এনওয়াইভয়েস২৪ ডটকম
প্রিন্ট
বুধবার, ১৯ নভেম্বর ২০২৫ সর্বশেষ আপডেট : ৯:৩৩ পূর্বাহ্ণ
এহসান উল্লাহ ও নিদা আনোয়ার।
১৫ নভেম্বর শনিবার সন্ধ্যায় নিউইয়র্কের নিউ রচেলে-তে অবস্থিত গ্রীণট্রি কান্ট্রি ক্লাবে নির্মাণ ব্যবসায়ী ও কম্যুনিটি অ্যাক্টিভিস্ট মোহাম্মদ জাফরউল্লাহ্ এবং হালিমা বেগমের পুত্র মোহাম্মদ এহসান উল্লাহ্-এর সাথে সৈয়দ জাহিদ আলী আনোয়ার এবং সাবাহাত আফজালের কন্যা নিদা আনোয়ারের বিবাহ-উত্তর সংবর্ধনা সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই আনন্দঘন উপলক্ষে নিউইয়র্কের সর্বস্তরের প্রবাসীর সমাগম ঘটেছিল। বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার ৬ শতাধিক প্রবাসী এই আয়োজনে অংশগ্রহণ করে সম্প্রীতি ও ভালোবাসার জয়গানে অনুষ্ঠানস্থলকে মুখরিত করে তোলেন।
এহসান উল্লাহ ও নিদা আনোয়ার দম্পতির স্বজনেরা।
অনুষ্ঠানের সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন নববিবাহিত এহসান উল্লাহ্-এর বাবা-মা, সন্দ্বীপের সন্তান মোহাম্মদ জাফরউল্লাহ্ ও হালিমা বেগম দম্পতি। মানবতার কল্যাণে নিবেদিত মৃদুভাষী হিসেবে পরিচিত জাফরউল্লাহ্ সকলের প্রতি আন্তরিক আতিথেয়তা প্রদর্শন করেন। আগত সকল প্রবাসী প্রাণের সাথে প্রাণ মিলিয়ে বিবাহ-বন্ধনে আবদ্ধ এহসান ও নিদা দম্পতিকে অনাগত দিনগুলো সুখ-শান্তিতে পরিপূর্ণ হওয়ার জন্য আন্তরিক দোয়া ও শুভ কামনা জানান।
এহসান উল্লাহ ও নিদা আনোয়ার দম্পতির স্বজনেরা।
নবদম্পতি মোহাম্মদ এহসান উল্লাহ্ ও নিদা আনোয়ারের পরিবার কম্যুনিটিতে সুপরিচিত। বর মোহাম্মদ এহসান উল্লাহ্-এর বাবা মোহাম্মদ জাফরউল্লাহ্ একজন সফল নির্মাণ ব্যবসায়ী হওয়ার পাশাপাশি কম্যুনিটি অ্যাক্টিভিস্ট হিসেবেও পরিচিত। অন্যদিকে, নববধূ নিদা আনোয়ারের বাবা-মা হলেন সৈয়দ জাহিদ আলী আনোয়ার এবং সাবাহাত আফজাল।
এহসান উল্লাহ ও নিদা আনোয়ার দম্পতির স্বজনেরা।
জাফরউল্লাহ্ পরিবারের কম্যুনিটিতে গভীর সম্পর্ক রয়েছে। উল্লেখ্য, সংবর্ধনার আয়োজক মোহাম্মদ জাফরউল্লাহ্ হলেন ব্রুকলীনে অবস্থিত বাংলাদেশ মুসলিম সেন্টারের প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি আবুল হাসেমের ছোটভাই। এছাড়াও, তিনি কম্যুনিটির আরেক নিবেদিতপ্রাণ ব্যক্তিত্ব মো. কাদের মিয়ার ভায়রা হিসেবেও পরিচিত। এই পারিবারিক পরিচিতি কম্যুনিটির সাথে তাঁদের সুদৃঢ় বন্ধনকে তুলে ধরে।
এহসান উল্লাহ ও নিদা আনোয়ার দম্পতির স্বজনেরা।
৬ শতাধিক প্রবাসীর উপস্থিতিতে গ্রীণট্রি কান্ট্রি ক্লাবের এই সংবর্ধনা অনুষ্ঠানটি কার্যত নিউইয়র্কের বিভিন্ন স্তরের প্রবাসীদের এক মিলনমেলায় পরিণত হয়। বিভিন্ন পেশার মানুষের উপস্থিতি প্রমাণ করে যে, নবদম্পতি ও তাঁদের পরিবার প্রবাসে যথেষ্ট জনপ্রিয় এবং শ্রদ্ধার পাত্র। এই বিপুল উপস্থিতি বিবাহ-উত্তর সংবর্ধনাটিকে এক উৎসবমুখর এবং সম্প্রীতির বার্তা বহনকারী অনুষ্ঠানে পরিণত করে।
Posted ৯:৩৩ পূর্বাহ্ণ | বুধবার, ১৯ নভেম্বর ২০২৫
nyvoice24 | New York Voice 24
এ বিভাগের আরও খবর