৭০% আমেরিকানই খুশী নন তাদের বেতন-ভাতার ব্যাপারে। পিউ রিসার্চ সেন্টার পরিচালিত জাতীয়ভিত্তিক জরিপে এমন হতাশার চিত্র প্রকাশ পেয়েছে। বুধবার প্রকাশিত জরিপ ফলাফল অনুযায়ী, ৮০% আমেরিকান ক্ষুব্ধ প্রেসিডেন্ট বাইডেন এবং কংগ্রেসের প্রতি। করোনা থেকে জেগে উঠার পরিক্রমাতেই রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ায় মুদ্রাস্ফীতির যাঁতাকলে অতীষ্ঠ আমেরিকানরা। নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য-মূল্য বৃদ্ধির পাশাপাশি বাড়ি-ভাড়া, বিদ্যুৎ-পানি-গ্যাস-ফোন-অনলাইন বিলও বেড়েছে। অথচ গত ৮ বছরে বেতন বাড়েনি কোন পর্যায়েই। এরফলে ৫০% আমেরিকানই ইউটিলিটি বিল পরিশোধে সক্ষম হচ্ছেন না। পুষ্টিকর খাদ্যের চাহিদা পূরণেও সক্ষম হচ্ছেন না ৪০% আমেরিকান। জরিপে আরো উদঘাটিত হয়েছে যে, বেতন-ভাতা নিয়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছে মাত্র ৩০% আমেরিকান।
Blog

নিউইয়র্ক তলিয়ে যাবার ভয়ংকর চিত্র
জলবায়ু পরিবর্তণের হুমকি মোকাবেলায় যথাযথ পদক্ষেপ গৃহিত না হলে ২০৫০ সালের মধ্যে বিশ্বের রাজধানী তথা জাতিসংঘের শহর নিউইয়র্ক এবং আশেপাশের অবস্থা কেমন হবে সে আলোকে পরিবেশ-বিজ্ঞানীরা একটি মানচিত্র তৈরী করেছে এবং তা ১৪ ডিসেম্বর প্রকাশ করেছে বিশ্বখ্যাত ‘নিউজউইক’ পত্রিকা। এই ইন্টারেক্টিভ মানচিত্র অনুযায়ী জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে সমুদ্রপৃষ্টের উচ্চতা বৃদ্ধি এবং বন্যা অবিশ্বাস্যরকমভাবে বৃদ্ধির জন্যে ম্যানহাটানের অংশবিশেষ সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ হবে। এই সিটির বাইরের প্রান্তে প্লাবিত হবার আশংকা বাড়বে। ব্রুকলীন নেভি ইয়ার্ড, ইস্ট রিভার সংলগ্ন ঐতিহাসিক শিল্প-কমপ্লেক্স প্লাবিত হতে পারে। এর বাইরে নিউইয়র্ক স্টেটের সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চলের মধ্যে লং আইল্যান্ডের দক্ষিণ উপক’ল এবং পাশের দ্বীপসমূহ এবং ফ্রিপোর্ট ও আইল্যান্ড পার্ক-সহ সাফোক এবং নাসাউ কাউন্টির বিস্তীর্ণ এলাকা পানিতে তলিয়ে যাবে। সমুদ্র সৈকত গিলগো এবং জোন্সবিচ-সহ আশেপাশের বড় একটি অংশ পানির নিচে চলে যাবে। দ্বীপসমূহ অস্তিত্বহীন হয়ে পড়তে পারে। ফায়ার আইল্যান্ডও প্লাবিত থাকবে বছরের বাকিটা সময়। একইকারণে লং আইল্যান্ড এবং ব্যারিয়ার আইল্যান্ডের মধ্যে অনেক নিচু এলাকার বাসা-বাড়ী তলিয়ে যাবে অর্থাৎ সেগুলোতে বসবাস করা সম্ভব হবে না। ওয়েস্টচেস্টারের কিছু অংশও ঝুঁকিতে থাকবে।

নিউজউইকে প্রকাশিত ছবি এহেন আংশকার পরিপ্রেক্ষিতে অর্থাৎ সমুদ্রপৃষ্টের উচ্চতা এবং ঝড়-জলোচ্ছ্বাস থেকে রক্ষা করার জন্য নিউইয়র্ক সিটি বেশ কটি বৃহৎ এবং ব্যয়বহুল প্রকল্পের পরিকল্পনা নিয়েছে। সমুদ্র-দেয়াল নির্মাণের এসব প্রকল্পে প্রয়োজন হবে বিপুল অর্থ। কিন্তু ট্রাম্প প্রশাসন তা বরাদ্দে কতটা সায় দেবে তা নিয়ে রয়েছে সন্দেহ আর সংশয়। কারণ, ব্যক্তিগতভাবে ডনাল্ড ট্রাম্প জলবায়ু পরিবর্তণের কোন যুক্তিকে আমলে নেন না। এটি নাকি হাস্যকর একটি ইস্যু। যদিও জলবায়ু পরিবর্তনের অনেক প্রভাব ইতিমধ্যেই আমেরিকানদেরকেও গ্রাস করছে। আবহাওয়ার বৈপরিত্য সুধীজনকে নাড়া দিলেও ট্রাম্প তা বিশ্বাস করছেন না বলে দ্বিতীয় মেয়াদের জন্যে নির্বাচিত হবার পরও মন্তব্য করেছেন এবং এখাতে কোন অর্থ বরাদ্দে সম্মতি না দেয়ার অভিপ্রায়ও প্রকাশ করেছেন। স্মরণ করা যেতে পারে, করোনা মহামারি নিয়েও ট্রাম্পের বালখিল্যতার খেসারত দিতে হয়েছে বহু আমেরিকানের প্রাণের বিনিময়ে। ক্লাইমেট সেন্ট্রাল-এর গবেষকদের তৈরী মানচিত্রটি আমলে নিতে হাসি-তামাশা অথবা উদাসীনতার অর্থ হবে মানবতাকে বিপন্ন করার সামিল-অভিমত পরিবেশ বিজ্ঞানীদের।
Facebook Comments Box
গভীর শ্রদ্ধায় নিউইয়র্কে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালিত
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে ১৪ ডিসেম্বর শনিবার (নিউইয়র্ক সময়) প্রথম প্রহরে ‘সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট- উত্তর আমেরিকা’র বিশেষ পরিবেশনা ছিল ‘স্বাধীনতা শব্দের রণসংগীত’ শীর্ষক অনুষ্ঠান। প্রবাসে প্রগতিশীল চিন্তাচেতনায় উজ্জীবিত সংগঠনসমূহের সহযোগমূলক যৌথ অংশগ্রহণে বিশেষ এই পরিবেশনা অধ্যাপক ড. আনিসুজ্জামান, কবি শামসুর রাহমান, সব্যসাচী লেখক সৈয়দ শামসুল হক ও মুমু আনসারীর রচনার অংশবিশেষ অবলম্বনে রচিত এই পান্ডুলিপি বিনির্মাণ, পরিকল্পনা ও নির্দেশনায় ছিলেন জোটের আহবায়ক মিথুন আহমেদ। সংযুক্ত নির্দেশনায় আবির আলমগীর ও সেমন্তী ওয়াহেদ। বিভিন্ন পর্বে অংশগ্রহণ করেন আশরাফুল হাসান বুলবুল, মিনহাজ আহমেদ,পারভিন সুলতানা, সাবিনা হাই উর্বি, শামা শ্যামলিপি, মুমু আনসারী, তাহরিনা পারভিন প্রীতি, স্বাধীন মজুমদার , আবীর আলমগীর, সেমন্তী ওয়াহেদ। প্রযোজনা ব্যবস্থাপনায় ছিলেন মাহফুজা আহমেদ।

নিউইয়র্কে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসের অনুষ্ঠানে শিল্পীরা। একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে শহীদ বুদ্ধিজীবীগণের আত্মার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা এবং ঘাতকদের প্রতি ঘৃণা প্রদর্শনে এ সময় দিপ্ত প্রত্যয়ে সমস্বরে উচ্চারিত হয় ‘বাঙালি জাতির এক অবিচ্ছেদ্য অভিধান ১৯৭১। মুক্তিযুদ্ধ। জয় বাংলা। বঙ্গবন্ধু। সংবিধান। লাল সবুজের জাতীয় পতাকা। আমাদের জাতীয় সংগীত এক অবিনাশী গান আমার সোনার বাংলা, আমি তোমায় ভালোবাসি। আমাদের অস্তিত্বে গাঁথা এ এক অবিচ্ছেদ্য অনুভূতি।’
হতাশার মেঘ কেটে আবারো লাল-সবুজের পতাকা বাংলার পথে প্রান্তরে হাতে হাত রেখে মাথা উঁচু করে উড্ডীন হওয়ার প্রত্যাশায় উচ্চারণ করা হয়, ‘আমরা তো জানি আবারো হৃদয়ের সুবাতাসে মুখরিত হবে আগামীর ভোর। আমাদের মিছিলের পদশব্দ হবে ভারি। আসুন আমরা আবার সেই একাত্তরের অনুভূতিগুলোকে তরজমা করি। বিবেকের বোতামগুলো খুলে হৃদয় দিয়ে দেখি। এক কোটি শরণার্থীকে যারা দেশান্তরিত করেছিলো; ত্রিশ লক্ষ নিরস্ত্র লোককে ঠান্ডা মাথায় যারা হত্যা করেছিল, যাদের পাশবিক নির্যাতনের শিকার হয়েছিল কয়েক লক্ষ নারী; আসুন, আমরা তাদের বিরুদ্ধে সংগঠিত হই। আমরা আবারো তাদের বিরুদ্ধে ক্রুদ্ধ হই। আসুন, আমরা আবারো বজ্র হয়ে বিদ্ধ করি তাদের।’
হাড় কাঁপানো শীত উপেক্ষা করে বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার বিপুলসংখ্যক প্রবাসীর অংশগ্রহণে ১৩ ডিসেম্বর রাত ৯টায় শুরু হয়ে ১৪ ডিসেম্বর প্রথম প্রহরে শহীদ বৃদ্ধিজীবীগণের ঘাতকদের চিরতরে নির্মূলে আটলান্টিকের এপাড়েও ইস্পাতদৃঢ় ঐক্য অটুট রাখার সংকল্পে সমাপ্তি ঘটে এ উদযাপনের। এ উপলক্ষে রাজপথে চিত্রাঙ্কনের একটি পর্বও ছিল। পথচারিরা থমকে দাঁড়িয়ে তা গভীর মনোযোগের সাথে অবলোকন করেছেন।
Facebook Comments Box
রনাঙ্গনে সংবাদ সংগ্রহকালে নিহত ৬০ সাংবাদিক
টানা দ্বিতীয় বছরের মত এবারও যুদ্ধ-সংঘাতময় এলাকায় সাংবাদিক এবং গণমাধ্যম কর্মীরা চরম সংকটে রয়েছেন। চলতি বছর পেশাগত কাজ করার সময় নিহত হয়েছেন কমপক্ষে ৬৮ জন সাংবাদিক। ১২ ডিসেম্বর ইউনেস্কো জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পেশাগত দায়িত্ব পালনে গণমাধ্যম কর্মীদের নিদারুন পরিস্থিতির আলোকপাতকালে আরো জানায়, গাজার মত অঞ্চলেই নিহত হয়েছেন ৬০% এর অধিক সাংবাদিক। আর এ সংখ্যা হচ্ছে এক দশকেরও অধিক সময়ের মধ্যে সবচেয়ে বেশী।
ইউনেস্কোর মহাপরিচালক অড্রে অজ্যুলে এ প্রসঙ্গে গভীর হতাশার সাথে বলেন, দ্বন্দ্ব-সংঘাতে লিপ্ত অঞ্চলের সত্যিকারের বিশ্বাসযোগ্য তথ্য প্রচার ও প্রকাশের ব্যাপারটির ওপর নির্ভর করে সেখানকার জনদুর্ভোগ হ্রাসে জনমত সুসংগঠিত করার পরিক্রমা। আর এমন মহান একটি দায়িত্ব পালনে প্রাণ দিতে হচ্ছে সাংবাদিকদেরকে-এটা সমীচিন হতে পারে না। বিদ্যমান আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী এহেন অবস্থার অবসান এবং কর্মরত সাংবাদিকগণের নিরাপত্তায় যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণের জণ্যে রাষ্ট্রসমূহের প্রতি উদাত্ত আহবান জানাচ্ছি।
ইউনেস্কোর তথ্য অনুযায়ী রনাঙ্গনের সংবাদ সংগ্রহকালে এ বছর নিহত হন ৪২ জন সাংবাদিক। এরমধ্যে ১৮ জন ফিলিস্তিনি। এর আগে কোন বছরই একক কোন দেশের এতবেশী সাংবাদিক নিহত হবার তথ্য নেই ইউনেস্কোর কাছে। ইউক্রেন, কলম্বিয়া, ইরাক, লেবানন এবং সুদানের মত কয়েকটি দেশেও গণমাধ্যম কর্মী নিহত হয়েছেন। রাজনৈতিক ও সামাজিক অস্থিরতা বিরাজমান দেশসমূহে সাংবাদিকরা নিরাপত্তাহীনতায় ভোগছেন বলে উল্লেখ করেছে ইউনেস্কো। তবে আশার কথা হচ্ছে, যুদ্ধ-সংঘাতের সংবাদ সংগ্রহের ঝুঁকি অত্যন্ত বেশী হলেও এ বছর সাংবাদিক হত্যার ঘটনা কিছুটা হলেও কমেছে। কারণ, রাজনৈতিক অথবা গৃহ-দাঙ্গা না থাকা অঞ্চলে এ বছর মাত্র ১৬ জন সাংবাদিক/গণমাধ্যম কর্মী নিহত হয়েছেন। আগের বছরের চেয়ে তা কম। ল্যাটিন আমেরিকা এবং ক্যারিবিয়ান অঞ্চলে ২০২২ সালে ৪৩ জন সাংবাদিক খুন হয়েছিলেন। এ বছর সে সংখ্যা কমে ১২ তে নেমেছে। উল্লেখ্য, সাংবাদিকদের অধিকার ও মর্যাদা নিয়ে কর্মরত আন্তর্জাতিক কয়েকটি সংস্থার তথ্য যাচাইয়ের পর ইউনেস্কো আরো বলেছে, পেশাগত কারণেই সাংবাদিকদের প্রাণ সংহার করা হচ্ছে-তা নিশ্চিত হতে এমন প্রক্রিয়ার বিকল্প ছিল না। যদিও নিহত হবার আরো কিছু ঘটনার পর্যালোচনা এখনো শেষ হয়নি। এজন্যে উপরোক্ত তথ্যকে হান্ড্রেড পার্সেন্ট সঠিক বলে ভাববার অবকাশ নেই। ইউনেস্কো সবকিছু নিবিঢ় পর্যবেক্ষণে রেখেছে।
Facebook Comments Box
এফবিআই পরিচালক পদত্যাগ করছেন
এফবিআই পরিচালক ক্রিস্টফার এ র্যা পদত্যাগের সিদ্ধান্ত জানিয়েছেন। ডনাল্ড ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ গ্রহণের আগেই তিনি পদত্যাগ করবেন। ১১ ডিসেম্বর বুধবার অপরাহ্নে এফবিআই (ফেডারেল ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন)’র কর্মকর্তা-কর্মচারিগণের এক সমাবেশে ত্রিস্টফার বলেন, আসছে জানুয়ারি পর্যন্ত বাইডেন প্রশাসনের মেয়াদ কালিন দায়িত্ব চালিয়ে যাবার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এরপরই পদত্যাগ করবো সংস্থাটির বৃহত্তর স্বার্থে। এর মধ্যদিয়ে এফবিআই নিয়ে যে ধরনের পরিস্থিতির আশংকা করা হচ্ছে তার অবসান ঘটবে বলে মনে করছি। কারণ, আমি চাই না এফবিআইয়ের সুনাম ক্ষুন্ন করতে। উল্লেখ্য, নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ইতিমধ্যেই জানিয়েছেন যে, ক্রিস্টফারের স্থলে নতুন পরিচালক নিয়োগ নেবেন । ক্যাশ পাটেল নামক এক ব্যক্তির নাম প্রকাশ করেছেন। ক্যাশ পাটেল হলেন ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ অনুসারী। এটি জেনেই মেয়াদ শেষ না হলেও পদত্যাগের সিদ্ধান্ত জানালেন ক্রিস্টফার। ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদে ১০ বছরের জন্যে নিযুক্ত হয়েছিলেন ক্রিস্টফার।
দীর্ঘ ৮ বছর চাকরির অভিজ্ঞতা প্রসঙ্গে ক্রিস্টফার বলেন, কঠিন সময় পার করেছি। অতটা সহজ ছিল না সংস্থাটিকে সুপথে পরিচালনায়। আমি এফবিআই অফিসকে অনেক ভালবাসি। এফবিআইয়ের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য আমাকে অভিভ’ত করেছে। এরপর উপস্থিত সকলে দাঁড়িয়ে বিপুল করতালিতে তার প্রতি শ্রদ্ধা জানান। কেউ কেউ অশ্রুসিক্ত হয়ে পড়েন।
ক্রিস্টফার র্যা-কে কঠিন পরিস্থিতি মোকাবেলা করতে হয়। বিশেষ করে ২০২১ সালের ৬ জানুয়ারি ক্যাপিটল হিলে জঙ্গি হামলার তদন্ত, হোয়াইট হাউজ থেকে বিদায় নেয়ার সময় ট্রাম্প অনেক গুরুত্বপূর্ণ নথি নিয়েছিলেন ফ্লোরিডার মারে লাগো ভবনে। সেগুলো উদ্ধারের ঘটনায় ক্ষেপে রয়েছেন ট্রাম্প। এছাড়াও নিউইয়র্ক, জর্জিয়া, আটলান্টায় ট্রাম্পের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মামলার তদন্তে নেতৃত্ব দেয় এফবিআই। এ নিয়েও মহাক্ষ্যাপা ট্রাম্প। সর্বোপরি গত নির্বাচনী সমাবেশে ট্রাম্পকে দু’দফা হত্যার চেষ্টা করা হয়। সে ঘটনা নিয়েও ট্রাম্প মনে করছেন যে, তার নিরাপত্তায় এফবিআই যথাযথ পদক্ষেপ নিতে চরম ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে।
Facebook Comments Box
Bangladesh, India exchange delegations marking Victory Day
Eight valiant freedom fighters and two serving officers of Bangladesh Armed Forces arrived in India on Sunday to participate in Biijoy Dibas (Victory Day) celebrations at Kolkata, marking the 53rd anniversary of Bangladesh’s Liberation War.
Similarly, eight Indian War veterans and two serving officers of Indian Armed Forces reached Dhaka to participate in Bangladesh’s Victory Day celebrations.
To commemorate the Liberation War of 1971, Bangladesh and India invite each other’s war veterans and serving officers to participate annually in each other’s Victory Day celebrations.
These bilateral visits provide a platform for Bangladeshi freedom fighters and Indian war veterans to celebrate the unique friendship of the two countries and to renew memories of the Liberation War, which epitomises the shared sacrifices of the armed forces of India and Bangladesh for the cause of Bangladesh’s freedom from occupation, oppression and mass atrocities.
Facebook Comments Box
শেষ রাতে পুলিশি টহল বাড়াতে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার নির্দেশ
ঢাকা শহরে ছিনতাই ঠেকাতে শেষ রাতে পুলিশি টহল বাড়াতে নির্দেশ দিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লে. জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।
রবিবার (১৫ ডিসেম্বর) সচিবালয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে বৈঠক শেষে তিনি এ নির্দেশ দিয়েছেন।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, ‘ডিসেম্বরের দিবসগুলো ও ইজতেমা নিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও উন্নত করতে হবে। তবে দিবসগুলোকে কেন্দ্র করে কোনো নাশকতার আশঙ্কা নেই।’
জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ঢাকা শহরে ছিনতাই বেড়ে গেছে। বিশেষ করে শেষ রাতে বেশি হচ্ছে। শেষ রাতের দিকে পুলিশের টহল বাড়াতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
একই বৈঠকে ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজিব ভূঁইয়া বলেন, ‘সারা দেশে গ্রেফতার অভিযান চালানো হচ্ছে এবং সেটা অব্যাহত থাকবে। ফ্যাসিস্ট সরকারের যারা আছে, মিছিল করছে, দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে; এবং যাদের নামে মামলা আছে তাদের গ্রেফতার করা হবে। কোনো বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে চাইলে প্রতিহত করবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।’
Facebook Comments Box
বাংলাদেশের সন্ত্রাসবাদ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের রিপোর্ট প্রকাশ
বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ২০২৩ সালে ‘সন্ত্রাসী’ কার্যক্রম নিয়ে বার্ষিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে মার্কিন পররাষ্ট্র দফতর। প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২৩ সালে বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসী হামলার কোনও ঘটনা ঘটেনি। তবে আওয়ামী লীগ সরকার প্রায়ই রাজনৈতিক বিরোধীদের কার্যক্রমকে সন্ত্রাসবাদের সঙ্গে মিলিয়ে প্রচার করেছে।
এছাড়া প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, বাংলাদেশের বিভিন্ন নিরাপত্তা বাহিনীর একটা অংশের বিরুদ্ধে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ আছে।
এতে আরও বলা হয়, বাংলাদেশের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী অবশ্য জঙ্গিদের, বিশেষ করে আনসারুল্লাহ বাংলা টিম (আল-কায়েদার সহযোগী গোষ্ঠী) এবং নব্য জেএমবির (আইএসআইএসের সহযোগী গোষ্ঠী) বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে ছিল।
প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২৩ সালে পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলের সশস্ত্র গোষ্ঠী কুকি-চিন ন্যাশনাল ফ্রন্টের (কেএনএফ) হামলায় তিন সেনা নিহত হন।
অন্যদিকে বাংলাদেশে অনলাইনে উগ্রবাদ উদ্বেগের বিষয় বলেও উল্লেখ করা হয়। ডিসেম্বরে নিষিদ্ধ গোষ্ঠী হিযবুত তাহরীরের দুই সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে অনলাইন সম্মেলনের অভিযোগ ছিল।
২০২৩ সালে বাংলাদেশ সরকার বিতর্কিত ২০১৮ সালের ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন সংশোধন করে সাইবার নিরাপত্তা আইন করে, যার মাধ্যমে অনলাইনে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ঠেকাতে পুলিশ কিছুটা এগিয়ে থাকে বলেও মার্কিন পররাষ্ট্র দফতরের প্রতিবেদনে জানানো হয়। সূত্র: মার্কিন পররাষ্ট্র দফতর হতে প্রকাশিত রিপোর্ট
Facebook Comments Box
ব্যবসায়ীদের জন্য প্রণোদনা কমবে আগামী বাজেটে : অর্থ উপদেষ্টা
আগামী অর্থবছরের (২০২৫-২৬) বাজেটে ব্যবসায়ীদের জন্য প্রণোদনা কমানো হবে জানিয়ে অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেছেন, ‘যৌক্তিক কর ব্যবসায়ীদেরও দিতে হবে। সারা জীবন প্রণোদনা দেয়া সম্ভব না। আগামী অর্থবছরের বাজেটে প্রণোদনা কমানো হবে।’
রবিবার রাজধানীর গুলশানের একটি অভিজাত হোটেলে ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস ফোরাম অব বাংলাদেশের (আইবিএফবি) বার্ষিক সম্মেলন তিনি একথা বলেন।
অর্থ উপদেষ্টা বলেন, ‘চুরি-দুর্নীতি অনেক দেশেই হয়, কিন্তু বাংলাদেশের মতো দুর্নীতি সচরাচর দেখা যায় না। কর কমানো হলেও নিত্যপণ্যের বাজারে দাম কমছে না। চাঁদাবাজির হাত পরিবর্তন হয়েছে, বন্ধ হয়নি।’
এসময় পুঁজিবাজার কারসাজির জন্য বাংলাদেশের অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসানকে আরও দুই বছর আগেই জরিমানা করা উচিত ছিল বলেও মন্তব্য করেন অর্থ উপদেষ্টা।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অর্থনীতিবিদ দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য। তিনি বলেন, ‘অর্থনৈতিক এবং আইনশৃঙ্খলায় দ্রুত স্বস্তি না দিতে পারলে সংস্কারের জন্য মানুষের ধৈর্য থাকবে না। মধ্যমেয়াদি সমন্বিত পদক্ষেপ দরকার।’
ড. দেবপ্রিয় আরও বলেন, ‘গত ১৫ বছরে শেখ হাসিনা সরকারের আমলে বেসরকারি খাতে যেমন বিনিয়োগ বাড়েনি, তেমনি বিদেশি বিনিয়োগও বাড়েনি।’
তিনি বলেন, ‘সব সংস্কারের আগে অর্থনৈতিক সংস্কার কতটা স্বল্প সময়ে করা যায়, তা ভাবা বেশি জরুরি। রাজনীতির পথরেখাকে কতটা সুগম করতে পারব, তার পুরোটা নির্ভর করবে কতটা অর্থনৈতিক স্বস্তি দেয়া হচ্ছে, তার ওপর।’
Facebook Comments Box
ঢাকায় পৌঁছেছেন পূর্ব তিমুরের প্রেসিডেন্ট রামোস হোর্তা
চার দিনের সফরে ঢাকায় এসেছেন পূর্ব তিমুরের প্রেসিডেন্ট জোসে রামোস হোর্তা। শনিবার (১৪ ডিসেম্বর) রাত সাড়ে ১০টার পর সিঙ্গাপুর এয়ারলাইন্সের একটি বিশেষ ফ্লাইটে ঢাকায় এসে পৌঁছান তিনি।
ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হোর্তাকে স্বাগত জানান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। বিমানবন্দরে পূর্ব তিমুরের প্রেসিডেন্টকে লাল গালিচা অভ্যর্থনা দেওয়া হয়।
প্রধান উপদেষ্টার সিনিয়র সহকারী প্রেস সচিব ফয়েজ আহম্মদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসের আমন্ত্রণে সরকারি সফরে ঢাকায় এসেছেন তিনি। বাংলাদেশে দেশটির রাষ্ট্রপ্রধান পর্যায়ে এটি প্রথম সরকারি সফর।
এর আগে, বৃহস্পতিবার (১২ ডিসেম্বর) রামোস হোর্তার সফর উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে পররাষ্ট্র সচিব মো. জসীম উদ্দিন বলেন, এই সরকারি সফরে রামোস হোর্তা বাংলাদেশের বিজয় দিবস উদযাপন অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন বলে আশা করা যাচ্ছে। পূর্ব তিমুরের প্রেসিডেন্টের নেতৃত্বে উচ্চ পর্যায়ের ১৯ সদস্যের প্রতিনিধিদলে দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী, রাষ্ট্রপতির মুখ্য উপদেষ্টাসহ সরকারী কর্মকর্তারা অন্তর্ভুক্ত থাকবেন।
স্বাধীনতা লাভের পরপর ২০০২ সালের ৭ জুন বাংলাদেশ পূর্ব তিমুরকে স্বীকৃতি প্রদান করে, যার মধ্য দিয়ে দু’দেশের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপিত হয়। দেশটির স্বাধীনতা অর্জনের পর বাংলাদেশের শান্তিরক্ষী বাহিনী যুদ্ধ বিধ্বস্ত দেশটিতে শান্তি এবং স্থিতিশীলতা আনতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। দেশটির জনগণ আজও বাংলাদেশ শান্তিরক্ষী বাহিনীর প্রতি কৃতজ্ঞতা স্বীকার করে বলে পররাষ্ট্র সচিব জানান।
পররাষ্ট্র সচিব জানান, তিমুর লেস্তের রাষ্ট্রপতির এই সরকারি সফরে বিভিন্ন ক্ষেত্রে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতার বিষয়ে আলোচনার পাশাপাশি একটি দ্বিপাক্ষিক চুক্তি ও একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। যেসব বিষয়ে চুক্তি হতে পারে সেগুলো হচ্ছে— (ক) অফিসিয়াল এবং কূটনৈতিক পাসপোর্টধারীদের জন্য পারস্পরিক ভিসা অব্যাহতি চুক্তি এবং (খ) দুই দেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক পরামর্শমূলক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা বিষয়ক সমঝোতা স্মারক। এই সফরকালে বাংলাদেশে পূর্ব তিমুরে অনারারি কনস্যুলেট খোলার বিষয়েও ঘোষণা আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।
Facebook Comments Box
ঘন কুয়াশায় শরীয়তপুর-চাঁদপুর নৌরুটে ফেরি চলাচল বন্ধ
শুক্রবার (১৩ ডিসেম্বর) রাত ১১টা ২০মিনিট থেকে নৌপথের দুর্ঘটনা এড়াতে ফেরি চলাচল বন্ধ করে দিয়েছে নরসিংহপুর বিআইডব্লিউটিসি ঘাট কর্তৃপক্ষ।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ পরিবহন কর্পোরেশন (বিআইডব্লিউটিসি) নরসিংহপুর ফেরিঘাটের সহ-ব্যবস্থাপক মো. ইকবাল হোসেন।
Facebook Comments Box
বিজয় দিবস কাপ গলফ টুর্নামেন্টের পুরস্কার বিতরণ করলেন সেনাপ্রধান
ঢাকা সেনানিবাসে ‘১০ম ঢাকা ব্যাংক বিজয় দিবস কাপ গলফ টুর্নামেন্ট-২০২৪’ এর সমাপনী অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শুক্রবার আর্মি গলফ ক্লাবে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে টুর্নামেন্টে বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান।
পুরস্কার বিতরণ শেষে সেনাপ্রধান তার মূল্যবান বক্তব্য রাখেন। সেনাপ্রধান এ ধরনের প্রতিযোগিতার আয়োজন দেশের গলফ অঙ্গনের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন এবং এই আয়োজনের জন্য সংশ্লিষ্টদের ধন্যবাদ জানান।
টুর্নামেন্টে মোট ৭৮৮ জন গলফার অংশ নেন। এতে মেজর জেনারেল মো. মাসুদ রাজ্জাক (অব.) চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করেন।
এছাড়া, ভেটেরান বিভাগে গ্রুপ ক্যাপ্টেন এআইএম শাহানুল ইসলাম (অব.), সিনিয়র বিভাগে কর্নেল নুরুছছামা (অব.), নারী বিভাগে মিসেস মৌসুমি আনাম এবং জুনিয়র বিভাগে মাস্টার খান ফাহান আহমেদ বিজয়ী হওয়ার কৃতিত্ব অর্জন করেন।
সমাপনী অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, আর্মি গলফ ক্লাবের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা, টুর্নামেন্ট কমিটির চেয়ারম্যান, কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য ও অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিসহ খেলোয়াড়রা উপস্থিত ছিলেন।
Facebook Comments Box
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস আজ
আজ ১৪ ডিসেম্বর শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস। পৃথিবীর ইতিহাসের এক কালো অধ্যায়। জাতি যখন বিজয়ের খুব কাছে, সেই সময় দেশের শ্রেষ্ঠ সন্তানদের ধরে ধরে হত্যা করে পাকিস্তানি বাহিনীর সহযোগিতায় রাজাকার, আলবদর, আলশামস বাহিনী। আজকের দিনটিতে ইতিহাসের জঘন্যতম হত্যাকাণ্ড চালায় পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী।
১৯৭১ সালে যখন মুক্তিযুদ্ধ চলছিল, তখন বাঙালি বুদ্ধিজীবী হত্যা ছিল নৃশংসতম ও বর্বরোচিত হত্যাযজ্ঞ। মহান মুক্তিযুদ্ধে পরাজয় নিশ্চিত জেনে বাঙালি জাতিকে মেধাশূন্য করার ঘৃণ্য চক্রান্ত করে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী। বাঙালি শিক্ষাবিদ, সাংবাদিক, সাহিত্যিক, চিকিৎসক, বিজ্ঞানী, আইনজীবী, শিল্পী, দার্শনিক ও রাজনৈতিক চিন্তাবিদরা এই সুপরিকল্পিত হত্যাযজ্ঞের শিকার হন।
মুক্তিযুদ্ধের চূড়ান্ত বিজয়ের পর রাজধানীর রায়েরবাজার ইটখোলা ও মিরপুরের বধ্যভূমিসহ ঢাকা এবং দেশের বিভিন্ন স্থানে বুদ্ধিজীবীদের চোখ-হাত বাঁধা ক্ষতবিক্ষত মৃতদেহ পাওয়া যায়।
বছর ঘুরে আবারও এসেছে ১৪ ডিসেম্বর, শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস। নানা অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে জাতি আজ স্মরণ করবে একাত্তরে অকালে প্রাণ হারানো জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের। বুদ্ধিজীবী হত্যার ঠিক দু-দিন পর ১৬ ডিসেম্বর জেনারেল নিয়াজির নেতৃত্বাধীন বর্বর পাকিস্তানি বাহিনী আত্মসমর্পণ করে এবং স্বাধীন দেশ হিসেবে বাংলাদেশের অভ্যুদয় ঘটে।
যথাযোগ্য মর্যাদায় শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালনের লক্ষ্যে সরকারিভাবে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। এছাড়া, দিবসটি উপলক্ষ্যে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনও। সকাল ৭টা ৫ মিনিটে রাষ্ট্রপতি ও ৭টা ৬ মিনিটে প্রধান উপদেষ্টা মিরপুর শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করবেন।
এ সময় তারা জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধার অংশ হিসেবে সেখানে নীরবে কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকবেন। এ সময় বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর একটি চৌকস দল রাষ্ট্রপতি ও প্রধান উপদেষ্টাকে রাষ্ট্রীয় স্যালুট প্রদান করবেন।
মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক উপদেষ্টার নেতৃত্বে শহীদ বুদ্ধিজীবী পরিবারের সদস্যরা এবং যুদ্ধাহত ও উপস্থিত বীর মুক্তিযোদ্ধারা একই দিনে সকাল ৭টা ২২ মিনিটে মিরপুর বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে এবং সকাল সাড়ে ৮টায় রায়ের বাজার বধ্যভূমি স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণের মধ্যদিয়ে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাবেন। এছাড়া, সকাল সাড়ে ৮টা থেকে স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করবেন সর্বস্তরের জনগণ বুদ্ধিজীবী।
দিবসটি উপলক্ষ্যে পৃথক বাণী দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। দিবসটি উপলক্ষ্যে বিভিন্ন জাতীয় দৈনিক পত্রিকা আজ বিশেষ ক্রোড়পত্র প্রকাশ করেছে। বাংলাদেশ বেতার, বাংলাদেশ টেলিভিশনসহ অন্যান্য বেসরকারি টিভি চ্যানেল দিবসটির তাৎপর্য তুলে ধরে বিশেষ অনুষ্ঠান সম্প্রচার করবে। দেশের সকল জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে। দিবসটি উপলক্ষ্যে মসজিদ, মন্দির, গির্জা, প্যাগোডা ও অন্যান্য উপাসনালয়ে বিশেষ মোনাজাত ও প্রার্থনা করা হবে।
Facebook Comments Box
ফ্রান্সের নতুন প্রধানমন্ত্রী ফ্রাঙ্কোইস বায়রো
ফ্রান্সে রাজনৈতিক অস্থিরতার অবসানে প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ মধ্যপন্থি নেতা ফ্রাঙ্কোইস বায়রোকে নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন। বায়রো ১৩ ডিসেম্বর দায়িত্ব গ্রহণ করেন। এর আগে, অনাস্থা ভোটে মিশেল বার্নিয়ের ক্ষমতাচ্যুতি দেশটিকে সংকটে ফেলে।
বায়রো মোডেম পার্টির নেতা এবং দক্ষিণ-পশ্চিম ফ্রান্সের মেয়র। ম্যাক্রোঁর সাথে দীর্ঘ আলোচনা শেষে তার নিয়োগ চূড়ান্ত হয়। বার্নিয়ের সরকার বাজেট পাসে বিশেষ ক্ষমতা প্রয়োগ করায় চাপের মুখে পড়ে। বায়রোর প্রধান চ্যালেঞ্জ হবে পার্লামেন্টের সমর্থন আদায় করে একটি গ্রহণযোগ্য বাজেট প্রণয়ন করা।
প্রেসিডেন্ট ম্যাক্রোঁ তার প্রেসিডেন্টের মেয়াদের মাঝামাঝি সময় পার করছেন। তার নিয়োগ করা বায়রো হবেন এ বছরের চতুর্থ প্রধানমন্ত্রী। বিবিসি জানায়, ম্যাক্রোঁর মিত্র বায়রো দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের মেয়র এবং মোডেম পার্টির নেতা। নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসাবে তার নাম ঘোষণার আগে দুইজনের মধ্যে দুই ঘণ্টা আলোচনা হয়েছে।
এলিসি প্রাসাদের ম্যাক্রোঁর সঙ্গে আলোচনা হওয়ার পরই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়। ম্যাক্রোঁ বৃহস্পতিবারেই (১২ ডিসেম্বর) নতুন প্রধানমন্ত্রীর নাম ঘোষণা করবেন বলে আশা করা হয়েছিল। কিন্তু পরে তিনি তা পিছিয়ে শুক্রবার (১৩ ডিসেম্বর) নাম ঘোষণা করলেন।
ফ্রান্সে প্রস্তাবিত বাজেট নিয়ে ক্ষোভের কারণে ৫৩ শতাংশ মানুষ সকারের পতন চাওয়ার সময়টিতেই সাবেক প্রধানমন্ত্রী মিশেল বার্নিয়ে বিশেষ ক্ষমতাবলে পার্লামেন্টে এমপি’দের ভোট ছাড়াই পাস করিয়ে নিয়েছিলেন তার বাজেট বিল। এর মধ্য দিয়ে বার্নিয়ে তার সরকারের অনাস্থা ভোটের মুখে পড়ার ঝুঁকি নিয়েছিলেন এবং শেষ পর্যন্ত তিনি ক্ষমতা হারান। নতুন প্রধানমন্ত্রীকে এখন পার্লামেন্টে পাসের জন্য একটি বাজেট তৈরির তাৎক্ষণিক চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হবে।
Facebook Comments Box
















