Blog

  • যুুক্তরাষ্ট্র আদালতে ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মামলা খারিজ

    যুুক্তরাষ্ট্র আদালতে ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মামলা খারিজ

    যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগান ইস্টার্ন ডিস্ট্রিক্ট কোর্টে বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহম্মদ ইউনূসের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মামলাটি খারিজ হয়েছে। ১৬ জানুয়ারি ডিস্ট্রিক্ট কোর্টের জজ রোবার্ট জে হোয়াইট খারিজের এই আদেশ প্রদান করেছেন এবং খারিজের কপি ২৯ জানুয়ারি এ সংবাদদাতার হস্তগত হয়েছে। এটি ছিল দেওয়ানি মামলা এবং শুনানীর পর অপরাধের গুরুত্ব অনুযায়ী ক্ষতিপূরণের ব্যাপারটি নির্দ্ধারিত হবার কথা। এতদসত্বেও কোন ধরনের শুনানী ছাড়াই কেন মামলাটি খারিজ করা হলো-এমন প্রশ্নের উত্তরে ঐ আদালতের একজন কর্মকর্তা মামলার নথি উদ্ধৃত করে এ সংবাদদাতাকে জানান যে, প্রচলিত রীতি অনুযায়ী মামলা দায়ের করার সময় ফি হিসেবে ৪০২ ডলার দিতে হয়। এজন্যে বাদি রাব্বি আলমকে ৩ ডিসেম্বর পর্যন্ত সময় দেয়া হয়েছিল। কিন্তু কোন সাড়া পাওয়া যায়নি বিধায় ৬০ দিন পর তা খারিজের আদেশ দেয়া হয়েছে।

    উল্লেখ্য, ২:২৪-সিভি-১৩০৫০ আরজেডব্লিউ-এপিপি নম্বরের মামলাটি গত বছর ১৫ নভেম্বর দায়ের করেছিলেন মিশিগানের বাসিন্দা এবং বঙ্গবন্ধু পরিষদ থেকে বহিষ্কৃত, পরবর্তীতে আওয়ামী লীগে যোগদানকারি রাব্বি আলম এবং তার দুই ভাই রিজভি আলম ও শেরে রাসু আলম। মামলা দায়েরের পর গত ২৪ নভেম্বর নিউইয়র্ক সিটির জ্যাকসন হাইটসে একটি পার্টি হলে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে রাব্বি আলম জানিয়েছিলেন যে, ‘অবৈধভাবে ক্ষমতা দখল করে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনুস সাধারণ মানুষের জীবনের শান্তি স্বস্তি কেড়ে নিয়েছে। দেশব্যাপী হত্যা অগ্নিসংযোগ লুটপাট শুরু করেছে।’ রাব্বী আলম আরো বলেন, ‘তিনি এ মামলাটি দায়ের করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের ইস্টার্ণ ডিস্ট্রিক্ট অব মিশিগানের আদালতে। প্রায় ৪ সপ্তাহ পরে গত ২০ নভেম্বর মামলাটি আদালতে নথিভুক্ত করা হয়েছে। (যার নম্বর- ২:২৪-সিভি-১৩০৫০০)। উক্ত মামলাটি বিচারের দায়িত্বভার পেয়েছেন বিচারক রবার্ট জে পিটার।’ এক প্রশ্নের জবাবে রাব্বী আলম বলেছিলেন যে, ‘এ মামলার সঠিক রায় হলে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে ক্ষমতাচ্যুত করে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে আবারও ক্ষমতায় বসানো সম্ভব হবে।’

    নিউইয়র্কে সংবাদ সম্মেলনে রাব্বি আলম (বাম থেকে দ্বিতীয়)। ছবি-এনওয়াইভয়েস২৪।

    অভিযোগ রয়েছে যে, সংবাদ সম্মেলনের মধ্যদিয়ে রাব্বি আলম দেশ ও প্রবাস থেকে মোটা অংকের তহবিল সংগ্রহ করেছেন মামলাটি পরিচালনার জন্যে। অথচ মাত্র ৪০২ ডলারের ফি তিনি আদালতে জমা দেননি। এর আগের বছর অর্থাৎ ২০২৩ সালের ২৬ জুন এই রাব্বি আলম মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের বিরুদ্ধে একই আদালতে ৫:২৩-সিভি-১১৫২৩-জেইএল-ইএএস নম্বরের মামলা করেছিলেন। সেটিও ফি ছাড়াই প্রদান করা হয়েছিল। এবং দুদিন পর তা মাননীয় আদালত উল্লেখ করেছিলেন। এরপরই রাব্বি আলম ও তার অপর দু’ভাই মামলাটি প্রত্যাহারের আবেদন জানিয়েছিলেন এবং একই বছরের ২ আগস্ট মাননীয় জজ জুডিথ ই লেভি মামলাটি খারিজের আদেশ দিয়েছেন। উল্লেখ্য, এই মামলা সাবমিটের পর কোর্ট থেকে মামলার নম্বর পেয়েই গণমাধ্যমে বলেছিলেন যে, বাংলাদেশের বিরুদ্ধে জো-বাইডেনের কাছে রিপাবলিকান ৬ কংগ্রেসম্যানের দেয়া বানোয়াট ও উদ্দেশ্য প্রনোদিত প্রায় ৪০টি অভিযোগের কোন প্রকার তদন্ত ছাড়াই একতরফাভাবে র‌্যাবের বিরুদ্ধে ভিসা নীতি আরোপ করে বাংলাদেশের উন্নয়ন বাধাগ্রস্থ, ১৮কোটি জনগণকে অপমান, অর্থনৈতিক ক্ষতি সাধন করেছেন বাইডেন ও তার সরকার। যা ক্রিমিনাল অপরাধ।এ জন্যই তিনি একজন সচেতন নাগরিক, দায়িত্ববোধ ও দেশের সুনাম তথা জনগনের স্বার্থেই এমন মামলা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এই মামলায় যুক্তরাষ্ট্র সরকারের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক দ:ুখ প্রকাশের পাশাপাশি বাংলাদেশের বিরুদ্ধে আরোপিত ভিসানীতি দ্রুত প্রত্যাহার চাওয়া হয়েছিল। অনুসন্ধানে জানা গেছে, এই মামলা পরিচালনার জন্যেও তদানিন্তন প্রধানমন্ত্রীর গ্রীণ সিগন্যালে মোটা অংকের তহবিল সংগ্রহ করেছিলেন রাব্বি আলম। এখানেই শেষ নয়, রাব্বি আলম ৬ কংগ্রেসম্যানের বিরুদ্ধেও একই আদালতে মামলা করেছিলেন ২০২৩ সালের ১০ জুলাই (৪:২৩-সিভি-১১৬৪০-এসডিকে-এপিপি)। কংগ্রেসম্যানরা ছিলেন ব্যারি মোর, টিমোথি ফ্লয়েড বারসেট, কিইথ সেল্্ফ, ওয়ারেন ডেভিডসন এবং বব গুড। এ মামলার জন্যে অবশ্য ৪০২ ডলারের ফি প্রদান করা হয়েছিল ২৫ জুলাই। মামলায় কংগ্রেসম্যানরা প্রেসিডেন্ট বাইডেনকে ২০২৩ সালের মে মাসে প্রেরিত এক পত্রে বাংলাদেশে মানবাধিকার লংঘনসহ ক্ষমতাসীন সরকারের বিরুদ্ধে অনেক অপকর্ম ও অনিয়মের অভিযোগ উল্লেখ করেছিলেন। মামলায় রাব্বি আলম দাবি করেন যে, ঐসব অভিযোগের কোন সত্যতা নেই। বাংলাদেশের উন্নয়নকে থামিয়ে দিয়ে গণতন্ত্র ও সুশাসনকে নিশ্চিহ্ন করার অভিপ্রায়ে মহলবিশেষের স্বার্থে কংগ্রেসম্যানরা মিথ্যার অবতারণা করেছেন-যা গুরুতর অপরাধের সামিল। এই মামলার পরিপ্রেক্ষিতে কংগ্রেসম্যানরা আদালতের কাছে পাল্টা প্রশ্ন রাখেন যে, কংগ্রেসম্যানদের বক্তব্য-বিবৃতির ব্যাপারে মিশিগানের এই ডিস্ট্রিক্ট কোর্টের বিচারের কোন এখতিয়ার আছে কিনা। এরপর বাদি রাব্বি আলমের কাছে থেকে মামলাটি পরিচালনার সমর্থনে সঠিক কোন বক্তব্য না পেয়ে গত বছরের ৩০ মে ডিস্ট্রিক্ট কোর্টের জজ সেলিনা ডি কুমার বিবাদিগণের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে মামলাটি খারিজের আদেশ দিয়েছেন।

    ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে মামলাটি ত্রুটিপূর্ণ, তা জানিয়ে দেয়া হয় বাদিকে। ছবি-এনওয়াইভয়েস২৪।

    ‘ওরা প্রধানমন্ত্রীর লোক’ আল জাজিরা কর্তৃক বাংলাদেশ নিয়ে প্রচারিত একটি অনুসন্ধানী প্রামাণ্যচিত্র ২০২১ সালের ১ ফেব্রুয়ারিতে প্রচারের পর এই রাব্বি আলম ও তার ভাইয়েরা বাদি হয়ে একই মাসের ২২ তারিখে মিশিগান ইস্টার্ন ডিস্ট্রিক্ট কোর্টে (২:২১-সিভি-১০৩৮৯-এলভিপি-এপিপি) মামলা করেন এবং ঐ অনুষ্ঠানের খেসারত হিসেবে ৫০০ মিলিয়ন ডলারের ক্ষতিপূরণ ছাড়াও প্রচারিত তথ্যচিত্রটি ওয়েবসাইট থেকে সরিয়ে নেয়ার দাবি তোলা হয়। মামলার সংবাদ জানাতে নিউইয়র্কে ঐ বছরের ১ মার্চ সংবাদ সম্মেলনে কথিত মামলার বাদি হিসেবে আরো মঞ্চে ছিলেন আওয়ামী লীগ নেতা হিন্দাল কাদির বাপ্পা এবং জেড চৌধুরী জয়। মামলার বিবাদীরা ছিলেন- আল জাজিরা ইংলিশ, সাংবাদিক কনক সারোয়ার, ইলিয়াস হোসেন, দেলোয়ার হোসেন, জুলকার নাইন সায়ের এবং ডেভিড বার্গম্যান ও আল-জাজিরা মিডিয়া নেটওয়ার্ক। এই মামলাটির ফি প্রদান করা হলেও পরবর্তিতে মামলাটির শুনানীর মধ্যেই বাদি পক্ষ থেকে খারিজের আবেদন জানানো হয় ঐ বছরেরই ৫ আগস্টে। এবং সে অনুযায়ী একইদিন মাননীয় জজ লিন্ডা ভি পারকার খারিজের আদেশ দেন। সে সময়ে চাঞ্চল্যকর এই সংবাদের বিরুদ্ধে আদালতে যাবার কথা জানিয়ে ক্ষমতাসীন সরকারের শীর্ষ পর্যায়ের গ্রীণ সিগন্যালে মোটা অংক হাতিয়ে নেন মামলার বাদিরা-এমন কথা ব্যাপকভাবে চাউড় হয়েছিল।

    দায়েরকৃত প্রতিটি মামলার এক নম্বর বাদি রাব্বি আলম নিজেই আইনজীবী হিসেবে তা সাবমিট করেছিলেন। নিজের মামলা নিজে পরিচালনা করা গেলেও অন্য বিবাদিগণের প্রতিনিধিত্ব করার আইনগত অধিকার একজন অ-আইনজীবীর নেই বলে অভিজ্ঞ এটর্নীরা এ সংবাদদাতাকে জানিয়েছেন। সরেজমিনে তদন্তকালে আরো জানা গেছে, রাব্বি আলম নিজেকে ‘ডক্টর’ হিসেবে দাবি করেন, কখনো ‘এটর্নী’ আবার কখনো মার্কিন সেনাবাহিনীর ‘মেজর জেনারেল’ হিসেবে পরিচিতি দেন। জানা গেছে, বাংলাদেশের স্পর্শকাতর ইস্যুকে পুঁজি করে তিনি মামলার তামাশা করেছেন। যুক্তরাষ্ট্রের আদালতে সংক্ষুব্ধ যে কোন ব্যক্তি একটি আবেদন সাবমিট করলেই নম্বর দেয়া হয়। রিসিভিং এই নম্বর অর্থাৎ ইনডেক্স নম্বরটিকেই রাব্বি আলম মিডিয়ার কাছে মামলার ভিত্তি হিসেবে উপস্থাপন করেন এবং তা প্রচারের পরই নিজের স্বার্থ হাতিয়ে নেয়ার কাজ শুরু করেন। জানা গেছে, রাব্বি আলমের এহেন কর্মকান্ড সম্পর্কে প্রবাসের দলমত-নির্বিশেষে সকলেই অবহিত হলেও অতি সম্প্রতি তাকে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে মনোনয়ন দেয়া হয়েছে। অথচ এর আগে অর্থাৎ ২০২৩ সালে রাব্বি আলমকে বঙ্গবন্ধু পরিষদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে এবং এ ব্যাপারে বঙ্গবন্ধু পরিষদের কেন্দ্রীয় পরিষদের সভাপতি অধ্যাপক আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক ও সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক আ ব ম ফারুক ২০২৩ সালের ৬ জুলাই এক বিবৃতিতে রাব্বি আলমের সাথে বঙ্গবন্ধু পরিষদের আর কোন ধরনের সম্পর্ক থাকলো না বলে উল্লেখ করে তার সঙ্গে সাংগঠনিক কোন কাজ না করার জন্যেও সবার প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন।

    বঙ্গবন্ধু পরিষদ, মিশিগান ইউনিটের সভাপতি আহাদ আহমেদ ২৯ জানুয়ারি এ সংবাদদাতার সাথে কথা প্রসঙ্গে বলেন, দেশ ও দলের এই ক্রান্তিকালে নিউইয়র্কের কিছু তথাকথিত নেতা, হাইব্রীড বহিরাগতদেরকে মুনাফার বিনিময়ে দলিয় পদপদবি দিয়ে দল ও দেশের ক্ষতিকারক কাজ একের পর এক করিয়ে নিচ্ছে। কিছু বললেই তারা হাই কমান্ডের দোহাই দেন। এদের প্রতিটি কথাবার্তা কার্য্যক্রম উন্মাদের মত । দল এবং দেশকে আবার ট্র্যাকে ফিরিয়ে আনতে সুচিন্তিত এবং সুপরিকল্পিত কার্যক্রমের বিকল্প নেই বলে মন্তব্য করেছেন আহাদ আহমেদ।

    মামলা দায়েরের ফি না পেয়ে ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে মামলাটি খারিজ করেন মাননীয় জজ। ছবি-এনওয়াইভয়েস২৪।

    এভাবে একেরপর এক মামলার নামে তামাশা করার পরিপ্রেক্ষিতে মিশিগান ডিস্ট্রিক্ট কোর্টে কম্যুনিটির ইমেজ প্রশ্নবিদ্ধ হচ্ছে বলে মন্তব্য করেন আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল বার এসোসিয়েশনের পরিচালক ও ডেমক্র্যাটিক পার্টির নেতা এটর্নী মঈন চৌধুরী। ২৯ জানুয়ারি সন্ধ্যায় এ সংবাদদাতাকে মঈন চৌধুরী বলেন, আমেরিকা হচ্ছে আইনের দেশ। এদেশে যদি কেউ সংক্ষুব্ধ হয় তাহলে তার মামলা করার অধিকার আছে। তবে যিনি মামলা করবেন তার সে অধিকার বা এখতিয়ার আছে কিনা, তাকে কেউ নিয়োগ দিয়েছে কিনা, কোন এটর্নী নিয়োগ দেয়ার আগে দেখা হয় যে, তার সে অধিকার আছে কিনা। তবে বিশেষ বিশেষ ক্ষেত্রে মামলা করতে স্বীকৃত এটর্নী লাগবেই। এরপর হচ্ছে যে, কি কারণে মামলা করতে চাচ্ছেন। রাব্বি আলমের মামলার ঘটনাবলিতে যা দেখলাম তাতে তার কোন স্ট্যান্ডিং পজিশন নেই। তাকে কেউ নিয়োগও করেনি। স্বেচ্ছাপ্রণোদিতভাবে নিজে নিজেই মামলা করেছেন এবং সাথে রেখেছেন ভাই-আত্মীয়-স্বজন। স্বজনের কেউ আবার এদেশে থাকেন না। এটর্নী মঈন বলেন, মামলার বিবাদি/গণের কাছে মামলার নোটিশ যথাযথভাবে পাঠাতে হয়। সবচেয়ে বড় কথা হচ্ছে মামলা পরিচালনার জন্যে আইন সম্পর্কে জ্ঞান থাকা লোকজন তথা লাইসেন্সধারি এটর্নীর বিকল্প নেই। প্রেসিডেন্ট, কংগ্রেসম্যান, প্রধান উপদেষ্টার মত গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিবর্গের বিরুদ্ধে মামলার নামে তামাশার পরিণতি কী হতে পারে-সে ধারণা থাকা জরুরী সংশ্লিষ্টদের।

    যুক্তরাষ্ট্র বঙ্গবন্ধু পরিষদের সভাপতি ও বিজ্ঞানী বীর মুক্তিযোদ্ধা নুরুন্নবী ২৯ জানুয়ারি এ সংবাদাতাকে জানান, রাব্বি আলম মিথ্যাচার আর ভন্ডামিতে এতটাই বেপরোয়া হয়েছেন যে, এখোন তিনি নিজেকে ইউএস আর্মির মেজর জেনারেল হিসেবে পরিচিতি দিতেও কুন্ঠা করছেন না। গত ৯ জানুয়ারি সন্ধ্যায় ‘জয় বাংলা ব্রিগেড’র জুম মিটিংয়ের প্রচারণায় নিজেকে ‘মেজর জেনারেল ডা. রাব্বি আলম পিএইচডি’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

    যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের শীর্ষস্থানীয় এক নেতা নাম গোপন রাখার শর্তে এ সংবাদদাতাকে জানান, শেখ হাসিনা টেলিফোনে বক্তব্য দেবেন এবং সেজন্যে আয়োজকদের বিশেষ প্রক্রিয়া অবলম্বনের কথা বলে দেশ ও প্রবাস থেকে এক কোটি টাকার চাঁদা সংগ্রহ করেছেন এই রাব্বি আলম। এর আগে ড. ইউনূস, জো বাইডেন এবং আল জাজিজরার বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের খরচ বাবদ মোটা টাকা উত্তোলন করেছেন। তিনিও বিতশ্রদ্ধ এই ভন্ড-প্রতারক আর মিথ্যাচারে সিদ্ধহস্ত ব্যক্তির আচরণে। এই নেতা হাই কমান্ডের মনোভাব প্রসঙ্গে দু:খ করে আরো জানালেন যে, ‘ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে আপনারা কেউই তো কিছু করেননি। উনি অন্তত: একটি মামলা তো করেছেন’। এমন মন্তব্য দলের শীর্ষ পর্যায়ের কারো কাছে এই দু:সময়েও শুনতে হয়-এর চেয়ে দুর্ভাগ্যের আর কী থাকতে পারে-উল্লেখ করেন এই নেতা।

    Facebook Comments Box
  • এনওয়াইপিডির ইন্সপেক্টর হলেন বাংলাদেশি আব্দুল্লাহ

    এনওয়াইপিডির ইন্সপেক্টর হলেন বাংলাদেশি আব্দুল্লাহ

    বিশ্বের সেরা পুলিশ বিভাগ হিসেবে পরিচিত এনওয়াইপিডির ইন্সপেক্টর পদে পদোন্নতি পেলেন বাংলাদেশি-আমেরিকান খন্দকার আব্দুল্লাহ। খন্দকার আব্দুল্লাহই প্রথম বাংলাদেশি- আমেরিকান, যিনি নিউইয়র্ক পুলিশের এমন উচ্চপদে আসীন। ইন্সপেক্টর খন্দকার আব্দুল্লাহ নিউইয়র্ক সিটির ৮১ প্রেসিংক্টে কমান্ডিং অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

    বাবা-মায়ের সঙ্গে অভিবাসী হয়ে ১৯৯৩ সালে খন্দকার আব্দুল্লাহ আমেরিকায় আসেন। ক্রিমিন্যাল জাস্টিসে স্নাতক খন্দকার আবদুল্লাহ তাঁর কর্মের জন্য এর মধ্যে পুলিশের অনেকগুলো মেডেল লাভ করেছেন। সিলেটের বালাগঞ্জ থানার তালতলা গ্রামের প্রয়াত খন্দকার মদব্বির আলী ও মুহিবুন্নেসা চৌধুরীর ছেলে খন্দকার আবদুল্লাহ শিশুকালে আমেরিকায় এলেও এখনও সাবলীল বাংলায় কথা বলেন। পরিবার নিয়ে তিনি নিউইয়র্কের লংআইল্যান্ড এলাকায় বসবাস করেন।

    জানা গেছে, ২০০৫ সালের সামারে নিউইয়র্কের পুলিশ বিভাগে যোগ দেন খন্দকার আব্দুল্লাহ। তিনি কলেজে পড়ার সময় জব ফেয়ারে দেখেন এনওয়াইপিডিতে লোক নেয়া হচ্ছে। প্রথমে অনেকটা খেয়ালের বশে তিনি খন্ডকালীন ইন্টার্ন হিসেবে যোগ দেন পুলিশ বিভাগে। ইউনিভার্সিটিতে পড়া অবস্থায় সিদ্ধান্ত নেন পুলিশ ক্যাডেট হিসেবে যোগ দেওয়ার। অভিবাসী পরিবারের সন্তান হিসেবে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীতে নিজের ক্যারিয়ার গড়ে তোলার স্বপ্ন তাঁকে পেয়ে বসে সেই সময়েই। ২০০৭ সালে পুলিশ অফিসার হিসেবে শপথ নেন খন্দকার আব্দুল্লাহ। এরপর নিজের কর্মনিষ্ঠাগুণে অনেকগুলো সিড়ি ডিঙ্গিয়ে ইন্সপেক্টর হিসেবে অভিষিক্ত হচ্ছেন। তার এই পদোন্নতিকে উদযাপনের অনুষ্ঠান হবে শুক্রবার ৩১ জানুয়ারি সকাল ১১টায় নিউইয়র্ক পুলিশের সদর দফতরে।

    Facebook Comments Box
  • ড. ইউনুস সরকারের দুঃশাসন গণমাধ্যমের কণ্ঠরোধ

    ড. ইউনুস সরকারের দুঃশাসন গণমাধ্যমের কণ্ঠরোধ

    ড. ইউনুসের শাসনামলে গণমাধ্যমের অবস্থা ভয়াবহ। সাংবাদিকরা এখন সবচেয়ে বড় টার্গেট। মামলা, গ্রেপ্তার, হত্যার শিকার হচ্ছেন তারা, অথচ খুনিরা মুক্ত। গত পাঁচ মাসে গণমাধ্যমের উপর দমন-পীড়নের মাত্রা চরমে পৌঁছেছে। মামলা, হামলা, গ্রেপ্তার, চাকরিচ্যুতি ও অর্থনৈতিক নিপীড়নের মাধ্যমে সাংবাদিকদের কণ্ঠরোধ করা হচ্ছে। সংবাদপত্র অফিসে হামলা, প্রেস অ্যাক্রিডিটেশন বাতিল ও ব্যাংক অ্যাকাউন্ট জব্দের মাধ্যমে স্বাধীন সাংবাদিকতার পথ বন্ধ করা হয়েছে। গণমাধ্যমের মালিকানাও জোরপূর্বক দখল করা হচ্ছে। আজ সাংবাদিকতা অপরাধের শামিল হয়ে গেছে!

    গত পাঁচ মাসে দেশের গণমাধ্যমকে নিয়ন্ত্রণে নিতে সরকার ভয়ঙ্কর কৌশল নিয়েছে। এর উদাহরণ হিসেবে বলা যায় : ৬০০ সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলা। ৫০ গণমাধ্যম ও প্রেস অফিসে হামলা। ৬ সাংবাদিক হত্যা। ১৮ সাংবাদিক গ্রেপ্তার। ১০০ সাংবাদিক আহত। ১০০০ সাংবাদিক চাকরিচ্যুত বা পদত্যাগে বাধ্য করা। ৯৬ সাংবাদিকের আর্থিক বিবরণী চাওয়া। ১৬৮ জনের প্রেস অ্যাক্রিডিটেশন বাতিল। ১৮ সাংবাদিকের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট জব্দ। ৮৩ জনের প্রেস ক্লাব সদস্যপদ বাতিল। বেশিরভাগ মিডিয়া হাউসের মালিকানা জোরপূর্বক দখল।

    এটাই কি গণমাধ্যমের স্বাধীনতা? সরকার যেন সত্য বলার পথ সম্পূর্ণরূপে বন্ধ করে দিতে চায়। সাংবাদিকরা আজ সবচেয়ে বড় ঝুঁকির মুখে। যদি স্বাধীন সাংবাদিকতা এভাবে নিঃশেষ হয়ে যায়, তবে দেশ ও জনগণের জন্য অন্ধকার ভবিষ্যৎ অপেক্ষা করছে।

    Facebook Comments Box
  • ফেব্রুয়ারিতে আওয়ামী লীগের আন্দোলন-কর্মসূচি আর হরতাল

    ফেব্রুয়ারিতে আওয়ামী লীগের আন্দোলন-কর্মসূচি আর হরতাল

    ১৯৭১ সালে আমাদের সুমহান মুক্তিযুদ্ধে বিজয়ী বাংলাদেশ আজ ক্ষত-বিক্ষত, রক্তাক্ত জনপদ। অবৈধ ও অসাংবিধানিক জোরপূর্বক ক্ষমতা দখলদার, ইতিহাসের জঘন্যতম রক্তপিপাসু ফ্যাসিস্ট ইউনূস ও তার দোসরদের সীমাহীন ধ্বংসযজ্ঞ ও তান্ডবে ত্রিশ লক্ষ শহিদের আত্মত্যাগ এবং ২ লক্ষ মা-বোনের সম্ভ্রমহানির বিনিময়ে অর্জিত প্রাণপ্রিয় মাতৃভূমি আজ প্রতিহিংসার দাবানলে দাউ দাউ করে জ্বলছে। উগ্র-জঙ্গিবাদের পৃষ্ঠপোষক ও তার দোসরদের হঠাও ও বাংলাদেশ বাঁচাও। দেশের গণতন্ত্র আজ নির্বাসিত। মানবাধিকার আজ ভূ-লুণ্ঠিত, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা লুপ্ত। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও মূল্যবোধ বিসর্জিত। আইনের শাসন অস্তমিত। এমতাবস্থায় সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর কন্যা, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি জননেত্রী শেখ হাসিনার আহ্বানে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার এবং মহান মুক্তিযুদ্ধের আকাঙ্ক্ষার বাংলাদেশ পুনঃপ্রতিষ্ঠার লক্ষ্য দুর্বার গণ-আন্দোলন গড়ে তুলুন।

    *বেআইনি ও অবৈধ আইসিটি ট্রাইব্যুনালে প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনাসহ অন্যান্যদের বিরুদ্ধে মিথ্যা হত্যা মামলাসহ অন্যান্য মামলা প্রত্যাহার এবং প্রহসনমূলক বিচার বন্ধের দাবিতে, হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টানসহ ধর্মীয় সংখ্যালঘু সম্প্রদায় ও আদিবাসী জাতি গোষ্ঠীর উপর হামলা ও হত্যাযজ্ঞ এবং বিভিন্ন ধর্মীয় উপসনালয়ে হামলা ও ভাঙচুরের প্রতিবাদে, মেটিক্যুলাস ডিজাইনের মাধ্যমে শিশু, ছাত্র-জনতা,পুলিশ বাহিনীর ৩ হাজারের বেশি সদস্য এবং আনসার বাহিনীর সদস্যদের হত্যাসহ সকল হত্যার বিচারের দাবিতে, আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ও দেশব্যাপী খুন-ধর্ষণ-চাঁদাবাজি-ডাকাতি-রাহাজানির প্রতিবাদে এবং জনগণের জানমালের নিরাপত্তার দাবিতে, সারা দেশে হাজার হাজার আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীসহ মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের ব্যক্তিদের গুম, খুন ও হত্যার প্রতিবাদে, দ্রব্যমূল্যের সীমাহীন ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে, ফ্যাসিস্ট ইউনূসের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও কর ফাঁকির মামলা প্রত্যাহার, গ্রামীণ ব্যাংককে ৫ বছরের কর অব্যাহতি প্রদান এবং ভ্যাট-ট্যাক্স বৃদ্ধি করে জনগণের উপর বোঝা চাপানোর প্রতিবাদে, সরকারের প্রতিটি সেক্টরে লাগামহীন দুর্নীতি ও বিদেশে টাকা পাচারের প্রতিবাদে, শেয়ারবাজারে অর্থ কেলেঙ্কারি, ব্যাংকগুলো ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানসমূহ ধ্বংসের প্রতিবাদে, সুফিসাধক, বাউল সঙ্গীত শিল্পী, শিল্পী,সাহিত্যিক, বুদ্ধিজীবী, আইনজীবী, গণমাধ্যম ব্যক্তিত্বের উপর আক্রমণ ও শত শত বছর পুরনো মাজারে হামলা ও ভাঙচুরের প্রতিবাদে, গার্মেন্টসসহ বিভিন্ন শিল্প-কারখানা বন্ধের ফলে নারী শ্রমিকসহ লক্ষ লক্ষ শ্রমিক কর্মহীন হয়ে পড়ার প্রতিবাদে, গণমামলা, নির্বিচারে গণগ্রেফতারের প্রতিবাদে ও রাজবন্দীদের মুক্তির দাবিতে, সর্বোপরি অবৈধ ও অসাংবিধানিক দখলদার খুনি-ফ্যাসিস্ট ইউনূস সরকারের পদত্যাগের দাবিতে ফেব্রুয়ারি মাসে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের গৃহীত কর্মসূচিসমূহ:
    ## ১ ফেব্রুয়ারি, শনিবার থেকে ৫ ফেব্রুয়ারি,বুধবার: লিফলেট বা প্রচারপত্র বিলি।

    ## ৬ ফেব্রুয়ারি, বৃহস্পতিবার : প্রতিবাদ মিছিল ও সমাবেশ।

    ## ১০ ফেব্রুয়ারি, সোমবার : বিক্ষোভ মিছিল সমাবেশ।

    ## ১৬ ফেব্রুয়ারি, রবিবার: অবরোধ কর্মসূচি।

    ## ১৮ ফেব্রুয়ারি, মঙ্গলবার: দেশব্যাপী সকাল-সন্ধ্যা সর্বাত্মক কঠোর হরতাল।
    দেশের মানুষের রাজনৈতিক ও গণতান্ত্রিক অধিকার আদায়ের এ সকল কর্মসূচিতে কোনো প্রকার বাধা প্রদান করা হলে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।

     

    Facebook Comments Box
  • সিলেট ওসমানীকে পূর্ণাঙ্গ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর করার দাবিতে গ্রেটার সিলেট কমিউনিটি ইউকের প্রতিবাদ সমাবেশ

    সিলেট ওসমানীকে পূর্ণাঙ্গ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর করার দাবিতে গ্রেটার সিলেট কমিউনিটি ইউকের প্রতিবাদ সমাবেশ

    “অত্যধিক হারে নো ভিসা ফি বৃদ্ধি ও বিমানের ম্যানচেষ্টার টু সিলেট ফ্লাইট বন্ধের পাঁয়তারার প্রতিবাদে এবং সিলেট ওসমানী বিমান বন্দরকে পূর্ণাঙ্গ আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে পরিণত ও বিদেশী অন্যান্য এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট চালুর দাবীতে ২৮ জানুয়ারী মঙ্গলবার সন্ধ্যায় গ্রেটার সিলেট কমিউনিটি ইউ কে’র সাউথ ইস্ট রিজিওনের পক্ষ থেকে পূর্ব লন্ডনের হোয়াইট চ্যাপেল রোডস্থ রয়েল বেঙ্গলে এক সভার আয়োজন করা হয়। সংগঠনের সাউথ ইস্ট রিজিওনাল কমিটির কনভেনর বিশিষ্ট ব্যাবসায়ী হারুনুর রশিদের সভাপতিত্বে এবং সদস্য সচিব সমাজসেবক মোঃ তাজুল ইসলাম ও কো-কনভেনর বিশিষ্ট ব্যাবসায়ী জামাল হোসেনের যৌথ পরিচালনায় অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন গ্রেটার সিলেট এর প্রেট্রন কমিউনিটি নেতা ও বিশিষ্ট সাংবাদিক কে এম আবু তাহের চৌধুরী। বিশেষ অতিথি হিসেবে গ্রেটার সিলেট কমিউনিটি ইউকের কেন্দ্রীয় কনভেনর কমিউনিটি লিডার মোহাম্মদ মকিস মনসুর, গ্রেটার সিলেটের সাবেক সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা সৈয়দ আব্দুল কাইয়ুম কয়সর, বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ মোস্তফা ,সাবেক স্পীকার আহবাব হোসেন, সাবেক সিভিক মেয়র কাউন্সিলর জোছনা ইসলাম, কবি মুজিবুল হক মনি, কাউন্সিলর সাম ইসলাম , ক্যাম্পেইন কমিটির সচিব মোহাম্মদ আব্দুর রব ও সাবেক ডেপুটি মেয়র মোহাম্মদ শহীদ আলী বক্তব্য রাখেন।

    সভায় বৃটেনের বিভিন্ন শহর থেকে আগত নেতৃবৃন্দের মধ্যে আরও বক্তব্য রাখেন সীপার করিম, আব্দুল মালিক, মুজিবুর রহমান, খান জামাল নুরল ইসলাম ,আব্দুর রহিম রন্জু ,সৈয়দ সায়েম করিম, আব্দুল বাছিত রফি,দেলওয়ার হোসেন দুলু, হেলেন ইসলাম, মিসবাহ আহমেদ, ইভা আহমেদ, শেখ নুরল ইসলাম, মাহমুদুল হাসান এমদাদ, তৌরিছ মিয়া, কামরুল আই রাসেল, আনোয়ার খান, বদর উদ্দিন চৌধুরী বাবর, শাহ আব্দুল ওয়াহাব জাহাঙ্গীর, রাকিব রুহেল, আহমেদ সাদিক, আব্দুল মুকিত, আব্দুল বাছির, বদরুল হক মনসুর, ইকবাল আহমেদ, আলাউদ্দিন, মুক্তার আলী, কামরুল হোসেন, আবুল কালাম আজাদ, সাফি খান, আব্দুল আহাদ, সাব্বির আহমেদ, তাজরুল ইসলাম তাজ, ইসলাম উদ্দিন, ফারুক আহমেদ, দারা মিয়া, টিপু আহমেদ, সারুক মিয়া, পারভেজ আহমেদ, খালিস মিয়া,ও আজাফ আলী, সহ বিভিন্ন শহর থেকে আগত নেতৃবৃন্দ ।

    গ্রেটার সিলেট কমিউনিটি ইউকের প্রতিবাদ সমাবেশে নেতৃবৃন্দ। ছবি-এনওয়াইভয়েস২৪।

    গ্রেটার সিলেট কমিউনিটি ইউকের কেন্দ্রীয় কনভেনর কমিউনিটি লিডার মোহাম্মদ মকিস মনসুর সভায় গৃহীত প্রস্তাবাবলী পাঠ করার পর উপস্থিত সবার সম্মতিক্রমে তা সমথর্ন করে বক্তারা বলেন -বৃটিশ বাংলাদেশীদের পাসপোর্টের জন্য নো ভিসা ফি ৪৬ পাউন্ড থেকে ৭০ পাউন্ডে এক দিনের নোটিশে বৃদ্ধি সম্পূর্ণ অযৌক্তিক ও অগ্রহণযোগ্য । অবিলম্বে তা হ্রাস বা বাতিল করতে হবে । দীর্ঘ ২২ বছরেও ওসমানী বিমান বন্দর কেন পূর্ণাঙ্গ বিমান বন্দর হয়নি এবং কেন কাতার ,আমিরাত সহ অন্য এয়ার লাইন্সের ফ্লাইট উঠানামা করেনা তা প্রবাসীরা জানতে চায় । বক্তারা -বিমানের ভাড়া বৃদ্ধিরও সমালোচনা করে তা কমানোর দাবী জানান । তারা -ম্যানচেষ্টার টু সিলেট ফ্লাইটের ব্যাপারে স্পষ্ট ঘোষণার দাবী জানান ।বক্তারা হুশিয়ারী উচ্চারন করে বলেন, -তাদের দাবী না মানলে রেমিট্যান্স বন্ধ ও বিমান বয়কটের ডাক দেওয়া হতে পারে । সভার শুরুতেই পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত করেন যুবসংগঠক এস কে সালাম ও বাংলা পোষ্টের সাবেক ম্যানেজিং ডাইরেক্টর প্রবাসের মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক আলহাজ্ব এ এস মোহাম্মদ চৌধুরী সিংকাপনী, ও মৌলভীবাজার কচুয়া আল- মনসুর ওয়েলফেয়ার ট্রাষ্ট এর ফাউন্ডার্স ট্রাষ্টি সমাজকর্মী মোহাম্মদ কামাল মনসুর এর মৃত্যুতে ও উনাদের ইসালেহ সোওয়াব উপলক্ষে দোয়া পরিচালনা করেন আলহাজ্ব কে এম আবু তাহের চৌধুরী ।

    শেষে সভার সভাপতি গ্রেটার সিলেট কমিউনিটি ইউ কে’র সাউথ ইস্ট রিজিওনাল কনভেনর বিশিষ্ট ব্যাবসায়ী হারুনুর রশিদ সভা সফল করার জন্য উপস্থিত সবাইকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়ে সংগঠনের আগামী দিনের পথচলায় সবার সহযোগিতা কামনা করেন।

    Facebook Comments Box
  • আটলান্টিক সিটি এডুকেশন বোর্ডের পর্ষদ সভা

    আটলান্টিক সিটি এডুকেশন বোর্ডের পর্ষদ সভা

    নিউজার্সি স্টেটের আটলান্টিক সিটির বোর্ড অব এডুকেশনের পর্ষদ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে ২৮ জানুয়ারি মঙ্গলবার বিকেলে। সিটির আটলান্টিক এভিনিউস্থ সিটি সেন্টার ভবনের বোর্ড অব এডুকেশনের সভাকক্ষে এই পর্ষদ সভা সঞ্চালনা করেন পর্ষদ সচিব। সভাপতি শে স্টিল, সহ-সভাপতি ওয়ালটার জনসন, সুব্রত চৌধুরী, টরেস মেফিল্ড, হলিশা ব্রিজারস, জেফ ডরসি, রন বেইলি উপস্থিত ছিলেন।

    সভার শুরুতে আটলান্টিক সিটি পাবলিক স্কুলের সুপারিনটেনডেন্ট ড: লা কোয়েটা স্মল তার প্রতিবেদন সভায় উপস্থাপন করেন। এছাড়া আটলান্টিক সিটি হাই স্কুলের ছাত্র প্রতিনিধি এবং বিভিন্ন কমিউনিটির লোকজনও পর্ষদ সভায় বক্তব্য রাখেন।

    সভায় অংশগ্রহণকারী পর্ষদ সদস্যরা সভার আলোচ্যসূচী অনুযায়ী বিভিন্ন বিষয়ের উপর সুচিন্তিত মতামত দেন এবং তারই আলোকে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়। পর্ষদ সভায় নিউজার্সি স্টেটের পক্ষে তদারককারী কেরল মরিস, বোর্ড অব এডুকেশনের সলিসিটর, ব্যবসা প্রশাসকবৃন্দসহ বিভিন্ন পদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

    Facebook Comments Box
  • Chhatra Dal demands apology from Chhatra Shibir over derogatory comments about Liberation War

    Chhatra Dal demands apology from Chhatra Shibir over derogatory comments about Liberation War

    The Jatiyatabadi Chhatra Dal has strongly condemned an article published by the Chhatra Sangbad, the monthly journal of the Islami Chhatra Shibir, the student wing of the Jamaat-e-Islami.

    The article, which was part of the December issue, has sparked outrage due to its controversial remarks about the Liberation War and the freedom fighters who participated in it.

    The BNP’s student front in a press statement said Chhatra Dal President Rakibul Islam and General Secretary Nasir Uddin have voiced their outrage over the controversial remarks, denouncing them as an affront to the nation’s history and the sacrifices made by its people.

    Penned by Ahmed Afghani, the article states: “Many Muslims got involved in the Liberation War without any realisation. It was their failure and shortsightedness. May Allah forgive them.”

    Quoting this section of the article, the Chhatra Dal said: “It is a shameful and despicable act.”

    “In fact, the great Liberation War was not a religious war. It was a war of resistance of the oppressed Bangladeshis against the indiscriminate genocide of the oppressive, occupying Pakistani forces. The Liberation War was a true people’s war due to the participation of all people, regardless of religion, caste, and tribe.”

    The student wing strongly criticised the statements made in the article, asserting: “The statement that someone joined the Liberation War by mistake or without understanding is nothing but the arrogance of the defeated forces of 1971 and their allies. It is a tactic to suppress the shame of their own defeat.”

    The organisation accused Chhatra Shibir of engaging in a “senseless propaganda” that would ultimately create a platform for the intellectual rehabilitation of the “fascist” Awami League.

    The press release further pointed out the contradiction in Chhatra Shibir’s actions, noting: “On one hand, Chhatra Shibir holds rallies on Independence and Victory Day with the slogan ‘we brought freedom, we will maintain freedom.”

    “And on the other, in their party publications, they say joining the Liberation War was a mistake and shortsightedness of the people who participated in it.”

    Chhatra Dal concluded that this “hypocrisy” has revealed the true nature of Chhatra Shibir’s stance, claiming that while they publicly support the Liberation War, internally, they harbour the same anti-Liberation War sentiments as Chhatra Shibir’s predecessor, the Chhatra Sangha.

    The BNP’s student wing called for an immediate apology from Chhatra Shibir, demanding that the organisation retract its “objectionable statements” and recognise the “undeniable truth that the Liberation War is central to Bangladesh’s identity and existence”.

    Facebook Comments Box
  • ভারতে মহাকুম্ভ মেলায় পদদলিত হয়ে প্রাণহানি বেড়ে ৪০

    ভারতে মহাকুম্ভ মেলায় পদদলিত হয়ে প্রাণহানি বেড়ে ৪০

    ভারতের উত্তর প্রদেশের এলাহাবাদে মহাকুম্ভ মেলায় পদদলিত হয়ে প্রাণহানির সংখ্যা বেড়ে ৪০-এ গিয়ে দাঁড়িয়েছে। খবর রয়টার্সের

    বুধবার (২৯ জানুয়ারি) ভোরে এ ঘটনা ঘটে বলে নিশ্চিত করেছেন কর্মকর্তারা। কুম্ভমেলায় লক্ষাধিক মানুষের ভিড় হয়। মঙ্গলবার গঙ্গা নদীতে গোসল করতে গিয়ে এ ঘটনা ঘটে।

    জানা গেছে, মর্গে এখন পর্যন্ত ৪০টি মরদেহ এসেছে। ধারণা করা হচ্ছে, এই সংখ্যা আরও বাড়বে।

    দুর্ঘটনার ১২ ঘণ্টা অতিবাহিত হলেও হতাহতের এখনো কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি স্থানীয় কর্তৃপক্ষ। জ্যৈষ্ঠ পুলিশ কর্মকর্তা ভৈবভ কৃষ্ণা জানান, কতজন মারা গেছে তা এখনো নিশ্চিতভাবে বলে যাচ্ছে না। মানুষের ভিড় ব্যবস্থাপনায় আমরা কাজ করছি।

    ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের সঙ্গে কথা বলেছেন এবং তৎকালীন সহায়তা ব্যবস্থা চালু করার আহ্বান জানিয়েছেন।

    বিশ্বের সবচেয়ে বড় মানবসমাবেশ এই হিন্দু উৎসবে গত দুই সপ্তাহে ইতোমধ্যে প্রায় ১৪৮ মিলিয়ন মানুষ অংশ নিয়েছেন। কর্মকর্তারা আশা করেছিলেন, এবার প্রায় ১০০ মিলিয়ন মানুষ এই পবিত্র স্নান করতে আসবেন, যেহেতু এটি একটি বিরল আকাশগঙ্গা অ্যালাইনমেন্টের কারণে সবচেয়ে শুভ দিন, যা ১৪৪ বছর ধরে চলে আসছে।

    হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা বিশ্বাস করেন, গঙ্গা, যমুনা এবং মিথ্যাবাদী, অদৃশ্য সরস্বতী নদীর সংমিশ্রণে স্নান করলে তারা তাদের পাপমুক্ত হয়ে মরণজন্মের চক্র থেকে মুক্তি পান।

    সাধু রবিশঙ্কর পুরী বলেছেন, আমাদের সব সন্ন্যাসী ও সাধু স্নানের জন্য প্রস্তুত ছিল, কিন্তু যখন আমরা এই ঘটনায় অবহিত হলাম, তখন আমরা আমাদের স্নান বাতিল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।

    Facebook Comments Box
  • শিগগিরই বাংলাদেশ-পাকিস্তানের মধ্যে সরাসরি ফ্লাইট চালু

    শিগগিরই বাংলাদেশ-পাকিস্তানের মধ্যে সরাসরি ফ্লাইট চালু

    আগামী কয়েক মাসের মধ্যেই পাকিস্তান সঙ্গে সরাসরি ফ্লাইট চালু হতে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন দেশটিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন।

    ২৮ জানুয়ারি (মঙ্গলবার) ইসলামাবাদ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (আইসিসিআই)-এর সভাপতি নাসির মনসুর কোরেশির সঙ্গে এক বৈঠকে তিনি এই তথ্য জানান। খবর ডনের

    বৈঠকে বাংলাদেশি হাইকমিশনার বলেন, আগামী কয়েক মাসের মধ্যে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে সরাসরি ফ্লাইট শুরু হতে পারে, যা দুই দেশের মধ্যে সংযোগ বৃদ্ধি এবং অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক সম্পর্ক আরো শক্তিশালী করবে।

    তিনি আরো জানান, ঢাকা, করাচি ও লাহোরের মধ্যে কার্গো ফ্লাইটও শিগগিরই চালু হবে, যা বাণিজ্য ও ব্যবসায়িক বিনিময়কে আরো সহজ করবে।

    এ সময় পাকিস্তানের সাথে ব্যবসায়িক অংশীদারিত্ব জোরদার করতে বাংলাদেশের প্রতিশ্রুতি এবং পাকিস্তানি নাগরিকদের জন্য অনলাইনে বাংলাদেশের ভিসা পাওয়ার সহজ প্রক্রিয়ার কথা তুলে ধরেন ইকবাল হোসেন।

    বাংলাদেশি হাইকমিশনার জানান, উভয় দেশের ব্যবসায়ীদের জন্য সমৃদ্ধির লক্ষ্যে যৌথ উদ্যোগে স্বাক্ষর করার ব্যাপক সুযোগ রয়েছে, যা বাণিজ্য ও বিনিয়োগের বিশাল সম্ভাবনা তুলে ধরে।

    ইসলামাবাদ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি নাসির মনসুর কোরেশি জানান, তিনি সম্ভাব্য বিনিয়োগকারীদের একটি প্রতিনিধিদল নিয়ে যত দ্রুত সম্ভব ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই) এবং অন্যান্য সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সঙ্গে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করার লক্ষ্যে বাংলাদেশ সফর করতে চান।

    Facebook Comments Box
  • সীমান্ত সম্মেলনে বাংলাদেশের ‘টোন’ হবে ভিন্ন: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

    সীমান্ত সম্মেলনে বাংলাদেশের ‘টোন’ হবে ভিন্ন: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

    আসন্ন সীমান্ত সম্মেলনে বাংলাদেশের ‘টোন’ ভিন্ন হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট জেনারেল মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।

    বিজিবি-বিএসএফের মহাপরিচালক পর্যায়ের এ সম্মেলনে ভারতের সঙ্গে আলোচ্যসূচির বিষ‌য়ে বৈঠ‌ক শে‌ষে বুধবার (২৯ জানুয়ারি) সচিবালয়ে সাংবা‌দিক‌দের এক প্রশ্নের জবা‌বে তি‌নি এ কথা জানিয়েছেন।

    সীমান্ত স‌ম্মেল‌নের আলোচনার বিষয়বস্তুর ম‌ধ্যে এবার নতুনত্ব কিছু দেখছি না, সাংবাদিকদের এমন কথার জবা‌বে উপদেষ্টা বলেন, “আপনি নতুনত্ব কোনটা চাচ্ছেন। নতুনত্ব হলো ওটা, আগে যেভাবে কথাটা বলত, এবার কথার টোন ভিন্ন হবে।”

    আগামী ১৭ থেকে ২০ ফেব্রুয়ারি ভারতের নয়াদিল্লিতে ৫৫তম বিজিবি-বিএসএফ মহাপরিচালক পর্যায়ের সীমান্ত সম্মেলনে বাংলাদেশ-ভারত সীমান্ত সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করার লক্ষ্যে বুধবার প্রস্তুতিমূলক আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা করা হয়। স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার সভাপতিত্বে সভায় অংশ নেন সংশ্লিষ্ট সব মন্ত্রণালয় এবং দপ্তর/সংস্থার প্রধানরা।

    সভায় সীমান্ত হত্যা, জিরো লাইনের ১৫০ গজের মধ্যে ভারতের কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণ, চোরাচালান, অবৈধ অনুপ্রবেশ, মানবপাচার, নদীর পানির সুষম বণ্টন, নদী থেকে পানি উত্তোলন, পানি চুক্তি বাস্তবায়ন এবং নদীতীর সংরক্ষণমূলক কাজসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনার মাধ্যমে সীমান্তের সকল সমস্যা সমাধানে কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।

    আসন্ন সীমান্ত সম্মেলনে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে কী কী বিষয়ে আলোচনা করা হবে, সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়াই ছিল আজকের এ সভার মূল উদ্দেশ্য।

    সীমান্ত সম্মেলনে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) প্রতিনিধি ছাড়াও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ জরিপ অধিদপ্তর, ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তর এবং যৌথ নদী কমিশনের প্রতিনিধিরা অংশ নেবেন।

    এর আগে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে সীমানা নির্ধারণ এবং উভয় দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর দায়িত্ব পালন সংক্রান্ত বিষয়ে বিভিন্ন সময়ে উভয় দেশের মধ্যে মোট চারটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। চুক্তিগুলো হলো:

    ক। ল্যান্ড বাউন্ডারি অ্যাগ্রিমেন্ট, ১৯৭৪ (ব্রাইফ অ্যান্ড ডিসপোজাল অব এনক্লেভস অ্যান্ড ডিসপিউটেড ল্যান্ডস)।

    খ। জয়েন্ট ইন্ডিয়া-বাংলাদেশ গাইডলাইন ফর বর্ডার অথরিটিজ-১৯৭৫ (বর্ডার ম্যানেজমেন্ট গাইডলাইনস)।

    গ। ল্যান্ড বাউন্ডারি অ্যাগ্রিমেন্ট প্রটোকল-২০১১ (এক্সচেঞ্জ অব এনক্লেভস/ডিসপোজাল অব ডিসপিউটেড ল্যান্ডস)।

    ঘ। কো-অর্ডিনেটেড বর্ডার ম্যানেজমেন্ট প্ল্যান (সিবিএমপি)-২০১১ (বর্ডার প্যাট্রলিং, ফ্ল্যাগ মিটিং অ্যান্ড কনফিডেন্স বিল্ডিং মেজারস)।

    এছাড়াও, উভয় দেশের প্রয়োজনে জিরো লাইন থেকে ১৫০ গজের মধ্যে যেকোনো উন্নয়নমূলক কাজ সম্পন্ন করার ক্ষেত্রে একে-অপরের সম্মতি গ্রহণের বাধ্যবাধকতা আছে।

    ভারতে অনুষ্ঠিতব্য সম্মেলনে সীমান্ত সংক্রান্ত ‌১২টি ইস‌্যু নি‌য়ে আলোচনা হবে। যেমন:
    ক। বিএসএফ/ভারতীয় নাগরিক/ভারতীয় দুষ্কৃতকারী কর্তৃক সীমান্ত হত্যা/সীমান্তে নিরস্ত্র বাংলাদেশি নাগরিকদের ওপর গুলি চালানো বন্ধ করা।

    খ। বিএসএফ/ভারতীয় নাগরিক কর্তৃক বাংলাদেশি নাগরিকদের ধরে নিয়ে যাওয়া/আটক বন্ধ করা।

    গ। বিএসএফ/ভারতীয় নাগরিক কর্তৃক সীমানা লংঘন/অবৈধ পারাপার/অনুপ্রবেশ বন্ধ করা।

    ঘ। ভারত থেকে বাংলাদেশে ইয়াবা ও ফেন্সিডিলসহ বিভিন্ন প্রকার অবৈধ মাদকদ্রব্য, অস্ত্র ও গোলাবারুদ এবং বিস্ফোরক দ্রব্য চোরাচালান প্রতিরোধ।

    ঙ। সীমান্তের ১৫০ গজের মধ্যে ভারত কর্তৃক অনুমোদনহীন উন্নয়নমূলক অবকাঠামো নির্মাণকাজ এবং বিএসএফের বাধায় বন্ধ থাকা বাংলাদেশ পার্শ্বের উন্নয়নমূলক কাজ নিষ্পত্তি করা।

    চ। আগরতলা থেকে আখাউড়ার দিকে বর্জ্য পানি প্রবাহিত হয়, এরকম চারটি খালে পানি শোধনাগার স্থাপন।

    ছ। বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তবর্তী নদীগুলোর পানির সুষম বণ্টন, নদী থেকে পানি উত্তোলন, পানি চুক্তি বাস্তবায়ন এবং রহিমপুর খালের মুখ পুনঃউন্মুক্তকরণ।

    জ। বিএসএফ/ভারতীয় নাগরিক/ভারতীয় দুষ্কৃতকারী/অপরাধী কর্তৃক আন্তর্জাতিক সীমানা লংঘন করে অবৈধভাবে বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ রোধ করা।

    ঝ। বিতর্কিত মুহুরীর চর এলাকায় বর্ডার পিলার স্থাপনের মাধ্যমে সীমানা নির্ধারণ করা।

    ঞ। বাংলাদেশের বর্তমান বিরজমান পরিস্থিতি নিয়ে ভারতীয় গণমাধ্যম, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে গুজব ছড়ানো বন্ধ করা।

    ট। সীমান্ত ব্যবস্থাপনা ও সীমান্ত সম্পর্কিত সমস্যা সমাধানের জন্য ‘কার্যকর সমন্বিত সীমান্ত ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা’ কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করা।

    ঠ। পারস্পারিক আস্থা ও সৌহার্দ্য বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ।

    Facebook Comments Box
  • আওয়ামী লীগের ফেব্রুয়ারি মাসের কর্মসূচি ঘোষণা

    আওয়ামী লীগের ফেব্রুয়ারি মাসের কর্মসূচি ঘোষণা

    বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ আগামী ফেব্রুয়ারি মাসে একাধিক রাজনৈতিক কর্মসূচি ঘোষণা করেছে। দলের পক্ষ থেকে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, আগামী ফেব্রুয়ারিতে বিভিন্ন প্রতিবাদী কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হবে, যার মধ্যে লিফলেট বিতরণ, মিছিল, সমাবেশ, অবরোধ এবং হরতালের মতো কর্মসূচি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

    কর্মসূচির বিস্তারিত
    ১ ফেব্রুয়ারি, শনিবার থেকে ৫ ফেব্রুয়ারি, বুধবার: দলীয় নেতাকর্মীরা দেশে ও শহরে লিফলেট বা প্রচারপত্র বিলি করবেন।
    ৬ ফেব্রুয়ারি, বৃহস্পতিবার: প্রতিবাদ মিছিল এবং সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে।
    ১০ ফেব্রুয়ারি, সোমবার: বিক্ষোভ মিছিল এবং সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে।
    ১৬ ফেব্রুয়ারি, রবিবার: দল অবরোধ কর্মসূচি পালন করবে।
    ১৮ ফেব্রুয়ারি, মঙ্গলবার: দেশব্যাপী সকাল-সন্ধ্যা সর্বাত্মক কঠোর হরতাল কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে।

    সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরো জানানো হয়েছে যে, এসব কর্মসূচি দেশের মানুষের রাজনৈতিক ও গণতান্ত্রিক অধিকার আদায়ের জন্য অনুষ্ঠিত হবে। কোনো প্রকার বাধা প্রদান করা হলে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।

    দলের পক্ষ থেকে দেশব্যাপী কর্মসূচি প্রচারের জন্য নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।

    Facebook Comments Box
  • উচ্চস্বরে মিউজিক: রুমমেটের ছুরিকাঘাতে যুবকের মৃত্যু

    উচ্চস্বরে মিউজিক: রুমমেটের ছুরিকাঘাতে যুবকের মৃত্যু

    উচ্চস্বরে গান বাজানোর বিরোধে ১৬ বছরের এক রুমমেট কর্তৃক ২৪ বছর বয়েসী এক যুবককে ছুরিকাঘাতে হত্যার মামলা হয়েছে।

    পুলিশ জানায়, নিউইয়র্ক সিটির কুইন্সের করোনায় ৩৫ এভিনিউ এবং ১০২ স্ট্রিটে ২৬ জানুয়ারি রোববার ভোর ৬টার দিকে বাইরন লিমা নাউলা (২৪) ছুরিকাঘাতে আহত হন। অ্যাম্বুলেন্সে তাকে দ্রুত নিকটস্থ এলমহার্স্ট হাসপাতালে নেয়া হলেও তাকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি। এরপর ঘাতক হিসেবে ঐ তরুণকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে। বয়সের কারণে তার নাম প্রকাশ করেনি তদন্ত কর্মকর্তারা। অকুস্থল থেকে রক্তাক্ত ছুরিটিও পুলিশ উদ্ধার করেছে।

    নিকট প্রতিবেশীরা জানান, ঐ বাসায় মাঝেমধ্যেই বারবিকিউ পার্টি হয়। সেখানে তরুণ-তরুণী ছাড়াও বয়স্করা অংশ নিয়ে থাকেন। কিন্তু এমন নৃশংসতা আগে ঘটেনি।

    Facebook Comments Box
  • ট্রাম্পের আরেকটি নির্দেশনা আটকে দিল ফেডারেল কোর্ট

    ট্রাম্পের আরেকটি নির্দেশনা আটকে দিল ফেডারেল কোর্ট

    গরিব আমেরিকানদের পেটে লাথি দেয়ার পাশাপাশি ক্যান্সার-সহ জটিল রোগে আক্রান্ত স্বল্প ও মাঝারি আয়ের আমেরিকানদের চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত করার মত প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের ভয়ংকর অমানবিক একটি নির্বাহী আদেশ সম্বলিত স্মারকের বিরুদ্ধে সাময়িক নিষেধাজ্ঞা দিল ওয়াশিংটন ডিসির ফেডারেল আদালত। সোমবার রাতে জারিকৃত দুই পাতার ঐ স্মারকটি সর্বত্র বিতরণ করা হয় হোয়াইট হাউজের বাজেট অফিস থেকে। সেখানে বলা হয়েছিল যে, ২৮ জানুয়ারি মঙ্গলবার বিকেল ৫টায় কার্যকর হবে ঐ স্মারকে উল্লেখিত নির্দেশাবলী। অর্থাৎ গরিব আমেরিকানদের পুষ্টিকর খাদ্য ক্রয়ে সহায়তার ‘ফুডস্ট্যাম্প’, স্বল্প আয়ের রোগীদের চিকিৎসা-সেবার জন্যে মেডিকেইড/হেল্্থ ইন্স্যুরেন্স, স্বল্প আয়ের মানুষের বাড়ি-ভাড়ার ভর্তুকি, হেল্্থ হোমকেয়ার সার্ভিস বন্ধ হয়ে যাবে। এবং সে অনুযায়ী সবকিছু বন্ধের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিল ৮ কোটিরও অধিক আমেরিকানকে চরম অনিশ্চয়তায় নিপতিত করে। সর্বত্র হতাশার পাশাপাশি ক্ষোভের বিস্তারও ঘটছিল। এমনি অবস্থায় ওয়াশিংটন ডিসিতে ফেডারেল কোর্টে ট্রাম্প প্রশাসনের এই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে একটি মামলার পরিপ্রেক্ষিতে নির্দেশনাটির বিরুদ্ধে সাময়িক নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। মঙ্গলবার নিউইয়র্ক, নিউজার্সি, পেনসিলভেনিয়াসহ আরো ২০ স্টেটের এটর্নী জেনারেলরাও সম্মিলিতভাবে আরেকটি মামলা করেছেন। সেটিরও একই নির্দেশনা এসেছে বলে জানা গেছে। আইনী লড়াইয়ের পাশাপাশি কংগ্রেসের উভয়কক্ষে ডেমক্র্যাটিক পার্টির নেতারাও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন এমন অমানবিক আচরণের জন্যে। সিনেটর চাক শ্যুমার এবং কংগ্রেসম্যান হাকিম জেফরি আলাদা আলাদা সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন, কংগ্রেসে পাশ হওয়া জনগুরুত্বপূর্ণ কোন আইনকে হঠাৎ করে থামিয়ে দেয়ার আইনগত এখতিয়ার নেই প্রেসিডেন্টের। বুধবার উভয় কক্ষের ডেমক্র্যাট সিনেটর ও কংগ্রেসম্যানরা যৌথ সভা ডেকেছেন ট্রাম্পের এহেন গণবিরোধী আচরণ রুখে দেয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্যে।

    দ্বিতীয় মেয়াদের প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ গ্রহণের পর বেশ কিছু আদেশ জারি করেছেন ডনাল্ড ট্রাম্প এবং প্রতিদিনই অসংখ্য আদেশ জারি করছেন। সেসব নির্দেশের প্রায় সবগুলোই ট্রাম্পের নির্বাচনী অঙ্গিকারের পরিপূরক। কিন্তু ফুডস্ট্যাম্প, মেডিকেইড, হেল্্থ হোমকেয়ার সার্ভিস, নার্সিং হোম, বাড়ি ভাড়ার ভর্তুকি, স্টুডেন্ট লোন, স্কলারশিপসহ ফেডারেল প্রশাসনের প্রদত্ত সকল অর্থ বন্ধের এই নির্দেশনাটি সকলকে চমকে দিয়েছে। সোস্যাল সিকিউরিটি ও মেডিকেয়ার সার্ভিস ছাড়া অন্যসকল প্রোগ্রাম থেকেই ফেডারেল প্রশাসনকে গুটিয়ে নেয়ার ঘোষণা দেয়া হয় ঐ নির্দেশে। জানা গেছে, ৪ কোটি ২১ লাখ আমেরিকান পুষ্টিকর খাদ্য ক্রয়ের জন্যে ‘ফুডস্ট্যাম্প’ খাতে প্রতিমাসে ফেডারেল থেকে মাথাপিছু ২১১ ডলার করে পাচ্ছেন। এটি বন্ধ করা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের মোট জনসংখ্যার ৯২% চিকিৎসা-সেবা বাবদ হেল্্থ ইন্স্যুরেন্সের সুবিধা পাচ্ছেন। এই চিকিৎসা-সেবার বড় একটি অংশ আসে ফেডারেল অনুদান থেকে। অসুস্থ পিতা-মাতা-ভাই-বোনকে নিজ বাসায় চিকিৎসা-সেবা প্রদান করেও মোটা অর্থ আয় করছেন কয়েক কোটি আমেরিকান। এর বড় একটি অংশ হচ্ছেন জুইশ, রাশিয়ান, চীনা এবং বাংলাদেশী। এই হোমকেয়ার খাতের পুরো অর্থ আসে ফেডারেল অনুদান থেকে। এ ধরনের আরো কিছু অত্যাবশ্যকীয় সার্ভিস বন্ধের নির্দেশনা ছিল ঐ স্মারকে। তাই, মাননীয় আদালতের সাময়িক স্থগিতাদেশেও স্বস্তি পাচ্ছে না স্বল্প ও মাঝারি আয়ের মানুষেরা। টাম্পের এমন গণবিরোধী আচরণকে স্থায়ীভাবে রুখে দিতে ডেমক্র্যাটরা প্রকাশ্যে এবং অনেক রিপাবলিকান কংগ্রেসম্যানও গোপনে মাঠে নেমেছেন। কারণ, এই নির্দেশনা কার্যকরী হলে দু’বছর পর মধ্যবর্তী নির্বাচনে এর প্রভাব পড়বে।
    হোয়াইট হাউজের ম্যানেজমেন্ট ও বাজেট অফিসের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক ম্যাথিউ ভেইথ স্বাক্ষরিত ঐ স্মারকে উপরোক্ত খাতের বরাদ্দ বাতিলের কথা রয়েছে।

     

    Facebook Comments Box
  • ভিন্নমতের ২০ লাখ কর্মকর্তা-কর্মচারীকে পদত্যাগের আহ্বান ট্রাম্প প্রশাসনের

    ভিন্নমতের ২০ লাখ কর্মকর্তা-কর্মচারীকে পদত্যাগের আহ্বান ট্রাম্প প্রশাসনের

    প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের রাজনৈতিক এজেন্ডাসমূহ বাস্তবায়নে স্বাচ্ছন্দবোধ করবে না-এমন ফেডারেল কর্মচারিদেরকে অবিলম্বে পদত্যাগের আহবান জানিয়ে মঙ্গলবার হোয়াইট হাউজ থেকে একটি সার্কুলার বিতরণ করা হয়েছে। এই আহ্বানে যারা ৬ ফেব্রুয়ারির মধ্যে সাড়া দেবে তাদেরকে আগামী সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বেতন দিয়ে অবসরে পাঠানো হবে। ক্ষমতাসীন প্রেসিডেন্টের নির্দেশে বিব্রতবোধকারি ফেডারেল কর্মকর্তা-কর্মচারীকে সরিয়ে দেয়ার এই প্রক্রিয়াকে জায়েজ করতে ট্রাম্প প্রশাসন যুক্তি দেখাচ্ছে যে, এত কর্মচারীর দরকার নেই। এখন অনেক কিছুই প্রযুক্তির মাধ্যমে করা যাচ্ছে। এছাড়া, ভিন্নমতের কর্মচারি রেখে রিপাবলিকান প্রেসিডেন্টের রাজনৈতিক এজেন্ডা বাস্তবায়িত করা অসম্ভব হয়ে উঠবে। প্রথম মেয়াদে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প তা উপলব্ধি করেছেন প্রতিটি কাজে-এমন কথা গণমাধ্যমে বলেছেন রিপাবলিকান নীতি-নির্দ্ধারকেরা।

    জানা গেছে, ফেডারেল প্রশাসনের ২০ লাখ কর্মকর্তা-কর্মচারি এমন টার্গেটে রয়েছেন। এদেরকে ডেমক্র্যাট-শিবিরের লোক হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে রিপাবলিকান শিবির থেকে। ই-মেলে বিলি করা ঐ সার্কুলারের শিরোনাম হচ্ছে ‘ফোর্ক ইন দ্য রোড’। অফিসের জনবল হ্রাসের অভিপ্রায়ে ইতিমধ্যেই ট্রাম্পের লোকজন অনেককে বরখাস্তের একটি তালিকা তৈরী করেছে। সেটি হাতে রেখেই বরখাস্তের অপবাদের চেয়ে স্বেচ্ছায় পদত্যাগের অপশন দেয়া হলো বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন। ই-মেলে উল্লেখ করা হয়েছে, ফেডারেল প্রশাসনের সর্বস্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীকে প্রেসিডেন্টের প্রতি অনুগত থাকা জরুরী। তাহলে সব কাজই সহজে সম্পন্ন করা যায়। আর যারা সকল কাজেই বাধা হয়ে দাড়ায় তারা আসলে অনৈতিক পন্থা অবলম্বনে চেষ্টা করেন। তাদেরকে যথাযথ প্রক্রিয়ায় বরখাস্তের বিকল্প থাকে না। কিন্তু ট্রাম্প প্রশাসন সে পথে না হেঁটে স্বেচ্ছায় বিদায় নেয়ার পথ সুগম করে দিল এবং চলতি অর্থ বছরের শেষ দিন পর্যন্ত তারা বেতন-ভাতাসহ কর্মস্থল ছাড়তে পারবেন সসম্মানে।

     

     

    Facebook Comments Box
  • অবৈধ অভিবাসী তাড়ানোর অভিযানের ৮ দিনে গ্রেফতার ৫৫০০: এটর্নী পরামর্শ নেয়ার আহ্বান

    অবৈধ অভিবাসী তাড়ানোর অভিযানের ৮ দিনে গ্রেফতার ৫৫০০: এটর্নী পরামর্শ নেয়ার আহ্বান

    অবৈধ অভিবাসীদের গ্রেফতার অভিযানের অংশ হিসেবে ২৮ জানুয়ারি মঙ্গলবার নিউইয়র্ক সিটির ব্রঙ্কসেও অভিযান চালিয়ে অন্তত: ২০জনকে গ্রেফতারের তথ্য দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। এই অভিযানের সময় আইস, এফবিআইসহ বিভিন্ন সংস্থার লোকজনের সাথে ছিলেন হোমল্যান্ড সিকিউরিটি মন্ত্রী ক্রিস্টি নয়েমও। সুসজ্জিত বাহিনীর অর্ধ শতাধিক সদস্যের এ অভিযানে আশেপাশের বাসা-অফিস-ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ভীতি ছড়িয়ে পড়েছিল। কিন্তু অযথা কাউকে হয়রানির তথ্য পাওয়া যায়নি। অভিযানের আগেই গুরুতর অপরাধী অবৈধ অভিবাসীদের অবস্থান নিশ্চিত হয় বলে জানা গেছে। ব্রঙ্কসের ৩টি এপার্টমেন্ট ভবনে অভিযান পরিচালনা করা হয়। উল্লেখ্য, ২০ জানুয়ারি শপথ গ্রহণের পরই প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প অবৈধ অভিবাসীদের গ্রেফতার অভিযান শুরু করেছেন। গুরুতর অপরাধী অভিবাসী হিসেবে প্রথম টার্গেট হচ্ছে বেআইনীভাবে সীমান্ত অতিক্রমকারিরা। এরপর রয়েছে দন্ডিত অপরাধিরা। সে অনুযায়ীই এ যাবত সাড়ে ৫ হাজার জনকে গ্রেফতারের তথ্য দিয়েছে আইস (ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট)। অভিযানে সহায়তা দিচ্ছে হোমল্যান্ড সিকিউরিটি ইনভেস্টিগেশন টাস্কফোর্স (আইটিএফ)।

    ব্রঙ্কসের অগডেন এভিনিউতে আইসের গ্রেফতার অভিযান। ছবি-এনওয়াইভয়েস২৪।

    গ্রেফতার অভিযানে সন্ত্রস্ত্র কম্যুনিটিকে অভয় দিতে আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল বার এসোসিয়েশনের পরিচালক এটর্নী মঈন চৌধুরী ২৮ জানুয়ারি এ সংবাদদাতাকে বলেন, যারা কোন প্রোগ্রামে আবেদন করেছেন-তারা অবৈধ হিসেবে চিহ্নিত হবেন না। তবে যাদের বিরুদ্ধে কোর্ট থেকে বহিষ্কারের আদেশ জারি হয়েছে তারা অবশ্যই চলতি অভিযানের টার্গেট। কারণ, তারা হলেন ফেরার। আর যারা মেক্সিকো সীমান্ত অতিক্রম করেছে বেআইনীভাবে-তারাও এই অভিযানের টার্গেট। চলতি গ্রেফতার ও বহিষ্কার অভিযানে শংকিত না হয়ে নিজ নিজ এটর্নীর পরামর্শ অনুযায়ী নিজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা উচিত।

    ছবির ক্যাপশন-আইস-ব্রঙ্কস-১
    ব্রঙ্কসে অভিযানের সময় সাথে ছিলেন হোমল্যান্ড সিকিউরিটি মন্ত্রীও। ছবি-এনওয়াইভয়েস২৪।
    ছবির ক্যাপশন-আইস-ব্রঙ্কস-২
    ব্রঙ্কসের অগডেন এভিনিউতে আইসের গ্রেফতার অভিযান। ছবি-এনওয়াইভয়েস২৪।

     

    Facebook Comments Box