Blog

  • ঘুষ-দুর্নীতি হচ্ছে বাংলাদেশের জন্যে সবসময়ের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ

    ঘুষ-দুর্নীতি হচ্ছে বাংলাদেশের জন্যে সবসময়ের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ

    যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়া স্টেটের সিনেটর (ডেমক্র্যাট) শেখ রহমান বললেন, ‘ঘুষ-দুর্নীতি হচ্ছে বাংলাদেশের জন্যে সব সময়ের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। তা সর্বগ্রাসী হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। এত্থেকে মুক্তির বিকল্প নেই। আশা করছি নোবেল পুরস্কার বিজয়ী অধ্যাপক ইউনূসের মতো একজন ভালো মানুষের নেতৃত্বে দুর্নীতি সমূলে নির্মূল হয়ে যাবে। এক্ষেত্রে কার্যকর ভ’মিকা রাখতে পারে দুর্নীতিবাজদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ম্ধ্যামে।’ সিনেটর রহমান উল্লেখ করেন, ক্রিমিনালরা যাতে ক্ষমতায় আসতে না পারে সে ব্যাপারে জনগণতে সচেতন হতে হবে। ভোটারগণেরও দায়িত্ব রয়েছে ভালো মানুষকে পার্লামেন্টে পাঠানোর ক্ষেত্রে। এ ব্যাপারে সকলের জন্মভ’মির প্রতি অকৃত্রিম ভালোবাসা থাকতে হবে। রাজনৈতিক দল নয়, ভালো একজন মানুষকে নির্বাচিত করার জন্যে সাহসী হতে হবে। আর এজন্যে সামনের ৫০ বছর পর্যন্ত কেয়ারটেকার সরকার বহালের উপযোগী সংস্কার করতে হবে। দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনের ব্যবস্থা চালু থাকলে কখনোই প্রত্যাশিত নির্বাচন সম্ভব হবে না বলেও মন্তব্য করেন ঝানু রাজনীতিক শেখ রহমান।

    জর্জিয়া সিনেট ডিস্ট্রিক্ট-৫ থেকে চতুর্থ মেয়াদের জন্যে নির্বাচিত সিনেটর শেখ রহমান ২০ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় বাংলাদেশ প্রতিদিনকে প্রদত্ত একান্ত সাক্ষাৎকারে প্রিয় মাতৃভ’মির কল্যাণে বিগত দিনের মত সামনের দিনগুলোতেও সাধ্যমত কাজের সংকল্প ব্যক্ত করলেন। কিশোরগঞ্জের সন্তান শেখ রহমান বলেন, মার্কিন রাজনীতির শীর্ষ কর্মকর্তা এবং প্রশাসনের উর্দ্ধতন কর্মকর্তাগণের সাথে বিদ্যমান সম্পর্ককে সবসময়ই প্রিয় মাতৃভ’মির কল্যাণে ব্যবহার করে আসছি। এজন্যে আমি কখনোই ঢাকঢোল পিটাইনি। জন্মভ’মির প্রতি দায়বদ্ধতা থেকেই কাজের চেষ্টা করি।’

    জর্জিয়া স্টেট পার্লামেন্টে প্রথম মুসলমান এবং প্রথম বাংলাদেশী আমেরিকান হিসেবে নির্বাচিত সিনেটর শেখ রহমান বলেন, মাঝেমধ্যেই বাংলাদেশে বেড়াতে চাই। আত্মীয়-স্বজনেরা আছেন। একটি বিষয় আমাকে সবসময় ব্যথিত করে। আর তা হচ্ছে মামলার নামে পুলিশের ঘুষ বাণিজ্য। বিচার বিভাগের লোকজনও ঘুষ-দুর্নীতিতে নিমজ্জিত ছিল বহু বছর ধরে। শেখ রহমান উল্লেখ করেন, বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের লোকজনকে ভালোই মনে হচ্ছে। অনেকের সাথে আমিও আশাবাদি যে, প্রশাসনিক দুর্নীতির সাথে পুলিশের দুর্নীতিও কমাতে তারা প্রশংসনীয় ভ’মিকা পালনে সক্ষম হবেন।

    লক্ষাধিক ভোটারের মধ্যে বাংলাদেশী আমেরিকানের সংখ্যা কোনভাবেই ৭ শতজনের বেশী নয়। আর দক্ষিণ এশিয়ান আমেরিকান ভোটারের সংখ্যাও দুই হাজারের নীচে। এমনি অবস্থায়ও রিপাবলিকান পার্টির প্রার্থীর চেয়ে দ্বিগুণ ভোটে বারবার কীভাবে বিজয়ী হচ্ছেন-এমন প্রশ্নের জবাবে মৃদু হেসে সিনেটর শেখ রহমান বললেন, আমি এলাকার সবার জন্যে কাজ করি। সকল ভাষা, বর্ণ অথবা গোত্রের মানুষের প্রয়োজনে আমাকে তারা কাছে পান। দু:খ-দুর্দশায় অকৃপণভাবে আমি পাশে থাকি। এটাই আমার বিজয়ের মূল রহস্য। বিশেষ কোন গোষ্ঠি নয়, এমনকি অন্য দলের লোকজনকেও আমি সহযোগিতা দিয়ে আসছি। এজন্যে সকলেই আমাকে আপণ ভাবে এবং ভোটের সময় সমর্থন দেন। জর্জিয়া পার্লামেন্টে একমাত্র মুসলমান, একমাত্র বাদামি হিসেবে নানা ইস্যুতে কাজের সময় কী বৈরী পরিস্থিতির ভিকটিম হোন? জবাবে শেখ রহমান বলেন, কখনোই তা মনে হয়নি। অধিকন্তু অন্য সকলেই আমার ইস্যুকে সমানভাবে গুরুত্ব দিয়ে ভোটেও পাশ করিয়েছেন। সিনেটর শেখ রহমান বললেন, আমি পরিবেশ, শিক্ষা, আর্থ-সামাজিক অবকাঠামোকে সবসময় প্রাধান্য দিয়ে আসছি। স্কুল-কলেজের শিক্ষার পরিবেশ ও মানোন্ন্নয়নেও কাজ করছি। এসব সর্বজনীন বিধায়, সচেতন ভোটারের বড় একটি অংশ আমাকে অকুন্ঠ সমর্থন দিয়ে আসছেন।

    ১৯৮১ সালে জর্জিয়ার লরেন্সভিলেতে বসতি গড়ার পরই সেন্ট্রাল পাইডমন্ট কম্যুনিটি কলেজে ভর্তি হন। অধ্যয়ন অব্যাহত রাখতে তাকে অডজব করতে হয়েছে। তবুও হাল ছাড়েনি আমেরিকান স্বপ্ন পূরণের ক্ষেত্রে। অর্থনীতি এবং গ্লোবাল স্টাডিজে ১৯৯৫ সালে ইউনিভার্সিটি অব জর্জিয়া থেকে ব্যাচেলর করার পর পিজ্জা হাটের মত কর্পোরেশনের নির্ব্হাী অফিসার হিসেবে চাকরি করেছেন শেখ রহমান (৬৪)। সে সময়েই মানবতার কল্যাণে নিজেকে নিয়োজিত করেন। ন্যাশনাল অ্যাকশন সেন্টার, এনএএসিপি, আমেরিকান সিভিল লিবার্টিজ ইউনিয়নের সাথেও ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করেছেন শেখ রহমান। এছাড়া আমেরিকায় বাংলাদেশী তথা দক্ষিণ এশিয়ান শ্রমিকদের অধিকার ও মর্যাদা নিয়ে কর্মরত ‘অ্যাসাল’ (এলায়েন্স অব সাউথ এশিয়ান আমেরিকান লেবার)রও জাতীয় উপদেষ্টা হিসেবে অধিষ্ঠিত রয়েছেন। স্ত্রী এবং একপুত্র ও এক কন্যাকে নিয়ে জর্জিয়ার আটলান্টায় বসবাসরত সিনেটর শেখ রহমান অ্যাসালের কর্মকান্ডের প্রশংসা করে বললেন, সময়ের ব্যবধানে এটি সারা আমেরিকায় বিস্তৃত হয়েছে। মূলধারার রাজনীতিতে সম্পর্ক জোরদারের মাধ্যমে বিভিন্ন স্টেট ও সিটিতে কম্যুনিটির প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিতেও অ্যাসাল নিদারুণ ভ’মিকা রাখছে। ১৩ ও ১৪ ডিসেম্বর অ্যাসালের ১৭তম বার্ষিক সম্মেলন হলো ওয়াশিংটন মেট্র এলাকায়। সেখানে আমিও ছিলাম। সকলকে মূলধারার রাজনীতিতে সোচ্চার হবার পাশাপাশি নির্বাচনেও সম্পৃক্ত হবার আহবান জানিয়েছি। প্রসঙ্গত: উল্লেখ্য, বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিতে সর্বোচ্চ পর্যায়ের জনপ্রতিনিধি হিসেবে ৫ বাংলাদেশী আমেরিকানের মধ্যে শেখ রহমান হলেন সিনিয়র। অন্যেরা সবসময়ই নানা ইস্যুতে তার পরামর্শ নিয়ে থাকেন।

    Facebook Comments Box
  • ইউনূসের সেই উপদেষ্টা মাহফুজের মন্তব্যের কড়া প্রতিবাদ ভারতের

    ইউনূসের সেই উপদেষ্টা মাহফুজের মন্তব্যের কড়া প্রতিবাদ ভারতের

    বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টা মাহফুজ আলমের এক মন্তব্যের ‘‘কড়া প্রতিবাদ’’ জানিয়েছে ভারত। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ঢাকার কাছে এই বিষয়ে আনুষ্ঠানিক প্রতিবাদ জানিয়েছে বলে শুক্রবার নয়াদিল্লিতে পরররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল জানিয়েছেন।

    সাপ্তাহিক সংবাদ সম্মেলনে প্রতিবেশী বাংলাদেশের নেতাদের দায়িত্বশীল মন্তব্যের গুরুত্বের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে রণধীর জয়সওয়াল বলেন, ‘‘নয়াদিল্লি সংশ্লিষ্ট সকলকে প্রকাশ্য মন্তব্য করার সময় দায়িত্বশীল হওয়ার পরামর্শ দিতে চায়’’

    তিনি বলেন, ‘আমরা এই বিষয়ে বাংলাদেশি কর্তৃপক্ষের কাছে আমাদের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছি। আমরা জেনেছি, উল্লিখিত পোস্টটি ইতোমধ্যে মুছে ফেলা হয়েছে। তবে আমরা সবাইকে মনে করিয়ে দিতে চাই, জনসমক্ষে মন্তব্য করার সময় সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে আরও সতর্ক থাকা উচিত।’’

    সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নে ভারতের আগ্রহের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন জয়সওয়াল। তিনি বলেন, ভারত বারবার বাংলাদেশের জনগণ ও অন্তর্বর্তী সরকারের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তোলার আগ্রহের ইঙ্গিত দিয়েছে। এই ধরনের মন্তব্য জনসাধারণের বক্তব্যে দায়িত্বের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে।

    এর আগে, গত ৫ ডিসেম্বর উপদেষ্টা মাহফুজ আলম তার এক ফেসবুক পোস্টে দাবি করেছিলেন যে, ভারতকে শেখ হাসিনার পদত্যাগে ভূমিকা রাখা ছাত্র-জনতার আন্দোলনকে স্বীকৃতি দিতে হবে।

    ৫ আগস্ট বাংলাদেশ ছেড়ে ভারতে গেছেন শেখ হাসিনা। পরে বাংলাদেশের নোবেল বিজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন সরকার গঠন করা হয়। এর পর থেকে বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের ওপর নিপীড়নের অভিযোগ করে আসছে ভারত। এ নিয়ে প্রতিবেশী দুই দেশের সম্পর্কে টানাপোড়েন তৈরি হয়েছে।

    বৃহস্পতিবারও নয়াদিল্লি বাংলাদেশে হিন্দু এবং অন্যান্য সংখ্যালঘুদের ওপর সহিংসতার ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। দিল্লি বলেছে, হিন্দু ও অন্যান্য সংখ্যালঘুদের জীবন ও স্বাধীনতা রক্ষার প্রাথমিক দায়িত্ব ঢাকার অন্তর্বর্তী সরকারের। ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিশ্রি বাংলাদেশ সফর শেষে ফিরে যাওয়ার দুই সপ্তাহ পর রাজ্যসভায় দেওয়া বক্তৃতায় পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী কীর্তি বর্ধন সিং ওই মন্তব্য করেন।

    Facebook Comments Box
  • সাউথজার্সি মেট্রো আওয়ামী লীগের বিজয় দিবস উদযাপন

    সাউথজার্সি মেট্রো আওয়ামী লীগের বিজয় দিবস উদযাপন

    বাঙালী জাতির জীবনে ১৬ ডিসেম্বর এক গৌরবোজ্জ্বল দিন। ১৯৭১ সালের এই দিনে নয় মাস রক্তক্ষয়ী সংগ্রামের পর স্বাধীন বাংলাদেশ রাষ্ট্রের অভ্যুদয় হয়। বাঙ্গালির গৌরবোজ্জ্বল এই দিনটি যথাযোগ্য মর্যাদায় উদযাপন করেছে নিউজার্সি স্টেটের সাউথ জার্সি মেট্রো আওয়ামী লীগ। আটলানটিক সিটির ২৭০৯, ফেয়ারমাউন্ট এভিনিউতে অবস্থিত ‘বাংলাদেশ কমিউনিটি সেন্টার’ এর মিলনায়তনে ১৭ ডিসেম্বর মঙ্গলবার রাতে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের শুভ সূচনা হয়। এরপর জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সহ একাত্তরের সকল শহীদ, জাতীয় চার নেতা ও শহীদ বুদ্ধিজীবী,পঁচাত্তরের পনেরো আগস্ট ও একুশে আগস্টের সকল শহীদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। আওয়ামী লীগ নেতা মোক্তাদির রহমানের সভাপতিত্বে ও শেখ কামাল মনজুর সঞ্চালনায় সভায় বক্তৃতা করেন বেলাল হোসেন, বেলাল উদ্দীন,আব্দুর রহিম,আবদুল গফুর, রওশনউদদীন, পিন্টু রায়,সাংবাদিক আবু নসর, মাসুদ চৌধুরী, জাকিরুল ইসলাম খোকা, ফারুক তালুকদার প্রমুখ। অনুষ্ঠানে সংগীত পরিবেশন করেন মাসুম বাউল। বক্তারা নতুন প্রজন্মের মাঝে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শ ও দর্শন এবং স্বাধীনতার ইতিহাস ও গৌরবগাঁথা তুলে ধরার জন্য অভিভাবকদের প্রতি আহবান জানান। বক্তারা দেশে আওয়ামী লীগ সহ মুক্তিযুদ্ধের পক্ষ শক্তির বিরুদ্ধে অন্তর্বর্তী সরকারের চলমান ক্র্যাকডাউন বা দমন-পীড়নের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান। তাঁরা এসবের বিরুদ্ধে ইস্পাত কঠিন ঐক্য গড়ে তুলে তা প্রতিহত করার আহŸান জানান। অনুষ্ঠান চলাকালীন মুক্তিযুদ্ধের কালজয়ী স্লোগান “জয় বাংলা” ধ্বনিতে ক্ষণে ক্ষণে সভাস্থল প্রকম্পিত হয়ে ওঠে।

    Facebook Comments Box
  • আটলান্টিক সিটিতে বিএএসজের ফুড ব্যাংক

    আটলান্টিক সিটিতে বিএএসজের ফুড ব্যাংক

    নিউজার্সি স্টেটের আটলান্টিক সিটিতে বাংলাদেশ এসোসিয়েশন অব সাউথ জার্সির উদ্যোগে এক ‘ফুড ব্যাংক’ এর আয়োজন করা হয়। ১৯ ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার ফেয়ারমাউণ্ট এভিনিউতে অবস্থিত ‘বাংলাদেশ কমিউনিটি সেন্টার’ এ সকাল সাড়ে ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত ‘ফুড ব্যাংক’ এর কার্যক্রম চলে। এর আওতায় তাজা শাক-সব্জি, ফল, টিনজাত খাবার সহ বিভিন্ন ধরনের খাদ্য সামগ্রী বিতরন করা হয়। আটলান্টিক সিটির বিভিন্ন কমিউনিটির বিপুলসংখ্যক লোক এই ফুড ব্যাংক কার্যক্রমে অংশ নেয়। সহায়তা করে ‘কমিউনিটি ফুড ব্যাংক অব নিউজার্সি’। কমিউনিটি ব্যক্তিত্ব মোঃ আইয়ুব, রওশন উদ্দিন ,মোঃ নাসির, মাহমুদ প্রমুখের সার্বিক সহযোগিতায় ফুড ব্যাংকের কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয়েছে। বাংলাদেশ এসোসিয়েশন অব সাউথ জার্সির সভাপতি মো: জহিরুল ইসলাম বাবুল, সাধারণ সম্পাদক মো: জাকিরুল ইসলাম খোকা ফুড ব্যাংক কার্যক্রম সফল করায় সংশ্লিষ্ট সকলকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন।

    আটলান্টিক সিটিতে স্বল্প ও মাঝারি আয়ের মানুষের মধ্যে বিনামূল্যে খাদ্য-সামগ্রি বিতরণ করেন নেতৃবৃন্দ। ছবি-এনওয়াইভয়েস24
    Facebook Comments Box
  • ইউকে বাংলা রিপোর্টার্স ইউনিটির অভিষেক ১৯ জানুয়ারি

    ইউকে বাংলা রিপোর্টার্স ইউনিটির অভিষেক ১৯ জানুয়ারি

    ইউকে বাংলা রিপোর্টার্স ইউনিটির অভিষেক ও অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠান ১৯ জানুয়ারি মাইক্রো বিজনেস সেন্টারে অনুষ্ঠিত হবে। পূর্ব সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ইসি মিটিং আবারো সর্বসম্মতিক্রমে এ সিদ্ধান্ত ও প্রস্তুতি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা হয়। অনুষ্ঠানের শুরুতে ইউকে বাংলা রিপোর্টার্স ইউনিটির ২০২৩-২০২৪ খ্রিস্টাব্দের প্রেসিডেন্ট/সেক্রেটারী দায়িত্ব হস্তান্তর করেছেন নতুন কমিটির (২০২৪-২০২৫) প্রেসিডেন্ট / সেক্রেটারীর কাছে। এরপরই নতুন কমিটির প্রথম মিটিং অনুষ্ঠিত হয়েছে। ইউকে বাংলা রিপোর্টার্স ইউনিটির ২০২৩-২০২৪ মেয়াদের প্রেসিডেন্ট আনসার আহমদ উল্লাহ’র স্বাগত বক্তব্যের মাধ্যমে শুরু হওয়া এ বছরের শেষ প্রাণবন্ত এ অনুষ্ঠানে বিগত দিনের রিপোর্টার্স ইউনিটির বিভিন্ন ফাইল হস্তান্তর হয়। বিদায়ী প্রেসিডেন্ট আনসার আহমদ উল্লাহ ফাইল প্রদান করেন নতুন অর্থবছরের প্রেসিডেন্ট সাজিদুর রহমানের কাছে এবং বিদায়ী সেক্রেটারী জুবায়ের আহমদ নতুন সেক্রেটারি মিজানুর রহমান মীরুর কাছে সেক্রেটারীর ফাইল হস্তান্তর করেন। পরে ২য় পর্বে নতুন অর্থবছরের সভাপতি সাজিদুর রহমান ২০২৫ খ্রিস্টাব্দের বার্ষিক পরিকল্পনা তুলে ধরেন। সবাইকে শুভেচ্ছা জানান নবাগত সেক্রেটারী মিজানুর রহমান মীরু।

    নতুন কমিটির প্রথম ইসি মিটিং এর ব্যাপারে আলোচনা শেষে গুরুত্বপূর্ণ কিছু সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়। বিশেষ করে ২০২৪ সালের ইউকেবিআরইউ অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠান ও আনুষ্ঠানিক অভিষেক পর্ব এজিএমের পূর্ব সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আগামী ১৯ জানুয়ারি রোববার অনুষ্ঠিত হবে বলে সভায় অবহিত করা হয় এবং অনুষ্ঠানের বাজেটে সকলের সাধ্যমত সহযোগিতার হাত বাড়ানোর আহŸান করা হয়। এ সভায় ইউকে বাংলা রিপোর্টার্স ইউনিটির শিক্ষাবৃত্তি (২০২৫) যথাসময়ে বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত হয়। তাছাড়া এ সভায় মানবিক আবেদন ও অন্যান্য বিষয় নিয়ে ব্যাপক আলোচনা হয়। এ আলোচনায় অংশ নেন বিদায়ী প্রেসিডেন্ট আনসার আহমদ উল্লাহ, সাবেক প্রেসিডেন্ট মুহাম্মদ শাহেদ রাহমান, নতুন দায়িত্ব গ্রহণকারী সভাপতি সাজিদুর রহমান, নতুন সেক্রেটারী মিজানুর রহমান মীরু, বিদায়ী সেক্রেটারী জুবায়ের আহমেদ, জামাল আহমেদ খান, সাহেদা রহমান, এস কে এম আশরাফুল হুদা, আসমা মতিন, মুহাম্মদ সালেহ আহমদ, আব্দুল বাসির, এ রহমান অলি, মির্জা আবুল কাসেম ও ইমদাদুন খানম প্রমুখ।

    Facebook Comments Box
  • বিজয় দিবসে নিউইয়র্কে মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সমাবেশ

    বিজয় দিবসে নিউইয়র্কে মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সমাবেশ

    বিজয় দিবস উদযাপন উপলক্ষে বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, যুক্তরাষ্ট্র কমান্ডের দোয়া ও আলোচনা সভা নিউইয়র্কস্থ জ্যাকসন হাইটসের নবান্ন রেষ্টুরেন্টের পার্টি সেন্টারে ১৫ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন সংসদের কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা মুকিত আবদুল চৌধুরী। অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডেমোক্রেটিক পার্টির ডিষ্ট্রিক্ট লীডার এ্যাটলার্জ এর্টনী মঈন চৌধুরী। শুরুতে কোরআন থেকে তেলাওয়াত করেন বীর মুক্তিযোদ্ধা নুরুল আমিন। বাংলাদেশ ও আমেরিকার জাতীয় সংগীত পরিবেশন করার পর মহান মুক্তিযুদ্ধে সকল শহীদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। এরপর সকল শহীদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে দোয়া পরিচালনা করেন বীর মুক্তিযোদ্ধা মোল্লা মনিরুজ্জামান। বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা, পার্শ্ববর্তী দেশের আগ্রাসন প্রতিরোধ ও সকল দুর্নীতির মূলউৎপাটন করে দেশ থেকে পাচারকৃত সকল অর্থ ফেরত নেয়া ও দুর্নীতিবাজদের দৃষ্টান্তমূলক সাজার ব্যবস্থা করার জোর দাবী জানিয়ে বক্তব্য রাখেন বীর মুক্তিযোদ্ধা মতিউর রহমান, বীর মুক্তিযোদ্ধা শামসুল হক, বীর মুক্তিযোদ্ধা এডভোকেট হারিছউদ্দিন আহমেদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল কাশেম সরকার, বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব মিজবাহ্ধসঢ়;উদ্দিন, বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ আবদুর রাজ্জাক, বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুর রহমান, বীর মুক্তিযোদ্ধা গিয়াস এ মজুমদার। অতিথি এর্টনী মঈন চৌধুরী তার বক্তব্যে আমেরিকায় মুক্তিযোদ্ধাদের ‘ভেটারান ষ্ট্যাটার্স’ আদায় করার জন্য পদক্ষেপ নেওয়ার ঘোষনা দিয়ে এই লক্ষ্যে কাজ করার আশ্বাস প্রদান করেন। ভবিষ্যতে মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কার্যক্রমে সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাসও প্রদান করেন। সভাপতির বক্তব্যে বীর মুক্তিযোদ্ধা মুকিত চৌধুরী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, সৈয়দ নজরুল ইসলাম, তাজউদ্দিন আহমেদ, মনছুর আলী, কামরুজ্জামান, জেনারেল এম এ জি ওসমানী, মেজর জিয়াউর রহমানসহ ১১জন সেক্টর কমান্ডার, বিএলএফ এর ৪ জন সেক্টর কমান্ডারসহ মুক্তিযুদ্ধের সকল সংগঠক ও শহীদের আত্মার মাগফেরাত কামনা ও সকল জীবিত মুক্তিযোদ্ধার সুস্থতা ও দীঘায়ু কামনা করেন।

    Facebook Comments Box
  • ইঊনূসের গণবিরোধী কর্মকান্ড রুখে দেয়ার সংকল্প

    ইঊনূসের গণবিরোধী কর্মকান্ড রুখে দেয়ার সংকল্প

    ১৬ ডিসেম্বর রক্তস্নাত বিজয়ের ৫৪তম বার্ষিকী তথা মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে এক আলোচনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছিল ফ্লোরিডা স্টেট আওয়ামী লীগ। শুরুতে শহীদ বুদ্ধিজীবী এবং মুক্তিযুদ্ধে সকল শহীদের আত্মার মাগফেরাত কামনার জন্য একমিনিট দাড়িয়ে নিরবতা এবং দোয়া পরিচালনা করেন ফ্লোরিডা ষ্টেট আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি শেখ বাবুল। এরপরই সম্মিলিতকন্ঠে জাতীয় সংগীত গাওয়া হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বীর মুক্তিযোদ্ধা নান্নু আহমেদ এরং সন্ধসঢ়;চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক মুজিব উদ্দিন । প্রধান অতিথি ছিলেন যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের দক্ষিণাঞ্চলীয় শাখার সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা এম ফজলুর রহমান। অনুষ্ঠানে ৫৪ বছরের প্রাপ্তি ও প্রত্যাশার বিশ্লেষণ করেন ফ্লোরিডা স্টেট আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি সালমা মীনু, ইমতিয়াজ হাসান, রানা খান, লিটন খান, শেখ আহমেদ বাবুল, ওসমান চৌধুরী অপু, সাধারণ সম্পাদক মুজিব উদ্দিন, যুগ্ম সাধারন সম্পাদক আনোয়ারুল খান দীপু, সহ সাধারন সম্পাদক তৌহিদুল ইসলাম খান, সাংগঠনিক সম্পাদক সাজ্জাদুর রহমান, রিংকু চৌধুরী, আলী আক্কাছ, দপ্তর সম্পাদক আমিনুল ইসলাম বাবু, শিক্ষা সম্পাদক মোজাম্মেল হক, স্বাস্থ্য সম্পাদক ডঃ রুবী, নির্বাহী সদস‍্য রতœা একরাম, ডলি আহমেদ, লীনা হক, বীর মুক্তিযোদ্ধা আফরোজা খানম, নুর খান খোকন, খোরশেদ আলী, তাজুল ইসলাম খান, বীর মুক্তিযোদ্ধা আওয়াল আহমেদ, বঙ্গবন্ধু পরিষদের সভাপতি ইন্ধিসঢ়;জনিয়ার একরামুল ভুইয়া, বীর মুক্তিযোদ্ধা বুলবুল চৌধুরী , ফ্লোরিডা স্টেট যুবলীগের সহ সভাপতি আনোয়ারুল করিম শাহীন, যুব মহিলা লীগের সাধারন সম্পাদক এরিনা খান প্রমুখ। প্রধান অতিথি বীর মুক্তিযোদ্ধা এম ফজলুর রহমান বর্তমান সরকারের বিরোধীতা করে তার বক্তব্যে বলেন, এই অবৈধ সরকার জনগণের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করছে। জনগণ তার বিচার করবে বলে হুঁশিয়ারী করেন । এই ইউনুসের অন‍্যায় অত্যাচারের বিরুদ্ধে জনমত গড়ে তুলতে হবে এবং জনগণকে ঐক্যবদ্ধ করতে তিনি রাজপথে নামতে প্রস্তুত আছেন বলে জানিয়েছেন । শেষে বিজয়ের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন মীনু রহমান, সাজ্জাদুর রহমান, এরিনা খান, ডলী রহমান, লীনা হক এবং ডঃ রুবী।

    Facebook Comments Box
  • বাংলাদেশে ন্যায়ের শাসনের অভিপ্রায়ে বুদ্ধিবৃত্তিক সংগঠনের পরামর্শ

    বাংলাদেশে ন্যায়ের শাসনের অভিপ্রায়ে বুদ্ধিবৃত্তিক সংগঠনের পরামর্শ

    গনতন্ত্র, জাতীয়তাবাদ, প্রতিবেশী দেশের আধিপত্যবাদী চক্রান্ত প্রতিরোধ ও সুশাসনের জন্য নাগরিক অধিকার, ন্যায় ও সাম্যের ভিত্তিতে একটি বাংলাদেশী সমাজ গড়ার প্রত্যয় নিয়ে বুদ্ধিবৃত্তিক সংগঠনের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে গঠনমুলক আলোচনা হলো যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসি সংলগ্ন ভার্জিনিয়া স্টেটে। ১৫ ডিসেম্বর রোববার এম্পায়ার হোম হেলথ সার্ভিস’র অডিটোরিয়ামে লেখক, কবি ও সংগঠক সামছুদ্দীন মাহমুদের উদ্যোগে এ অনুষ্ঠানে ছিলেন প্রবাসে সুশীল সমাজের প্রতিনিধিত্বকারিরা। প্রবাসে দীর্ঘ অভিজ্ঞতার আলোকে সমৃদ্ধ বিশিষ্টজনদের মধ্যে ছিলেন মেজর (অবঃ) মনজুরুল হক, ডঃ নজরুল ইসলাম, নওশের আলী, রফিকুল হক, আনিস আহমেদ, শামীম সেলিমুদ্দীন, খুরশিদ সাব্বীর, হাসান চৌধুরী, কবিরুল আলম, কচি খান, স্যাম রিয়া, আকতার হোসেন, মেজর(অবঃ) শাফায়াত আহমাদ, ফাতেমা সিদ্দীক, শায়লা মনজুর, মুশফিকা হক, শার্লিন সেলিম, আবু সেলিমুদ্দীন, তাবাস্ধসঢ়;সুম রহমান, ডাঃ সাহিনা আকতার, আফসা রহমান প্রমুখ। বাংলাদেশের বর্তমান প্রেক্ষাপটে একটি নিরপেক্ষ ও বুদ্ধিভিত্তিক সংগঠনের প্রয়োজনীয়তার উপর গুরুত্ব আরোপ করেন উপস্থিত সকলেই। মেজর(অবঃ) মনজুরুল হক তার নাতিদীর্ঘ একটি পরিকল্পনা তুলে ধরে বলেন, ‘একটি দীর্ঘ আন্দোলনের ফলে ফ্যাসীবাদি হাসিনার পতন হয়েছে কিন্তু সুষ্টু পরিকল্পনা ও লোকবলের অভাবে বর্তমান সরকার এ আন্দোলনের ফসল ঘরে তুলতে পারছেনা। অন্যদিকে ভারতীয় আধিপত্যবাদীচক্রও তৎপর।’ এ অবস্থায় এ সরকারকে সঠিক কর্মপন্থা প্রণয়ন করার জন্য তিনি বেশ কিছু পরিকল্পনা তুলে ধরেন। ডঃ নজরুল ইসলাম বলেন, ছাত্র আন্দোলনে তাদের ত্যাগ বৃথা যেতে পারেনা, আগামী প্রজন্মের এ শক্তিতে দেশ পরিচালনায় যেকোন সহায়তা করার জন্য এ ফোরাম প্রস্তুত। নওশের আলী বলেন, বর্তমান ভারতীয় আগ্রাসনের বিরুদ্ধে আমাদের ঐক্যমত্য হতে হবে। নাহলে দেশে এ আধিপত্যবাদ যেকোন অঘটন ঘটিয়ে ফেলবে। রফিকুল হক বলেন, বর্তমান প্রেক্ষাপটে এ ধরনের একটি উদ্যোগের খুবই দরকার। আমরা যারা প্রবাসে বাস করি, আমাদের কন্ঠস্বর তুলে ধরতে হবে। আনিস আহমেদ বলেন, আমাদের মার্কিন রাজনীতিবিদদের সাথে নিয়ে এ ফ্যাসিবাদ মোকাবেলা করতে হবে। বর্তমান ট্রাম্প প্রশাসনকে এ বিষয়ে সঠিক খবরাখবর প্রদান করতে হবে।

    ভার্জিনিয়ায় অনুষ্ঠিত বৈঠকে অংশগ্রহণকারিরা। ছবি-এনওয়াইভয়েস24

    শামীম সেলিমুদ্দীন বলেন, ছাত্র আন্দোলন কেবল বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন ছিলনা, এ আন্দোলন ছিল ভারতীয় আধিপত্যবাদ ও দীর্ঘদিনের ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে এক দীর্ঘ সংগ্রাম। এ আন্দোলনকে এগিয়ে নিতে হবে। খুরশীদ সাব্বির বলেন, এ প্রজন্ম হাসিনার মতো ফ্যাসিবাদকে পরাস্থ করেছে, তাই ভারতীয় আদিপত্যবাদিদের খেয়াল রাখতে হবে, তারা বাংলাদেশের উপর নজর দিলে কিভাবে তাদের কালো হাত ভেঙ্গে দিতে হয়। হাসান চৌধুরী বলেন, এই প্রথম ডিসি মেট্রো এরিয়ার এতো বুদ্ধিজীবি ও প্রফেশনাল লোকজনের সমাগম দেখলাম যারা নিরপেক্ষভাবে বাংলাদেশ নিয়ে চিন্তা করছে। তিনি বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদ ও ন্যায়বিচার সমুন্নত রাখতে এ ধরনের একটি ফোরামের প্রয়োজনীয়তার কথা বলেন। কচি খান এ ধরনের উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, বর্তমান সরকারের ভালো কাজের সহায়তা ও খারাপ কাজের সমালোচনা করা উচিত। আকতার হোসেন বলেন, বাংলাদেশ বর্তমানে একটি ক্রান্তিকাল অতিক্রম করছে। ফ্যাসিবাদ গেছে কিন্তু তাদের দোসররা এখনো দেশে বিরাজমান। এদের হাত থেকে বাংলাদেশকে রক্ষা করতে হবে। মেজর(অবঃ) শাফায়াত আহমাদ বলেন, দেশ হাসিনা মাফিয়ার হাত থেকে মুক্ত হয়েছে সত্য কিন্তু পুরোপুরি মুক্ত হয়নি। আমরা যারা প্রবাসে আছি তারা এ সরকারকে সহযোগিতা করতে হবে যাতে তারা একটি সুন্দর ও নিরপেক্ষ নির্বাচনী রোডম্যাপ ঘোষনা করতে পারে এবং দেশের প্রয়োজনীয় সকল সংস্কার সম্পাদন করতে পারে। সামছুদ্দীন মাহমুদ বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে জ্ঞানীগুনিরা ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে। তারাও বিভিন্নভাবে এ সরকারকে সহায়তা করতে পারে। এ ধরনের প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে বর্তমান সরকার ও ভবিষ্যতে যেকোন গনতান্ত্রিক সরকারের সাথে এ ফোরাম কাজ করবে। ফ্যাসিবাদ, ভারতীয় আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে এ ফোরাম সবসময় সক্রিয় থাকবে। খুব শীঘ্রই এ বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হবে বলে তিনি জানান। অনুষ্ঠানে মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের এবং ’২৪ এর গনআন্দোলনে শহীদদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে দোয়া করা হয়। এরপর খুরশীদ সাব্বীর এর পরিচালনায় বিজয় দিবস উপলক্ষে দেশের গান “ও আমার দেশের মাটি” সমবেত কন্ঠে গাওয়া হয়। অনুষ্ঠান শেষে স্যাম রিয়ার কিচেনের মজাদার খাবার বিশেষ করে চিকেন বিরিয়ানি, পায়েস, রসগোল্লা ও সুরাইয়া’স কিচেনের ভাপা পিঠা দিয়ে অতিথিদের আপ্যায়ন করা হয়।

     

    Facebook Comments Box
  • Bangladesh Election should Not be Delayed

    Bangladesh Election should Not be Delayed

    Students-led military backed unconstitutional interim government of Dr. Mohammed Yunus should hold the national election not later then March, 2025. If it delays, Bangladesh economy will face economic stagnation and increasing hunger and poverty leading to more uncertainty and lawlessness. He suggested that election to be held either in end of 2025 or beginning of 2026. The Election Commission said that the updating of voter list would be ready by next two months. Those who have no faith in democracy, they prefer to govern the country by executive ordinances that have no support of the people. In fact, the delay will create more uncertainties and complications.

    Although four months have elapsed, the Yunus government failed to stabilize the situation as lawlessness and anarchy is still wild and pervasive. Because of uncertainty and lawlessness, hundreds of factories and business houses have closed down causing large-scale joblessness and increasing theft, murder and criminal activities. Due to uncertainties, MODI downgraded its credit rating for Bangladesh.

    Reportedly, as thousands of policemen were mercilessly killed after Sheikh Hasina’s downfall by radical terrorists and jehadis, and as Yunus government hurriedly granted “indemnity“ to the killers, the newly appointed policeforce are hesitant to take actions. They have become ineffective. No wonder, realizing that the police are ineffective, he deployed military forces for maintaining law and order but their operations are limited. Everyday new dead bodies are unearthed all across the country owing to mob injustice, rivalries, or violence. No wonder, Dr. Debapriya Bhattacharya, a Russian economist, and a top adviser to Dr. Yunus remarked, ‘if economic uncertainty is not improved, reforms could not take place’. Chances of improvement of economy and security is still uncertain.

    International lenders like IMF, World Bank and ADB that predicted a GDP growth rate for Bangladesh for 2025 at around 6.8% and now downgraded their estimates to 3.8%, a cause for alarm. The past government expected it to be 6.75% and they initiated varieties programs to achieve it. Since the interim government took over all development works are basically at halt because of indecision and also as revenue intake has dropped.

    Maybe that’s why Dr. Yunus said publicly that “gods and goddesses have curse on him” and as a result, whatever he undertakes that becomes a failure. His much celebrated micro credit or Grameen Bank program as per noted economist Dr. Quazi Koliquzzaman’s findings failed its borrowers to improve their lifestyles. When he was awarded the Nobel Peace Prize, he hoped that the poverty would vanish and it would only be available in the museums. Unfortunately, since his crusade against poverty in 2006, it has increased from 300 million to over 900 millions now. Neither his “social business” flourished either. Following SDGs of 2015, he developed his “3-zeros strategy” in 2017; ‘zero hunger, zero unemployment and zero carbon emission’. It sounds great but there is no prescription as to how to achieve these and who would provide how much money for his three zeros.

    Because of his global reputation and hoping to have massive aid flow from the Biden administration as Yunus’ relationship with him was solid, a group of young Bangladeshi students picked him as the Head of Interim government of Bangladesh in last August. Since then, an emerging country like Bangladesh that earned global accolades as a “model of economic development“ (UN ) and a “standard bearer of the South” (Wall Street Journal) is facing economic decline due to uncertainty and lawlessness leading to closure of factories, business houses and consequently, rapid rise of unemployment. More importantly, Yunus government failed to improve nation’s inflation which is now around 12% or double digit and consequently poverty has increased by a wide margin.

    In order to protect poor people from poverty, the past government introduced social protection programs. Under this program, those who were extremely poor, nearly 500,000 families used to get essential food items at ‘free of cost’ and another 10 million poor people used to get essential food items at affordable prices. As a result, although inflation was high, less than the present one, yet the poorer people were not as badly affected as they are today.

    As per a recent study by RAPID, a research group, inflation has pushed an additional 7.8 million people into poverty with 3.8 million slipping into extreme poverty. A further 10 million are at the risk of falling below the poverty line if current inflation continues. This is a very distressing picture and it may fail Bangladesh to achieve its goal of a hunger-free, poverty-free country by 2030.

    The past government of Sheikh Hasina introduced a number welfare programs such as monthly allowances for elderly and jobless people, widowers, lactating mothers, freedom fighters, disabled and disadvantaged people, free houses for homeless, etc. These programs helped the poorer people to have an improved living and country’s poverty went down from 42% in 2006 to 18% and extreme poverty from 24% to 5.6% in 2022. Now those programs have been disrupted and therefore, their life have become miserable. And when floods occurred which is common in Bangladesh, instead of supporting the victims and providing them fund for rehabilitation and reconstruction, his government even the student leaders of the 2024-movement, known as “Bishommo-Birodi” group kept the public donations for flood victims in their bank accounts instead of distributing to the needy. Now the Saudi government is trying to rebuild a few flood affected houses.

    Because of government’s negligence and destruction of all traditional well established local institutions like the elected local governments, chairmen, councils, mayors’ offices, and members of parliament those used to take keen interest to help the victims are either in jails or fugitives of false cases. Therefore, in absence of these institutions and officials, the government is failing to provide adequate services.
    At present, as it appears, Yunus government’s only job is filling false and fabricated cases against thousands of innocent people in order to extort money, and appointing commissions for reforms.
    In addition, abuse the activist judiciary to achieve its goals.

    Critics argue that in the name reforms this Interim Government is trying to delay the holding of national election and also trying to depoliticize and weaken the political parties and the process. Critics further argue that reforms are a dynamic process and an elected government or people’s representatives should undertake reforms. Otherwise they may not be sustainable. During 2007-2008, the military-backed Caretaker government of Dr. Fakruddin Ahmed initiated and started implementing many credible reforms. But those did not sustain. If history is a lesson at all, they argue that reforms under Dr. Yunus government would face the same fate as before. Therefore, they should concentrate on holding a free, fair, participatory and credible election maybe under the UN supervision as soon as possible, and not later than Spring, 2025.

    If we follow historical evidence, these type of emergency interim governments where media is restricted are a black hole in the nation’s development process. Cross-country statistics prove it again and again. Therefore, the shorter the period of interim government, it is better for democracy and for the welfare of the nation and people. Once US Senator Edward M. Kennedy said, ‘democracy is a dynamic process and it matures only through practicing democracy, not otherwise’.

    Dr. Yunus floated his political party “People’s Power” in 2006 after receiving his Nobel Prize, and it miserably failed. If he is really interested for reforms, let him contest in the upcoming national election and once he gets people’s mandate, let him initiate reforms.

    Facebook Comments Box
  • “লাল সবুজের পতাকা”

    “লাল সবুজের পতাকা”
    -ফারুক আহম্মেদ জীবন
    ১৬ই ডিসেম্বরের বিজয় দিবস উপলক্ষে। সবুজ শ্যামল বাংলাদেশের প্রতিটা স্কুল, কলেজ, আর ইউনির্ভাসিটি,শহীদ মিনার গুলোতে আজ পতপত করে উড়ছে খোলা গগনের উন্মুক্ত ঝিরঝিরে বায়ুতে লাল সবুজের স্বধীন পতাকা।
    সজীব আর স্বর্ণালি দু,ভাই বোন সকালে তাদের স্কুলে গেছে বিজয় দিবসে। সজীব আর স্বর্ণালির দাদু সত্তর বছর বয়সের বৃদ্ধ মিনহাজ মোল্লা। একটু বেলা হলে। সে তার পুঁতা পুতনিদের এগিয়ে আনতে গেছে স্কুলে।
    কিছুক্ষণ আগেই বিজয় দিবস শেষ হয়ে গেছে। সজীব স্বর্ণালি বিজয় তাদের দাদু ভাই মিনহাজ মোল্লাকে দেখতে পেয়েই ছুটে কাছে চলে এলো।  তারপর দু,ভাই বোন বৃদ্ধ দাদুর দুই পাশে দুটি হাত ধরে স্কুলের সামনের রাস্তা দিয়ে বাড়ির উদ্দেশ্যে হাঁটতে লাগল। হাঁটতে হাঁটতে একসময় সজীব মিনহাজ মোল্লাকে বললো….
    জানো দাদু, আজ বিজয় দিবসে না, আমরা সবাই অনেক..অনেক আনন্দ করেছি। শুনে মিনহাজ মোল্লা বললো..তাই নাকি দাদু ভাই?
    সজীবের ছোট্ট বোন স্বর্ণালি বললো..হুম দাদু। জানো..আমি কথা সাহিত্যিক ফারুক আহম্মেদ জীবন এর বঙ্গবন্ধু ও মহান মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে লেখা কালজয়ী কবিতার বইয়ের “রক্তে ভেজা” নামক একটা কবিতা পাঠ করেছি।মিনহাজ মোল্লা  বললো তাই…সেই কবিতাটা একটু বলো তো শুনি দিদি ভাই? স্বর্ণালি হেসে ওঠে বললো…তাহলে বলবো..তুমি.শুনবে দাদু? দাদু মিনহাজ মোল্লা বললো..হুম শুনবো দিদি ভাই। তোমার বলা কবিতা আমি না শুনে কি পারি। তখন স্বর্ণালি সে তার কচিমুখে টরটর করে কবিতা-টি বলতে
    শুরু করলো….
    কোন বন্দী পাখির মতো আমরা
    আর, নইতো পরাধীন,
    আমরা যে মুক্ত বাঙালীরা যতো
    আমরা সব স্বাধীন।
    এখন, মুক্ত মনে নাও সবাই তাই
    প্রাণ ভরে নিঃশ্বাস,
    কোন ভিনদেশীদের এখন আমরা
    আর, নইতো কৃতদাস।
    শোনো ডিসেম্বর যে বলছে ডেকে
    আমি বিজয়ের মাস,
    স্বাধীন মনে সব পতাকা উড়াও
    করো সবাই উল্লাস।
    আমার সবুজে ঘেরা বাংলা মাটি
    বীর শহীদের রক্তে ভরা,
    এসো সকলে আজ শ্রদ্ধার সাথে
    পতাকা উড়াই মোরা।
    মিনহাজ মোল্লা কবিতাটি শুনে বললো.বাহ! বাহ!বাহ! এইতো আমার দিদিভাই খুব সুন্দর কবিতা
    পাঠ করেছে। সজীব বললো…আমি কোন কবিতা
    বলেছি…বলো তো দাদু? মিনহাজ মোল্লা বললো…
    তা-তো আমি জানি না দাদু ভাই। তুমি বলো শুনি?
    সজীব বললো…আমিও কথা সাহিত্যিক ফারুক আহম্মেদ জীবন এর ঐ কালজয়ী কবিতার বইয়ের একটা কবিতা বলেছি। মিনহাজ মোল্লা বললো.. সেটা কোন কবিতা.. বলো তো শুনি দাদু ভাই? সজীব বললো..তাহলে আমি বলছি দাদু তুমি শোনো কেমন.।কবিতার নাম “বিজয় পতাকা.
    তোমরা যেনো কেউ কভু ভেবো না
    আমি একটা শুধুই পতাকা…
    আমি যে লাখো শহীদের স্মৃতি চিহ্ন
    যাদের রক্ত এ দেহে মাখা।
    তোমরা যে লাল বৃত্তটাকে দেখছো
    আমার মাঝে রয়েছে আঁকা,
    সে-তো, ১৯৪৭, ৫২, আর ৭১ এর
    ইতিহাসকে পিছু ফিরে দেখা।
    এই বুকেতে যে ধারণ করেছি আমি
    লাখো দেশপ্রেমিকের রক্ত,
    ভালোবেসে তাই শক্ত করে তোমরা
    ধরে রেখো স্বাধীনতার ভক্ত।
    দেখতে পারছো কি মোর গায়েতে
    বাংলার সবুজে ঘেরা ভূমি?
    এই ভূমিতেই যে সব ঘুমিয়ে আছে
    যারা একদা ছিল মুক্তিকামী।
    যারা সেদিন বুলেটের যাতনা বুকে
    গড়ে ছিলেন দিন আগামী,
    এই পতাকা যে তাদের কথাই বলে
    যাদের জন্য স্বাধীন তুমি।
    সজীবের মুখে সম্পূর্ণ কবিতা শুনে মিনহাজ মোল্লা বললো….বাহ! বাঃ বাঃ বাহ! একেবারে
    অতুলনীয়,অনুপম, অনিন্দ্য সুন্দর কবিতা দাদু
    ভাই। তোমার কবিতাটির মধ্যে যেনো ইতিহাস,
    স্বাধীনতার নির্যাস, বিজয়ের সুঘ্রাণ মিশানো। সত্যি
    অপূর্ব,!বিজয় পতাকা নিয়ে এ যেনো কবির কাব্যিক ছন্দ রসের মনের মাধুরী মিশানো রয়েছে।
    আহা! জানো দাদু ভাইয়েরা…তোমাদের দুজনের মুখে আজ বিজয় দিবসের দুটো কবিতা শুনে না.. আমার প্রাণটা জুড়িয়ে গেলো। সত্যি দাদু ভাইয়ে
    -রা একটুখানি গভীর উপলব্ধি করেই আমাদের লাল সবুজের স্বাধীন পতাকা-টির দিকে তাকালে বুঝা যায়। ঐ পতাকা-টির মধ্যে কতো-কতো যে, দুঃখ কষ্ট আর আনন্দের রহস্য লুকিয়ে রয়েছে। ঐ.. ঐ.. লাল সবুজের পতাকার মধ্যে যেনো বীর শহীদদের বুকের তাজা রক্ত স্রোত বয়ে চলেছে। ঐ পতাকার চিহ্নের মধ্যেই যে বয়ে চলেছে আমাদের স্বাধীনতার পূর্বের সেই কষ্টের গ্লানি মাখা দীর্ঘ দিনের পরাধীনতার ইতিহাস। রয়েছে আমাদের স্বর্ণালি ফসল আর সবুজ শ্যামল বৃক্ষ প্রকৃতির দু,চোখ ধাঁধানো মায়ার ছবি। ঐ পতাকার চিহ্নটিই বোঝায় আমাদের এই সোনার বাংলা আজ একটা স্বাধীন সার্বভৌমত্ব দেশ। যেটা বীর
    শহীদদের তাজা রক্ত দিয়ে কেনা।ঐ পতাকার গাঢ় সবুজের মাঝে রক্তের মতো জ্বলজ্বলে লাল রঙের ঐ প্রতীক ঠিক যেনো প্রভাতে বাংলাদেশের
    পুব গগনে উদিত হওয়া রক্তিম স্বাধীনতার সূর্য।
    মনে হয়ে সবুজ বৃক্ষের ফাঁকে তা- আলো ছড়িয়ে
    স্বাধীনতার বহিঃপ্রকাশ ঘটাচ্ছে। সজীব বললো…
    সত্যি দাদু তুমি ঠিকই বলেছ।আমরা কেউ তোমার
    এতো গভীর ভাবে ভাবনাচিন্তা করিনে বলেই ঐ
    লাল সবুজের পতাকার মর্ম বুঝতে পারিনে। আজ
    তোমার কাছ থেকে অনেককিছু শিখলাম দাদু।
    মিনহাজ মোল্লা বললো..আমাদের বাংলাদেশের
    প্রতিটা মানুষের পতাকার মর্যাদা কতোটা। সেটা
    বুঝা উচিৎ দাদু।তবেই তো সকলের মনে দেশপ্রেম
    জাগ্রত হবে। সজীব বললো.আমি আমার নিজের
    প্রাণের চেয়েও আমার এদেশ, দেশের পতাকাকে
    ভালোবাসবো দাদু। প্রাণ থাকতে আমার দেশের
    স্বাধীন পতাকার কখনো অমর্যাদা হতে দেবো না। স্বর্ণালি বললো…আমিও ভাইয়ার মতো আমার এদেশকে ভালোবাসবো দাদু। মিনহাজ মোল্লা বললো..এই তো, আমার দেশের সোনার ছেলে-
    মেয়ে। এদেশ, এদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্বকে
    টিকিয়ে রাখতে গেলে যে তোমাদের মতো দেশ
    ভক্ত নবীন প্রজন্মের ছেলেমেয়েদের একান্তভাবে
    দরকার এদেশে দাদু সোনারা। গল্প করতে করতে
    বাড়ির পথ ফুরিয়ে এলো। স্বর্ণালি বললো…দাদু
    আমরা বাড়ি এসে গেছি। মিনহাজ মোল্লা বললো.
    ও তাইতো। দেখেছো দাদু ভাইয়েরা গল্প করতে করতে আমরা কখন বাড়ি চলে এসেছি তা- খেয়াল করিনি।
    তাং-১৯/১২/২০২৪/ইং
    নারাংগালী ঝিকরগাছা যশোর বাংলাদেশ।
    Facebook Comments Box
  • শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচারে নিষেধাজ্ঞায় মন্তব্য করলো না স্টেট ডিপার্টমেন্ট

    শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচারে নিষেধাজ্ঞায় মন্তব্য করলো না স্টেট ডিপার্টমেন্ট

    যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র ম্যাথু মিলার বলেছেন, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা সমুন্নত রাখা ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতার প্রতি সম্মানে বিশ্বাস করে যুক্তরাষ্ট্র। বাংলাদেশের আগের সরকারের মতো বর্তমান সরকারকেও বিষয়টি স্পষ্ট করা হয়েছে। মঙ্গলবার মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরে নিয়মিত প্রেস ব্রিফিংয়ে বাংলাদেশ প্রসঙ্গে এক সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন ম্যাথু মিলার।

    ম্যাথু মিলারকে প্রশ্ন করা হয়েছিল, বাংলাদেশে ৩০ জনের বেশি সাংবাদিককে কোনো শুনানি বা জামিন ছাড়াই দুই মাসের বেশি সময় ধরে কারাগারে আটকে রাখ হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে ইতিমধ্যে কমিটি টু প্রটেক্ট জার্নালিস্ট (সিপিজে), রিপোর্টার্স উইদাউট বর্ডার্স (আরএসএফ) ছাড়াও অনেক মানাবাধিকার সংগঠন (প্রধান উপদেষ্টা) ড. ইউনূসকে চিঠি দিয়েছেন। তাতে (ঢাকায় নিযুক্ত) ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) রাষ্ট্রদূতেরাও স্বাক্ষর করেছেন। তাঁদের (গ্রেপ্তার সংবাদিকদের) যেন অন্তত জামিন দেওয়া হয়, সে বিষয়ে আপনি কি কোনো বক্তব্য দেবেন? কারণ, তাঁরা কারাগারে আছেন এবং প্রকৃতপক্ষে তাঁরা সেলে বন্দী রয়েছেন।

    জবাবে ম্যাথু মিলার বলেন, ‘বিষয়টি নিয়ে আমরা বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে ধারাবাহিকভাবে কাজ করে যাচ্ছি। আমরা বাংলাদেশের বর্তমান সরকারকে স্পষ্ট করে বলেছি, যেমনটি আগের সরকারকে স্পষ্ট করে বলেছি, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা সমুন্নত রাখা ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতার প্রতি সম্মান জানানোয় আমরা বিশ্বাস করি। এ ধরনের ঘটনার ক্ষেত্রে আইনের শাসন ও সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতার প্রতি সম্মানের বিষয়টির সংগতি রাখা উচিত।’

    ম্যাথু মিলারের কাছে ওই সাংবাদিক আরও প্রশ্ন করেন, সম্প্রতি ড. মুহাম্মদ ইউনূসের (সরকারের) একজন প্রভাবশালী উপদেষ্টা, যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতে দাঁড়িয়ে যাঁকে শেখ হাসিনার সরকার পতনের ক্ষেত্রে ‘মাস্টারমাইন্ড’ হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছিল, সেই উপদেষ্টা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিতর্কিত এক পোস্টে পশ্চিমবঙ্গ, ত্রিপুরা, আসামসহ ভারতের অংশবিশেষে বাংলাদেশের সীমানা বাড়ানোর পক্ষে কথা বলেছেন। এ ধরনের মন্তব্য দক্ষিণ এশিয়ায় আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার জন্য ঝুঁকির কারণ হতে পারে। এই ব্যক্তি ড. ইউনূসের খুবই ঘনিষ্ঠ হওয়ায় তাঁর এ ধরনের মন্তব্যকে কি যুক্তরাষ্ট্র সরকার উদ্বেগের বিষয় হিসেবে দেখছে এবং অঞ্চলটিতে শান্তি ও স্থিতিশীলতার জন্য এ ধরনের মন্তব্য থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করবে?

    জবাবে ম্যাথু মিলার বলেন, ‘আমি স্বীকার করছি, এ ধরনের কোনো মন্তব্যের বিষয়ে আমি অবগত নই। আপনার কাছ থেকে শোনা ছাড়া এ বিষয়ে আমি কিছুই জানি না। এ ক্ষেত্রে আমি এখন একটা সাধারণ নিয়ম অনুসরণ করব। যেহেতু আমি এ ধরনের মন্তব্য দেখিনি, তাই এ মুহূর্তে আমি বিষয়টি নিয়ে কোনো মন্তব্য করতে চাচ্ছি না।’

    বাংলাদেশে শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচার নিষিদ্ধ করার বিষয়টি উল্লেখ করে ওই সাংবাদিক প্রশ্ন করেন, বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচারের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে, যা সাংবিধানিক অধিকারের লঙ্ঘন ও বাক্স্বাধীনতা দমনের সামিল। এ বিষয়ে আপনার মন্তব্য কী?
    এ প্রশ্নের জবাবে ম্যাথু মিলার বলেন, ‘এ বিষয়ে আমার কোনো মন্তব্য নেই।

    Facebook Comments Box
  • ভিয়েতনামে আন্তর্জাতিক অভিবাসী দিবসে কন্স্যুলার সাপোর্ট কর্ণার উদ্বোধন

    ভিয়েতনামে আন্তর্জাতিক অভিবাসী দিবসে কন্স্যুলার সাপোর্ট কর্ণার উদ্বোধন

    ভিয়েতনাম ও লাওসে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের সরব উপস্থিতিতে ১৮ ডিসেম্বর ভিয়েতনামের হ্যানয়স্থ বাংলাদেশ দূতাবাস প্রাঙ্গনে আন্তর্জাতিক অভিবাসী দিবস এবং জাতীয় প্রবাসী দিবস ২০২৪ উপযাপন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে বিশ্বের সকল দেশে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের সর্বাঙ্গীণ কল্যাণ ও মঙ্গল কামনা করে দোয়া ও মোনাজাত করা হয়। রাষ্ট্রপতি, প্রধানউপদেষ্টা, পররাষ্ট্র উপদেষ্টা ও প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান উপদেষ্টা কর্তৃক প্রদত্ত বাণী এ সময় পাঠ করা হয় এবং দিবসটি উপলক্ষে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় থেকে প্রেরিত একটি ভিডিও তথ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়। এ সময় দূতাবাসে কন্স্যুলার সাপোর্ট কর্ণারের উদ্বোধন করা হয় সেবা প্রত্যাশীদের স্বার্থে।

    প্রবাসীদের বিভিন্ন সুবিধা অসুবিধার কথা জানতে আয়োজন করা হয় মুক্ত আলোচনা পর্ব। এ পর্বে প্রবাসীরা দূতাবাস কর্তৃক গৃহীত বিভিন্ন উদ্যোগে সন্তোষ প্রকাশ করেন। অন্যান্যদের মধ্যে তারা সম্প্রতি ই-পাসপোর্ট সেবা চালু, অনলাইন জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন চালু, কন্সুলার ফি প্রদান সহজিকরণের লক্ষ্যে কিউ আর কোড ভিত্তিক পেমেন্ট সেবা চালু, সেবা গ্রহিতারা যাতে দূতাবাসে তাদের আবেদনকৃত বিভিন ্নসেবার অগ্রগতি মনিটর করতে পারে সে লক্ষ্যে ‘ডিজিটাল সার্ভিস ট্র্যাকিং সিস্টেম’ চালু করণের জন্য দূতাবাসের প্রশংসা করেন। তাছাড়া, দূতাবাসের বিভিন্ন সেবা গ্রহিতা ভিডিও বার্তার মাধ্যমে দূতাবাসের প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করে। সেবার মান আরো উন্নয়নের জন্য প্রবাসী বাংলাদেশিরা বৈধভাবে খুব সহজে দেশে রেমিট্যান্স পাঠানোর ব্যবস্থা করার জন্য দূতাবাসকে উদ্যোগ নেয়ার আহবান জানায়। উল্লেখ্য, বর্তমানে ভিয়েতনাম ও লাওসে বসবাসরত প্রবাসীদেরকে দেশে বৈধপথে রেমিট্যান্স পাঠাতে স্বাগতিক দেশের ব্যাংকগুলোতে স্বাভাবিকের চেয়ে কিছুটা বেশি পরিমাণে ফি প্রদান করতে হয়।

    মুক্ত আলোচনা পর্ব শেষে দূতাবাসের পক্ষ হতে প্রবাসীদের সেবার মান আরো বৃদ্ধিকল্পে তাদের উপস্থিতিতে ভিয়েতনামে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ লুৎফর রহমান দূতাবাস প্রাঙ্গনে একটি ‘কন্সুলার সাপোর্ট কর্নার’ উদ্বোধন করেন। প্রবাসীরা তাদের সেবা নিতে এসে দূতাবাসের কোন সহযোগিতার প্রয়োজন হলে এই কর্নার থেকে সেই সেবা গ্রহণ করতে পারবেন।

    উদ্বোধন শেষে প্রবাসী বাংলাদেশিদের আন্তর্জাতিক অভিবাসী দিবস এবং জাতীয় প্রবাসী দিবস ২০২৪-এর অভিনন্দন জানিয়ে রাষ্ট্রদূত রহমান বলেন, “আজ সারাবিশ্বের ১৭০টি দেশে প্রায় ১৪ মিলিয়ন প্রবাসী বাংলাদেশী বসবাস করছেন। আপনারা কষ্টে অর্জিত রেমিট্যান্স দেশে প্রেরণের মাধ্যমে জাতীয় অর্থনীতিকে শক্তিশালি রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন। সর্বোপরি, বিদেশে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করে বিভিন্ন দেশের সাথে বাংলাদেশের দিপাক্ষিক সম্পর্ক উন্নয়নে সহায়তা করছেন। আপনাদের সম্মানে আজকের এই অনুষ্ঠান আয়োজন করতে পেরে আমরা গর্ববোধ করছি। দেশমাতৃকার উন্নয়নে আপনাদের অবদানের জন্য আমরা কৃতার্থ।“

    Facebook Comments Box
  • নিউইয়র্ক কনস্যুলেটে আন্তর্জাতিক অভিবাসী দিবস উদযাপিত

    নিউইয়র্ক কনস্যুলেটে আন্তর্জাতিক অভিবাসী দিবস উদযাপিত

    নিউইয়র্কস্থ বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেলে ‘আন্তর্জাতিক অভিবাসী দিবস-২০২৪” ও “জাতীয় প্রবাসী দিবস-২০২৪ “ উদ্যাপন করা হয়েছে। এ উপলক্ষ্যে দিনের শুরু থেকেই কনসাল জেনারেল মো. নাজমুল হুদা কনস্যুলেটের অন্যান্য কর্মকর্তাসহ আগত সেবা প্রার্থীদের অভ্যর্থনা ও শুভেচ্ছা জানান।

    সংক্ষিপ্ত এক আলোচনা সভায় কনসাল জেনারেল মো. নাজমুল হুদা বলেন, অভিবাসীরা বাংলাদেশে রেমিটেন্স প্রেরণের মাধ্যমে দেশের অর্থনীতির চাকা সচল রাখার পাশাপাশি আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। তিনি কনস্যুলেটে আগতদের আন্তর্জাতিক অভিবাসী দিবস ও জাতীয় প্রবাসী দিবসের অভিনন্দন জানিয়ে বৈধ চ্যানেলে বাংলাদেশে রেমিটেন্স প্রেরণের আহবান জানান। সরকারের প্রবাসী বান্ধবনীতি ও কার্যক্রমের বর্ণনা দিয়ে তিনি সকলকে ব্যাংকিং চ্যানেলে বেশী বেশী রেমিটেন্স পাঠাতে উৎসাহিত করেন। প্রধান উপদেষ্টার নেতৃত্বে বাংলাদেশের অন্তবর্তীকালীন সরকার যে সংস্কার কর্মসূচী হাতে নিয়েছেন, তা বাস্তবায়নের জন্য তিনি প্রবাসীদেও ঐকান্তিক সহযোগীতা কামনা করেন। দেশের ভাষা, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য তুলে ধরার মাধ্যমে বিদেশের মাটিতে দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করার জন্য সকলকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত প্রবাসী ভাই-বোনদের অধিকতর অবদান রাখার জন্য তিনি আহবান জানান।

    আগত সেবাপ্রার্থীরা দিবসটি উপলক্ষ্যে তাদেও অভিমত ব্যক্ত করেন। তাদের বক্তব্যে তারা কনস্যুলেট জেনারেলের নতুন ভবনের পরিবেশ সম্পর্কে ও সেবার মান নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করে আন্তর্জাতিক অভিবাসী দিবস-২০২৪” ও “জাতীয় প্রবাসী দিবস-২০২৪’’ আয়োজনের জন্য কনস্যুলেট জেনারেলকে ধন্যবাদ জানান। আগত সেবাপ্রার্থীসহ সবাইকে দেশীয় ঐতিহ্যবাহী খাবার দিয়ে আপ্যায়ণের মধ্যদিয়ে অনুষ্ঠানের পরিসমাপ্তি ঘটে।

    Facebook Comments Box
  • ওয়াশিংটনে ভারতীয় দূতাবাসের সামনে বিশাল বিক্ষোভ, মিথ্যাচার বন্ধের দাবি

    ওয়াশিংটনে ভারতীয় দূতাবাসের সামনে বিশাল বিক্ষোভ, মিথ্যাচার বন্ধের দাবি

    ‘ভারতের আগ্রাসন এবং ভারতে বাংলাদেশ হাই কমিশনে হামলা ও বাংলাদেশে সংখ্যালঘু নির্যাতনের নির্জলা মিথ্যা সংবাদ প্রচারের বিরুদ্ধে’ ১৮ ডিসেম্বর ওয়াশিংটন ডিসিতে ভারতীয় দূতাবাসের সামনে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করলো ক্ষুব্ধ প্রবাসীরা। নিউইয়র্ক স্টেট, নিউইয়র্ক মহানগরের উত্তর দক্ষিণ, পেনসিলভেনিয়া স্টেট, নিউজার্সিও উত্তর ও দক্ষিণ, ওয়াশিংটন ডিসি, ভার্জিনিয়া, ম্যারিল্যান্ড স্টেট বিএনপিসহ মেট্র এলাকার বিপুলসংখ্যক প্রবাসী এতে অংশ নেন। কয়েক ঘন্টাব্যাপী এই কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারিরা বিভিন্ন পোস্টার, প্লেকার্ড বহন করেন। ‘৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে উৎখাত হওয়া স্বৈরাচার শেখ হাসিনা’ এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নিন্দাসূচক স্লোগানও এ সময় ধ্বনিত হয়।

    নিউইয়র্ক স্টেট বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাঈদুর রহমান সাঈদের পরিচালনায় সমাবেশে প্রধান অতিথি ছিলেন বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির অন্যতম সদস্য জিল্লুর রহমান। তিনি বলেন, বাংলাদেশের দীর্ঘ ঐতিহ্য রয়েছে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির। তা এখনো বিরাজ করছে। বিশেষ অতিথি ছিলেন বিএনপি চেয়ারপার্সনের পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা কমিটির অন্যতম সদস্য গোলাম ফারুক শাহীন। তিনি বলেন, নিকট প্রতিবেশী হিসেবে ভারতের সাথে বাংলাদেশের মানুষের বিদ্যমান সম্পর্ক আরো সুদৃঢ় হবে যদি পলাতক স্বৈরাচার শেখ হাসিনাকে অবিলম্বে বাংলাদেশের আদালতে সমর্পণের পদক্ষেপ নেয়। বিশেষ অতিথির বক্তব্যে নিউইয়র্ক স্টেট ব্এিনপির সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট জসিমউদ্দিন ভিপি বলেন, গত ১৬ বছরে শেখ হাসিনা ও তার পরিবার ৮০ হাজার কোটি টাকা লুট করেছে। সেই অর্থ নিয়ে ভারতে পালিয়েছেন। তাকে অবিলম্বে লুন্ঠিত অর্থসহ বাংলাদেশ সরকারের নিকট ফেরৎ পাঠালেই বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক অক্ষুন্ন থাকবে।

    ওয়াশিংটন ডিসিতে ভারতীয় হাই কমিশনের সামনে প্রবাসীদের বিক্ষোভ। ছবি-এনওয়াইভয়েস২৪।

    এ সময় অন্যান্যের মধ্যে আরো বক্তব্য দেন নিউইয়র্ক স্টেট বিএনপির সভাপতি মাওলানা অলিঊল্লাহ মোহাম্মদ আতিকুর রহমান, সিনিয়র সহ সাধারন সম্পাদক আরিফুর রহমান,সাংগঠনিক সম্পাদক রইচ উদ্দিন, সাবেক যুগ্ম আহব্বায়ক হুমায়ুন কবীর, যুগ্ম আহবায়ক ও সাংবাদিক আনিসুর রহমান, দেওয়ান কাউসার, বদরুল হক আজাদ, নিউইয়র্ক মহানগর (দক্ষিন) এর সভাপতি হাবিবুর রহমান সেলিম রেজা, উত্তর এর সভাপতি আহবাব চৌধুরী খোকন, সাধারন সম্পাদক ফয়েজ চৌধুরী, সিনিয়র সহ সভাপতি আমিনুল ইসলাম স্বপন, ভার্জিনিয়া স্টেট বিএনপির সভাপতি জহিরুল ইসলাম, সাধারন সম্পাদক তোফায়েল আহমেদ, ওয়াশিংটন ডিসি বিএনপির সভাপতি হাফিজ খান সোহায়েল এবং সাধারন সম্পাদক জাকির হোসেন। নেতৃবৃন্দের মধ্যে আরো ছিলেন নিউইয়র্কের বিএনপি নেতা ইঞ্জিনিয়ার শরীফ চৌধুরী পাপ্পু, তোফাজ্জল লিটন, জিয়াউর রহমান মিশন, মাসুদুল আলম, কামরুল হাসান, বাদল, তাজুল ইসলাম, রাহিমুল ইসলাম প্রিন্স, মো ফারুক হোসেন, পেনসিলভেনিয়া ষ্টেট বি এন পি সভাপতি শাহ ফরিদ, সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুব খান, জাহাংগীর আলম চৌধুরী, এডভোকেট ভুট্টো, আবদুল আওয়াল, সেলিম খান, এ আর মাহবুব চেয়ারম্যান, হাসান মাহমুদ, কাজী মনির, শাহ জামান, আলমগীর মৃধা, বাদল হোসেন, লিয়াকত হোসেন, জিয়াউল হক মিশন , ফারদিন রেজা রনি , জামাল হোসেন ,আব্বাস উদ্দিন ,মো: রাকিব হোসেন , মো: পাপ্পু , তোফাজ্জল রহমান , হাসান মাহমুদ , কাজী মনির , মো : মজিবুর রহমান স্বপন, জুয়েল শেখ, মানিক চেয়্যারম্যান, যুক্তরাষ্ট্র যুবদলের সাবেক সভাপতি জাকির এইচ চৌধুরী, সাবেক সেক্রেটারি আবু সাঈদ, মনিরুল ইসলাম প্রমুখ।

    ওয়াশিংটন ডিসিতে ভারতীয় হাই কমিশনের সামনে প্রবাসীদের বিক্ষোভ। ছবি-এনওয়াইভয়েস২৪।

    সমাবেশে বক্তারা বলেন, ভারতের মানুষ বাংলাদেশের সহকারি হাই কমিশনে হামলা, ভাংচুরের মাধ্যমে হীন মন-মানসিকতার পরিচয় দিয়েছে। ভারতের সকল ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করতে বাংলাদেশের সাধারণ মানুষ প্রস্তুত আছে বলেও এই পথসভা থেকে জানানো হয় । সভাপতির বক্তব্যে মাওলানা অলিউল্লাহ আতিকুর রহমান বলেন, গণহত্যার মামলার আসামী হিসেবে শেখ হাসিনাকে ভারত অবিলম্বে ফিরিয়ে দিয়ে দু’দেশের মধ্যেকার ভ্রাতৃত্ব প্রতিম সম্পর্ক অটুট রাখবে বলে আশা করছি। এ সময় তিনি ভারতীয় গণমাধ্যমে বাংলাদেশ বিরোধী প্রচারণা বন্ধের দাবিও জানান।

    Facebook Comments Box
  • ট্রাম্পের ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞার আশঙ্কায় বিদেশি শিক্ষার্থীদের অবিলম্বে যুক্তরাষ্ট্রে ফেরার আহ্বান

    ট্রাম্পের ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞার আশঙ্কায় বিদেশি শিক্ষার্থীদের অবিলম্বে যুক্তরাষ্ট্রে ফেরার আহ্বান

    ২০ জানুয়ারি ক্ষমতা গ্রহণের পরদিনই প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের ‘ট্র্যাভেল ব্যান’ (ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা) আশংকায় হার্ভার্ড, ইউএসসি এবং কর্ণেলের মত বিশ্বখ্যাত ভার্সিটিসমূহের আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীগণকে অবিলম্বে ক্যাম্পাসে ফেরার আহ্বান জানানো হয়েছে। উল্লেখ্য, প্রথম মেয়াদে ডনাল্ড ট্রাম্প ৭টি মুসলিম রাষ্ট্রের নাগরিকের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছিলেন। সে সবের সাথে এবার যুক্ত হতে পারে বাংলাদেশ, পাকিস্তান, চীন, ভারতসহ বেশ কটি রাষ্ট্র।

    ডনাল্ড ট্রাম্পের নীতি-নির্দ্ধারকদের উদ্ধৃতি দিয়ে নিউইয়র্ক টাইমসে এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদন এবং কূটনৈতিক সূত্র অনুযায়ী ‘ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা’র আওতায় আসতে পারে রাষ্ট্রসমূহের একটি তালিকা দেয়া হয়েছে। এগুলো হচ্ছে কিরগিস্তান, নাইজেরিয়া, মিয়ানমার, সুদান, তাঞ্জানিয়া, ইরান, লিবিয়া, নর্থ কোরিয়া, সিরিয়া, ভেনেজুয়েলা, ইয়েমেন, সোমালিয়া, ভারত, চীন, পাকিস্তান, বাংলাদেশ ইত্যাদি। উল্লেখ্য, কর্ণেল ইউনিভার্সিটির গ্লোবাল লার্ণিং অফিস গত সপ্তাহে তার ওয়েবসাইটে এমন সতর্কবার্তা প্রকাশ করেছে। তার আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের পরামর্শ দিয়েছে ২১ জানুয়ারি শুরু হবে স্প্রিং-সেমিস্টারের ক্লাস। তার আগেই যেন তারা যুক্তরাষ্ট্রে ফেরেন। হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়, ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়া, কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়, ইউনিভার্সিটি অব পেনসিলভেনিয়ার পক্ষ থেকেও একই আহবান উচ্চারিত হয়েছে। তারা বলেছে, মুসলিম অধ্যুষিত দেশসমূহের নাগরিকগণের ভিসা প্রসেসিংয়ের সময়ও বাড়তে পারে। তাই আগে ভাগেই যেন তারা সবকিছু সম্পন্ন করেন।

    হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় বলেছে যে, জানুয়ারিতে মার্টিন লুথার কিং জুনিয়র স্মরণে ছুটি শুরুর আগেই যেন শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাসে ফিরে আসেন। ইউনিভার্সিটি অব ম্যাসেচুসেটস, এমআইটি, ইউপেন, ওয়েসলিয়ান ইউনিভার্সিটিও একই ধরনের প্রসঙ্গ উল্লেখ করেছে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীগণের জন্যে। তারা মনে করছে যে, প্রথম মেয়াদের চেয়েও কঠিন পরিস্থিতির উদ্ভব হতে পারে দ্বিতীয় মেয়াদে। এমনকি, গাজা উপত্যকার মত যুদ্ধ-বিধ্বস্ত এবং আফগানিস্তান, সিরিয়া, পাকিস্তানের মত সন্ত্রাসী নেটওয়ার্কের উর্বর ভ’মি থাকা দেশসমূহের ক্ষেত্রেও আসতে পারে নানা নিষেধাজ্ঞা। মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩-২০২৪ শিক্ষা বর্ষে আমেরিকার কলেজ-ভার্সিটিসমূহে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী ছিল ১১ লাখের অধিক। এর অধিকাংশই চীন আর ভারতের। তৃতীয় বৃহৎ হচ্ছে সাউথ কোরিয়া। স্মরণ করা যেতে পারে, প্রথম মেয়াদে ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞার আওতায় ছিল না বাংলাদেশ। তবে এবার নানা কারণে বাংলাদেশ নিয়ে ট্রাম্প যে ধরনের অভিব্যক্তি ইতিমধ্যেই প্রকাশ করেছেন, তার পরিপ্রেক্ষিতে সচেতন প্রবাসীরা আশংকা করছেন ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞার ব্যাপারে।

    Facebook Comments Box