নিজস্ব প্রতিনিধি
প্রিন্ট
বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬ সর্বশেষ আপডেট : ৩:২০ অপরাহ্ণ
মৃত্যুর কারণ উদঘাটনে পুলিশী তৎপরতা। ইনসেটে ফাবি।
নিজস্ব প্রতিনিধি
১৪ অক্টোবর বুধবার সন্ধ্যা ৬টা ৫৫মিনিটে ৯১১ এ ফোন করেই জানানো হলো, ‘আমি আমার কন্যাকে হত্যা করেছি’। এরপর মহিলাটির দেয়া তথ্য অনুযায়ী কুইন্সের রিচমন্ড হিলে ৯৫ এভিনিউর নিকটে ১১০ স্ট্রিটের বাসায় গিয়ে পুলিশ মুমূর্ষাবস্থায় ৫ বছর বয়েসী শিশুটিকে উদ্ধার করে নিকটস্থ জ্যামাইকা হাসপাতালে নেয়। জরুরী বিভাগে চিকিৎসা শুরুর সময়েই শিশুটি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে। পুলিশ জানায় শিশুটির নাক ও মুখ দিয়ে প্রচুর রক্ত ঝরেছে। অপরদিকে, টেলিফোনকারি ৩০ বছর বয়েসী নারীকে গ্রেফতার করে মানসিক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। পরদিন বৃহস্প্রিতিবার ঐ বাড়ির বাইরে শিশুটির পিতা এবং ঐ নারীর সাবেক বয়ফ্রেন্ড কুলদ্বীপ সিং-এর সাক্ষাৎ পায় তদন্ত কর্মকর্তারা। কুলদ্বীপ উল্লেখ করেন যে, আমি কখনোই ভাবতে পারি না যে, তিনি তার কন্যাকে এভাবে মেরে ফেলতে পারেন। ৩৬ বছর বয়েসী কুলদ্বীপ সিং উবার চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করছেন। কন্যাকে তিনি ‘ফাবি’ বলে ডাকতেন। সপ্তাহখানেক আগে তাকে আমার কাছে এনেছিলাম। খুবই উৎফুল্ল দেখেছি। সেপ্টেম্বরে ফাবি কিন্ডারগার্টেন ক্লাসে যাওয়া শুরু করেছে। তাকে নতুন পোশাক কিনে দিয়েছি।
প্রতিবেশী লুইস স্যালমন পেরেজ (৬০) জানান যে তার নাতনী প্রায়ই ফাবির সাথে খেলতো। ফাবি খুবই হিাসি-খুশীতে মেতে থাকতো। তবে মাস ছয়েক আগে ফাবির মায়ের মধ্যে কিছুটা পরিবর্তন দেখেছেন। বিষন্নতায় আক্রান্ত বলে মনে হয়েছে।
সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, বৃহস্প্রতিবার অপরাহ্নে ফাবির লাশ মেডিকেল এক্সামিনারের দফ্তরে ছিল। ময়নাতদন্তের পরই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা সম্ভব হবে বলে তদন্ত কর্মকর্তারা জানান।
Posted ৩:২০ অপরাহ্ণ | বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
nyvoice24 | New York Voice 24