Blog

  • সচিবালয়ে আগুনের ঘটনা তদন্তে ৭ সদস্যের কমিটি

    সচিবালয়ে আগুনের ঘটনা তদন্তে ৭ সদস্যের কমিটি

    রাজধানীর সেগুনবাগিচায় সচিবালয়ের ৭ নম্বর ভবনে আগুনের ঘটনা তদন্তে কমিটি গঠন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৬ ডিসেম্বর) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত অফিস আদেশ জারি করা হয়েছে।

    মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (জেলা ও মাঠপ্রশাসন) মোহাম্মদ খালেদ রহীমকে কমিটির আহ্বায়ক করা হয়েছে। এ কমিটির সদস্য-সচিব হবেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধি (যুগ্মসচিব পদমর্যাদার নিচে নয়)।

    সদস্য হিসেবে থাকবেন- জননিরাপত্তা বিভাগের প্রতিনিধি (যুগ্মসচিব পদমর্যাদার নিচে নয়), দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধি (যুগ্মসচিব পদমর্যাদার নিচে নয়), স্থানীয় সরকার বিভাগের প্রতিনিধি (যুগ্মসচিব পদমর্যাদার নিচে নয়), ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের প্রতিনিধি এবং ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদফতরের প্রতিনিধি।

    সাত সদস্যের ওই কমিটিকে আগামী সাত কর্মদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দেয়ার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। কমিটির কার্যপরিধিতে বলা হয়, অগ্নিকাণ্ডের উৎস ও কারণ উদঘাটন, অগ্নি দুর্ঘটনার পেছনে কারো ব্যক্তিগত বা পেশাগত দায়দায়িত্ব আছে কি না তা উদ্‌ঘাটন, এ জাতীয় দুর্ঘটনা প্রতিরোধ করতে সুপারিশ প্রেরণ। কমিটি প্রয়োজনে এক বা একাধিক সদস্য কো-অপ্ট করতে পারবে।

    বুধবার (২৫ ডিসেম্বর) দিবাগত রাত ১টা ৫২ মিনিটে সচিবালয়ের ৭ নম্বর ভবনে আগুনের ঘটনা ঘটে। এতে ভবনের ষষ্ঠ, সপ্তম, অষ্টম ও নবম তলা পুড়ে গেছে। ফায়ার সার্ভিসের ১৯টি ইউনিটের চেষ্টায় সাড়ে ৬ ঘণ্টা পর আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসে। প্রাথমিকভাবে আগুন লাগার কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ জানা যায়নি।

    Facebook Comments Box
  • ফ্যামিলি নাইটে সিটি হাউজিং অথরিটির বাংলাদেশী কর্মকর্তারা

    ফ্যামিলি নাইটে সিটি হাউজিং অথরিটির বাংলাদেশী কর্মকর্তারা

    নিউইয়র্ক সিটি হাউজিং অথরিটিতে বাংলাদেশী-আমেরিকান কর্মকর্তাদের উদ্যোগে ২১ ডিসেম্বর শনিবার জ্যামাইকার তাজমহল পার্টি হলে এক ফ্যামিলি নাইট অনুষ্ঠিত হয়। কর্মকর্তাদের পরিবার-পরিজন সহ প্রায় দুই শতাধিক প্রবাসীর সমাগম ঘটেছিল। গল্প,গান, বক্তৃতা, ছড়া ও নৃত্যের আমেজে অনুষ্ঠানটি হিমেল হাওয়া আর হাড় কাঁপানো শীতেও একটি বাঙালি উৎসবে পরিণত হয়িছিল। ফ্যামিলি নাইটের আমেজে হরেক রকমের সুস্বাদু বাঙালি খাবার পরিবেশিত হয়-যা অংশগ্রহণকারিগণকে গভীর মমত্ববোধে জাগ্রত করে। পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত করেন মোহাম্মদ মহসিন জামান এবং গীতা পাঠ করেন বিধান চন্দ্র পাল এবং এর মধ্যদিয়েই আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয় মূল অনুষ্ঠান। তারপরেই বাংলাদেশ এবং যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় সংগীত পরিবেশিত হয়। বিজয়ের মাস ডিসেম্বর উপলক্ষে সবাই সকল শহীদের আত্মার শান্তি কামনা এবং শ্রদ্ধা জানাতে দাঁড়িয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।

    উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক কামাল হোসেন মিঠুর সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব মোঃ আসাদুজ্জামান ও সুব্রত তালুকদারের যৌথ পরিচালনায় প্রথমেই স্বাগত বক্তব্য রাখেন আহ্বায়ক কামাল হোসেন মিঠু। এরপর বক্তব্য রাখেন সৈয়দ রহমান মিজান, ফরিদা ইসলাম, আইরীন ইয়াসমীন, রাশেদ মামুন, নাজমুল ইসলাম, ডালি আকতার, সলিমউল্লাহ চৌধুরী, শেখ শহীদ , সানাউল হক, আকতার হোসেন, মোহাম্মদ রহিম পলাশ, অনুপমা দেবনাথ, রিজওয়ানা রাশিদ। অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন মীর মাহমুদ, কামাল আহমেদ, আতাউর চৌধুরী , মহসিন জামান, খন্দকার আমিরুল ইসলাম প্রমুখ। তাছাড়া ছড়া পাঠ করেন নিউইয়র্কের বিশিষ্ট ছড়াকার মঞ্জুর কাদের।

    এ সময় কর্মকর্তাদের মধ্যে আরো ছিলেন মোক্তার হোসেন, আবু কামাল, সুলতানা পারভীন, চন্দ্রনাথ পাল, লুবানা ইসলাম, মোহাম্মদ আজগর, দুর্জয় সাহা, সানিউর রহমান, মাহবুবুর রহমান, রাজিব আহমেদ, মোহাম্মদ আজাদ, লায়লা নাহার, নাসিমা হুদা, ইফাত, ফরিদা আক্তার, সুস্মিতা, মহসিন তানিম প্রমুখ।

    বক্তব্যের পরই শুরু হয় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। প্রথম পর্বে শিশু-কিশোরদের পক্ষ থেকে গান পরিবেশন করে স্বপ্নীল তালুকদার। তারপর হাউজিং অথরিটি কর্মকর্তাদের মধ্যে গান পরিবেশন করেন সানাউল হক, নাজ কামাল, বাপ্পি সোম ও শামীম রেজা এবং চন্দ্রা রায়।

    সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মূল আকর্ষণ ছিলেন বিশিষ্ট সঙ্গীতশিল্পী কৃষ্ণাতিথি। তিনি রাত ১০:১৫ থেকে রাত ১২:০০ পর্যন্ত গান পরিবেশন করে দর্শকদের মুগ্ধ করেন।

    Facebook Comments Box
  • ১৪দিন কোমায় থাকার পর ডা. ওমর ফারুকের ইন্তেকাল

    ১৪দিন কোমায় থাকার পর ডা. ওমর ফারুকের ইন্তেকাল

    প্রিয় মাতৃভ’মি নোয়াখালীতে ফেরার উদ্দেশ্যে বস্টনস্থ লগোন এয়ারপোর্টে এসেছিলেন কম্যুনিটির জনপ্রিয় চিকিৎসক ডা. ওমর ফারুক সাবের (৫৬)। ১০ ডিসেম্বর বিমানে উঠার আগেই হৃদরোগে আক্রান্ত হন ডা. সাবের। সাথে সাথে তাকে নেয়া হয় ম্যাসেচুসেট্স জেনারেল হাসপাতালে। কিন্তু জরুরী বিভাগের চিকিৎসকেরা পরীক্ষার পর জানতে পারেন যে, ডা. সাবের কোমায় চলে গেছেন। এরপর আর জ্ঞান ফেরেনি। অচেতন অবস্থায় ঐ হাসপাতালেই ২৪ ডিসেম্বর মঙ্গলবার রাত ৮টায় চিকিৎসকেরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন(ইন্না লিল্লাহে ওয়া ইন্না ইলাইহে রাজেউন)।

    নোয়াখালী জেলার কবিরহাট উপজেলার বাটইয়া ইউনিয়নের দুই নম্বর ওয়ার্ডের বাটইয়া মিয়াবাড়ির নূর আহমদ মিয়ার সন্তান এবং বস্টনস্থ স্প্রিংফিল্ড সিটির বাসিন্দা ডাঃ ওমর ফারুক সাবের মৃত্যুকালে স্ত্রী এবং দুই কন্যা রেখে গেছেন। উল্লেখ্য, তার স্ত্রী নাজনীন সুলতানাও চিকিৎসক। ম্যাসেচুসেট্্স মেট্রপলিটন এলাকায় স্বল্প আয়ের মানুষদের সুচিকিৎসায় ৫/৬টি ক্লিনিক স্থাপন করেছিলেন রাইট চয়েস হেল্থ গ্রুপের ব্যানারে। গত বন্যায় নিজ এলাকার ক্ষতিগ্রস্তদের জন্যেও তহবিল সংগ্রহ করেছেন অকৃপণভাবে। ডা. সাবেরের বন্ধু বস্টন কম্যুনিটির লিডার ইউসুফ ইকবাল ২৫ ডিসেম্বর রাতে এ সংবাদদাতাকে আরো জানান, কবিরহাট উপজেলায় আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সম্বলিত একটি হাসপাতাল চালুর পরিকল্পনা নিয়েই রওয়ানা দিয়েছিলেন। ডা. সাবেরের নামাজে জানাযা ২৭ ডিসেম্বর শুক্রবার বাদ জুমআ বস্টনের মিডফোর্ড কমপ্লেক্সে আইসিসিএম (৪৩ হাই স্ট্রিট, মেডফোর্ড, এমএ০২১৫৫) এ অনুষ্ঠিত হবে এবং তারপরই নিকটস্থ পিবডি মুসলিম গোরস্থানে তাকে দাফন করা হবে।

    জানা গেছে, ১৯৯৫ সালে ওমর ফারুক সাবের ঢাকা মেডিকেল কলেজ থেকে চিকিৎসা পেশায় স্নাতক ডিগ্রী অর্জন করেন। তিনি ঢাকা মেডিকেল কলেজের ৪৫তম ব্যাচের কৃতি শিক্ষার্থী ছিলেন। এরপর উচ্চশিক্ষার জন্য ১৯৯৮ সালে যুক্তরাষ্ট্রে এসেছিলেন। প্রবাসে কষ্টার্জিত অর্থে নিজে চিকিৎসক পেশা শুরুর আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্নের আগে স্ত্রীকেও সেটি করিয়েছেন। অর্থাৎ উভয়েই মানবতার কল্যাণে নিয়োজিত হয়েছিলেন। ডা. সাবেরের ইচ্ছা ছিল তার লাশ যেন গ্রামের বাড়িতে দাফন করা হয়। কিন্তু তার দুই কন্যার অনুরোধে বস্টনেই দাফনের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন স্বজনেরা।

    Facebook Comments Box
  • জাতিসংঘের ৩.৭২ বিলিয়ন ডলারের বাজেট পাশ

    জাতিসংঘের ৩.৭২ বিলিয়ন ডলারের বাজেট পাশ

    সামনের বছরের (২০২৫) জন্যে ৩.৭২ বিলিয়ন ডলারের বাজেট অনুমোদনের মধ্যদিয়ে ২৪ ডিসেম্বর মঙ্গলবার জাতিসংঘের ৭৯তম সাধারণ অধিবেশনের সমাপ্তি ঘটেছে। চলতি বছরের বাজেট ছিল ৩.৫৯ বিলিয়ন ডলার। উল্লেখ্য, জাতিসংঘের নিউইয়র্ক এবং জেনিভা অফিস ছাড়াও সদস্য রাষ্ট্রসমূহে রয়েছে আবাসিক অফিস। যুদ্ধ-সংঘাতে লিপ্ত এলাকায় ত্রাণ-কর্মীর পাশাপাশি রয়েছেন স্বেচ্ছাাসেবক। সবগুলোর কর্মচারি-কর্মকর্তার সংখ্যা সোয়া লাখের মত। রয়েছে শান্তিরক্ষা মিশনের ট্রুপস। জাতিসংঘের এই বাজেটের সংস্থান হয় ১৯১ সদস্য রাষ্ট্রের দেয়া অনুদান থেকে। এর সিংহভাগই দেয় যুক্তরাষ্ট্র-২৫%। দ্বিতীয় এবং তৃতীয় বৃহৎ রাষ্ট্র হিসেবে রয়েছে যুক্তরাজ্য, চীন, জাপান, অষ্ট্রেলিয়া, কানাডা। বাংলাদেশও এ বছর দিয়েছে ৩ লাখ ১৫ হাজার ৮৯ ডলার।

    জাতিসংঘ সূত্রে বলা হয়েছে, বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে মানবিক উন্নয়ন, আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের বিভিন্ন সেক্টরে কাজের জন্যে অর্থ ব্যয় করছে জাতিসংঘ। সাথে রয়েছে গণতন্ত্র রাজনৈতিক অভিযাত্রা, আন্তর্জাতিক ন্যায় বিচার নিশ্চিত, সুশাসনে অবদান, আঞ্চলিক সম্পর্ক জোরদারের মাধ্যমে সামগ্রিক বিশ্ব পরিস্থিতিতে স্থিতি বজায় রাখার নানা কর্মসূচিও রয়েছে জাতিসংঘের বিভিন্ন ফোরামে। সবচেয়ে দৃশ্যমান অবদান হচ্ছে দ্বন্দ্ব-সংঘাতময় অঞ্চলে শান্তিরক্ষা মিশনের কার্যক্রম। আর এসব মিশনে এখনো সবচেয়ে বেশী ট্রুপস রয়েছে বাংলাদেশের।

    সামনের বছরের বাজেট সংকুলান নিয়ে সন্দেহ-সংশয় দেখা দিয়েছে। কেননা, এর আগে ডনাল্ড ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট থাকাবস্থায় জাতিসংঘের অনেক কার্যক্রম থেকেই যুক্তরাষ্ট্রকে গুটিয়ে নিয়েছিলেন। সে ধরনের একটি হুমকি সামনের বছরের বাজেটেও ধাক্কা দিতে পারে বলে কূটনীতিকরা মনে করছেন।

    Facebook Comments Box
  • কারও কারও জন্য এমন লাগে কেন!

    কারও কারও জন্য এমন লাগে কেন!

    জানি না কেন হঠাৎ কোনও কারণ নেই, কিছু নেই, কারও কারও জন্য খুব
    অন্যরকম লাগে
    অন্য রকম লাগে,
    কোনও কারণ নেই, তারপরও বুকের মধ্যে চিনচিনে কষ্ট হতে থাকে,
    কারুকে খুব দেখতে ইচ্ছে হয়, পেতে ইচ্ছে হয়, কারুর সঙ্গে খুব ঘনিষ্ঠ হয়ে
    বসতে ইচ্ছে হয়,
    সারাজীবন ধরে সারাজীবনের গল্প করতে ইচ্ছে হয়,
    ইচ্ছে হওয়ার কোনও কারণ নেই, তারপরও ইচ্ছে হয়।
    ইচ্ছের কোনও লাগাম থাকে না। ইচ্ছেগুলো এক সকাল থেকে আরেক সকাল পর্যন্ত
    জ্বালাতে থাকে। প্রতিদিন।
    ইচ্ছেগুলো পুরণ হয় না, তারপরও ইচ্ছেগুলো বেশরমের মত পড়ে থাকে,
    আশায় আশায় থাকে।
    কষ্ট হতে থাকে, কষ্ট হওয়ার কোনও কারণ নেই, তারপরও হতে থাকে,
    সময়গুলো নষ্ট হতে থাকে।

    কারও কারও জন্য জানি না জীবনের শেষ বয়সে এসেও সেই কিশোরীর মত
    কেন অনুভব করি।
    কিশোরী বয়সেও যেমন লুকিয়ে রাখতে হত ইচ্ছেগুলো, এখনও হয়।
    কি জানি সে, যার জন্য অন্যরকমটি লাগে, যদি
    ইচ্ছেগুলো দেখে হাসে!
    সেই ভয়ে লুকিয়ে রাখি ইচ্ছে, সেই ভয়ে আড়াল করে রাখি কষ্ট।
    হেঁটে যাই, যেন কিছুই হয়নি, যেন আর সবার মত সুখী মানুষ আমিও, হেঁটে যাই।
    যাই, কত কোথাও যাই, কিন্তু তার কাছেই কেবল যাই না, যার জন্য লাগে।

    কারও কারও জন্য এমন অদ্ভুত অসময়ে বুক ছিঁড়ে যেতে থাকে কেন!
    জীবনের কত কাজ বাকি, কত তাড়া!
    তারপরও সব কিছু সরিয়ে রেখে তাকে ভাবি, তাকে না পেয়ে কষ্ট আমাকে কেটে কেটে
    টুকরো করবে জেনেও তাকে ভাবি। তাকে ভেবে কোনও লাভ নেই জেনেও ভাবি।
    তাকে কোনওদিন পাবো না জেনেও তাকে পেতে চাই।

    Facebook Comments Box
  • Ousted Bangladesh PM Hasina’s son Joy denies graft in $12.65 billion nuclear deal

    Ousted Bangladesh PM Hasina’s son Joy denies graft in $12.65 billion nuclear deal

    Ousted Bangladesh Prime Minister Sheikh Hasina’s son and adviser on Tuesday described allegations of corruption involving the family in the 2015 awarding of a $12.65 billion nuclear power contract as “completely bogus” and a “smear campaign”.

    Bangladesh’s Anti Corruption Commission said on Monday it had launched an enquiry into allegations of corruption, embezzlement and money laundering in the Rooppur Nuclear Power Plant project, backed by Russia’s state-owned Rosatom.

    A deal for two power plants, each with a capacity of 1,200 megawatts, was signed in 2015.

    The commission has alleged that there were financial irregularities worth about $5 billion involving Hasina, her son Sajeeb Wazed and her niece and British treasury minister Tulip Siddiq, through offshore accounts.

    Siddiq and Rosatom did not respond to Reuters requests for comment.

    A spokesperson for British Prime Minister Keir Starmer said Siddiq had denied any involvement in the claims and that he had confidence in her. Siddiq would continue in her role, the spokesperson added.

    In August, Bangladeshi media quoted Rosatam as rejecting an earlier media allegation of corruption, saying it was “committed to transparent working practices, strict anti-corruption policies, and openness in all procurement processes”.

    Wazed, speaking on behalf of the family, said they were the targets of a political witch hunt in Bangladesh.

    “These are completely bogus allegations and a smear campaign. My family nor I have ever been involved or taken any money from any government projects,” he told Reuters from Washington, where he lives.

    “It is not possible to siphon off billions from a $10 billion project. We also don’t have any offshore accounts. I have been living in the US for 30 years, my aunt and cousins in the UK for a similar amount of time. We obviously have accounts here, but none of us have ever seen that kind of money.”

    Reuters could not contact Hasina, who has not been seen in public since fleeing to New Delhi in early August following a deadly uprising against her in Bangladesh. Since then, an interim government has been running the country.

    The government in Dhaka said on Monday it had asked India to send Hasina back. New Delhi has confirmed the request but declined further comment.

    Wazeb said the family had not made a decision on Hasina’s return to Bangladesh and that New Delhi had not asked her to seek asylum elsewhere.

    Facebook Comments Box
  • বিজয় দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ অ্যাসেম্বলীর সমাবেশ

    বিজয় দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ অ্যাসেম্বলীর সমাবেশ

    যুক্তরাষ্ট্রস্থ বাংলাদেশ অ্যাসেম্বলী মহান বিজয় দিবস উদ্যাপন উপলক্ষে এক অনন্য অনুষ্ঠান আয়োজন করেছে। ২৩ ডিসেম্বর নিউইয়র্ক সিটির একটি কমিউনিটি সেন্টারে এ আয়োজনে প্রবাসী বাংলাদেশিরা তাদের দেশপ্রেম, ঐতিহ্য এবং সংস্কৃতির প্রতি অকৃত্রিম ভালোবাসার নজির স্থাপন করেন।

    আলোচনা সভায় বক্তারা মহান মুক্তিযুদ্ধের তাৎপর্য এবং জাতির গৌরবময় ইতিহাস তুলে ধরেন। তারা বলেন, প্রবাসে থেকেও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা আমাদের প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে ছড়িয়ে দিতে হবে। বক্তারা স্বাধীনতার জন্য আত্মোৎসর্গকারী শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন এবং নতুন প্রজন্মকে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস জানানোর আহ্বান জানান।

    অনুষ্ঠানে কথা বলেন বাংলাদেশ সোসাইটির সাবেক সহ-সভাপতি ফারুক হোসেন মজুমদার, উপদেষ্টা ফখরুল ইসলাম(মজনু), যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মিঞা ফয়েজ আহম্মেদ(জুয়েল), সহ-সভাপতি শাহ্ মোয়াল্লেম হোসেন ও সমাজ কল্যাণ সম্পাদক বেলায়েত হোসেন।

    এসময় অ্যাসেম্বলি অব ইউএসএর সভাপতি শামীম হাসান বলেন, “মহান বিজয় দিবস আমাদের জন্য একটি গৌরবময় দিন। এ দিনটি আমাদের ঐক্য ও চেতনার প্রতীক। প্রবাসে থেকেও আমরা চেষ্টা করছি বাংলাদেশের সংস্কৃতি, ঐতিহ্য এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে।” তিনি প্রবাসীদের মধ্যে ঐক্য ধরে রাখার আহ্বান জানান।

    সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ ইসলাম কলিম বলেন, “বিজয় দিবস শুধু উদ্যাপনের জন্য নয়, বরং এটি আমাদের দায়িত্বের কথা স্মরণ করিয়ে দেয়। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা আমাদের হৃদয়ে ধারণ করতে হবে এবং পরবর্তী প্রজন্মের কাছে তা পৌঁছে দিতে হবে।” তিনি এ ধরনের আয়োজনের গুরুত্বের ওপর জোর দেন এবং প্রবাসী বাংলাদেশিদের একত্রিত হওয়ার আহ্বান জানান।

    প্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটির বিশিষ্ট ব্যক্তিদের মধ্যে এই আয়োজনে ছিলেন জ্যামাইকা ফ্রেন্ড সোসাইটির সভাপতি ফকরুল ইসলাম (দেলোয়ার), সহ-সভাপতি ফারুক হোসেন পাটোয়ারী, সহ-সভাপতি শফিকুল ইসলাম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জয়নাল আবেদীন, দপ্তর সম্পাদক আতিকুর রহমান(রফিক), আইন বিষয়ক সম্পাদক এ.কে মাহমুদুল হক (খোকন), সহ-সভাপতি ইসমাইল হোসেন (স্বপন) ও জালাল উদ্দিন সরকার। হোস্ট সংগঠনের কর্মকর্তাগণের মধ্যে আরো ছিলেন বাংলাদেশ অ্যাসেম্বলি অব ইউএসএর সহ-সভাপতি ফারুক হোসেন(রনি), কোষাধক্ষ্য নুরল ইসলাম, সহ-সভাপতি মাহবুবুল ফিরোজ, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রহমান, প্রচার সম্পাদক শহীদুল ইসলাম (রিপন), আপ্যায়ন সম্পাদক মুন্সি জুলফিকার উদ্দিনসহ আলামিন, হযরত আলী, জাহিদুর রহমান, সিরাজুল ইসলাম, কবির হোসেন ও কার্যনির্বাহী সদস্য মামুন সরকার।

    Facebook Comments Box
  • জমকালো আয়োজনে চট্টগ্রাম সমিতির বিজয় দিবস উদ্যাপন

    জমকালো আয়োজনে চট্টগ্রাম সমিতির বিজয় দিবস উদ্যাপন

    মহান বিজয় দিবস উদযাপন উপলক্ষ্যে ‘চট্টগ্রাম এসোসিয়েশন অব নর্থ অ্যামেরিকা’ আয়োজিত আলোচনা সভা এবং সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা নিউইয়র্ক সিটির ব্রুকলীনে সমিতির নিজস্ব ভবনে ২২ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হয়। কার্যনির্বাহী কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ আবু তাহেরের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক মোঃ আরিফুল ইসলামের সঞ্চালনায় ২২ ডিসেম্বর এ অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত করেন কার্যনির্বাহী কমিটির ক্রীড়া সম্পাদক মোহাম্মদ ইছা এবং গীতা থেকে পাঠ করেন বিশ্বজিত দাশ।

    অনুষ্ঠানে একাত্তরের রনাঙ্গনের বীর মুক্তিযোদ্ধা ইঞ্জিনিয়ার জাহাঙ্গীর হোসেন এবং মোহাম্মদ হোসেনকে ফুলের তোড়া দিয়ে সম্মানিত করা হয়। জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান মুক্তিযোদ্ধাদের লাল সবুজের আবহে তৈরী করা উত্তরীয় পরিয়ে দেন সমিতির কর্মকর্তারা।

    চট্টগ্রাম ভবনে বিজয় দিবসের অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখছেন সমিতির সাবেক সভাপতি মোহাম্মদ হানিফ। ছবি-এনওয়াইভয়েস২৪।

    বিজয় দিবসের উপর আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন সমিতির সাবেক সভাপতি ও ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ হানিফ, প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মোহাম্মদ আব্দুর রহিম, সাবেক সভাপতি কাজী শাখাওয়াত হোসেন আজম, নিউজার্সি থেকে আগত উত্তম দাশ, মামুন চৌধুরি, সমিতির সাবেক ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আশরাফ আলী খান লিটন, সাবেক উপদেষ্টা আলহাজ্ব নাদের চৌধুরী, সাবেক কোষাধ্যক্ষ দিদারুল ইসলাম, সাবেক সহ-সভাপতি আলহাজ্ব আবুল কাশেম, সাবেক সহ-সভাপতি সাহাবুদ্দিন চৌধুরী লিটন, সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি খোকন কে চৌধুরি, সাবেক সাধারন সম্পাদক মোহাম্মদ সেলিম, কার্যনির্বাহী কমিটির সাবেক সদস্য কামাল হোসেন মিঠু, সাবেক সভাপতি ও সাধারন সম্পাদক মনির আহমদ, ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেন, মোহাম্মদ হোসেন প্রমুখ।

    ৩০ লাখ শহীদ এবং সম্ভ্রম হারানো দু’লাখ মা-বোনের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে বক্তারা বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতার মহান ইতিহাস গৌরবের উপাখ্যান। এই ইতিহাসকে বিকৃত করা কিংবা মুছে ফেলার অপচেষ্টা চালানো হয়েছে। এই ধরনের অপচেষ্টা যাতে রুখে দেয়া হয় সে ব্যাপারে সকলকে সজাগ থাকতে হবে।

    চট্টগ্রাম ভবনে বিজয় দিবসের অনুষ্ঠানে সুধীর একাংশ। ছবি-এনওয়াইভয়েস২৪।

    এতে আরও উপস্থিত ছিলেন সমিতির সাবেক সিনিয়র সহ সভাপতি ফোরকান উদ্দিন, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আরিফ চৌধুরী, জামাল চৌধুরী, সাবেক কোষাধ্যক্ষ মতিউর রহমান, মেজবা আহমেদ, কাউসার আহমেদ, শওকত স্বজন, এডভোকেট হামিদ, সৈয়দ মানু, মোঃ করিম, মোঃ হাসান, হাবিব উল্লাহ, মোঃ ফরিদ, কোষাধ্যক্ষ মোহাম্মদ শফিকুল আলম, সহকারী কোষাধ্যক্ষ মোহাম্মদ নুরুল আমিন, দপ্তর সম্পাদক অজয় প্রসাদ তালুকদার, সহকারী দপ্তর সম্পাদক ইমরুল কায়সার, সাংস্কৃতিক সম্পাদক মোহাম্মদ এনাম চৌধুরী এবং ক্রীড়া সম্পাদক মোহাম্মদ ইসা, সম্রাট আজিম, জাবেদ হোসেন, তানিম আহমেদ, মহিম উদ্দিন। সবশেষে অনুষ্ঠানের সভাপতি আবু তাহেরের সমাপনী বক্তব্যের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।

    অনুষ্ঠানের ২য় পর্বে ছিল মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। এতে দেশাত্মবোধক সংগীত পরিবেশন করেন প্রবাসের দুই জনপ্রিয় শিল্পী রাজীব ভট্টাচার্য এবং চন্দ্রা রায়।

    Facebook Comments Box
  • এবিসিসিআই’র সামাজিক সম্মিলনে বিশিষ্টজনদের মধ্যে এওয়ার্ড বিতরণ

    এবিসিসিআই’র সামাজিক সম্মিলনে বিশিষ্টজনদের মধ্যে এওয়ার্ড বিতরণ

    পারস্পরিক সম্পর্ক জোরদার ও ব্যবসায়িক কার্যক্রম সম্প্রসারণের লক্ষ্যে ‘আমেরিকা বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি’ (এবিসিসিআই)’র সামাজিক সম্মিলনের বক্তারা বলেন, দেশের অর্থনৈতিক সম্ভাবনা কাজে লাগাতে সমন্বিত উদ্যোগ জরুরি। ২৩ ডিসেম্বর রাতে রাজধানীর হোটেল ওয়েস্টিনে এ আয়োজনে শতাধিক ব্যবসায়ী এবং তাদের পরিবারের সদস্যরা অংশ নেন। আয়োজনের নাম দেওয়া হয়েছে ‘বিজনেস নেটওয়ার্কিং ডিনার’। অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, বাংলাদেশের ১ কোটি ৩০ লাখ মানুষ বিদেশে আছেন। তাদের পাঠানো রেমিট্যান্স অর্থনীতির চালিকাশক্তি। দেশের অর্থনৈতিক সম্ভাবনা কাজে লাগাতে সমন্বিত উদ্যোগ জরুরি।

    বিসিসিআইয়ের সমাবেশে বিশিষ্টজনেরা। ছবি-এনওয়াইভয়েস২৪।

    এবিসিসিআইর পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান গিয়াস আহমেদ এ সময় বলেন, বাংলাদেশের উন্নয়ন এবং সুষ্ঠু গণতান্ত্রিক উত্তরণের জন্য প্রয়োজনীয় সংস্কার জরুরি। এটি সরকারের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ হিন্দু সংখ্যালঘু নির্যাতন নিয়ে একটি ইস্যু তৈরির চেষ্টা করছে। এ ব্যাপারে সবাইকে সচেতন থাকতে হবে।
    অপর বক্তারা বলেন, এই সংগঠন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের ব্যবসায়িক সম্ভাবনা কাজে লাগাতে সহায়ক হবে। অর্থনৈতিক কার্যক্রম আরও জোরদার হবে। বাংলাদেশে বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান বাড়বে। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি পণ্যের রপ্তানি আরও বৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে। তবে এক্ষেত্রে সরকারের পৃষ্ঠপোষকতা জরুরি। অনুষ্ঠানে জানানো হয়, বাংলাদেশের অর্থনীতি দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। বর্তমানে বাংলাদেশ এশিয়ার অন্যতম আকর্ষণীয় ব্যবসায়িক গন্তব্য। গত এক দশকে বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি ধারাবাহিকভাবে ৬% অতিক্রম করেছে। যেটি ব্যতিক্রম এবং সম্ভাবনাময়। দেশের যুবসমাজ, যারা তরুণ, উদ্যমী তাদের সংখ্যা দ্রুতগতিতে বাড়ছে, এটি বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং বিনিয়োগ সম্ভাবনার মূল চালক।

    এ সময় আরো উল্লেখ করা হয় যে, বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যার ৬০% এর বেশি ৩০ বছরের নিচে। এই জনমিতিক বা ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ডের সুবিধা, ক্রমবর্ধমান মধ্যবিত্ত শ্রেণি এবং তাদের ক্রয়ক্ষমতা বাড়ছে। এর সঙ্গে মিলিয়ে, বাজার বৃদ্ধির এবং বিনিয়োগের বিশাল সম্ভাবনা সৃষ্টি করছে। এই সম্ভাবনা কাজে লাগাতে যুক্তরাষ্ট্র বাণিজ্য মিশন গুরুত্বপূর্ণ অবলম্বনে পরিণত হতে পারে। এই মিশনটি মূলধারার আমেরিকান ব্যবসায়ী, প্রবাসী বাংলাদেশি (এনআরবি) ব্যবসায়ী এবং পেশাদারদের একটি দল নিয়ে গঠিত হবে। যারা বিভিন্ন ব্যবসায়িক খাতকে প্রতিনিধিত্ব করবে এবং বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক বিনিয়োগ এবং ব্যবসাকে করবে আরও সহজতর। এই মিশনের লক্ষ্য যুক্তরাষ্ট্র এবং বাংলাদেশের মধ্যে বাণিজ্যিক সম্পর্ক জোরদার করা।
    অনুষ্ঠানে আরো ছিলেন এবিসিসিআইয়ের প্রেসিডেন্ট আসেফ বারী, সাধারণ সম্পাদক ফাহাদ সোলায়মান, অস্ট্রেলিয়া বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসাইন, বিজনেস আমেরিকার ব্যবস্থাপনা পরিচালক এনামুল হক এনাম, ব্যবসায়ী নেতা- হাসানুজ্জামান, বারী গ্রুপের চেয়ারম্যান মুম্মুন হাসিনা বারী, বেলাল চৌধুরী, গোলাম ফারুক ভুইয়া প্রমুখ। এ সময় বেশ ক’জন উদ্যমী ব্যবসায়ী-বিনিয়োগকারির মধ্যে এওয়ার্ড বিতরণ করেন অনুষ্ঠানের অতিথি ঢাকায় নিযুক্ত নেদারল্যান্ডসের রাষ্ট্রদূত আন্দ্রে কার্সটেন্স। এওয়ার্ডপ্রাপ্তদের অন্যতম এবিসিসিআইয়ের প্রতিষ্ঠাতা-সদস্য এবং নিউইয়র্কস্থ বাংলাদেশী আমেরিকান পাবলিক অ্যাফেয়ার্স ফ্রন্ট’র সাবেক প্রেসিডেন্ট হাসানুজ্জামান হাসান কয়েক বছর আগে প্রবাসের অভিজ্ঞতায় উত্তরবঙ্গে একটি শিল্পকারখানা গড়েছেন। সেটি এখন এলাকার বিপুলসংখ্যক মানুষের কর্মসংস্থানের অন্যতম অবলম্বনে পরিণত হয়েছে।

    Facebook Comments Box
  • জালালাবাদ এসোসিয়েশন’র বিজয় দিবস উদযাপন ও বীরমুক্তিযোদ্ধা সম্মাননা

    জালালাবাদ এসোসিয়েশন’র বিজয় দিবস উদযাপন ও বীরমুক্তিযোদ্ধা সম্মাননা

    জালালাবাদ এসোসিয়েশন অব আমেরিকা ইনক’র উদ্যোগে বাংলাদেশের ৫৪তম মহান বিজয় দিবস উদযাপন ও বীর মুক্তিযোদ্ধা সম্মাননা অনুষ্ঠিত হয়েছে ২৩ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় নিউইয়র্ক সিটির কুইন্স আল মদিনা পার্টি হলে। সংগঠনের সভাপতি বদরুল খানের সভাপতিত্বে এবং ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক রোকন হাকিমের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত এ সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ সোসাইটির সভাপতি আতাউর রহমান সেলিম। বিশেষ অতিথি ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রহমান, বীর মুক্তিযোদ্ধা আহমদ মোস্তফা বাবুল, বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ আব্দুর রাজ্জাক, বীর
    মুক্তিযোদ্ধা মোঃ দুদু মিয়া মঈন, বাংলাদেশ সোসাইটির উপদেষ্টা আজিমুর রহমান বোরহান, বাংলাদেশ সোসাইটি ও জালালাবাদ এসোসিয়েশন অব আমেরিকা ইনক এর সাবেক বোর্ড অব ট্রাস্টি ও বাংলাদেশ বিয়ানীবাজার সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সমিতি ইউএসএর সাবেক সভাপতি মকবুল রহিম চুনই, জালালাবাদ এসোসিয়েশন অব আমেরিকার সাবেক সহ সভাপতি আব্দুল মসব্বির, বাংলাদেশ বিয়ানীবাজার সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সমিতি ইউএসএর সাবেক সভাপতি মোস্তফা কামাল প্রমুখ।

    শুরুতে পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত ও দোয়া পরিচালনা করেন জালালাবাদ এসোসিয়েশন অব আমেরিকার সাহিত্য ও সংস্কৃতি সম্পাদক হোসেন আহমেদ, কোরআন তেলাওয়াত শেষে বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত ও আমেরিকার জাতীয় সংগীত পরিবেশন করা হয়।

    সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন বিজয় দিবস উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক জালালাবাদ এসোসিয়েশন অব আমেরিকার সহ-সভাপতি মোঃ জাবেদ উদ্দিন, সদস্য সচিব ও জালালাবাদ এসোসিয়েশন অব আমেরিকার প্রচার ও দপ্তর সম্পাদক ফয়সাল আলম, কোষাধ্যক্ষ মোঃ আলিম, সহ-সভাপতি মো. শফিউদ্দিন তালুকদার, বাংলাদেশ বিয়ানীবাজার সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সমিতি ইউএসএর সাবেক সাধারণ সম্পাদক শামীম আহমেদ, সাবেক ছাত্রনেতা আব্দুল কুদ্দুস টিটু, সাবেক ছাত্রনেতা গোলাম মর্তুজা, বাংলাদেশ বিয়ানীবাজার সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সমিতি ইউএসএর সাধারণ সম্পাদক রেজাউল আলম অপু, সাবেক ছাত্রনেতা কে এইছ সুমন প্রমুখ।

    এ সময় বিশিষ্টজনদের মধ্যে আরো ছিলেন বাংলাদেশ সোসাইটির কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য হাসান খান ও জনসংযোগ ও প্রচার সম্পাদক রিজু মোহাম্মদ, কমিউনিটি অ্যাক্টিভিস্ট ও সাবেক ক্রীড়াবিদ হেলাল উদ্দিন চৌধুরী, বাংলাদেশ বিয়ানীবাজার সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সমিতি ইউএসএর সহ সাধারণ সম্পাদক রাজু আহমেদ, কমিউনিটি অ্যাক্টিভিস্ট চৌধুরী মুমিত তানিম, মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন, রোমান আহমেদ, জিসান আহমেদ, মুশফিকুর রহমান, আবিদ আহমেদ, রুবেল আহমেদ, শাহ আলম, আব্দুল কালাম, হাসান মাহমুদ, কবির আহমদ, নজরুল ইসলাম, মোহাম্মদ আবুল খায়ের, সাংবাদিক মিছবাহ আহমেদ, মোঃ জাকির উদ্দিন, মোঃ আব্দুল মতিন, মোঃ আলী জিন্নাহ, মোঃ নুরল হক, কামাল চৌধুরী, কয়েছ আহমেদ, শামিম আহমেদ, হাসান আহমেদ, কবির আহমদ, জামাল হোসেন, সারোয়ার হোসেন, আইন উদ্দিন, মোঃ সামছুল ইসলাম প্রমুখ।

    সংগঠনের সভাপতি বদরুল হোসেন খান অনুষ্ঠানে উপস্থিত হওয়ার জন্য আমন্ত্রিত অতিথি সহ সবাইকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক রোকন হাকিম সব জালালাবাদবাসী এবং উপস্থিত সকল অতিথিবৃন্দকে উপস্থিত হওয়ার জন্য ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন এবং অনুষ্ঠানে কোন ধরনের ভুল ত্রুটি হলে ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখার জন্য সকলের প্রতি আবেদন করেন।

    Facebook Comments Box
  • জাতিসংঘের উদ্বেগ বাংলাদেশে আরো রোহিঙ্গা আগমণের আশংকায়

    জাতিসংঘের উদ্বেগ বাংলাদেশে আরো রোহিঙ্গা আগমণের আশংকায়

    রাখাইনের বেশ কটি শহরে মিয়ানমারের সশস্ত্র বাহিনীর সাথে আরাকান আর্মির মধ্যেকার লড়াই গুরুতর আকার ধারণ করায় রাখাইন স্টেটের নিরাপত্তা পরিস্থিতি বিপন্ন হয়ে পড়েছে। নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সদর দফতরে নিয়মিত প্রেস ব্রিফিংকালে ২৩ ডিসেম্বর এমন সতর্কতা উচ্চারণ করেছেন মহাসচিবের সহযোগী মুখপাত্র স্টিফ্যানি ট্রেম্বলে। গত বছরের নভেম্বর থেকেই এহেন পরিস্থিতি বিরাজ করছে বলেও উল্লেখ করেছেন মিস স্টিফ্যানি। এর ফলে রাখাইন স্টেটের ১৭ সিটির মধ্যে ১৬টির বাসিন্দাই মানবেতর জীবন-যাপনে বাধ্য হচ্ছেন। জীবন-ধারণের ন্যূনতম অবলম্বনও তাদের নেই। চিকিৎসা-ব্যবস্থা ভেঙ্গে পড়েছে। সে এলাকায় জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কর্মরত জাতিসংঘ কর্মীরা আরো জানিয়েছেন যে, রাখাইনের দক্ষিণে অবস্থিত চিন সিটিরও বিস্তীর্ণ এলাকার মানুষ নিরাপত্তার প্রশ্নে বসতবাড়ি ছেড়েছেন। গোটা এলাকায় এ ধরনের গৃহহীনের সংখ্যা ৩ লাখ ৬০ হাজারের অধিক বলেও জাতিসংঘ অবহিত হয়েছে। মিয়ানমারে সামরিক জান্তার তৎপরতা শুরুর পর থেকে এখোন পর্যন্ত ৩৫ লাখের অধিক মানুষ বাস্তুহীন হয়ে পড়েছে।

    এহেন অবস্থার অবসানে জাতিসংঘ মহাসচিব সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি উদাত্ত আহবান রেখেছেন। বেসামরিক নাগরিক, বিশেষ করে শিশু ও নারীর মানবাধিকার সমুন্নত রাখার স্বার্থে সকলকে দ্বন্দ্ব-সংঘাত থেকে বিরত হওয়া জরুরী বলে জাতিসংঘ মনে করছে। তা না হলে ত্রাণ তৎপরতা চালানোও সম্ভব হচ্ছে না। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, মিয়ানমারে ২০২১ সালে বেসামরিক সরকার উৎখাত করে সামরিক শাসন জারি হয়। এরপরই ব্যাপক প্রতিবাদ-বিক্ষোভ শেষ পর্যন্ত সশস্ত্র বিদ্রোহে রূপ নিয়েছে। জান্তা বিরোধী থ্রি ব্রাদারহুড এলায়েন্সের একটি হলো আরাকান আর্মি। ২০২৩ সালের অক্টোবরে এই জোট রাখাইনের ব্যাপক হামলা শুরু করে। এরপর থেকে বিদ্রোহী গোষ্ঠিটি একের পর এক জয় পেয়েছে।

    স্মরণ করা যেতে পারে, এ সংঘাতের কারণে গত কয়েকমাসে অন্তত: ৮০ হাজার রোহিঙ্গা বিভিন্ন পথে বাংলাদেশে এসেছে বলে সম্প্রতি কায়রো সফরে গিয়ে এক বৈঠকে বলেছেন বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। আরো রোহিঙ্গা বিভিন্ন পথে আসছে এবং রাখাইনের পরিস্থিতির কারণে সামনে রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ ব্যাপক হতে পারে বলে বিভিন্ন মহলের আশংকা সম্পর্কেও জাতিসংঘ সজাগ বলে এ সংবাদদাতাকে জানানো হয়েছে।

    Facebook Comments Box
  • ভারত চিঠির জবাবে দেরি করলে তাগিদ দিতে পারে বাংলাদেশ

    ভারত চিঠির জবাবে দেরি করলে তাগিদ দিতে পারে বাংলাদেশ

    শেখ হাসিনাকে ফেরানোর জন্য দেয়া চিঠির জবাব দিতে ভারত দেরি করলে তাগিদপত্র দিতে পারে বাংলাদেশ।

    মঙ্গলবার (২৪ ডিসেম্বর) বিকালে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাপ্তাহিক মিডিয়া ব্রিফিংয়ে মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মোহাম্মদ রফিকুল আলম এ কথা জানিয়েছেন।

    মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্ত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ফেরত পাঠাতে ভারতের কাছে চিঠি পাঠিয়েছে বাংলাদেশ।

    মিডিয়া ব্রিফিংয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র বলেছেন, ২৩ ডিসেম্বর (সোমবার) ভারতের কাছে কূটনৈতিক পত্র (নোট অব ভারবাল) হস্তান্তর করা হয়েছে, এখনও কোনো উত্তর পাওয়া যায়নি। ভারতের উত্তর সাপেক্ষে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় পরবর্তী করণীয় ঠিক করবে।

    ভারত যদি উত্তর না দেয়, সেক্ষেত্রে করণীয় কী; তা জানতে চাইলে তিনি বলেন, নিয়ম অনুযায়ী উত্তর আসার জন্য আমাদের অপেক্ষা করতে হবে। ভারত কী উত্তর দেয়, তার সুনির্দিষ্ট কোনো সময়সীমা নেই। তবে, অবশ্যই অপেক্ষার একটি স্বাভাবিক সময় রয়েছে। সে পর্যন্ত অপেক্ষা করে এর পর তাগিদপত্র দেওয়া যেতে পারে।

    এই কূটনৈতিক পত্র শেখ হাসিনার প্রত্যাবর্তন প্রক্রিয়ার অংশ বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র।

    Facebook Comments Box
  • পদ্মা সেতু দুর্নীতি ষড়যন্ত্র মামলার পুনরায় তদন্তের সিদ্ধান্ত

    পদ্মা সেতু দুর্নীতি ষড়যন্ত্র মামলার পুনরায় তদন্তের সিদ্ধান্ত

    পদ্মা সেতু দুর্নীতি ও ষড়যন্ত্র মামলা ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে বঙ্গবন্ধু নভোথিয়েটার দুর্নীতি মামলার পুনরায় তদন্তের সিদ্ধান্ত নিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

    মঙ্গলবার (২৪ ডিসেম্বর) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় বিভিন্ন বিষয় নিয়ে ব্রিফ করেন দুদক মহাপরিচালক (প্রতিরোধ) আক্তার হোসেন।

    দুদক জানায়, পদ্মা সেতু দুর্নীতি ষড়যন্ত্র মামলার পুনরায় তদন্ত শুরু করেছে দুদক। এছাড়াও সাবেক এ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে নভোথিয়েটার দুর্নীতি মামলা পুনরায় তদন্তের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সংস্থাটি। তিন মামলায় আসামি হলেও পরে দায়মুক্তি পান তিনি।

    দুদকের অনুসন্ধান দল জানিয়েছে ৮ প্রকল্পে শেখ হাসিনার ২১ হাজার কোটি টাকা লোপাটের তদন্তে প্রধান উপদেষ্টার সচিব বরাবর তথ্য চেয়ে চিঠি দেয়া হয়েছে। এ বিষয়ে সাংবাদিকরা প্রশ্ন করা হলে দুদক মহাপরিচালক (প্রতিরোধ) আক্তার হোসেন বলেন, এর আগেও এ বিষয়টি নিয়ে সাংবাদিকদের অবগত করা হয়েছে। অনুসন্ধান দল গঠন করা হয়েছে। অনুসন্ধান দলের সদস্যরা দালিলিক প্রমাণ সংগ্রহের জন্য চিঠিপত্র দিচ্ছেন বিভিন্ন দফতরে। এটা তাদের অনুসন্ধান কাজের অংশ। তথ্য পাওয়ার পর দলের সদস্যরা পর্যালোচনা করবেন। এটার সাথে অভিযোগ প্রমাণের সহায়ক ও অভিযোগ সংশ্লিষ্টদের এ বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।

    এদিকে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তার ছেলে সজীব আহমেদ ওয়াজেদ জয়, ছোট বোন শেখ রেহানা এবং রেহানার মেয়ে ও ব্রিটিশ মন্ত্রী টিউলিপ সিদ্দিকের দেশে-বিদেশে লেনদেনের যাবতীয় নথি তলব করে বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের (বিএফআইইউ) কাছে চিঠি দেয় দুদক।

    এদিন দুদকের প্রধান কার্যালয়ের পাঠানো চিঠিতে সংস্থাটির অনুসন্ধান টিম সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের নামে পরিচালিত অফশোর ব্যাংকের হিসাব বিবরণীসহ সব অ্যাকাউন্টের বিস্তারিত তথ্য চেয়েছে। পাশাপাশি অনুসন্ধান টিম প্রথম দফায় অভিযোগ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ব্যক্তিগত নথিপত্র তলব করে নির্বাচন কমিশন এবং ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অফিসের নথি তলব করেছে।

    আজও তাদের নামে পরিচালিত অফশোর ব্যাংক অ্যাকাউন্টের নথি ও দেশের ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের লেনদেনের বিস্তারিত বিবরণ সরবরাহের জন্য বিএফআইইউর কাছে চিঠি দেয় অনুসন্ধান টিম। শিগগির আরও কিছু সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে নথি তলব করে চিঠি পাঠানো হবে।

    এর আগে গত ১৮ ডিসেম্বর সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং তার পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে ওঠা দুর্নীতির অভিযোগ অনুসন্ধানে পাঁচ সদস্যর একটি দল গঠন করে দুদক।

    শেখ হাসিনা, তার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়, বোন শেখ রেহানা ও তার মেয়ে টিউলিপ সিদ্দিকের দুর্নীতি খতিয়ে দেখতে অনুসন্ধান দলের নেতৃত্ব দেবেন দুদকের উপপরিচালক মো. সালাহউদ্দিন। দলের অন্য সদস্যরা হলেন, উপপরিচালক মো. সাইদুজ্জামান, সহকারী পরিচালক আফনান জান্নাত কেয়া, এস. এম. রাশেদুল হাসান ও এ কে এম মর্তুজা আলী সাগর।

    দুদকের এ দলটি আওয়ামী লীগ সরকারের বিশেষ অগ্রাধিকারের ৮ প্রকল্পে ২১ হাজার কোটি টাকা দুর্নীতির অভিযোগ অনুসন্ধান করছে। পাশাপাশি অনুসন্ধান করবে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র প্রকল্পে ৫৯ হাজার কোটি টাকার দুর্নীতিরও।

    এর আগে মঙ্গলবার (১৭ ডিসেম্বর) শেখ হাসিনা ও তার পরিবারের সদস্যদের দুর্নীতির অভিযোগ অনুসন্ধানের কথা জানিয়েছিলেন দুদকের মহাপরিচালক (প্রতিরোধ) আক্তার হোসেন।

    Facebook Comments Box
  • এনওয়াইপিডির লেফটেন্যান্ট হলেন রাজুব ভৌমিক

    এনওয়াইপিডির লেফটেন্যান্ট হলেন রাজুব ভৌমিক

    নিউইয়র্ক সিটি পুলিশ ডিপার্টমেন্ট (এনওয়াইপিডি)‘র সদর দপ্তরে ২৩ ডিসেম্বর এক বিশেষ অনুষ্ঠানে বাংলাদেশী আমেরিকান অফিসার রাজুব ভৌমিককে এনওয়াইপিডির লেফটেন্যান্ট পদে পদোন্নতির সার্টিফিকেট প্রদান করা হয়েছে। নোয়াখালীর সন্তান রাজুব ভৌমিক ২০১২ সালের জুলাই মাসে এনওয়াইপিডি-তে পুলিশ অফিসার হিসেবে যোগদান করেন। সন্ত্রাস দমন ইউনিটে কাজ শুরু করে তিনি অসামান্য দক্ষতা ও সাহসিকতার পরিচয় দিয়েছেন। তার কর্মজীবনের অধিকাংশ সময় তিনি নিউইর্য়ক সিটির ব্রঙ্কস এলাকায় জনগণের নিরাপত্তা রক্ষার জন্য দায়িত্ব পালন করেছেন।

    রাজুব ভৌমিক ২০২১ সালে তার যোগ্যতা ও নিষ্ঠার কারণে সার্জেন্ট পদে পদোন্নতি পান। তার নেতৃত্বে পুলিশ অফিসাররা বিভিন্ন সময়ে চ্যালেঞ্জিং পরিস্থিতি দক্ষতার সঙ্গে মোকাবিলা করেছে। এনওয়াইপিডি-তে তার দীর্ঘ এক যুগেরও বেশি সময়ের সেবায় তিনি পুলিশের প্রতি জনগণের আস্থা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন।

    অনুষ্ঠানে লেফটেন্যান্ট রাজুব ভৌমিকের হাতে পদোন্নতির সনদ তুলে দেন এনওয়াইপিডি কমিশনার জেসিকা টিশ। কমিশনার টিশ তার বক্তব্যে পদোন্নতিপ্রাপ্তদের পেশাদারিত্ব, কঠোর পরিশ্রম এবং কম্যুনিটির প্রতি রাজুবের অবদানের প্রশংসা করেন। পুলিশ বাহিনীতে তার এই নতুন দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে রাজুব ভৌমিক আরও বৃহত্তর পরিসরে জনগণের সেবা করবেন বলে আশা প্রকাশ করেছেন তার সহকর্মী ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

    উল্লেখ্য, লেফটেন্যান্ট রাজুব ভৌমিক শুধু একজন দক্ষ পুলিশ কর্মকর্তা নন, তিনি একজন অভিনেতা ও লেখক হিসেবেও পরিচিত। তিনি পুলিশ বাহিনীর দায়িত্বপূর্ণ জীবনের পাশাপাশি সৃজনশীল জগতে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছে। সম্প্রতি তার অভিনীত ‘পাশা’ চলচ্চিত্র অ্যামাজন প্রাইমে মুক্তি পায়। তার লেখা “যে ছায়ায় সূর্য হাসে” কবিতার বইটি সম্প্রতি প্রকাশ হয়েছে। তিনি অভিনয়ে তার শৈল্পিক দক্ষতার মাধ্যমে দর্শকদের মন জয় করেছেন এবং লেখালেখির মাধ্যমে সমাজের বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরে পাঠকদের অনুপ্রাণিত করেছেন।

    Facebook Comments Box
  • শ্রীশ্রী রাধামাধব মন্দিরের পাক্ষিক অধিবেশন

    শ্রীশ্রী রাধামাধব মন্দিরের পাক্ষিক অধিবেশন

    পারিবারিক সুখ-শান্তি-সমৃদ্ধি, কল্যাণ ও বিশ্ব শান্তির জন্য একটি পাক্ষিক অধিবেশন ২১ ডিসেম্বর শনিবার নিউইয়র্ক সিটির ব্রুকলিনে শ্রীশ্রী রাধামাধব মন্দিরে অনুষ্ঠিত হয়। দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া সত্ত্বেও ভক্তদের প্রচুর সমাগম ঘটেছিলো এ অনুষ্ঠানে। অনুষ্ঠানের সকল ধারাবাহিক কার্যক্রম শেষে সনাতনীদের প্রধান ধর্মীয় গ্রন্থ শ্রী মদ্ভগবদ গীতা থেকে পাঠ করেন প্রবাসের অন্যতম গীতা পাঠক মিন্টুলাল মজুমদার। এছাড়াও প্রার্থনা, ধর্মীয় সংগীত ও ধর্মীয় আলোচনা এবং এক পর্যায়ে বাংলাদেশে সংখ্যালঘু সনাতনী হিন্দু সম্প্রদায়ের উপর নির্যাতন, অগ্নিসংযোগ, ভাংচুর ও লুটপাটের তীব্র নিন্দা জানানো হয়। এছাড়া, যারা মৃত্যুবরণ করেছে তাদের আত্মার শান্তি কামনায় ২ মিনিট নীরবতা পালন করা হয় এবং নিরপেক্ষ তদন্ত সাপেক্ষে বিচার দাবি করা হয়। পাশাপাশি প্রভু চিন্ময় কৃষ্ণদাসের নি:শর্ত মুক্তি দাবি করা হয়।

    এ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ভক্তগনের মধ্যে শ্রীশ্রী রাধামাধব মন্দিরের সভাপতি শ্যামল দত্ত ও সম্পাদক মনোতোষ রায়, রমেশ দেবনাথ, মিন্টুলাল মজুমদার, অজিত ভৌমিক, খোকন দাস, বীনা মজুমদার, ঝুলন সেন, সুসেনশীল, উত্তম দত্ত, প্রশান্ত দাস, সুনীল মজুমদার, নির্মল দাস, অসীম দাস, রতন দাস, সঞ্জয় দাস ও পপী গোলজার।
    সমগ্র অনুষ্ঠানে বিশেষ সহযোগিতায় ছিলেন মন্দিরের একনিষ্ঠ ভক্ত সঞ্জয় কুরী ও পূজা কুরী।

    Facebook Comments Box