নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রিন্ট
মঙ্গলবার, ০৮ জুলাই ২০২৫ সর্বশেষ আপডেট : ৮:৫৪ পূর্বাহ্ণ
ইউএস কংগ্রেস।
দেশ এখন মব সন্ত্রাসের কাছে জিম্মি, তা থেকে মিডিয়াও রক্ষা পাচ্ছে না। অথচ জুলাই-আগস্টের কথিত আন্দোলনের সমর্থনে বাংলাদেশের মিডিয়াও সরব ছিল। স্বৈরশাসনের অবসান ঘটলে সাংবাদিকরা পেশাগত দায়িত্ব অবাধে পালন করতে সক্ষম হবেন বলে আশা ছিল। কিন্তু ঐ আন্দোলনে নেতৃত্ব প্রদানকারিরা এখোন নানাবিধ অপকর্মে লিপ্ত হবার সংবাদ মিডিয়ায় সহ্য করতে চাইছেন না। বসুন্ধরা মিডিয়া গ্রুপকে প্রকাশ্যে হুমকি দেয়া হচ্ছে-যা রামরাজত্বের সামিল। কংগ্রেস নেতাদের কাছে পাঠানো ঐ স্মারকলিপিতে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের ছত্রছায়ায় কোন কোন মহল গণমাধ্যমে এতটাই ভীতিকর পরিস্থিতি তৈরী করেছেন যে, জর্জিয়া স্টেটের সিনেটর এবং কিশোরগঞ্জের সন্তান শেখ রহমান ২ জুলাই পর্যন্ত মাসখানেক বাংলাদেশে অবস্থানকালে অন্তত: ৩টি মিডিয়া তার সাক্ষাৎকার গ্রহণ করেও প্রচার করার সাহস পায়নি। শেখ রহমান নিজেই নিউইয়র্কে এমন তথ্য জানিয়েছেন। এহেন অবস্থার অবসানে মার্কিন কংগ্রেসের সদয়-সহযোগিতা কামনা করে ৭ জুলাই কংগ্রেসের ফরেন অ্যাফেয়ার্স কমিটির চেয়ারপার্সন কংগ্রেসম্যান (রিপাবলিকান-ফ্লোরিডা) ব্রায়ান মাস্ট, র্যাঙ্কিন মেম্বার কংগ্রেসম্যান (ডেমক্র্যাট-নিউইয়র্ক) গ্রেগরি মিক্স এবং কংগ্রেসনাল বাংলাদেশ ককাসের অন্যতম সদস্য কংগ্রেসওম্যান (ডেমক্র্যাট-নিউইয়র্ক) গ্রেস মেং বরাবরে একটি স্মারকলিপি প্রদান করা হয়েছে। বাংলাদেশের জাতীয় প্রেসক্লাব, বিএফইউজে, ডিউজেসহ প্রথিতযশা সাংবাদিকগণের পৃথক পৃথক বিবৃতির কপি জুড়ে দেয়া হয়েছে ঐ স্মারকলিপিতে।
মিডিয়ার ওপর অযাচিত হস্তক্ষেপ, হুমকি প্রদানের ঘটনার নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে ঐসব বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে, ‘মিডিয়াকে হুমকি প্রদানের ঘটনা এবং মিডিয়াকর্মীদের বিরুদ্ধে হত্যাচেষ্টার অভিযোগে মামলা দায়েরের প্রবণতা জুলাই চেতনার পরিপন্থি।’ নেতৃবৃন্দ বলেছেন, ‘জুলাইয়ের রক্তক্ষয়ী গণ অভ্যুত্থান যেসব কারণে সংগঠিত হয়েছিল, তার অন্যতম ছিল মত প্রকাশ ও সংবাদপত্রের স্বাধীনতা নিশ্চিতকরণ। মিডিয়াকে হুমকি সেই লক্ষ্য অর্জনের অন্তরায় ও হস্তক্ষেপের শামিল।’
বিএফইউজে ও ডিইউজে নেতারা বিবৃতিতে বলেছেন, ‘রোববার রাজশাহীতে এনসিপির শীর্ষ নেতা মিডিয়াকে যে হুমকি দিয়েছেন, তা স্বাধীন সাংবাদিকতার প্রতিবন্ধক। ওই এনসিপি নেতার বক্তব্যে আমরা ফ্যাসিবাদের পদধ্বনি শুনতে পাচ্ছি। মনে রাখতে হবে, সাংবাদিকদের হুমকি কিংবা মব জাস্টিসের জন্য ছাত্র-জনতা জীবন দিয়ে জুলাই অভ্যুত্থান সংঘটিত করেনি।’ তারা বলেন, ‘স্বৈরাচারী শেখ হাসিনার শাসনামলে রুদ্ধ বাকস্বাধীনতা পুনরুদ্ধার ছিল জুলাই অভ্যুত্থানের অন্যতম লক্ষ্য। সেই চেতনা থেকে সরে এসে জুলাই অভ্যুত্থানের অন্যতম প্রধানসহ নেতাদের কেউ কেউ সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে বিষোদ্গার ও হুমকি দিয়ে চলেছেন। সংবাদমাধ্যমকে স্বাধীনভাবে বিকশিত হতে না দিয়ে উল্টো এ ধরনের হুমকি প্রদর্শন নিতান্ত অনভিপ্রেত ও অগ্রহণযোগ্য।’
হুমকিদাতা এনসিপির ওই নেতাকে উদ্দেশ করে সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ বলেন, ‘আপনাকে স্মরণ করিয়ে দিতে চাই যে, পতিত ফ্যাসিস্ট সরকারের সময়ে ৬০ জনের বেশি সাংবাদিক খুন হয়েছেন। শুধু জুলাই বিপ্লবের সময় দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে ছয়জন সাংবাদিক শহীদ হয়েছেন। শুধু তা-ই নয়, জুলাই-আগস্টে ছাত্রদের আন্দোলনের সমর্থনে সাংবাদিকরা নিয়মিত রাজপথের আন্দোলনে সক্রিয় ছিলেন।’ বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, ‘জুলাইয়ের রক্তক্ষয়ী ছাত্র-জনতার গণ অভ্যুত্থান যেসব কারণে সংঘটিত হয়েছিল, তার অন্যতম উদ্দেশ্য ছিল মত প্রকাশ ও সংবাদপত্রের স্বাধীনতা নিশ্চিতকরণ। আজ এনসিপি নেতা সাংবাদিকদের যে হুমকি দিয়েছেন তা জুলাই বিপ্লবের চেতনাবিরোধী। জুলাই বিপ্লবের একজন ছাত্রনেতার কাছে এটা আমাদের প্রত্যাশিত ছিল না।’ নেতারা বলেন, ‘সাংবাদিকদের অধিকার রক্ষা ও মত প্রকাশের স্বাধীনতা অর্জনের ঐতিহ্যবাহী প্ল্যাটফর্ম হিসেবে আমরা অতীতেও এ ধরনের অযাচিত ও অন্যায় হস্তক্ষেপ মেনে নিইনি, এখনো মেনে নেব না।’ সংশ্লিষ্ট মহলকে এ ধরনের তৎপরতা থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়ে নেতারা বলেন, ‘মিডিয়ার ভূমিকা সম্পর্কে কারও কোনো আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সেগুলোর প্রতিবিধানের জন্য আইন, আদালত ও প্রেস কাউন্সিলের শরণাপন্ন হতে পারেন। কিন্তু এ ধরনের আইন হাতে তুলে নেওয়ার প্রবণতা নিন্দনীয়।’
কারাবান্দি সাংবাদিকদের জামিন দাবি, গণমাধ্যমকে হুমকি, সাংবাদিকদের হয়রানির ঘটনায় অর্ধ শতাধিক সাংবাদিক অপর এক যুক্ত বিবৃতিতে নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন। তারা বলেন, দেশ এখন মব সন্ত্রাসের কাছে জিম্মি। দেশের বিভিন্ন গণমাধ্যমকে হুমকি ও সংবাদমাধ্যমের কার্যালয়ে হামলার প্রতিবাদ এবং কারাবন্দী সাংবাদিকদের জামিন দাবিতে প্রদত্ত এই বিবৃতিতে সাংবাদিকদের নামে হত্যা মামলা, চাকরিচ্যুতি, সাংবাদিক হত্যা, নির্যাতন ও হয়রানির প্রতিবাদ জানানো হয়েছে। একইসঙ্গে ১১ মাস ধরে তালাবদ্ধ ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের (ডিইউজে) কার্যালয় খুলে দেওয়ারও দাবি জানানো হয়েছে। গণমাধ্যমে এই বিবৃতিটি পাঠিয়েছেন বেঙ্গল নিউজ টোয়েন্টিফোরের সম্পাদক তৈমুর ফারুক তুষার।
বিবৃতিতে বলা হয়, ‘আমরা বিভিন্ন গণমাধ্যমের সাংবাদিকরা গভীর উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ্য করছি, দেশ এখন মব সন্ত্রাসের কাছে জিম্মি। গণমাধ্যমও এই জিম্মি দশার বাইরে নয়। সাংবাদিকদের নামে হত্যা মামলা, চাকরিচ্যুতি, সংবাদমাধ্যমের কার্যালয়ে হামলা, সাংবাদিক হত্যা ও নির্যাতনের মতো ঘটনাগুলোর কারণে সাংবাদিক সমাজ এক ভীতিকর পরিস্থিতির মধ্যে রয়েছে। দেশের একাধিক শীর্ষ সংবাদপত্রের কার্যালয়ের সামনে মব সন্ত্রাসীরা গরু জবাই করে জিয়াফতের মতো ঘটনা ঘটিয়েছে। প্রকাশ্যে ঘোষণা দিয়ে চিহ্নিত মব সন্ত্রাসীরা এসব ঘটনা ঘটিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু এদের আইনের আওতায় আনা হচ্ছে না। ফলে এটি ধারণা করা অমূলক নয় যে, ক্ষমতাধর কোনো মহল এসবে পৃষ্ঠপোষকতা দিচ্ছে।’
এতে বলা হয়, ‘দেশি বিদেশি গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদ এবং অধিকার কর্মীদের দাবি অনুসারে, গত বছরের জুলাই থেকে ডিসেম্বরের মধ্যে ১০ জন সাংবাদিক নিহত হয়েছেন। গত ১১ মাসে সারা দেশে ঢালাও হত্যা মামলাসহ নানা হয়রানিমূলক মামলায় আসামি হয়েছে অন্তত ৪১২ জন সাংবাদিক। গ্রেপ্তার করা হয় ৩৯ জন সাংবাদিককে। ১৬৮ সাংবাদিকের প্রেস অ্যাক্রেডিটেশন কার্ড বাতিল করেছে তথ্য মন্ত্রণালয়। জাতীয় প্রেসক্লাবসহ সারা দেশের প্রেসক্লাবগুলো থেকে ১০১ জন সাংবাদিকের সদস্যপদ স্থগিত, বাতিল কিংবা বহিষ্কার করা হয়েছে। বিদেশ ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞার মুখোমুখি হয়েছেন তিন শতাধিক সাংবাদিক। শতাধিক সাংবাদিকের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট জব্দ করা হয়েছে। গত ১১ মাসে সহস্রাধিক সাংবাদিক চাকরিচ্যুত হয়েছেন। মব সন্ত্রাসের মাধ্যমে গণমাধ্যম ও সাংবাদিকদের সংগঠনগুলো দখল করা হয়েছে। ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন (ডিইউজে) কার্যালয় ১১ মাস ধরে তালাবদ্ধ করে রাখা হয়েছে।’
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘দেশের প্রত্যেক নাগরিকের আইনি প্রতিকার বা জামিন পাওয়ার অধিকার রয়েছে। কিন্তু অজ্ঞাত কারণে কারাগারে বন্দি সাংবাদিকরা সে অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। বিনাবিচারে মাসের পর মাস কারাবন্দি আছেন সাংবাদিকরা। এগুলো মানবাধিকারের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। আমরা আশা করেছিলাম, অন্তর্র্বতী সরকার দলমতের ঊর্ধ্বে উঠে এই মব সন্ত্রাস নিয়ন্ত্রণে আনবে, গণমাধ্যম কর্মীদের নানা ট্যাগ দিয়ে জুলুম, হয়রানির শিকার হওয়া থেকে রক্ষা করবে, চাকরির সুরক্ষা দেবে। যাতে করে সাংবাদিকরা নির্ভয়ে বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতা করতে পারেন। কিন্তু অন্তর্র্বতী সরকার ক্ষমতা গ্রহণের প্রায় এক বছর পেরিয়ে গেলেও পরিস্থিতির তেমন কোনো উন্নতি ঘটছে না। ফলে আমরা গভীরভাবে উদ্বিগ্ন।’
এতে বলা হয়, ‘আমরা সব সাংবাদিক হত্যা ও নির্যাতনের বিচার, সাংবাদিক হয়রানির নিন্দা এবং কারাবন্দি সাংবাদিকদের জামিনের দাবি জানাচ্ছি। সরকারের প্রতি আমাদের আহ্বান, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত ও সাংবাদিকদের হয়রানি বন্ধ করুন। গণমাধ্যমকে যারা প্রকাশ্যে হুমকি দিচ্ছে, ভয় দেখানোর চেষ্টা করছে, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করুন। রাজনৈতিক ট্যাগ দিয়ে সাংবাদিকদের কণ্ঠ থামিয়ে দেওয়ার চেষ্টা পরিহার করুন।’
এই বিবৃতিতে সই করেছেন (জ্যেষ্ঠতার ক্রমানুসারে নয়) ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের ( ডিইউজে) সাবেক সভাপতি আবু জাফর সূর্য, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) সাবেক সভাপতি ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ শুকুর আলী শুভ, সিনিয়র সাংবাদিক নজরুল কবীর, বাংলা ইনসাইডারের প্রধান সম্পাদক সৈয়দ বোরহান কবির, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের (ডিইউজে) সাধারণ সম্পাদক আকতার হোসেন, ঢাকা সাব-এডিটরস কাউন্সিলের (ডিএসইসি) সাবেক সভাপতি জাকির হোসেন ইমন, টিভি ক্যামেরাজার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের (টিসিএ) সভাপতি মোহাম্মদ ফারুক হোসেন (তানভীর), ডিআরইউয়ের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ও দৈনিক মুখপাত্রের সম্পাদক শেখ জামাল, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের (বিএফইউজে) যুগ্ম মহাসচিব মহসিন কাজী, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের (বিএফইউজে) সহ-সভাপতি মাহমুদুল আলম নয়ন, সিনিয়র সাংবাদিক ও মুক্তিযুদ্ধ গবেষক জামাল উদ্দিন, খুলনা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি সাঈদুজ্জামান সম্রাট, ব্রাক্ষণবাড়িয়া সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি দীপক চৌধুরী বাপ্পি, ব্রাহ্মণবাড়িয়া সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক ফরহাদুল ইসলাম পারভেজ, চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি রিয়াজ হায়দার চৌধুরী, সিনিয়র সাংবাদিক নিজামুল হক বিপুল, জাতীয় প্রেস ক্লাবের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. আশরাফ আলী, সিনিয়র সাংবাদিক মাইনুল হোসেন পিন্নু, গাজীপুর সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সালাম শান্ত, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের (ডিইউজে) সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক খায়রুল আলম, সিনিয়র সাংবাদিক তৌফিক মারুফ, সিনিয়র সাংবাদিক রিয়াজুল বাশার, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের (ডিইউজে) কোষাধ্যক্ষ সোহেলী চৌধুরী, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের (ডিইউজে) সাংগঠনিক সম্পাদক গোলাম মুজতবা ধ্রুব, টেলিভিশন প্রডিউসার অ্যাসোসিয়েশনের (টিপিএ) সাধারণ সম্পাদক ইসরাফিল শাহীন, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের (ডিইউজে) সাবেক আইন সম্পাদক সাইফ আলী, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের (ডিইউজে) সাবেক প্রচার সম্পাদক রাজু হামিদ, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের (ডিইউজে) সাবেক জনকল্যাণ সম্পাদক জুবায়ের চৌধুরী, ঢাকা সাব-এডিটরস কাউন্সিলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এ কে এম ওবায়দুর রহমান, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের (ডিইউজে) সাবেক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক রেজাউল করিম রেজা, ফ্রিল্যান্স সাংবাদিক সাজেদা পারভীন, সকলের সংবাদের সিনিয়র রিপোর্টার মো. রমজান আলী, দৈনিক ঢাকার প্রধান প্রতিবেদক গাজী তুষার আহমেদ, জিটিভির ওয়ারেচ্ছুন্নবী খন্দকার, সকাল সন্ধ্যার প্রদীপ চৌধুরী, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) সাবেক নারী বিষয়ক সম্পাদক ঝর্ণা মনি, সিনিয়র সাংবাদিক ইখতিয়ার উদ্দিন, বগুড়া সাংবাদিক ইউনিয়নের (বিইউজে) সভাপতি জে এম রউফ, স্বাধীনতা সাংবাদিক পরিষদের সদস্য সচিব হামিদ মোহাম্মদ জসিম, বাংলাদেশ সেক্রেটারিয়েট রিপোর্টার্স ফোরামের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সিদ্দিকুর রহমান, গাজীপুর সাংবাদিক ইউনিয়নের সহ-সভাপতি মো. আলমগীর হোসেন, সিনিয়র সাংবাদিক শামীমা দোলা, সিনিয়র সাংবাদিক এ জেড এম সাজ্জাদ হোসেন সবুজ, সিনিয়র সাংবাদিক ফারজানা বিনতে হোসাইন (ফারজানা শোভা), সিনিয়র সাংবাদিক রফিকুল ইসলাম সুজন, বেঙ্গল নিউজ টোয়েন্টিফোরের সম্পাদক তৈমুর ফারুক তুষার, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের (ডিইউজে) নির্বাহী পরিষদ সদস্য নাসরীন গীতি, ল’ রিপোর্টার্স ফোরামের সাবেক সভাপতি শামীমা আক্তার, বাংলাদেশ সংবাদপত্র পরিষদের (বিএসপি) সাধারণ সম্পাদক ও দৈনিক জাতীয় অর্থনীতির সম্পাদক ও কিবরিয়া চৌধুরী, পলিটিক্যাল রিপোর্টার্স ফোরামের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম ও ঢাকা সাব এডিটরস কাউন্সিলের সাবেক প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক এম জহিরুল ইসলাম।
Posted ৮:৫৪ পূর্বাহ্ণ | মঙ্গলবার, ০৮ জুলাই ২০২৫
nyvoice24 | New York Voice 24
এ বিভাগের আরও খবর