নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রিন্ট
শুক্রবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৫ সর্বশেষ আপডেট : ৯:৪১ পূর্বাহ্ণ
বিশ্বের রাজধানী খ্যাত নিউইয়র্ক সিটির উন্নয়ন ও কল্যাণে নিরন্তরভাবে কর্মরত বাংলাদেশীদের বিশেষ সম্মান জানানোর মধ্যদিয়ে ৩ এপ্রিল ‘বাংলাদেশী হেরিটেজ’ উৎসব করা হলো সিটি মেয়রের বাসভবনে। বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার প্রতিনিধিত্বকারি প্রবাসীদের উচ্ছ্বল উপস্থিতিতে এ সমাবেশে ঠিকানা পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা-সম্পাদক এম এম শাহীন এবং আবাসন ব্যবসায়ী নুরুল আজিমসহ চারজনকে বিশেষ সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়। এ সময় প্রদত্ত বক্তব্যে মেয়র এরিক এডামস বলেন, ক্রমবর্দ্ধমান কম্যুনিটির সদস্য হিসেবে বাংলাদেশীরা নিউইয়র্ক সিটিকে বসবাসের চমৎকার একটি জনপদে পরিণত করতে প্রশংসনীয় ভ’মিকা পালন করছেন।
বাংলাদেশের ঐতিহ্য উদযাপনী সমাবেশে নিউইয়র্ক সিটি মেয়রের সাথে ‘বিশেষ সম্মাননা’প্রাপ্তরা। ছবি-এনওয়াইভয়েস২৪।
সিটি প্রশাসনের চীফ এডমিনিস্ট্রেটিভ অফিসার থেকে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে অধিষ্ঠিত হয়েছেন বাংলাদেশী আমেরিকানরা। পুলিশ প্রশাসনেও বাংলাদেশীদের অবদান অনস্বীকার্য। আফ্রিকান আমেরিকান মেয়র এরিক এডামস বলেন, আমি বহুজাতিক এই সিটির মেয়র হয়েছি আপনাদের মতোই একটি কম্যুনিটির সদস্য হিসেবে। আপনারাও যদি ঐক্যবদ্ধ থাকেন তাহলে ভোটের ময়দানে আপনারাও বিজয় অর্জনে সক্ষম হবেন। আমেরিকান স্বপ্ন পূরণের পথে মার্কিন রাজনীতি ও প্রশাসনে সম্পৃক্ততার বিকল্প নেই বলেও মন্তব্য করেন এরিক এডামস। উল্লেখ্য, প্রবাসী বাংলাদেশীদের মাধ্যমে পুরো বাঙালি জাতিকে সম্মান জানানোর জন্যে নিউইয়র্ক সিটি মেয়রের সরকারী বাসভবন ‘গ্র্যাসী মেনশন’ এ এটি ছিল তৃতীয় বার্ষিক আয়োজন।
বাংলাদেশের ঐতিহ্য উদযাপনী সমাবেশে বিশিষ্টজনেরা। ছবি-এনওয়াইভয়েস২৪।
নিউইয়র্ক সিটির প্রত্যাশার পরিপূরক জীবন-যাত্রাকে মহিমান্বিত করতে বাংলাদেশী আমেরিকানদের অসাধারণ অবদানের প্রশংসা করে এ সময় আরো বক্তব্য দেন সিটি মেয়রের চীফ প্রশাসনিক কর্মকর্তা মীর বাশার, বাংলাদেশের কন্সাল জেনারেল নাজমুল হুদা, বাংলাদেশ সোসাইটির সভাপতি আতাউর রহমান সেলিম এবং সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আলী। এর আগে দুটি সঙ্গীত পরিবেশন করেন রানু নেওয়াজ এবং অনিক রাজ। শুরুতে বাঙালি সংস্কৃতির হৃদয়কাড়া সুর উজ্জীবিত করেন সেতারে কালা মিয়া এবং ঢুলি শফিক।
বাংলাদেশের ঐতিহ্য উদযাপনী সমাবেশে দুই বীর মুক্তিযোদ্ধার সাথে নিউইয়র্ক পুলিশ ডিপার্টমেন্টের কর্মকর্তা মোহাম্মদ চৌধুরী। ছবি-এনওয়াইভয়েস২৪।
বাংলাদেশের ঐতিহ্য উদযাপনের এ সমাবেশে অবশ্য বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত ধ্বনিত হয়নি। এমনকি অনুষ্ঠানে উপস্থিত বীর মুক্তিযোদ্ধাগণকেও সম্মান জানানো দূরের কথা, মুক্তিযুদ্ধে ৩০ লাখ শহীদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর কোন পর্বও ছিল না।
বাংলাদেশের ঐতিহ্য উদযাপনী সমাবেশে বিশিষ্টজনেরা। ছবি-এনওয়াইভয়েস২৪।
এ উৎসবে বিশিষ্টজনদের মধ্যে ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মুকিত চৌধুরী এবং লাবলু আনসার, কম্যুনিটি লিডার গিয়াস আহমেদ, শাহনেয়াজ, রাব্বি সৈয়দ, রোকন হাকিম, মহিউদ্দিন দেওয়ান, কামরুজ্জামান কামরুল, কাজী আজম, কামাল হোসেন মিঠু, আবু তাহের, আলিম খান আকাশ, আরিফুল ইসলাম আরিফ, আকাশ রহমান, আবুল কাশেম, জাহাঙ্গির সোহরাওয়ার্দি, ফখরুল ইসলাম দেলোয়ার, আহসান হাবিব, জাবেদ উদ্দিন, রিজু মোহাম্মদ, আশরাফ খান লিটন, আবুল কাশেম, প্রেসিডেন্সিয়াল এওর্য়্ডাপ্রাপ্ত ‘খলিল বিরিয়ানি হাউজ’র কর্ণধার খলিলুর রহমান, খ্যাতনামা কন্ঠশিল্পী কৃষ্ণাতিথি, সবিতা দাস প্রমুখ। আরো ছিলেন বাংলাদেশী আমেরিকান পুলিশ এসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট এরশাদুর রহমান, ফার্ষ্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট এ কে এম আলম, ভাইস প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ চৌধুরী, কম্যুনিটি লিয়াঁজো সর্দার মামুন, মিডিয়া লিঁয়াজো জামিল সর্য়োার প্রমুখ।
Posted ৯:৪৫ পূর্বাহ্ণ | শুক্রবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৫
nyvoice24 | New York Voice 24
এ বিভাগের আরও খবর