নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রিন্ট
শুক্রবার, ২৮ নভেম্বর ২০২৫ সর্বশেষ আপডেট : ৮:৩১ পূর্বাহ্ণ
হোয়াইট হাউসের কাছে ন্যাশনাল গার্ড বাহিনীর সদস্যদের ওপর হামলার পর বৃহস্পতিবার প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এ মন্তব্য করেন। ওয়াশিংটন ডিসিতে এ হামলার জন্য ট্রাম্প পূর্বসূরী জো বাইডেন আমলের নিরাপত্তা যাচাই-বাছাইয়ের ব্যর্থতাকে দায় দিচ্ছেন। প্রেসিডেন্ট কোনো দেশের নাম নেননি, ‘তৃতীয় বিশ্বের দেশ’ বা ‘স্থায়ীভাবে বন্ধ’ বলতে তিনি কি বুঝিয়েছেন তাও খোলাসা করেননি।
বাইডেন প্রশাসনের সময় যারা যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসী হওয়ার সুযোগ পেয়েছেন তাদের থাকার অনুমতি বাতিলেরও হুমকি দিয়েছেন তিনি। “মার্কিন ব্যবস্থাপনাকে রোগ থেকে পুরোপুরি সেরে ওঠার সুযোগ করে দিতে তৃতীয় বিশ্বের সব দেশ থেকে অভিবাসন স্থায়ীভাবে বন্ধ করবো আমি, বাইডেন অবৈধভাবে যে লাখ লাখ অভিবাসীকে ঢুকিয়েছে তাদের অনুমোদন বাতিল করবো, এর মধ্যে তারাও আছে যারা ঘুমন্ত জো বাইডেনের অটো পেনের খোঁচায় সুযোগ পেয়েছে, তাদেরকে সরিয়ে নেবো যারা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য সম্পদ বলে বিবেচিত হবে না,” ট্রুথ সোশালে দেওয়া পোস্টে বলেছেন ট্রাম্প।‘নাগরিক-নন’ এমন ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় সরকারের সব সুযোগ-সুবিধা ও ভর্তুকি বাতিল করবেন বলেও জানিয়েছেন তিনি।
যুক্তরাষ্ট্রের শান্তি-শৃঙ্খলায় ব্যাঘাত ঘটাবে তাদের নাগরিকত্ব বাতিল করা হবে এবং যে বিদেশি নাগরিকরা যুক্তরাষ্ট্রের ওপর বোঝা কিংবা নিরাপত্তা ঝুঁকি হয়ে দাঁড়াবে বা ‘পশ্চিমা সভ্যতার সঙ্গে খাপ খাবে না’ তাদেরকে ফেরত পাঠানো হবে, বলেছেন তিনি।
হোয়াইট হাউসের কাছে আচমকা এক হামলায় এক ন্যাশনাল গার্ড সদস্য নিহত হওয়ার ঘটনায় ক্ষুব্ধ ট্রাম্প আগে আফগান নাগরিকদের অভিবাসন কর্মসূচির ওপর খড়্গহস্ত হয়েছিলেন। ওই হামলা এক আফগান নাগরিকই সংঘটিত করেছে বলে জানিয়েছে তদন্ত কর্মকর্তারা। হামলায় ন্যাশনাল গার্ডের আরেক সদস্যও গুলিবিদ্ধ হয়েছিলেন। তার অবস্থাও আশঙ্কাজনক।
ট্রুথ সোশালে ট্রাম্পের পোস্টের আগে যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা বলেছিলেন, বাইডেন প্রশাসনের আমলে শরণার্থী মর্যাদা পাওয়া ব্যক্তি ও গ্রিনকার্ড পাওয়া ১৯ দেশের নাগরিকদের বিস্তৃত যাচাই-বাছাইয়ের আওতায় আনতে ট্রাম্প নির্দেশ দিয়েছেন।
সন্দেহভাজন যে বন্দুকধারী ওয়াশিংটন ডিসিতে ন্যাশনাল গার্ডের ওপর হামলায় জড়িত, তিনি চলতি বছর ট্রাম্প প্রশাসনের অধীনেই যুক্তরাষ্ট্রে শরণার্থী মর্যাদা পেয়েছেন বলে মার্কিন সরকারি নথিতে দেখা যাচ্ছে।
পুনর্বাসন কর্মসূচির আওতায় ২০২১ সালে যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়া ২৯ বছর বয়সী রাহমানুল্লাহ লাকানওয়াল আফগানিস্তানে থাকাকালে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ-র সঙ্গে কাজ করেছিলেন বলেও একাধিক পশ্চিমা গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।
Posted ৯:৩০ পূর্বাহ্ণ | শুক্রবার, ২৮ নভেম্বর ২০২৫
nyvoice24 | New York Voice 24
এ বিভাগের আরও খবর