্রধান শেখ হাসিনাসহ অনেক শীর্ষ নেতাই দেশের বাইরে। তাদের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধেরও মামলা হয়েছে। দেশে যারা আছেন, তারাও আছেন আত্মগোপনে; দলের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে ঝুলেছে ডজন ডজন মামলা, গ্রেপ্তার হলেই রিমান্ড; ভ্রাতৃপ্রতীম ছাত্রলীগ এখন ‘নিষিদ্ধ’ সংগঠন। সব কিছু মিলিয়ে কোণঠাসা অবস্থায় থাকা আওয়ামী লীগ সম্প্রতি মাঠের রাজনীতিতে ফেরার ঘোষণা দিয়ে ১ থেকে ১৮ ফেব্রুয়ারি পাঁচ ধরনের কর্মসূচি দিয়েছি। এর অংশ হিসেবে ১ থেকে ৫ ফেব্রুয়ারি প্রচারপত্র বিলি করছে দলটি। এছাড়া ৬ ফেব্রুয়ারি প্রতিবাদ মিছিল ও সমাবেশ; ১০ ফেব্রুয়ারি বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ; ১৬ ফেব্রুয়ারি অবরোধ এবং ১৮ ফেব্রুয়ারি রয়েছে দেশব্যাপী সকাল-সন্ধ্যা সর্বাত্মক হরতালের ডাক দিয়েছে আওয়ামী লীগ।

    আওয়ামী লীগের কর্মী-সমর্থকেরা ‘অনলাইনে মিথ্যা ও গুজব’ ছড়াচ্ছে অভিযোগ করে শফিকুল আলম সংবাদ সম্মেলনে বলেন, “পতিত স্বৈরাচারকে এখনও প্রধানমন্ত্রী বলছেন। পুরোটা আমরা মনিটরিং করছি। আমাদের কড়া বার্তা হচ্ছে যারা লিফলেট বিতরণ করবে, এ ধরণের কর্মসূচিতে যাবেন তাদের গ্রেপ্তার করা হবে। আইনের আওতায় আনা হবে।’ সংবাদ সম্মেলনে জানতে চাওয়া হয় জাতীয় প্রেসক্লাবে আওয়ামী লীগের পক্ষে একজন শিক্ষা ক্যাডারের কর্মকর্তার (মুকিব খান) লিফলেট বিতরণের ঘটনায় কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে কিনা।

    জবাবে শফিকুল আলম বলেন, “আমরা বেশ কিছু গ্রেপ্তার করেছি। আমরা শুনেছিলাম, তারা ঢাকায় ৭০টি জায়গায় লিফলেট বিতরণ করবে। কিন্তু আমরা জেনেছি, তিনটা জায়গায় তারা তা করতে চেষ্টা করেছিল, সেখান থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

    “তারা অনলাইনে অনেক কিছু বিতরণ করছে। পালিয়ে গিয়ে এ-ওকে দেয়। ওনাদের কাজই হচ্ছে অনলাইনে। চুরির টাকাতো তাদের ব্যয় করতে হবে। শিক্ষা ক্যাডারের বিষয়টি সরকার গুরুত্বের সঙ্গে নিয়েছেন জানিয়ে তিনি বলেন, ওনার ফেসবুক স্ট্যাটাসগুলো খতিয়ে দেখছি। প্রত্যেকটা বিষয় খতিয়ে দেখছি।”

    গুজব প্রতিরোধে ফেসবুকের সঙ্গে আলাপ হয়েছে জানিয়ে প্রেস সচিব বলেন, “গুজব নিয়ে ভারতীয় গণমাধ্যমগুলো আমাদের বিরুদ্ধে প্রপাগান্ডা যুদ্ধে নেমেছে। প্রতিদিন তারা মিথ্যা মিথ্যা দিচ্ছে।“আমাদের ধারণা হচ্ছে, পতিত স্বৈরাচারের যারা বিলিয়ন ডলার বাইরে নিয়ে গেছে, তারা এ কাজগুলো করাচ্ছে। এ বিষয়ে সবাইকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান তিনি। একই সঙ্গে বিষয়টি ভারত সরকারকেও জানানোর কথা বলেন প্রেস সচিব।

    এসময় সাংবাদিককরা বইমেলার শেখ হাসিনার ছবি সম্বলিত ডাস্টবিনের বিষয়েও জানতে চান। জবাবে প্রেস সচিবের ভাষ্য, “এটাকে সামনে রেখে আওয়ামী লীগের ট্রল বাহিনী খুবই ন্যক্কারজনকভাবে আমার পরিবারকে টার্গেট করেছে।

    “আমরা জানি, তাদের চরিত্র কেমন। অপ্র্যত্যাশিত হলেও সত্য, তাদের সঙ্গে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বৈঠকও করছেন। বাংলাদেশের ‘কসাইয়ের’ রুচিটা কোথায়, দেখেন। শেখ হাসিনা ‘এ-টিমের’ সঙ্গে বৈঠক করছেন। ‘এ-টিম’ কারও মেয়ের ছবির উপরের গলাটা কেটে পর্নোগ্রাফি ছবি দিয়ে দিচ্ছে। কি ভয়ংকর! তার রুচিটা কোথায় গেছে। আবার আমাদের রুচি শেখান অনেকেই।”

    Facebook Comments Box
  • আওয়ামী লীগকে কী ঠেকাতে পারবে দমন-পীড়ন?

    আওয়ামী লীগকে কী ঠেকাতে পারবে দমন-পীড়ন?

    দিন যত যাচ্ছে ততই স্পষ্ট হচ্ছে জুলাই-আগস্টে কথিত জঙ্গি উত্থানের নেপথ্য ঘটনাবলি। কোটা-বিরোধী আন্দোলনের লেবাসে ঘাপটি মেরে থাকা জঙ্গিরা সংগঠিত হয় এবং জাতীয় ও আন্তর্জাতিক বিশেষ একটি মহলের মদদে ওরা ঝাঁপিয়ে পড়ে শেখ হাসিনাকে সরাতে। শেখ হাসিনা ওদের টার্গেট ছিলেন না। মূল টার্গেট হচ্ছে মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্ব প্রদানকারি দল আওয়ামী লীগ। পঁচাত্তরের ১৫ আগস্ট জাকিরজনককে হত্যা করেও আওয়ামী লীগকে নির্মূল করতে সক্ষম না হওয়ায় একাত্তরের পরাজিত একটি দুষ্টচক্রের দীর্ঘ পৃষ্টপোষকতায় গত বছরের ৫ জুলাই ওরা সফল হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। সেই জঙ্গি আন্দোলনে পুলিশ বাহিনীকে তছনছ করার ষড়যন্ত্র দৃশ্যমান হয়েছে। অবাক বিস্ময়ে সচেতন বাঙালিরা অবলোকন করেছেন সেনাবাহিনীর নির্লিপ্ততা। এখনো গ্রাম-গঞ্জ-শহর এবং এমনকি রাজধানী শহরেও আওয়ামী লীগের কর্মী-সমর্থকেরা আক্রান্ত হচ্ছেন সেনাবাহিন দৃষ্টির মধ্যেই, তবুও তারা পদক্ষেপ নিচ্ছে না। অথচ ম্যাজিস্ট্রেসী পাওয়ার তাদের হাতে। এবং ৫ জুলাই শেখ হাসিনা ভারতে চলে যাবার পর সেনা প্রধান জাতিকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন যে, তাদের নিরাপত্তার দায়িত্ব সেনাবাহিনীর।

    শেখ হাসিনা চলে গেছেন। হঠাৎ করেই সামনে এলেন নোবেল বিজয়ী মুহাম্মদ ইউনূস। কথিত আন্দোলনের নেতাদেরকে কথা দিয়েও তিনি ঢাকায় ফিরতে ৩ দিন বিলম্ব করেছেন। অর্থাৎ আওয়ামী লীগ এবং মুক্তিযুদ্ধের কট্টর সমর্থকদের হত্যার জন্যে এই ৩দিন সময় নিয়েছিলেন মুহম্মদ ইউনূস। সেই ৭২ ঘন্টায় যা ঘটেছে তা একাত্তরের ২৫ আগস্টের নৃশংসতা-বর্বরতাকেও হার মানায় বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা বলছেন। এবং কথিত আন্দোলনকারিদের বর্বরতার শিকারদের দায়মুক্তি দিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকার। যেভাবে পঁচাত্তরের ১৫ আগস্টের ঘাতকদের দায়মুক্তি দেয়া হয়েছিল। শুধু তাই নয়, ২০২৯ সাল পর্যন্ত গ্রামীণকে ট্যাক্স-বহির্ভূত রাখা হয়েছে। তাহলে মুহম্মদ ইউনূস কী ২০২৯ সাল পর্যন্ত ক্ষমতায় থাকার ফন্দি করেছেন-এমন প্রশ্ন সচেতন বাঙালিদের।

    তবে এখোন পরিস্থিতি পাল্টাচ্ছে। মুহম্মদ ইউনূসকে যারা ক্ষমতায় বসিয়ে একাত্তরের পরাজয়ের প্রতিশোধ নিয়েছে তারা আর বিশ্ব মোড়লের ভ’মিকায় নেই। তাদেরও সূচনীয় পতন ঘটেছে। বিএনপি এখোন টের হাচ্ছে কত ধানে কত চাল। কারণ তাদের নেতৃ যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা পাননি। বিএনপির সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট তারেক রহমানকেও ভিসা দেয়নি আমেরিকা। এটা শেখ হাসিনা কিংবা আওয়ামী লীগের কান্ড নয়। মুহম্মদ ইউনূস করেছেন। তিনি ২০০৭ সাল থেকেই মাইনাস টু ফর্মুলায় ছিলেন। সময়ের ব্যবধানে তা মাইনাস ফাইভে পরিণত হয়েছে। অর্থাৎ শেখ হাসিনা, বেগম খালেদা জিয়া, শেখ রেহানা, সজিব ওয়াজেদ জয় এবং তারেক রহমান। সকলকে দেশান্তরির নীল নক্শা বাস্তবায়িত হয়েছে ১৭ বছরের ব্যবধানে। উত্থান ঘটানো হয়েছে পরাজিত শক্তিকে। এবং এখনো চলছে একই খেলা।

    বিএনপি মহাসচিব এবং যুগ্ম মহাসচিবেরা কখনো কখনো চেষ্টা করছেন ক্ষমতাকে দীর্ঘতর করার চক্রান্তের বিরুদ্ধে কথা বলতে। কিন্তু তা স্থায়ী হতে পারছে না তৃণমূলের কারণে। ৫ আগস্টেও রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর দখল আর চাদাবাজিতে স্থানীয় পর্যায়ের নেতা-কর্মীরা ১৫ বছরের সংকটকে কাটিয়ে উঠতে সক্ষম হয়েছন। এক্ষেত্রে জামাত-শিবিরও কিছুটা ভাগ পাচ্ছে। শত-সহস্র হত্যা মামলায় অভিযুক্ত করা এবং নাম কেটে দেয়ার সহজ ধান্দায় তারা মোটা অংকের টাকা পাচ্ছে। অন্তর্বর্তী সরকারের ৬ মাস অতিবাহিত হচ্ছে। এখোন পর্যন্ত পুলিশ-প্রশাসন স্থির হতে পারেননি। অর্থাৎ মগের মুল্লুক চলছে। এভাবে পাকিস্তান অথবা আফগানিস্তানের মত একটি জঙ্গি ও ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত করার সুদূরপ্রসারি পরিকল্পনাতেই হাঁটছে মুহম্মদ ইউনূস ও তার সরকার। এক্ষেত্রে তারা বিএনপিকে যতটা বিপজ্জনক মনে করছে তার চেয়ে শতগুণ বেশী আওয়ামী লীগ। আর এরইমধ্যে আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে কিছু কর্মসূচির ঘোষণা দেয়ায় ইউনূস সরকারের গদি চরম হুমকিতে নিপতিত হয়েছে বলেই তার সাঙ্গ-পাঙ্গরা জঙ্গিদের মদদে স্বৈরাচারকে হার মানানোর বুলি আওড়াচ্ছেন। তারা বলছেন আওয়ামী লীগকে মাঠে নামতে দেবেন না। কেন এত ভয়? তাহলে আপনারাই তো বড় স্বৈরাচার। আপনারাইতো গণতন্ত্রে উত্তরণের চরম প্রতিবন্ধক। ভুলেই গেলেন বাঙালিরা একবার ক্ষেপে উঠলে বন্দুক-কামান আর অদৃশ্য অস্ত্র ঠেকাতে পারে না। সাথে সাধারণ মানুষও অতীষ্ঠ আপনাাদের আচরণে। নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্য মানুষের নাগালের বাইরে। দিন মজুরের উপার্জনে এক বেলা খাবারও জুটছে না। নিরাপত্তা নেই ঘরের বাইরে। কর্মক্ষেত্রে চাঁদাবাজির আতংক। ব্যাংক-বীমায় ক্যাশ নেই। নিজ একাউন্টের টাকা উঠাতেও আগাম নোটিশ দিতে হচ্ছে ব্যাংক ম্যানেজারকে।ৎ

    মুহম্মদ ইউনূস দম্ভ করেছেন যে, বাংলাদেশের মিডিয়া নাকি এখোন সবচেয়ে বেশী স্বাধীনতা ভোগ করছে। কতটা নির্জলা মিথ্যাচার-তা প্রতিটি মিডিয়ার কর্মীরা উপলব্ধি করছেন। রাজাকারের দোসর একদল মিডিয়া কর্মীর দস্যুতার কাছে জিম্মি গোটা মিডিয়া। রাতারাতি যারা সুর পাল্টিয়েছে তারাও স্বস্তিতে নেই। শেখ হাসিনার আমলে ডিজিডিএফআই অফিস থেকে কখনো কখনো ফোন করা হতো, অনুরোধের পর নির্দেশনা আসতো। আর এখোন টোকাইরা একেকজন একেক রকমের হুমকি-ধমকি দিচ্ছে। অর্থাৎ প্রাণের ভয়ে কেউই সঠিক সংবাদটি প্রকাশ/প্রচারে সাহস পাচ্ছে না। এভাবে গণতন্ত্রের প্রত্যাশী বাংলাদেশ কোথায় যাচ্ছে-এ প্রশ্ন প্রবাসের সচেতন মহলের।

     

    Facebook Comments Box
  • রূপা হকের পদত্যাগ দাবিতে ব্রিটিশ পার্লামেন্টের সামনে বিক্ষোভ

    রূপা হকের পদত্যাগ দাবিতে ব্রিটিশ পার্লামেন্টের সামনে বিক্ষোভ

    বাংলাদেশের চলমান পরিস্থিতি নিয়ে বিশেষ করে সংখ্যালঘু নির্যাতন বিষয়ে মিথ্যা তথ্য দেয়ার প্রতিবাদে ইলিং সেন্ট্রেল এন্ড এ্যাকটন আসনের বাংলাদেশী- ব্রিটিশ এমপি রূপা হকের পদত্যাগ দাবিতে মানবাধিকার সংগঠন ‘‘আমরা বাংলাদেশী ‘‘লন্ডনে ব্রিটিশ পার্লামেন্ট হাউজ অব কমন্সের সামনে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে গত ২৯ জানুয়ারী। প্রতিবাদ সমাবেশে ব্রিটেনের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বিভিন্ন শ্রেনীপেশার শতাধিক প্রতিবাদকারী অংশ নেন। প্রতিবাদকারীদের সাথে সাদা ইংরেজরাও ছিলেন।

    রূপা হক এমপির ব্রিটিশ পার্লামেন্ট থেকে অবিলম্বে পদত্যাগের দাবী জানিয়ে বক্তারা বলেন, ২০২৪ সালের ৫ আগষ্ট বাংলাদেশে পট পরিবর্তনের ফলে ক্ষমতায় আসে ড. ইউনুসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তিকালীন সরকার।তারা ক্ষমতা গ্রহনের পর থেকে বাংলাদেশের মানুষের উপর নেমে এসেছে অন্ধকার। সমগ্র দেশব্যাপী এই সরকারের পৃষ্টপোষকতায় নির্বিচারে মৌলবাদি গোষ্ঠি ও জঙ্গিরা চালাচ্ছে তান্ডব। এযাবত মৌলবাদী গোষ্ঠির আক্রমনের শিকার হয়েছে হিন্দু, বৌদ্ধ , খৃষ্টান, আহমদিয়া মুসলিম, সুফী দরবেশ সহ দেশের হাজার হাজার নীরিহ মানুষ। সরকারের উপদেষ্টা পরিষদে স্থান পেয়েছে উগ্রপন্থি হেফাজতে ইসলাম ও স্বাধীনতা বিরোধী জামাতে ইসলাম এবং হিযবুত তাহরির নিয়ন্ত্রিত কয়েকজন । বাংলাদেশের সাংবাদিকরা বলছেন তারা সত্যকথা লিখতে পারেন না, স্বাধীন ভাবে কথা বলতে পারেননা। এই সরকার সংস্কারের নামে বাংলাদেশের সংবিধান মুছে ফেলতে চাইছে, চাইছে মুক্তিযুদ্ধের চিহ্নকে মুছে ফেলতে।

    রুপা হকের পদত্যাগ দাবিতে বৃটিশ পার্লামেন্টের সামনে বিক্ষোভ। ছবি-এনওয়াইভয়েস২৪।

    বক্তারা ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী সহ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহবান জানিয়ে বলেন, একজন ব্রিটিশ এমপির বাংলদেশ নিয়ে মিথ্যাচার ও অপপ্রচার মেনে নেয়া যায়না। আমরা ব্রিটিশ এমপি রূপা হকের ব্রিটিশ পার্লামেন্ট থেকে পদত্যাগের দাবি জানাচ্ছি।

    তারা আরও বলেন, আমরা দীর্ঘদিন যাবত গভীর উদ্বগের সাথে লক্ষ করছি রূপা হক বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ বিরোধী জামাত শিবিরের সাথে তার সম্পর্ক বজায় রাখছেন, যার সর্বশেষ উদাহরণ বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ বিরোধী যুদ্ধাপরাধী দলের নেতা ডা: শফিকুর রহমানের সাথে ব্রিটিশ পার্লামেন্টে একটি সভায় মিলিত হয়েছেন। রূপা হক মানবতা বিরোধী ইসলামী সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর প্রতি পক্ষপাতমূলক অবস্থান নিয়ে বাংলাদেশে নির্যাতিত সংখ্যালঘুদের প্রতি অমানবিক আচরণ করেছেন।

    রুপা হকের পদত্যাগ দাবিতে বৃটিশ পার্লামেন্টের সামনে বিক্ষোভ। ছবি-এনওয়াইভয়েস২৪।

    রূপা হকের পদত্যাগ দাবিতে এ সভার আয়োজক কমিটির পক্ষে বক্তব্য রাখেন অমৃত দাশ, অভিষেক শেখর জিকু , রবিন দাশ, অসীমা দে, সুজয় স্বরুপ শ্যাম, সুজিত দাশ, সাংবাদিক নজরুল ইসলাম, নিশিত, নীলকান্ত প্রমুখ ।

    Facebook Comments Box