নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রিন্ট
বুধবার, ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ সর্বশেষ আপডেট : ১০:৩০ পূর্বাহ্ণ
ধর্মীয় সম্প্রীতির বন্ধন সুসংহত করার মধ্যদিয়ে বিশ্বের উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির পথ সুগম করার অভিপ্রায়ে ৬ ফেব্রুয়ারি ওয়াশিংটন ডিসিতে ‘৭৩তম ন্যাশনাল প্রেয়ার ব্রেকফাস্ট’ অনুষ্ঠানে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, বৃটেন, অষ্ট্রেলিয়া, বাংলাদেশসহ শতাধিক দেশের রাষ্ট্রনায়ক, সরকার প্রধান, নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিসহ বিভিন্ন ধর্মের স্কলাররা অংশ নেবেন। এতে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপার্সন তারেক রহমানের প্রতিনিধিত্ব করবেন তার কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমান। ৪ ফেব্রুয়ারি লন্ডন থেকে নিউইয়র্কে এসেছেন ব্যারিস্টার জাইমা। তিনি লং আইল্যান্ডে তার এক আত্মীয়ের বাসায় অবস্থান করবেন ওয়াশিংটন ডিসির উদ্দেশ্যে ৫ ফেব্রুয়ারি বুধবার রওয়ানা দেয়ার আগ পর্যন্ত। ব্যারিস্টার জাইমার আগমণ ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রে বিএনপি পরিবারে এক ধরনের উচ্ছ্বাস পরিলক্ষিত হচ্ছে। যদিও কেউই এয়ারপোর্টে তাকে স্বাগত জানানোর সুযোগ পাননি কিংবা প্রেয়ার ব্রেকফাস্টে যোগদানের পরও দলীয় কোন ফোরামে তিনি কথা বলবেন বলে জানা যায়নি। তবুও কেন এত উচ্ছ্বাস, আনন্দ আর আবেগ? জবাবে নিউইয়র্কে বসবাসরত বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির অন্যতম সদস্য আলহাজ্ব আব্দুল লতিফ সম্রাট এ সংবাদদাতাকে বললেন, আন্তর্জাতিকভাবে এমন গুরুত্বপূর্ণ একটি অণুষ্ঠানে বিএনপি চেয়ারপার্সনের প্রতিনিধিত্ব করার দায়িত্ব নিয়ে এসেছেন ব্্যারিস্টার জাইমা রহমান। এটা প্রবাসের সচেতন সকল বাংলাদেশীর জন্যেই অহংকার আর গৌরবের। এ অনুষ্ঠানে বিশ্ব নেতৃবৃন্দের সাথে মিলিত হবার সুযোগ বাংলাদেশের সামগ্রিক কল্যাণ ও উন্নয়নের ব্যাপারেও কথা বলবেন। এবং আন্তর্জাতিক এ সমাবেশের মধ্যদিয়েই ব্যারিস্টার জাইমার বাংলাদেশের নেতৃত্বে দাদি ও বাবার পাশে অধিষ্ঠত হবার পথ বিস্তৃত হবে বলে আশা করছি। যুক্তরাষ্ট্রের বিএনপির সর্বস্তরের নেতা-কর্মী ও দেশপ্রেমিক প্রবাসীগণের পক্ষ থেকে আমিও ব্যারিস্টার জাইমা রহমানকে স্বাগত ও শুভেচ্ছা জানাচ্ছি।
মার্কিন ধারার রাজনীতিক ও বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির অপর প্রভাবশালী সদস্য গিয়াস আহমেদ বলেন, আমি ব্যারিস্টার জাইমার এ সফরের সর্বাত্মক সাফল্য কামনা করছি এবং আশা করছি ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপার্সন তারেক রহমানের বার্তা তিনি বিশ্বসভায় উপস্থাপনে সক্ষম হবেন। গিয়াস আহমেদ আরো বলেন, বাংলাদেশের উন্নয়ন আর সংস্কারে জাইমা রহমানের মত মানুষের ভীষন প্রয়োজন। যারা প্রবাসে বেড়ে উঠেন, উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত হয়েছেন তাদের পক্ষেই বাংলাদেশের সত্যিকার সংস্কার করা সম্ভব। কারণ, যারা বাংলাদেশে বেড়ে উঠেছেন ও লেখাপড়া করছেন-তারা তো সার্বক্ষণিকভাবে অনিয়ম-অনাচার আর অব্যবস্থাপনার সাথে জড়িয়ে ছিলেন। তাই তাদের দৃষ্টিতে অনিয়ম-দুর্নীতি-অব্যবস্থাপনার সত্যিকার অবস্থা ধরা পড়বে না পু্খংপুঙ্খানুভাবে। জাইমা রহমান রাজনৈতিক পরিবারের সন্তান, তাই তার মত তরুণ নেতৃত্ব প্রয়োজন বাংলাদেশকে সামগ্রিক উন্নয়ন দিতে এবং সে তাগিদেই আমাদের নেতা তারেক রহমান তাকে পাঠিয়েছেন গুরুত্বপূর্ণ এ আন্তর্জাতিক সমাবেশে।
উল্লেখ্য, এই ব্রেকফাস্ট প্রেয়ারে যোগদানের জন্যে বিএনপি মহাসচিব মীর্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির মাহমুদ চৌধুরীও যুক্তরাষ্ট্রে এসেছেন। তারাও দলীয় কোন কর্মসূচিতে অংশ নেবেন বলে শোনা যায়নি। যদিও ওয়াশিংটন ডিসি, ভার্জিনিয়া এবং ম্যারিল্যান্ড বিএনপির নেতা-কর্মীর অনেকেই ঐ প্রেয়ার ব্রেকফার্স্টে অংশ নেবেন। তিন হাজারের অধিক মানুষ এই বিশেষ প্রার্থনা সমাবেশে অংশগ্রহণ করবেন বলে আয়োজকরা জানিয়েছেন। সমাবেশটি অনলাইনেও সম্প্রচারিত হবে।
Posted ৯:৫৮ পূর্বাহ্ণ | বুধবার, ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৫
nyvoice24 | New York Voice 24
এ বিভাগের আরও খবর