বিশেষ সংবাদদাতা
প্রিন্ট
বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬ সর্বশেষ আপডেট : ১:৩৭ অপরাহ্ণ
![]()
(এনওয়াইভয়েস২৪ ডটকম)
সিটিজেনশিপ গ্রহণের সময় অতীতে অপকর্মের তথ্য গোপন করা কিংবা সাজানো বিয়ের মাধ্যমে গ্রীণকার্ডের পথ পেড়িয়ে সিটিজেন হওয়ার তথ্য ফাঁস হওয়ায় ভারতীয়, পাকিস্তানী, নেপালি, চায়নিজ, কানাডিয়ান-সহ ৪০ জনের মার্কিন সিটিজেনশিপ কেড়ে নেয়া হলো। এ তালিকায় নেই কোন বাংলাদেশী।
মার্কিন বিচার বিভাগ ৫ অক্টোবর এ সংবাদ জানিয়েছে। এরমধ্যে একজন রয়েছেন গোপনে বিদেশের দূত হিসেবে কাজ করেছেন। কয়েকজনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা রয়েছে। সিটিজেনশিপের পথ-পরিক্রমায় নগদ অর্থে বিয়ের নাটক সাজানোর তথ্য গোপন করা। এসব সিটিজেনের বিরুদ্ধে প্রশাসনের কাছে অভিযোগ দায়ের করার পর এ বছরের ২১ আগস্ট তদন্ত শুরু হয় এবং চ’ড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়া হয় ২ অক্টোবর। এত স্বল্প সময়ে এতবেশী বিদেশীর সিটিজেনশিপ কেড়ে নেয়ার ঘটনা আর কখনোই যুক্তরাষ্ট্রে ঘটেনি বলে এ সেক্টর নিয়ে কর্মরতরা মন্তব্য করেছেন। এর আগে ২০১৭ থেকে ২০২৫ পর্যন্ত ৮ বছরে ১২০ জনের সিটিজেনশিপ কেড়ে নেয়া হয়। সে তথ্য এ বছরের এপ্রিলে বিতরণ করেছিল বিচার বিভাগ। সে সময় সংশ্লিষ্ট সূত্রের উদ্ধৃতি দিয়ে নিউইয়র্ক টাইমস জানিয়েছিল যে, বিচার বিভাগে ৩৮৪ জনের একটি তালিকা রয়েছে, যাদের সিটিজেনশিপ কেড়ে নেয়ার প্রক্রিয়া অবলম্বন করা হয়েছে। আর এই পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের আগ্রহে। বিদ্যমান রীতি অনুযায়ী সিটিজেনশিপ গ্রহণের সময় অতীতের কোন অপকর্মে লিপ্ত থাকার তথ্য গোপন করলে কিংবা সত্য প্রকাশ না করলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির সিটিজেনশিপ বাতিল করার এখতিয়ার রয়েছে প্রশাসনের। তবে এর আগে আর কোন প্রেসিডেন্টের আমলেই এ ক্ষেত্রে কঠোর মনোভাব অবলম্বনের ঘটনা ঘটেনি। তবে গুরুতর অপকর্মে লিপ্ত থাকার দায়ে দীর্ঘদিনের দন্ড ভোগের পর গ্রীণকার্ড বাতিলের ঘটনা অহরহ ঘটেছে। সিটিজেনশিপ কেড়ে নেয়ার প্রক্রিয়াও অবলম্বন করা হয়েছে মারাত্মক কোন অপকর্মে লিপ্ত থাকার দায়ে বড়-দাগের জেল-জরিমানার পর।
৫ অক্টোবর বিচার বিভাগের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে অ্যাটর্নি জেনারেল টড ব্ল্যাঞ্চতে উদ্ধৃত করে বলা হয়েছে, আজকের ঘোষণাটি আধুনিক ইতিহাসের সবচেয়ে বড় অপরাধের প্রচেষ্টাকে চিহ্নিত করেছে। গোয়েন্দাগিরির দায়ে দোষী সাব্যস্ত ব্যক্তি থেকে শুরু করে নাবালকদের বিরুদ্ধে যৌন অপরাধের জন্য দোষী সাব্যস্ত হওয়া ব্যক্তিরা, সিটিজেন হিসেবে শপথ গ্রহণের সময় নিজের অপকর্মের তথ্য গোপন করেছে এবং গুরুতর অপরাধীদের প্রতিনিধিত্ব করেছে। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের নেতৃত্বে, বিচার বিভাগ আমাদের জাতীয় নিরাপত্তা বজায় রাখতে এবং আমেরিকান জনগণকে রক্ষা করার জন্য ডিন্যাচারালাইজেশন প্রক্রিয়া চালিয়ে যাবে।
বিচার বিভাগের সিভিল ডিভিশনের সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল ব্রেট এ শুমেট বলেছেন, “এই ব্যক্তিদের প্রত্যেকেই মার্কিন নাগরিকত্বের জন্য মিথ্যা বলেছে। এই প্রশাসন মার্কিন নাগরিকত্বে আস্থা ও অখন্ডতা পুনরুদ্ধার করতে বিচার বিভাগের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় ডিন্যাচারালাইজেশন (সিটিজেনশিপ কেড়ে নেয়া) প্রচেষ্টা চা
Posted ১:৩৭ অপরাহ্ণ | বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬
nyvoice24 | New York Voice 24