Blog

  • মাণিকগঞ্জ কল্যাণ সমিতির পিঠা উৎসবের জোর প্রস্তুতি চলছে

    মাণিকগঞ্জ কল্যাণ সমিতির পিঠা উৎসবের জোর প্রস্তুতি চলছে

    নির্বাচিত কমিটির অভিষেক এবং শীতের পিঠা উৎসবের সামগ্রিক প্রস্তুতি উপলক্ষে ২ ফেব্রুয়ারি রোববার সন্ধ্যায় ‘মানিকগঞ্জ কল্যাণ সমিতি, ইউএস’র এ সভা নিউইয়র্ক সিটির জ্যামাইকায় খলিল বিরিয়ানি হাউজে অনুষ্ঠিত হয়। উল্লেখ্য, পিঠা ও অভিষেক উৎসব হবে ১৬ ফেব্রুয়ারি রোববার ভালোবাসা দিবসের আমেজে জ্যাকসন হাইটস সংলগ্ন কুইন্স প্যালেসে।

    এ প্রস্তুতি সভায় সভাপতিত্ব করেন মানিকগঞ্জ কল্যাণ সমিতির বিদায়ী সভাপতি সাজ্জাদ হোসেন বিশ্বাস সেলিম । আলোচনায় অন্যান্যের মধ্যে অংশ নেন নির্বাচিত সভাপতি লুৎফর রহমান যোবায়ের, প্রধান উপদেষ্টা আদিল মোহাম্মদ, উপদেষ্টা একে এম সাইফুল আলম, সাংবাদিক আনিসুর রহমান, মীর হাফিজুর রহমান মনি, সংগঠনের স্থয়ী কমিটির সদস্য আলতাব হোসেন গাজী .ও সাধারন সম্পাদক সজিব চৌধুরী। পিঠা উৎসব ও অভিষেক উপলক্ষে গঠিত কমিটির আহবায়ক নূরজাহান বেগম ঋতু এবং সদস্য-সচিব ওমর ফারুক চৌধুরী লিটন সকলকে আশ্বস্ত করেন যে, আগের চেয়ে আরো ব্যাপক হবে এবারের আয়োজন। এ ব্যাপারে প্রবাসের সকল বোন আর ভাবিরা আমাদেরকে সহায়তা দিচ্ছেন। কারণ, এই দুটি উৎসবের মাধ্যমেই নতুন কমিটির পথচলার একটি দিশা পাবেন সর্বস্তরের প্রবাসীরা। আর বাঙালি সংস্কৃতির সাথে প্রবাস প্রজন্মকে জড়িয়ে রাখতে এ আয়োজনের গুরুত্ব অপরিসীম-সেটিও সকলে অনুধাবনে সক্ষম।

    প্রস্তুতি সভায় আরো অংশ নেন সংগঠনের সহ-সভাপতি মাইদুল ইসলাম, আবদুল রারেক, ফারহানা মবিন, মিরানা দেওয়ান, রাহিমা বেগম, পারভেজ খন্দকার, সনজিৎ কুমার সাহা, সামাদা ইয়াসমিন কান্ত, তানজিব সোহেল, আমিনুর রহমান ফরহাদ প্রমুখ।

    Facebook Comments Box
  • জমজমাট পিঠা উৎসবের মধ্যদিয়ে নিউইয়র্কে ‘উত্তরণ’র আত্মপ্রকাশ

    জমজমাট পিঠা উৎসবের মধ্যদিয়ে নিউইয়র্কে ‘উত্তরণ’র আত্মপ্রকাশ

    ‘হৃদয়ে মম বাঙালি ও বাংলাদেশ’ শীর্ষক ঐতিহাসিক এক পিঠা উৎসব অনুষ্ঠিত হলো ২ ফেব্রুয়ারি রোববার সন্ধ্যায় নিউইয়র্ক সিটির ব্রঙ্কসে। তুষারপাত আর কণকণে ঠান্ডা উপেক্ষা করে ছুটোমণিসহ শতশত নারী-পুরুষ আর তরুণ-তরুণীর সরব উপস্থিতির এ উৎসবের আয়োজন করেছিল নবগঠিত ‘উত্তরণ, নিউইয়র্ক’ নামক একটি সংগঠন। দলমত-নির্বিশেষে বাঙালি চেতনায় উদ্ভাসিতদের এ আয়োজনে সভাপতিত্ব করেন সাবেক কমিশনার রবিউল ইসলাম। প্রধান অতিথি ছিলেন সারাহ হোমকেয়ারের নির্বাহী পরিচালক আব্দুল খালেক। তিনি তার শুভেচ্ছা বক্তব্যে আয়োজকদের ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, এমন আয়োজনের গুরুত্ব অপরিসীম এবং তা কম্যুনিটিকে উজ্জীবিত করতে অবদান রাখবে। বিশেষ অতিথিগণের মধ্যে ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা সাঈদুর রহমান শেলী, ইঞ্জিনিয়ার বাদল, আনোয়ার হোসেন, হাজী খবিরউদ্দিন ভ’ইয়া, ইকবাল হোসেন, সাঈদুর রহমান লিংকন, এম হোসাইন, মনিরুল আলম দীপু, জুলি রহমান, মিসেস বাদল, আশরাফ হোসেন, আক্তারুজ্জামান, জহুরুল ইসলাম, তাসলিমা পাটোয়ারি, নূরল ইসলাম মিলন, শফিকুল ইসলাম।

    অতিথি ও আয়োজকদের পাশে নিয়ে কথা বলেন আহবায়ক রবিউল ইসলাম। ছবি-এনওয়াইভয়েস২৪।

    ব্রঙ্কসের বাঙালি অধ্যুষিত এবং বাংলাবাজার এভিনিউ খ্যাত পার্কচেস্টারের গোল্ডেন প্যালেস পার্টি হল কানায় কানায় পূর্ণ হয় ৩০/৩৫ রকমের পিঠা সকলের মধ্যে বিতরণের সময়। আয়োজনে সার্বিক সহায়তায় ছিলেন মনিরুজ্জামান মনির, রেজা আব্দুল্লাহ, নুরুন্নবী নবীন, মাসুদ কবির রসুল, রূপচান মিয়া, আল মামুন সরকার, সুজাউদ্দৌলাহ চৌধুরী শামীম, মাহবুবুর রহমান শাহীন, সেলিম রেজা, হুমায়ূন কবীর, সালাহউদ্দিন আহমেদ কাব্য, এনামুল হক খান বিপ্লব, সুলতান আহমেদ, আবু এস আশরাফউদ্দৌলাহ লিটন, রফিকুল হাসান সাফি, আব্দুর রহমান, মমিনুল ইসলাম, আবুল হোসেন, সামিউল ইসলাম, আব্বাস আলী, আশরাফুল আলম, মুক্তার হোসেন প্রমুখ। সঙ্গিত পরিবেশনায় ছিলেন তানভির শাহীন, শারমিন তানিয়া, আলভান চৌধুরী ও শশী।

    উৎসবে সমবেত প্রবাসীর একাংশ। ছবি-এনওয়াইভয়েস২৪।

    পিঠা উৎসবের আমেজ যেন থিতিয়ে না যায় বক্তব্যের বহরে-এজন্যে গতানুগতিক কোন মঞ্চ ছিল না। কিংবা সভাপতি ও প্রধান অতিথি ছাড়া অন্য কেউ কথাও বলেননি। তবে সকল অতিথিকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয় বিপুল করতালির মধ্যে। আর এভাবেই নবগঠিত ‘উত্তরণ, নিউইয়র্ক’ তার চলার পথের দিশা কিছুটা হলেও সকলের সামনে উপস্থাপনে সক্ষম হয়েছে বলে অনেকে মন্তব্য করেছেন। নিউইয়র্ক সিটির ব্রঙ্কস বরোতে লক্ষাধিক প্রবাসীর বসতি গড়েছে। ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসারের সাথে বাঙালি সংস্কৃতির ফল্গুধারাও প্রবাহিত হচ্ছে। তাকে আরো প্রস্ফুটিত করতে এ আয়োজনের গুরুত্ব অপরিসীম বলেও উল্লেখ করছেন ‘সারাহ হোমকেয়ার’ ও গোল্ডেন প্যালেস’র বিশেষ সহযোগিতায় অনুষ্ঠিত এ উৎসবে জড়ো হওয়া প্রবাসীরা।

    Facebook Comments Box
  • নিউইয়র্কে নড়াইলবাসীর পিঠা-পুলি উৎসব

    নিউইয়র্কে নড়াইলবাসীর পিঠা-পুলি উৎসব

    ‘খেজুর গুড়ের পাটিসাপটা নারিকেলের পুলি/পিঠা খেয়ে জমে উঠে আনন্দের দুলি’ স্লোগানে ২ ফেব্রুয়ারি রোববার সন্ধ্যায় নিউইয়র্কে নড়াইল জেলাবাসী’র পিঠা উৎসব হলো। এলাকার সর্বস্তরের প্রবাসীর সমন্বয়ে গঠিত ‘নড়াইল জেলা প্রবাসী ইউএসএ’র বর্ণাঢ্য এ উৎসবে প্রধান অতিথি ছিলেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির অন্যতম সদস্য এবং নড়াইল থেকে সম্ভাব্য এমপি প্রার্থী আলহাজ্ব আব্দুল লতিফ সম্রাট। কনকণে শীত সত্বেও বিপুলসংখ্যক প্রবাসীর উপস্থিতিতে এ পিঠা উৎসবের আমেজে প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে পরিবর্তিত বাংলাদেশের চেতনায় সকলকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহবান জানান। এবং দীর্ঘ আন্দোলনের ফসল হিসেবে অন্তর্বর্তী সরকারের মাধ্যমে শীঘ্রই বহুল প্রত্যাশিত পার্লামেন্ট নির্বাচনের প্রত্যাশা পূরণ হবে বলে উল্লেখ করেন আব্দুল লতিফ সম্রাট। তিনি বলেন, সকলের আন্তরিক সহায়তায় বিএনপির মনোনয়ন পেলে নড়াইলের বঞ্চনার সকল কাহিনী দূর করতে দ্বিধা করবো না।

    জ্যামাইকায় ইকরা কম্যুনিটি সেন্টারে অনুষ্ঠিত এ ‘পিঠা-পুলি উৎসব’র জন্যে গঠিত কমিটির আহবায়ক এ কে এম আজম মামুন সভাপতিত্ব করেন । কর্মকর্তাগণের মধ্যে আরো ছিলেন যুগ্ম আহবায়ক রফিকুল আলম, সদস্য-সচিব নূর ইসলাম এবং প্রধান সমন্বয়কারি সৈয়দ হাসমত আলী। এ উৎসবের চেতনায় সামনের দিনগুলোতেও পরস্পরের সহযোগী হয়ে দেশ ও প্রবাসের সকলের কল্যাণে কাজের অঙ্গিকার ব্যক্ত করা হয়।

    Facebook Comments Box
  • শেষ মুহূর্তের সমঝোতায় কানাডা-মেক্সিকো পণ্যে ২৫% শুল্কারোপের বিধি ৩০ দিনের জন্য স্থগিত

    শেষ মুহূর্তের সমঝোতায় কানাডা-মেক্সিকো পণ্যে ২৫% শুল্কারোপের বিধি ৩০ দিনের জন্য স্থগিত

    মাদক পাচার ঠেকানো এবং অবৈধ অনুপ্রবেশ বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের অঙ্গিকার করায় প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প মেক্সিকো ও কানাডার পণ্যের ওপর ২৫% শুল্ক আরোপের সিদ্ধান্ত ৩০ দিনের জন্যে স্থগিত ঘোষণা করলেন। ৪ ফেব্রুয়ারি মঙ্গলবার এই নির্দেশ কার্যকর হবার কথা ছিল। সোমবার কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো এবং মেক্সিকোর প্রেসিডেন্ট ক্লাউডিয়া শেইনবাউম টেলিফোনে আলাদা আলাদাভাবে কথা বলেন ট্রাম্পের সাথে। এরপরই মেক্সিকোর প্রেসিডেন্ট জানান যে, শুল্ক আরোপের বিষয়টি ৩০দিনের জন্যে স্থগিত হয়ে গেছে। বিনিময়ে মেক্সিকো ১০ হাজার ন্যাশনাল গার্ড মোতায়েন করবে যুক্তরাষ্ট্র সীমান্ত বরাবর। এদেও কাজ হবে যুক্তরাষ্ট্রে মাদক পাচার ঠেকানো, বিশেষ করে ফেন্টানিল পাচার রোধ করা। বিভিন্ন দেশের লোকজন কানাডায় অবস্থানের পর যাতে বেআইনীপথে যুক্তরাষ্ট্রে ঢুকতে না পারে সে ব্যাপারটিও জোরদারের অঙ্গিকার করেছেন মেক্সিকো প্রেসিডেন্ট শেইনবাউম। একইভাবে কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিনও ট্রাম্পকে আশ্বস্ত করেছেন যে, মাদক পাচার ঠেকাতে সর্বোচ্চ পদক্ষেপ নেবেন। বেআইনীভাবে কানাডা থেকে যুক্তরাষ্ট্রে কেউ ঢুকতে পারবে না বলেও অঙ্গিকার করেছেন জাস্টিন। এরপরই ট্রাম্প তার ট্রুথ সোস্যালে উল্লেখ করেছেন, আমি খুব খুশী প্রাথমিকভাবে হলেও সীমান্ত সুরক্ষা নিয়ে একটি ফলপ্রসূ আলোচনা হওয়ায়। এজন্যে গত শনিবার শুল্ক আরোপের যে সিদ্ধান্ত দিয়েছিলাম তা ৩০ দিনের জন্যে স্থগিত করা হলো। দেখি কানাডা কতটা আন্তরিকতার সাথে ব্যাপারটি হ্যান্ডেল করে। সকলের জন্যেই ন্যায়নিষ্ঠ হবে বলে আশা করছি।

    তবে সোমবার সন্ধ্যা নাগাদ চীনের পণ্যের ওপর ১০% শুল্কারোপের ঘোষণাটি পরিবর্তন করা হয়নি। ট্রাম্প গণমাধ্যমে বলেছেন, চীনের সাথে কথা হতে পারে। আগামী ২৪ ঘন্টার মধ্যে কথা বলার সম্ভাবনা রয়েছে। তাই তৃতীয় দিন পর্যন্ত চীনের সাথে কথা বলার সম্ভাবনাটি খোলা থাকুক।
    চীন, মেক্সিকো এবং কানাডার পণ্যের ওপর অতিরিক্ত শুল্ক আরোপের সিদ্ধান্ত ঘোষণার পর পাল্টা ঘোষণা করেছিল দেশ ৩টি। তারাও যুক্তরাষ্ট্রের পণ্য তাদের দেশে রফতানির ওপর শুল্ক আরোপের কথা ভাবছিলেন। এভাবেই বাণিজ্যিক সংঘাতের আশংকা করা হচ্ছিল। নিকট প্রতিবেশী দেশের সাথে এ ধরনের সংঘাতের পরিণতি কারো জন্যে ভাল হয় না বলে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক বিশ্লেষকেরা মন্তব্য করেছিলেন। ইক্যুইপমেন্ট ম্যানুফেক্শ্চারার্স এসোসিয়েশনের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট (সরকার সম্পর্কিত) কিপ ইডিবার্গ বলেছিলেন, শুল্কারোপের ব্যাপারটি মার্কিন শিল্প কারখানায় হ-য-ব-র-ল পরিস্থিতি তৈরী করবে। কল-কারখানায় অনিশ্চয়তার ফলে উৎপাদন ব্যাহত হবে। এরচেয়ে বড় ধ্বংসাত্মক পদক্ষেপ দ্বিতীয়টি নেই। তাই অবিলম্বে আলোচনার মধ্যদিয়ে বিষয়টির সুরাহা হওয়া জরুরী বলেও ট্রাম্পের প্রতি তিনি আহবান জানিয়েছিলেন।

    মেক্সিকো এবং কানাডার সাথে শেষ মুহূর্তের এই সমঝোতায় স্বস্তি এসেছে ব্যবসায়ীদের মধ্যে এবং সাধারণ মানুষও স্বস্তিবোধ করছেন। কারণ, পাল্টাপাল্টি পদক্ষেপ গ্রহণের ঢেউ আমেরিকার গন্ডি পেরিয়ে ইউরোপেও বিস্তৃত হবার আশংকা ছিল।

     

    Facebook Comments Box
  • নিবন্ধন পেলো বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টি

    নিবন্ধন পেলো বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টি

    নতুন রাজনৈতিক দল হিসেবে নিবন্ধন পেয়েছে বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টি।

    সোমবার (৩ ফেব্রুয়ারি) সকালে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে ইসি সচিব আখতার আহমেদের কাছ থেকে দলটির চেয়ারম্যান ও জেনারেল সেক্রেটারি নিবন্ধন গ্রহণ করেন।

    পরে দলের চেয়ারম্যান আনোয়ারুল ইসলাম চান সাংবাদিকদের জানান, একাত্তরের স্বাধীনতা ও ২০২৪ এর নতুন বাংলাদেশের চেতনাকে সমন্বয় করে দেশকে এগিয়ে নিতে কাজ করবে তাদের দল। সংস্কার ও নির্বাচন দুটোই চায় দলটি। মূল সংস্কার নির্বাচিত সরকারের করা উচিত বলেও জানান তিনি।

    তিনি জানান, তিনশ’ আসনে প্রার্থী দেয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে দলটি। তবে প্রয়োজনে কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে জোটেও যেতে পারে বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টি।

    মুক্তিযুদ্ধ ও জুলাইয়ের চেতনাকে ধারণ করে রাজনীতি করার প্রত্যয়ও ব্যক্ত করেন বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টি চেয়ারম্যান আনোয়ারুল ইসলাম চান।

    এ নিয়ে ইসির নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের সংখ্যা দাঁড়ালো ৪৯ এ।

    Facebook Comments Box
  • গ্র্যামি অ্যাওয়ার্ড ২০২৫: বিজয়ী ও মনোনীতদের তালিকা

    গ্র্যামি অ্যাওয়ার্ড ২০২৫: বিজয়ী ও মনোনীতদের তালিকা

    যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেসে হয়ে গেলো ২০২৫ সালের ৬৭তম গ্র্যামি অ্যাওয়ার্ডস অনুষ্ঠান।

    ২ ফেব্রুয়ারি (রবিবার) দিবাগত রাতে পৃথিবীর অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ এই সঙ্গীত পুরস্কার অনুষ্ঠান ছিল অত্যন্ত জাঁকজমকপূর্ণ। অনুষ্ঠানে সঙ্গীত শিল্পীরা তাদের অসাধারণ অবদানের জন্য সম্মানিত হন। প্রতি বছরই গ্র্যামি অ্যাওয়ার্ড বিশ্বব্যাপী সঙ্গীতের সবথেকে বড় মঞ্চ হিসেবে বিবেচিত হয় এবং এবারের অনুষ্ঠানটি তার ব্যতিক্রম হয়নি।

    এই বছরের গ্র্যামি অ্যাওয়ার্ডের সেরা পুরস্কার, অ্যালবাম অব দ্য ইয়ার, প্রাপ্তি হয়েছে বিয়ন্সের জন্য। তার ‘কাউবয় কার্টার’ অ্যালবামটি একাধিক ক্যাটাগরিতে সাফল্য অর্জন করে এবং বিয়ন্সে তার এই অ্যালবামের জন্য ২০২৫ সালের সেরা সঙ্গীত পুরস্কার লাভ করেন। বিয়ন্সে এর এই অসাধারণ সাফল্য সঙ্গীত জগতের এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে।

    এছাড়া, বছরের সেরা গান বিভাগে সেরা নির্বাচিত হয়েছে কেন্ড্রিক লামারের “নট লাইক আস” গানটি, যা তার আলাদা সুরের জন্য প্রশংসিত হয়েছে। এই বিভাগে অন্যান্য মনোনীত গানগুলোর মধ্যে ছিল বিলি আইলিশের ‘বার্ডস অফ আ ফেদার’ এবং বিয়ন্সের ‘‘টেক্সাস হোল্ড’এম’’। সঙ্গীত শিল্পী লেডি গাগা এবং ব্রুনো মার্সও তাদের সংগীত নিয়ে মনোনয়ন পেয়েছিলেন, তবে শেষ পর্যন্ত কেন্ড্রিক লামার তার এক বিশেষ বৈশিষ্ট্যের জন্য বিজয়ী হন।

    অন্যদিকে, সেরা র‍্যাপ অ্যালবাম পুরস্কারটি লাভ করেছে দোয়েচির ‘অ্যালিগেটর বাইটস নেভার হিল’ এবং সেরা রক অ্যালবাম হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে দ্য রোলিং স্টোনসের ‘হ্যাকনি ডায়মন্ডস’। সব মিলিয়ে, গ্র্যামি অ্যাওয়ার্ড ২০২৫ ছিল এক বিশেষ মুহূর্ত, যেখানে বিশ্বজুড়ে সঙ্গীতপ্রেমীরা তাদের পছন্দের শিল্পীদের শ্রেষ্ঠত্বের স্বীকৃতি দিতে একত্রিত হয়।

    এই বছর সেরা নতুন শিল্পী হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন চ্যাপেল রোয়ান, যার গানের জগতে তার অভূতপূর্ব প্রতিভা সবার নজর কেড়েছে। সেরা পপ সোলো পারফর্মেন্স পুরস্কারটি পেয়েছেন সাব্রিনা কার্পেন্টার তার ‘এসপ্রেসো’ গানটির জন্য। তার অসাধারণ কণ্ঠ এবং সংগীতের ব্যতিক্রমী শৈলী তাকে এই সম্মানে ভূষিত করেছে।

    গ্র্যামি অ্যাওয়ার্ড, যেটি মার্কিন দ্য রেকর্ডিং অ্যাকাডেমি ১৯৫৮ সাল থেকে প্রদান করে আসছে, সঙ্গীত শিল্পের সবচেয়ে সম্মানজনক পুরস্কার হিসেবে পরিচিত। এটি প্রতিবার সঙ্গীত শিল্পে নতুন নতুন প্রতিভা ও সৃষ্টির উদযাপন করে, এবং শিল্পীদের জন্য একটি বিশেষ মর্যাদা ও খ্যাতি এনে দেয়। ২০২৫ সালের গ্র্যামি অ্যাওয়ার্ড ছিল তাই সঙ্গীতের এক মহান উৎসব, যেখানে শিল্পীরা তাদের কৃতিত্বের জন্য পুরস্কৃত হয়েছেন।

    Facebook Comments Box
  • ট্রাম্পের অভিবাসন-বিরোধী অভিযান বন্ধ দাবিতে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন সিটিতে বিক্ষোভ

    ট্রাম্পের অভিবাসন-বিরোধী অভিযান বন্ধ দাবিতে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন সিটিতে বিক্ষোভ

    অবৈধ অভিবাসী গ্রেফতারের সাড়াশি অভিযানের মধ্যেই আরো ৬ লাখের অধিক ভেনেজুয়েলার অভিবাসীকে অবিলম্বে যুক্তরাষ্ট্র ত্যাগের নির্দেশ দেয়া হলো। এরা ভেনেজুয়েলার স্বৈরশাসক মাদুলোর অত্যাচার-নির্যাতন থেকে বাঁচতে যুক্তরাষ্ট্রে এসেছিল এবং প্রেসিডেন্ট বাইডেন তাদেরকে আরো ১৮ মাস সাময়িকভাবে বসবাসের অনুমতি (টিপিএস) দিয়েছিলেন হোয়াইট হাউজ ত্যাগের প্রাক্কালে, যার মেয়াদ শেষ হবার কথা ছিল আগামী বছর সেপ্টেম্বরে। অবৈধ অভিবাসন দ্রুত হ্রাসের জন্যে ট্রাম্পের পরবর্তী টার্গেট হচ্ছে সুদান, এলসালভেদর এবং হাইতির লোকজন। আর এভাবে গোটা আমেরিকায় অস্বস্তি এবং ভীতিকর পরিস্থিতি বিরাজ করছে। এহেন অবস্থার অবসানে ২ ফেব্রুয়ারি রোববার লসএঞ্জেলেস, ডালাস, জর্জিয়া, আরকানসাস, মিজৌরি, ফ্লোরিডা, নিউইয়র্ক সিটিতে হাজার হাজার মানুষ বিক্ষোভ করেছে। ‘অভিবাসীদের রক্ত পানি করা শ্রমে গড়ে উঠা আমেরিকায় অভিবাসন-বিরোধী তৎপরতা চলবে না’ ইত্যাদি স্লোগানে প্রকম্পিত হয় রাজপথ। অভিবাসীদের অধিকার ও মর্যাদা নিয়ে লড়াইরত সংস্থাগুলো এই কর্মসূচির ডাক দেয়া সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে।

    শান্তিপূর্ণভাবে বিক্ষোভ শেষে সকলেই নিজ নিজ সিটি প্রশাসনের অফিসের সামনে জড়ো হয়ে চলমান গ্রেফতার অভিযানকে ‘অপশাসনের নামান্তর’ অভিহিত করে অবিলম্বে তা বন্ধের দাবি জানানো হয়। জানা গেছে, ২০ জানুয়ারি ক্ষমতা গ্রহনের পর থেকে ২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ৮ হাজারের অধিক অবৈধকে গ্রেফতার করেছে ট্রাম্প প্রশাসন। বেআইনীভাবে সীমান্ত অতিক্রমের সময় আরো ৬ সহস্রাধিক বিদেশীকে আটক করে ডিটেনশন সেন্টারে নেয়া হয়েছে। নির্বাচনী অঙ্গিকার অনুযায়ী প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এক কোটি ১৭ লাখ অবৈধকে গ্রেফতারের এই অভিযানে আইস (ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট) এর সাথে স্থানীয় ও কেন্দ্রীয় পুলিশকেও দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। অভিযান থেকে বাদ যাচ্ছে না স্কুল, হাসপাতাল, মসজিদ-মন্দির-চার্চ-সিনেগগ এবং আদালত পাড়াও। গ্রেফতার অভিযান পরিচালনার সময় আইডি প্রদর্শনে সক্ষম না হওয়ায় বেশ কয়েক ডজন বৈধ অভিবাসীকেও আটকের ঘটনা ঘটেছে। উল্লেখ্য, নিবাচনী প্রচারের সময় ডনাল্ড ট্রাম্প বলেছিলেন যে, কেবলমাত্র গুরুতর অপরাধীদেরকেই গ্রেফতার ও বহিষ্কার করা হবে। বাস্তবে তা নেই। আইডি দেখাতে না পারলেই গ্রেফতার করা হচ্ছে।

    বিক্ষোভকারীরা অবশ্য এখোন পর্যন্ত সিনেট অথবা হাউজের পক্ষ থেকে কোন সাপোর্ট পাননি। অধিকন্তু ডেমক্র্যাটরাও নিরবতা পালন করছেন ট্রাম্পের এই অভিযানের পরিপ্রেক্ষিতে।

    লসএঞ্জেলেস, মিশিগানের ডেট্রয়েট, পেনসিলভেনিয়ার ফিলাডেলফিয়া, নিউইয়র্কের কুইন্স, ব্রুকলীন, ব্রঙ্কস, বাফেলো, নিউজার্সির প্যাটারসন, বস্টনের ক্যাম্ব্রিজ, টেক্সাসের হিউস্টন ও ডালাস, জর্জিয়ার আটলান্টাসহ বাংলাদেশী অধ্যুষিত এলাকার ব্যবসা-বাণিজ্যে ভাটা পড়েছে। জন চলাচল কমেছে। বিশেষ করে গ্রোসারি ও রেস্টুরেন্টে বেচা-কেনা নেই বললেই চলে।

    এদিকে, যুদ্ধ-বিদ্রোহ অথবা প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত দেশের মানুষেরা নিরাপদ আশ্রয়ে সন্ধানে যুক্তরাষ্ট্রে এলে তাদেরকে সাময়িক বসবাসের অনুমতি দেয়া হয়। কংগ্রেসে পাশ হওয়া একটি বিল অনুযায়ী এই প্রোগ্রাম হচ্ছে টিপিএস (টেম্পরারি প্রটেকশন সিস্টেম)। ভেনেজুয়েলার লোকজনের জন্যে বাইডেন প্রশাসনের ইস্যুকৃত টিপিএস প্রোগ্রাম বাতিল করেছেন ট্রাম্পের হোমল্যান্ড সিকিউরিটি মন্ত্রী ক্রিস্টি নয়েম।

     

    Facebook Comments Box
  • সম্প্রীতির বন্ধন আর ধর্মীয় ঐতিহ্যে প্রজন্মকে জড়িয়ে রাখার সংকল্পে যুক্তরাষ্ট্রে সরস্বতী পূজা উদযাপিত

    সম্প্রীতির বন্ধন আর ধর্মীয় ঐতিহ্যে প্রজন্মকে জড়িয়ে রাখার সংকল্পে যুক্তরাষ্ট্রে সরস্বতী পূজা উদযাপিত

    পূজার্চনা, অঞ্জলি, হাতেখড়ি, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ইত্যাদির মধ্যদিয়ে বিপুল উৎসাহে ২ ফেব্রুয়ারি রোববার নিউইয়র্কসহ সমগ্র আমেরিকায় সরস্বতী পূজা উদযাপিত হলো। নিউইয়র্ক এবং নিউজার্সির বিভিন্ন স্থানে ২৬টিরও অধিক পূজামন্ডপে এ উপলক্ষে শিশু-কিশোর-তরুণ-তরুণীর বিপুল সমাগম ঘটেছিল। উল্লেখ্য, সনাতন হিন্দু সম্প্রদায়ের কাছে দেবী সরস্বতী হলেন জ্ঞান-বিদ্যা-সংস্কৃতি ও শুভ্রতার দেবী। তাঁর সৌম্য অবয়ব, শুভ্র বসন, হংস সম্বলিত পুস্তক ও বীণাধারিনী দেবী সনাতনী হিন্দুদের হৃদয়ে এমনভাবেই বিরাজিত। অনন্তকাল ধরে শিক্ষাকে উঁচুস্তরে আসীন করা হয়েছে সনাতন ধর্মে। ঋষিরা ব্রহ্মের অনন্তশক্তির অংশকে একেকজন দেব-দেবীরূপে কল্পনা করেছেন। ব্রহ্মের যে শক্তি বিদ্যা শিক্ষা দান করেন তাঁকে সরস্বতী দেবী জ্ঞানে পূজার্চনা করা হয়। ছাত্র ছাত্রীরা নিজ গৃহে দেবী বীনাপানির আরাধনা করেন। সেই সাথে ধর্মপ্রাণ হিন্দু পরিবারের ছেলে মেয়েদের হাতেখড়ি সহসংগীতানুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

    সরস্বতী পূজার আলোকে আবৃত্তি করছেন সুমিত্রা সেন। ছবি-এনওয়াইভয়েস২৪।

    আবহাওয়া দুর্যোগপূর্ণ হলেও নিউইয়র্কে বাংলাদেশ পূজা সমিতি, নিউইয়র্ক বাংলাদেশ বেদান্ত সোসাইটি, বাংলাদেশ পূজা উদ্্যাপন পরিষদ, ওঁমশক্তি মন্দির, বাংলাদেশ হিন্দু মন্দির, শ্রীকৃষ্ণ ভক্তসংঘ, সনাতন সেবাশ্রম ফাউন্ডেশন ইন্্ক, বীনাপানি সংঘ, আমেরিকান বাঙ্গালী হিন্দু ফাউন্ডেশন, দেবালয় মন্দির, সনাতনী গীতা সোসাইটি, রাধামাধব মন্দির, গৌরনিতাই মন্দির, মতুয়া মিশন মন্দির ও উত্তর আমেরিকা হিন্দু কল্যাণ সমিতি এবং ব্রঙ্কস পূজা কমিটি এ উপলক্ষে দিনব্যাপী নানা কর্মসূচি গ্রহণ করেছিল। অনেক উপাসনালয়ে শিশু-কিশোরদের আয়োজিত ভক্তিমূলক গান, শ্লোক, কবিতা আবৃত্তি, নৃত্য মহাসমারোহে অনুষ্ঠিত হয়।

    ধর্মীয় সম্প্রীতি জাগ্রত রাখতে নিরন্তরভাবে কাজের স্বীকৃতি হিসেবে নিউইয়র্ক সিটি মেয়রের বিশেষ সম্মাননা স্মারক বীণাপানি সংগঠনকে প্রদান করেন দিলীপ চৌহান। ছবি-এনওয়াইভয়েস২৪।

    কুইন্স প্যালেসে বীণাপানি সংগঠনের সরস্বতী পূজা উদযাপনে নিউইয়র্ক সিটি মেয়রের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ক ডেপুটি কমিশনার দিলীপ চৌহান বক্তব্যকালে বহুজাতিক এই সিটিকে আরো বর্ণময় করতে বাঙালি হিন্দু সম্প্রদায় অসাধারণ অবদান রেখে চলেছেন। তুষারপাতের মধ্যেও এ অনুষ্ঠানে ধর্মপ্রাণ মানুষের সাথে সন্তানেরাও সরব রয়েছেন-এটাই বড় গৌরব আর অহংকারের। পিতা-মাতার নিজস্ব সংস্কৃতির ফল্গুধারায় প্রজন্ম একাকার হয়ে উঠবে-এটাই সকলের প্রত্যাশা। দিলীপ চৌহান এ সময় সিটি মেয়রের ইস্যুকৃত ‘বিশেষ সম্মাননা স্মারক’ হস্তান্তর করেন বীণাপানির কর্মকর্তাগণের কাছে। এ সময় সেখানে ছিলেন নিউইয়র্ক স্টেট এ্যাসেম্বলীওম্যান জেনিফার রাজকুমারের ডেপুটি চীফ অব স্টাফ নীল ত্রিভেদি এবং মেয়রের এশিয়া বিষয়ক বিষয়ক কর্মকর্তা মিসেস শোকরান।

    আড্ডার শিক্ষার্থীরা সরস্বতী পূজামঞ্চে ‘আজ জীবন খুঁজে পাবি ছুটে ছুটে আয়’ নৃত্য পরিবেশন করে । ছবি-এনওয়াইভয়েস২৪।

    এরপর দিবসের আলোকে চমৎকার একটি গীতি-নৃত্যাল্লেখ্য পরিবেশন করেন ‘অনুপ দাশ ড্যান্স একাডেমি(আড্ডা)’র শিল্পীরা। আড্ডার প্রেসিডেন্ট আল্পনা গুহের সমন্বয়ে নৃত্য-গানের প্রাক্কালে আবৃত্তিতে অংশ নেন আড্ডার শিক্ষিকা সুমিত্রা সেন। নৃত্য পরিবেশন করে ছোট্টমনি আদ্রিকা সেন ভৌমিক, আরায়া চৌধুরী, অদ্রিশা কুন্ডু, সাবর্ণী দেবনাথ, সংযুক্তা দেবনাথ, আস্মতা দাশ, অদ্রিত্রি প্রমুখ। সঙ্গিতে আরো ছিলেন প্রবাসের জনপ্রিয় শিল্পী কৃষ্ণাতিথি। সামিয়া সুলতানার নির্দেশনায় এ পর্ব সকলের প্রশংসা কুড়িয়েছে। পূজা-অর্চনা চলাকালে আগত শতশত ভক্ত-অনুরক্তগণের মধ্যে প্রসাদ বিতরণ করা হয়। এ পর্বে হিন্দ্র-মুসলমান একাকার ছিলেন।

    নাচ-গান আর আবৃত্তিতে সকলকে মুগ্ধ করতে অনন্য ভ’মিকাপালনকারি আড্ডার শিক্ষার্থী-শিল্পীদেরকে পরিচয় করিয়ে দেন সংগঠনের প্রেসিডেন্ট আল্পনা গুহ। ছবি-এনওয়াইভয়েস২৪।

    এদিকে, আটলান্টিক সিটিতেও প্রাণের আমেজে সরস্বতী পূজা উদযাপিত হয় বলে জানা গেছে। শ্রী শ্রী গীতা সংঘের মন্দিরে বিদ্যা ও ললিতকলার অধিষ্ঠাত্রী দেবী সরস্বতীর পূজা উদযাপনের বিভিন্ন আয়োজনের মধ্যে ছিল পূজার্চনা, অঞ্জলি,হাতেখড়ি,সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ইত্যাদি। সকাল থেকেই মঙ্গলালোকে উদ্ভাসিত ধূপ-ধুনোর গন্ধে মাতোয়ারা ধরণীতে বেজে ওঠে শান্তির মোহনীয় সুর। আটলান্টিক কাউন্টিতে বসবাসরত সনাতন হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজন ওইদিন পুরোহিতের পূজার্চনা শেষে দেবী সরস্বতীর পদচরণে অঞ্জলি ও পুস্পার্ঘ অর্পণ করেন। অঞ্জলি প্রদান শেষে সমবেত ভক্তকুলের মাঝে প্রসাদ বিতরণ করা হয়। পরে সন্ধ্যায় সরস্বতী দেবীর পূজা উপলক্ষে প্রবাসে বেড়ে ওঠা প্রজন্মের অংশগ্রহণে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। সান্তনা রায় চৌধুরী ও নিবেদিতা ভট্টাচার্যের পরিচালনায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে প্রবাসে বেড়ে ওঠা প্রজন্ম সমবেত সংগীত, একক সংগীত, একক, দ্বৈত ও দলীয় নৃত্য পরিবেশন করে। তাদের মনোজ্ঞ পরিবেশনা সবাই প্রাণভরে উপভোগ করে।

    শ্রী শ্রী গীতাসঙ্ঘের সভাপতি প্রসেনজিৎ দত্ত ও সাধারণ সম্পাদক স্বরূপ দাশ সরস্বতী পূজার দিনব্যাপী কর্মসূচি সফল করায় সকলকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।

    Facebook Comments Box
  • সংখ্যালঘু স্বীকৃতি, সেপারেট ইলেক্টরেট ও সংরক্ষিত সংখ্যালঘু এলাকার দাবি

    সংখ্যালঘু স্বীকৃতি, সেপারেট ইলেক্টরেট ও সংরক্ষিত সংখ্যালঘু এলাকার দাবি

    ২৪ জানুয়ারি শুক্রবার নিউইয়র্ক সিটি সংলগ্ন লংআইল্যান্ডে ফ্লোরালপার্কের গোল্ডেন ইয়ার্স কম্যুনিটি সেন্টারে যুক্তরাষ্ট ্রহিন্দু, বৌদ্ধ, খৃষ্টান ঐক্য পরিষদের এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সংগঠনের অন্যতম সভাপতি ডা. টমাস দুলু রায়ের সভাপতিত্বে, আরেক সভাপতি ড. দ্বিজেন ভট্টাচার্যের তত্বাবধানে, এবং সাধারণ সম্পাদক বিষ্ণুগোপের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত এ সভায় সংগঠনের সদস্য, ডিরেক্টর ও কর্মকর্তাগণ ছাড়াও সমাজের অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিবর্গ মিলে আশিজনের অধিক লোক উপস্থিত ছিলেন। সভায় ৫ আগষ্ট ’২৪-এর পর থেকে বাংলাদেশে সরকারী প্রশ্রয়ে এবং কোন কোন ক্ষেত্রে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর প্রত্যক্ষ সহযোগীতায় সংঘটিত সামপ্রদায়িক সন্ত্রাস, এবং সংস্কারের নামে স্বাধীনতার মূল চেতনা ভাষা-ভিত্তিক বাঙালী জাতীয়তাবাদ ও ধর্মনিরপেক্ষতা বিরোধী অশুভ কার্যক্রম সম্পর্কে বক্তব্য পেশ করেন পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান অধ্যাপক নবেন্দু দত্ত ও সদস্য-সচিব চন্দনসেন গুপ্ত, সংগঠনের আরেক সভাপতি ড. রণবীর বড়ুয়া, ডিরেক্টর শিতাংশু গুহ, ড. দিলীপ নাথ.পরেশ সাহা,তপন সেন ,প্রদীপ মালাকার, ইউনাইটেড হিন্দুজ অফ ইউ. এস.এ.’র সভাপতি ভজন সরকার ও সাধারণ সম্পাদক রামদাস ঘরামী, বীরমুক্তিযোদ্ধা অবিনাশ আচার্য্য, রোজালিন কষ্টা, রিণা সাহা, রূপকুমার ভৌমিক, রণজিৎ রায়, অজিত চন্দ, অনুকুল অধিকারী, রণজিৎ ভাদুড়ী, রমেশ নাথ, রাখি মিত্র,পার্থ তালুকদার, কুমার বাবুল সাহা, রণজিৎ পুরকায়স্থ,পরেশ ধর, চঞ্চনা চাকমা, সুভাষ সাহা, গৌতম সরকার, মৈত্রিশর বড়ুয়া, পিয়াস দাস সুমন, সুজন রায, অমিত ঘোষ, সুকান্ত দাস টুটুল, সুমন মিত্র, রাজীব নন্দী, জলি সাহা, প্রদীপ কুন্ডু, মুনমুন সাহা, বামেশ রায়,বিকাশ বড়ুয়া, সঞ্জিত ঘোষ, ইন্দ্রজিৎ সরকার, হরিগোপাল বর্ম্মণ, আশীস কুমার পাল, সাধন দাস, গোপাল গোপ, নিতাই নাথ, প্রদীপ সূত্রধর, মোহনজী বানিয়া, মিতুল ভৌমিক, স্টিফেন মন্ডল প্রমুখ।

    দেশে তাঁদের বিপন্ন স্বজনদের মর্মস্পর্শী দু:খ-দুর্দশার করুণ বিবরণ প্রদান করতে গিয়ে বক্তাগন বলেন যে, দেশ এখন কার্যত: তারাই চালাচ্ছে যারা ১৯৭১ সালে গণহত্যা করেছিল এবং আজও সেটাকে জোর গলায় সমর্থন করে। প্রায় সবাই বলেন যে, এক্ত্তারের পরাজিত শক্তির ক্রীড়ানক ড: ইউনূস-রিয়াজ এবং ছাত্র সমন্বয়ক মাহফুজরা সংবিধানে রাষ্ট্রধর্ম-ইসলাম বহাল রেখে, ধমর্ নিরপেক্ষতা ও ভাষা-ভিত্তিক বাঙালী জাতীয়তাবাদ ছেঁটে দিয়ে বাংলাদেশকে মুসলিম বাংলায় পরিণত করতে উদ্যত। তাঁরা বলেন গত ৫ আগষ্টের পর থেকে দেশে সংখ্যালঘুদের ওপর যে বর্বর আক্রমণ অব্যাহত রয়েছে সেটা ঐ পরিকল্পনারই অংশ।

    সংগঠনের পক্ষ থেকে কয়েকজন বক্তা বলেন যে, যেহেতু কোন সরকারই কোনদিন সংখ্যালঘু নির্যাতকদের বিচার করেনি, এমনকি আওয়ামী লীগ সরকারও ২০১৮ এবং ২০২৪ সালের নির্বাচনী ইশতেহারে প্রতিশ্রুত সংখ্যালঘু সুরক্ষা আইন পাশ করেনি,তাই বাংলাদেশের ১৮ মিলিয়ন সংখ্যালঘু নাগরিকের বাঁচার একমাত্র পথ দেশে তাঁদের জন্য কয়েকটি সংরক্ষিত স্বায়ত্বশাসিত এলাকা গঠন করা এবং সেপারেট ইলেক্টরেট চালু করা যা ভারতের সংখ্যালঘু মুসলমানদেও জন্য ইংরেজ সরকার করে গিয়েছিল তারা স্রেফ সংখ্যালঘু বলে, এবং যা ১৯৫৪ সনের নির্বাচন পর্যন্ত পাকিস্তানে চালুছিল।

    সংগঠনের পক্ষ থেকে আরও বলা হয় যে, এছাড়াও একটি বিশদ সংখ্যালঘু সুরক্ষা আইন পাশ করতে হবে, যার মাধ্যমে সংখ্যালঘুদের “সংখ্যালঘু” বলে এবং অদিবাসীদের “অদিবাসী” বলে স্বীকৃতি দিতে হবে, ইসলামী ফাউন্ডেশনের আদলে হিন্দু, বৌদ্ধ, খৃষ্টান ফাউন্ডেশন, এবং একটি সংখ্যালঘু কমিশন ও মন্ত্রণালয় গঠন করতে হবে, এবং, যুক্তরাষ্ট্রের মত হেইট ক্রাইম ও স্পীচ আইন প্রতিষ্ঠা করতে হবে।

    কোনকোন বক্তা ঐক্য পরিষদ নেতৃবৃন্দকে এই মর্মে পরামর্শ দেন যে, তাঁরা যেন অবিলম্বে নোবেল কমিটিকে ড. ইউনূসের সেকুলার ডেমোক্র্যাসি বিরোধী এবং সংখ্যালঘু নির্যাতনের পক্ষে অবস্থান গ্রহণের তথ্যটি জানান। জাতিসংঘের সেক্রেটারি জেনারেলকে সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা প্রদানের জন্য বাংলাদেশে অবিলম্বে শান্তিরক্ষী বাহিনী পাঠাতে অনুরোধ জানান, এবং ওনাকে অবহিত করেন যে, বাংলাদেশের সেনাবাহিনী, বর্ডারগার্ড, এবং পুলিশ, যাদের জাতিসংঘ নিয়মিতভাবে শান্তিরক্ষী বাহিনীতে নিয়োগ করে থাকে, তাঁরা তাঁদের নিজের দেশে সাম্প্রদায়িক সন্ত্রাসীদের রুখে না দিয়ে কখনও কখনও সামপ্রদায়িক সন্ত্রাসীদের সহয়োগিতা করছে, যেমন চট্টগামের হাজারি গলিতে এবং উৎসব মন্ডল ও রবিদাসের মত সংখ্যালঘু ব্যক্তিদের লাঞ্ছনার ঘটনায়।

    এর প্রতিক্রিয়ায়, প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে জানানো হয় যে, সংখ্যালঘুদের শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ বন্ধ করে দিতে শ্রীচিন্ময় প্রভুকে কারারুদ্ধ করা, হাজারি গলিতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষীদের প্রত্যক্ষ সহযেগীতায় সংঘটিত সামপ্রদায়িক সন্ত্রাস, ক্রিসমাস-ডেতে ১৭টি খৃষ্টান বাড়ি অগ্নিসন্ত্রাসে ধ্বংস করার মত সকল খবরের সচিত্র বিবরণ যুক্তরাষ্ট্র ঐক্য পরিষদ ইউ. এন. সেক্রেটারি জেনারেল, প্রেসিডেন্ট ট্রাস্প, সেক্রেটারি মার্কো রুবিয়ো, এবং ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের অন্তর্ভুক্ত রাষ্ট্রসমূহের সংশ্লিষ্ট নেতৃবৃন্দও কর্মকর্তাদের জানিয়েছেন, এবং তৎসঙ্গে তাদের কাছে সংখ্যালঘু সুরক্ষা আইনের খসড়া বিলটিও পাঠিয়েছেন, যা ২০২৩ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দেয়া হয়েছিল।

    সংগঠনের পক্ষ থেকে সাধারণ সম্পাদক বিষ্ণুগোপ ও সভাপতি দ্বিজেন ভট্টাচার্য্য যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী বাংলাদেশী সংখ্যালঘু ব্যাক্তিদের দেশে বিপন্ন সংখ্যালঘু নাগরিকদের সাহায্যে এগিয়ে আসতে আহ্বান জানান, এবং তা’তে আগ্রহীজনদেও ৭১৮-৬৯০-৫৩১৩ বা ৬৪৬-২৫৬-৮০০৬ ফোনে যোগাযোগ করে যুক্তরাষ্ট্র ঐক্য পরিষদে সম্পৃক্ত হতে অনুরোধ জানান। এলাকার দাবি

    Facebook Comments Box
  • জানুয়ারিতে বাংলাদেশে পৌনে ২৭ হাজার কোটি টাকা র‌্যামিটেন্স প্রবাসীদের

    জানুয়ারিতে বাংলাদেশে পৌনে ২৭ হাজার কোটি টাকা র‌্যামিটেন্স প্রবাসীদের

    নতুন বছরের প্রথম মাসে (জানুয়ারি) ২১৯ কোটি (২ দশমিক ১৯ বিলিয়ন) ডলারের রেমিট্যান্স (প্রবাসী আয়) পাঠিয়েছেন বিভিন্ন দেশে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিরা। বাংলাদেশি মুদ্রায় (প্রতি ডলার ১২২ টাকা ধরে) যার পরিমাণ প্রায় পৌনে ২৭ হাজার (২৬ হাজার ৭১৮) কোটি টাকা। এ হিসাবে প্রতিদিন গড়ে এসেছে প্রায় ৮৬১ কোটি ৮৭ লাখ টাকা।

    মাসের শুরু থেকেই রেমিট্যান্স আসার গতি ভালো ছিল। এ কারণে সদ্য বিদায়ী মাস জানুয়ারিতেও দুই বিলিয়ন ডলার ছাড়ালো রেমিট্যান্স বা প্রবাসীয় আয়। এর মাধ্যমে চলতি (২০২৪-২৫) অর্থবছরের আগস্ট মাস থেকে টানা ছয় মাস দুই বিলিয়ন ডলার করে রেমিট্যান্স এসেছে দেশে।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদন সূত্রে এ তথ্য পাওয়া গেছে।

    কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য বলছে, সদ্য বিদায়ী জানুয়ারি মাসের পুরো সময়ে এসেছে প্রায় ২১৯ কোটি ডলারের রেমিট্যান্স। আলোচ্য সময়ে সরকারি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ৫১ কোটি ১১ লাখ ৩০ হাজার ডলার, বিশেষায়িত দুই ব্যাংকের মধ্যে এক ব্যাংকের (কৃষি ব্যাংক) মাধ্যমে এসেছে ১১ কোটি ৬০ লাখ ৪০ হাজার ডলার। এ সময়ে বেসরকারি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ১৫৫ কোটি ১৫ লাখ ৭০ হাজার ডলারের রেমিট্যান্স। এছাড়া বিদেশি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে প্রায় ৬৫ লাখ ডলার।
    তবে আলোচ্য সময়ে কোনো রেমিট্যান্স আসেনি এমন ব্যাংকের সংখ্যা ৮টি। এসব ব্যাংকের মধ্যে রয়েছে- রাষ্ট্রমালিকানাধীন বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক বা বিডিবিএল, বিশেষায়িত রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক। বেসরকারি ব্যাংকের মধ্যে রয়েছে- কমিউনিটি ব্যাংক, আইসিবি ইসলামী ব্যাংক এবং পদ্মা ব্যাংক। এছাড়া বিদেশি খাতের ব্যাংকের মধ্যে রয়েছে- হাবিব ব্যাংক, ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তান এবং স্টেট ব্যাংক অব ইন্ডিয়া।

    এর আগে গত ডিসেম্বর মাসে দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ ২ দশমিক ৬৪ বিলিয়ন ডলার বা ২৬৩ কোটি ৯০ লাখ ডলারের রেমিট্যান্স আসে। দেশীয় মুদ্রায় যার পরিমাণ ৩১ হাজার ৬৬৮ কোটি টাকার বেশি। একক মাস হিসেবে আগে কখনোই এত পরিমাণ রেমিট্যান্স আসেনি। এর আগে করোনাকালীন ২০২০ সালের জুলাইয়ে ২ দশমিক ৫৯ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স এসেছিল।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য বলছে, ২০২৪ সালের শেষ মাস ডিসেম্বরের পুরো সময়ে রেমিট্যান্স আসে প্রায় ২৬৪ কোটি ডলার। যা গত বছরের একই সময়ের চেয়ে ৬৪ কোটি ৮০ লাখ ডলার বেশি। গত বছরের ডিসেম্বরে এসেছিল ১৯৯ কোটি ১০ লাখ ডলার। ২০২৪ সালের জুলাই মাস বাদে বাকি ১১ মাসই দুই বিলিয়ন ডলারের বেশি রেমিট্যান্স এসেছে।

    তথ্য বলছে, চলতি ২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রথমার্ধে (জুলাই-ডিসেম্বরে) এক হাজার ৩৭৭ কোটি ৭০ লাখ ডলারের রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন বিভিন্ন দেশে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিরা। যা গত অর্থবছরের একই সময়ের চেয়ে ২৯৭ কোটি ৭০ লাখ ডলার বেশি। গত অর্থবছরের প্রথমার্ধে (জুলাই-ডিসেম্বর) রেমিট্যান্স এসেছিল এক হাজার ৮০ কোটি ডলার।

    Facebook Comments Box
  • গোপনে বাংলাদেশে ব্রিটিশ দল, নিয়ে গেছে টিউলিপ সিদ্দিকের তথ্য

    গোপনে বাংলাদেশে ব্রিটিশ দল, নিয়ে গেছে টিউলিপ সিদ্দিকের তথ্য

    সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বোনের মেয়ে ও যুক্তরাজ্যের সাবেক সিটি মিনিস্টার টিউলিপ সিদ্দিকের ব্যাপারে তথ্য নিতে বাংলাদেশে এসেছিলেন দেশটির জাতীয় অপরাধ সংস্থার (এনসিএ) কর্মকর্তারা।

    তারা বাংলাদেশের দুর্নীতি বিরোধী তদন্তকারীদের সাথে গোপন বৈঠক করেছেন। গতকাল শনিবার (১ ফেব্রুয়ারি) এই তথ্য জানায় সংবাদমাধ্যম ‘দ্য মেইল অন সানডে’।

    গত মাসে হওয়া এই বৈঠকে ব্রিটিশ দলকে বাংলাদেশের কর্মকর্তারা জানান, তারা টিউলিপের বিরুদ্ধে দুর্নীতির নতুন তথ্য যোগাড় করতে সমর্থ হয়েছেন।

    ‘দ্য মেইল অন সানডে’ জানিয়েছে, ব্রিটিশ কর্মকর্তারা এখন টিউলিপ সিদ্দিকের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট যাচাই, ইমেইলের তথ্য যাচাই এমনকি জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাকে ডাকতে পারে।

    টিউলিপ সিদ্দিক ও শেখ হাসিনা ছাড়াও তাদের পুরো পরিবারের বিরুদ্ধে পাবনার রুপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে। ২০১৩ সালে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে শেখ হাসিনা এ চুক্তি স্বাক্ষর করেন। তখন সেখানে উপস্থিত ছিলেন টিউলিপ সিদ্দিকও। বলা হচ্ছে, টিউলিপ এতে মধ্যস্থতা করে অর্থ আত্মসাৎ করেছেন।

    বাংলাদেশের একটি সূত্র সংবাদমাধ্যমটিকে জানিয়েছে, ব্রিটিশ দলটি ব্রিটেনে বাংলাদেশি কর্মকর্তাদের দ্বারা টিউলিপ সিদ্দিকের বিরুদ্ধে অভ্যন্তরীণ চুক্তির মাধ্যমে তদন্ত করার প্রস্তাব দিয়েছেন। এছাড়া তারা টিউলিপের বিরুদ্ধে হয়ত তদন্ত করতে পারে।

    টিউলিপ সিদ্দিকের বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ উঠেছে সেগুলো যদি প্রমাণিত হয় তাহলে তার ১০ বছর বা তারও বেশি সময়ের জেল হতে পারে।

    বাংলাদেশি এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানিয়েছেন, যুক্তরাজ্যের এনসিএ-এর কর্মকর্তারাই এই গোপন বৈঠকটি আয়োজনের প্রস্তাব দেয়। এরপর ঢাকাস্থ ব্রিটিশ হাইকমিশন এটি আয়োজন করে।

    এরআগেও এনসিএ-এর কর্মকর্তারা বাংলাদেশে এসেছিলেন। সেটি গত বছরের অক্টোবরে। সেবার তারা কথা দিয়ে গিয়েছিলেন, বাংলাদেশ থেকে যেসব অর্থ পাচার করা হয়েছে, সেগুলো ফেরত দিতে তারা সহায়তা করবেন। এদিকে দুর্নীতির অভিযোগের মুখে গত ১৪ জানুয়ারি মন্ত্রিত্ব ছাড়েন টিউলিপ সিদ্দিক।দ্য মেইল অন সানডে

    Facebook Comments Box
  • ৯ দিনে ৭২০০ অবৈধ অভিবাসী গ্রেফতার

    ৯ দিনে ৭২০০ অবৈধ অভিবাসী গ্রেফতার

    ৭২০০ অবৈধ অভিবাসীকে গ্রেফতার করা হয়েছে ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত ৯ দিনে। এ সময় আরো ৫৭৬৩ জনকে আটক করা হয়েছে সীমান্ত অতিক্রমের সময়। এদেরকে সামরিক বিমানে নিজ নিজ দেশে পাঠিয়ে দেয়ার কার্যক্রম পুরোদমে চলছে বলে আইস (ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এ্যানফোর্সমেন্ট) জানিয়েছে। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের নির্দেশে এই অভিযানে নিউইয়র্ক, শিকাগো, বস্টনের মত স্যাঙ্কচুয়ারি সিটিও বাদ যায়নি। এ নিয়ে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া তৈরী হলেও কার্যত: সিটি ও স্টেট প্রশাসনের পক্ষ থেকে আইসকে সহায়তাই দেয়া হচ্ছে। উল্লেখ্য, অবৈধভাবে বসবাসরতদের মধ্যে যারা গুরুতর অপরাধী তাদেরকে গ্রেফতারের এই অভিযান এখোন বিস্তৃত হয়েছে মেক্সিকো হয়ে বেআইনীভাবে সীমানা অতিক্রমকারিদের ধরপাকড়েও।

    ট্রাম্পের সীমান্ত সুরক্ষায় নিয়োজিত কর্মকর্তা টম হোম্যান শনিবার জানিয়েছেন যে, সহিংসতায় লিপ্তদেরকেই গ্রেফতারের অভিযান চলছে। সমাজের শান্তি বিনষ্টকারী হিসেবে চিহ্নিতদের রেহাই দেয়া হবে না বলে উল্লেখ করেন হোমল্যান্ড সিকিউরিটি মন্ত্রী ক্রিস্টি নইম। হত্যা, খুন, ধর্ষণ, ছিনতাই, মাদক ব্যবসায়ীরাও গ্রেফতার হচ্ছে। ইন্টারন্যাশনাল স্টুডেন্ট হিসেবে আগতরাও ধরা পড়ছেন ভিসার রীতি লংঘনের দায়ে।

    এদিকে, এই অভিযানের খেসারত দিচ্ছেন ছোট ও মাঝারি ব্যবসায়ীরা। রেস্টুরেন্ট, গ্রোসারি, ক্যান্ডি স্টোর, নিউজস্ট্যান্ড, ফুডকার্ট, খুচরা স্টোরগুলোর কর্মচারীর অধিকাংশই ছিলেন অবৈধ অভিবাসী। এরা আত্মগোপনে যাওয়ায় এসব ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পরিচালনায় সমস্যা হচ্ছে। বৈধ অভিবাসীদের নিয়োগ করলে ন্যূনতম মজুরি দিতে হয় বিধায় প্রায় সময়ই ব্যবসায়ীরা অবৈধদের নিয়োগ করে নামমাত্র মজুরি দিতেন। এরফলে লাভের অংক বাড়তো।

    চলমান অভিযানে গভীর হতাশা ব্যক্ত করেছেন ফিলাডেলফিয়া সিটির স্বর্ণালংকার ব্যবসায়ী কামরুল ইসলাম। তিনি বলেন, ট্রাম্পের এই অভিযানের কারণে সর্বত্র আতংক ছড়িয়ে পড়েছে। ক্রেতার সংকট দিনদিনও বাড়ছে। মনে হচ্ছে ভ’মিকম্পে আক্রান্ত ব্যস্ততম এলাকাগুলোও। লোক-চলাচল কমেছে। নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য-সামগ্রির গ্রাহকও ক্রমান্বয়ে হ্রাস পাচ্ছে। কেউই স্বস্তিতে নেই বলে মনে হচ্ছে।

    Facebook Comments Box
  • পেন্টাগণ থেকে ট্রাম্পের সমালোচনাকারী ৪ মিডিয়া উচ্ছেদ

    পেন্টাগণ থেকে ট্রাম্পের সমালোচনাকারী ৪ মিডিয়া উচ্ছেদ

    এফবিআই, বিচার বিভাগ, পেন্টাগণ, বেসামরিক প্রশাসনে ট্রাম্প-বিরোধী হিসেবে চিহ্নিতদের অপসারন প্রক্রিয়ার মধ্যে পেন্টাগণ থেকে নিউইয়র্ক টাইমস, এনবিসি, এনপিআর এবং পলিটিকোর অফিস সরিয়ে নেয়ার নির্দেশ জারি হয়েছে। ৩১ জানুয়ারি পেন্টাগণের এক পত্রের উদ্ধৃতি দিয়ে মুখপাত্র জন উল্লট গণমাধ্যমে বলেছেন, মিডিয়ার জন্যে পেন্টাগণে নির্দ্ধারিত জায়গা থেকে নিউইয়র্ক টাইমস, এনবিসি নিউজ, এনপিআর এবং পলিটিকো-কে ১৪ ফেব্রুয়ারির মধ্যে সরে যেতে হবে। সে স্থলে নিউইয়র্ক পোস্ট, হাফিংটন পোস্ট, ব্রিটবার্ট নিউজ এবং ওয়ান আমেরিকা নিউজের অফিস স্থাপিত হবে। উল্লেখ্য, জনপ্রিয়তা/পাঠকপ্রিয়তার নিরিখে সরে যাবার নির্দেশ জারিকারি মিডিয়ার ধারেকাছেই নেই প্রতিস্থাপিত মিডিয়াগুলো। আরো উল্লেখ্য, এক বছর অন্তর পেন্টাগণে নিয়মিতভাবে দায়িত্ব পালনকারি মিডিয়াগুলোর অফিসের স্থান পরিবর্তনের ঘটনা ঘটলেও এবারের মত পরিস্থিতি আগে কখনো হয়নি বলে গণমাধ্যম ব্যক্তিত্বরা মন্তব্য করেছেন। হোয়াইট হাউজ, স্টেট ডিপার্টমেন্ট, ক্যাপিটল হিলের মত গুরুত্বপূর্ণ স্থানে খ্যাতনামা গণমাধ্যমের অফিস রয়েছে। পেন্টাগণও তার বাইরে নয়। দ্বিতীয় মেয়াদের জন্যে বিজয়ী হবার পর থেকেই ট্রাম্প তার বিরুদ্ধচারণকারি গণমাধ্যমকে ধারে-কাছেও ঘেষতে না দেয়ার মনোভাব ব্যক্ত করে আসছিলেন। এটা হচ্ছে তারই প্রথম ধাক্কা। সামনে আরো কিছু দেখতে হবে-যা স্বাধীন সাংবাদিকতার পরিপূরক হবে না বলে মন্তব্য করেছেন শীর্ষস্থানীয় গণমাধ্যম ব্যক্তিত্বরা।

    পেন্টাগণের ঐ সার্কুলারে উল্লেখ করা হয়েছে যে, সরে যাবার নির্দেশপ্রাপ্ত মিডিয়াগুলো পেন্টাগণ প্রেস কর্পের সদস্য থাকবে এবং প্রেস ব্রিফিংয়েও যথারীতি অংশ নিতে পারবে। শুধুমাত্র তারা সার্বক্ষণিকভাবে ঐ ভবনে অবস্থানের সুযোগ হারালেন। ট্রাম্প প্রশাসনের এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে পেন্টাগণ প্রেস এসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে শনিবার বলা হয়েছে, ‘আমরা সবসময়ই নতুনদের স্বাগত জানাই এবং এখনো অভিবাদন জানাচ্ছি। তবে আমরা হতভম্ব হয়েছি যুগের পর যুগ যাবত অত্যন্ত নিষ্ঠার সাথে পেন্টাগণের সংবাদ (রিপাবলিকান ও ডেমক্র্যাট প্রশাসন) প্রকাশ ও পরিবেশনকারি সবচেয়ে জনপ্রিয় গণমাধ্যমকে অপসারণের ঘটনায়। প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের এই আদেশে উদ্ভ’ত পরিস্থিতির আলোকে আমরা প্রশাসনকে বৈঠকের আহবান জানিয়েছি এবং বৈঠক হলে তা সবিস্তারে সকলকে অবহিত করা হবে। উল্লেখ্য, প্রতিরক্ষা মন্ত্রী হিসেবে পিটে হেগসেথ সিনেট কর্তৃক অনুমোদিত হবার পরই নিউইয়র্ক টাইমসসহ বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতায় নিয়োজিত গণমাধ্যমের বিরুদ্ধে অপ্রত্যাশিত এই আদেশ জারি হলো। নিউইয়র্ক টাইমসের মুখপাত্র চার্লি স্ট্যাডল্যান্ডার এ প্রসঙ্গে বলেন, বিষয়টি উদ্বেগের বৈকি। এতদসত্বেও আমরা পেন্টাগণের যাবতীয় সংবাদ পরিপূর্ণ এবং নিরপেক্ষভাবে প্রকাশে দ্বিধা করবো না। তবে ট্রাম্প প্রশাসনের গৃহিত পদক্ষেপটি কোনভাবেই জনস্বার্থে নেয়া হয়নি। এনপিআরের মুখপাত্রী ইসাবেল লারা বলেন, পেন্টাগণে কী হচ্ছে, কী ঘটছে তা আমেরিকানদের সরাসরি অবহিত করার ক্ষেত্রে এই সিদ্ধান্ত হস্তক্ষেপের সামিল। কারণ, আমাদের টিভি ৫০টি স্টেটেই বিস্তৃত। আমরা আশা করছি পেন্টাগণে সকল মিডিয়া অবস্থানের সুযোগ অবারিত রাখা হবে জনস্বার্থে।
    পলিটিকোর সিনিয়র ব্যবস্থাপনা সম্পাদক অনিতা কুমার বলেছেন, এমন সিদ্ধান্তে আমরাও বিব্রত।

     

    Facebook Comments Box
  • আটলান্টিক সিটিতে বিএএসজের ফুড ব্যাংক

    আটলান্টিক সিটিতে বিএএসজের ফুড ব্যাংক

    নিউজার্সি স্টেটের আটলান্টিক সিটিতে বাংলাদেশ এসোসিয়েশন অব সাউথ জার্সির উদ্যোগে ‘ফুড ব্যাংক’ এর আয়োজন করা হয়। ৩০ জানুয়ারি বৃহস্পতিবার ২৭০৯, ফেয়ারমাউণ্ট এভিনিউতে অবস্থিত বাংলাদেশ কমিউনিটি সেন্টারে সকাল সাড়ে দশটা থেকে দুপুর একটা পর্যন্ত ফুড ব্যাংকের কার্যক্রমে ছিল তাজা শাকসবজি, ফলমূল, টিনজাত খাবার সহ বিভিন্ন ধরনের খাদ্য সামগ্রী বিতরণ।

    কমিউনিটি ফুড ব্যাংক অব নিউজার্সির সহায়তায় আটলান্টিক সিটির বিভিন্ন কমিউনিটির লোকজন এই ফুড ব্যাংক কার্যক্রমে অংশ নেয়।

    কমিউনিটি ব্যক্তিত্ব মোঃ আইউব, মনিরুজ্জামান মনির, বেলাল হোসেন, আবদুল জব্বার প্রমুখের সার্বিক সহযোগিতায় ফুড ব্যাংকের কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয়।

    ফুডব্যাংক পরিচালনায় বাংলাদেশ এসোসিয়েশন অব সাউথ জার্সির নেতৃবৃন্দ। ছবি-এনওয়াইভয়েস২৪।

    বাজারে দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতির সময়কালে এই ফুড ব্যাংকের কার্যক্রম কমিউনিটিতে বেশ সাড়া জাগিয়েছে। উল্লেখ্য, বাংলাদেশ এসোসিয়েশন অব সাউথ জার্সির
    মহতী কার্যক্রমের অংশ হিসাবে মাসে চার বার ফুডব্যাংক এর আয়োজন করা হয়।

    এসোসিয়েশনের সভাপতি মো: জহিরুল ইসলাম বাবুল, সাধারণ সম্পাদক মো: জাকিরুল ইসলাম খোকা ও ট্রাস্টি বোর্ড এর চেয়ারম্যান আব্দুর রফিক ফুড ব্যাংক কার্যক্রম সফল করায় সংশ্লিষ্ট সকলকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন।

    ছবির ক্যাপশন-১ ফুডব্যাংক-আটলান্টিক
    অভাবে পড়া মানুষেরা খাদ্য-সামগ্রি নিচ্ছেন বাংলাদেশ এসোসিয়েশন অব সাউথ জার্সির ফুডব্যাংক থেকে। ছবি-এনওয়াইভয়েস২৪।
    ছবির ক্যাপশন-২ ফুডব্যাংক-আটলান্টিক
    ফুডব্যাংক পরিচালনায় বাংলাদেশ এসোসিয়েশন অব সাউথ জার্সির নেতৃবৃন্দ। ছবি-এনওয়াইভয়েস২৪।

     

    Facebook Comments Box
  • আটলান্টিক সিটিতে ধর্মসভা

    আটলান্টিক সিটিতে ধর্মসভা

    নিউজার্সি স্টেটের আটলান্টিক সিটিতে ২৭ জানুয়ারি সন্ধ্যায় কৃষ্ণভক্তদের উদ্যোগে ধর্মসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ওইদিন সন্ধ্যায় আটলান্টিক সিটির ১৪১১, পেনরোজ এভিনিউর প্রার্থনা হলে অনুষ্ঠিত ধর্মসভার বিভিন্ন আয়োজনের মধ্যে ছিল হরিনাম সংকীর্তন, মালা জপ, সমবেত প্রার্থনা, ভজন, কীর্তন ইত্যাদি।

    ধর্মসভায় পশ্চিম ভার্জিনিয়াস্থ নতুন বৃন্দাবনের ব্রম্মচারি শুভানন্দ দাস উপস্থিত থেকে কৃষ্ণভক্তদের কৃতার্থ করেন। ধর্মসভায় শুভানন্দ দাস ব্রম্মচারি বলেন, ভগবানকে লাভ করতে হলে চাই আপন চিত্তশুদ্ধি। ভগবান ভজনেই চিত্তশুদ্ধি হয়ে থাকে। চিত্তশুদ্ধি ব্যতীত কখনও ভগবৎ দর্শন হয় না। আলোচকরা আরো বলেন, ধর্মচর্চা মানুষকে পরিশুদ্ধ করে এবং অন্য ধর্মের মানুষের প্রতি সহনশীল হতে শেখায়। তাছাড়া ধর্ম নৈতিক মূল্যবোধ সম্পন্ন মানুষ তৈরি করতে সহায়তা করে।

    ধর্মসভায় সম্মিলিত কন্ঠে ধ্বনিত-প্রতিধ্বনিত হতে থাকে ‘হরে কৃষ্ণ, হরে কৃষ্ণ, হরে রাম, হরে রাম’, আর তা অপূর্ব এক সুর মূর্ছনার সৃষ্টি করে।

    কৃষ্ণভক্ত সুমন মজুমদার, তৃপ্তি সরকার, দীপংকর মিত্র, গঙ্গা সাহা, সুপ্রীতি দে, প্রদীপ দে, বিউটি দাশ, মেরি দে, দীপা দে জয়া, সুনীল দাশ, ক্ষমা সরকার ,ধীমান পাল, মিনু নন্দী, সেন্টু সরকার প্রমুখ ধর্মসভার বিভিন্ন পর্বে অংশগ্রহণ করেন।

    ধর্মসভায় অংশগ্রহনকারী ভক্তবৃন্দের সম্মিলিত কোরাসে হরিনাম সংকীর্তনের সুললিত সুর, ‘হরে কৃষ্ণ, হরে কৃষ্ণ, হরে রাম, হরে রাম’ এ অদ্ভুত এক ভালো লাগায় আচ্ছন্ন হয়ে পড়ে সবার মনপ্রাণ।

    ধর্মসভা শেষে ধর্মসভায় অংশগ্রহণকারীদের মাঝে প্রসাদ বিতরণ করা হয়।

    Facebook Comments Box