Category: প্রবাস

  • কনস্যুলার সেবার ফি বৃদ্ধির প্রতিবাদ বাংলাদেশ সোসাইটির

    কনস্যুলার সেবার ফি বৃদ্ধির প্রতিবাদ বাংলাদেশ সোসাইটির

    নিউইয়র্ক অঞ্চলে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের শীর্ষ সংগঠন ‘বাংলাদেশ সোসাইটি’ কনস্যুলার সার্ভিসের ফি অস্বাভাবিক হারে বৃদ্ধির প্রতিবাদ জানিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। সোসাইটির প্রচার ও জনসংযোগ সম্পাদক রিজু মোহাম্মদ স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে ৩ জুন উল্লেখ করা হয়েছে, এই সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণ অযৌক্তিক, প্রবাস-বিরোধী এবং অবিলম্বে তা প্রত্যাহার করা উচিত।

    সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশের কনস্যুলেট সার্ভিসে কিছু সেবার ফি ৭৬ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়েছে, যা প্রবাসীদের জন্য এক ধরনের আর্থিক শাস্তির শামিল বলে মনে করছে বাংলাদেশ সোসাইটি। বর্তমান সরকারকে প্রবাস-বান্ধব সরকার বলা হলেও বাস্তবে একের পর এক প্রবাস-বিরোধী সিদ্ধান্ত নিচ্ছে। এ রকম ফি বৃদ্ধি সেই প্রমাণ বহন করে।

    বিবৃতিতে আরো বলা হয়েছে, প্রবাসীরা অকুন্ঠ চিত্তে সরকারের পাশে দাঁড়িয়ে রেমিটেন্সের বন্যা বইয়ে দিচ্ছে, অথচ সরকার তাদের বারবার হতাশ করছে। প্রবাসীরাই সরকারের সবচেয়ে বড় সহযোগী হলেও, তাদেরকে নানা ভোগান্তির মাধ্যমে প্রতিদান দেওয়া হচ্ছে।

    বাংলাদেশ সোসাইটি দাবি জানাচ্ছে ফি পূর্বের অবস্থানে ফিরিয়ে আনতে হবে এবং সম্ভব হলে আগের চেয়েও কমিয়ে আনতে হবে, যাতে প্রবাসীরা সরকারি সেবা সহজেই গ্রহণ করতে পারে।

    বাংলাদেশ সোসাইটি আরো মনে করে সরকারের উচিত হবে প্রবাসীদের সঙ্গে আলোচনা করে যুক্তিযুক্ত ও মানবিক সিদ্ধান্ত নেওয়া। না হলে সরকারের প্রতি প্রবাসীদের আস্থা ও সমর্থন ব্যাহত হতে পারে।

    বাংলাদেশ সোসাইটি ফি বৃদ্ধির সিদ্ধান্তকে প্রবাসীদের প্রতি চরম অবহেলা ও অমানবিক আচরণের প্রতিফলন বলে মনে করছে এবং সরকারের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছে অবিলম্বে এ সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করে প্রবাস-বান্ধব নীতির বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে।

  • জিয়ার শাহাদৎ বার্ষিকীতে মহিলা দল

    জিয়ার শাহাদৎ বার্ষিকীতে মহিলা দল

    বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৪তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে নিউইয়র্কে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল করেছে জাতীয়তাবাদী মহিলা দল। ২৯ মে মহিলা দলের আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক মমতাজ আলো এই মাহফিলের আয়োজন করেন এবং অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন । প্রধান অতিথি হিসেবে ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির কেন্দ্রীয় সহশিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক ও জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাবেক এমপি হেলেন জেরিন খান।

    অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন মার্জিয়া ইসলাম।

    দোয়া মাহফিলে আরো ছিলেন মহিলা ফাহমিদা চৌধুরী, খাদিজা আক্তার, জারা রহমান, আমিনা বেগম, মনিকা আক্তার, সানজিদা আক্তার, মিথিলা, ফারহানা জামান, আক্তার, ইয়াসমিন আফরোজ, ফাহমিদা, ফাতেমা রিতা ও বেবি। অনুষ্ঠানে নেতৃবৃন্দ বলেন, জিয়াউর রহমানের এই শাহাদাত বার্ষিকীতে আমাদের দাবি হচ্ছে : তালবাহানা বাদ দিয়ে অবিলম্বে নির্বাচন দিয়ে জনগণের ভোটের মাধ্যমে জন প্রতিনিধিত্ব নির্বাচিত করে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করুন। স্লোগান উঠে- দিল্লি নয়, পিন্ডি নয়, নয় অন্য কোনো দেশ-সবার আগে বাংলাদেশ।

  • প্রবাসীদের জন্য হাসপাতাল নির্মাণ করা হবে বাংলাদেশে: আসিফ নজরুল

    প্রবাসীদের জন্য হাসপাতাল নির্মাণ করা হবে বাংলাদেশে: আসিফ নজরুল

    প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল জানিয়েছেন, বাংলাদেশের বাইরে অবস্থানরত প্রবাসীদের জন্য বিশেষায়িত একটি হাসপাতাল নির্মাণ করা হবে। তিনি বলেন, ‘প্রবাসীরা দেশে ফিরে চিকিৎসাসেবা পেতে নানা সমস্যার মুখে পড়েন। তাই তাদের অর্থায়নে একটি আধুনিক হাসপাতাল নির্মাণ করা হবে, যার মালিকানা থাকবে প্রবাসীদের হাতেই।’

    শনিবার (৩১ মে) বিকালে টাঙ্গাইলে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

    আসিফ নজরুল আরো বলেন, ‘সরকার প্রবাসীদের জন্য নানা উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংকের মাধ্যমে সহজ শর্তে ঋণ দেওয়ার প্রক্রিয়া চালু রয়েছে। এছাড়া জাপানে জনবল পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে এবং অন্যান্য দেশের সঙ্গেও আলোচনা অব্যাহত রয়েছে।’

    দেশের শিক্ষার্থীদের দক্ষতা উন্নয়ন বিষয়ে তিনি বলেন, ‘এসএসসি পরীক্ষার পর শিক্ষার্থীরা ৩-৬ মাস অবসর সময় কাটায়। এই সময়কে কাজে লাগিয়ে তাদের দক্ষ করে গড়ে তুলতে সারাদেশের বিভিন্ন কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে ৬ হাজার শিক্ষার্থীকে প্রশিক্ষণের আওতায় আনা হয়েছে। দক্ষতা অর্জন করে যারা বিদেশে যাবেন, তারা আরও ভালো বেতন ও সুবিধা পাবেন।’

    অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক শরীফা হক। এ সময় উপস্থিত ছিলেন জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর মহাপরিচালক সালেহ আহম্মদ মোজাফফর, টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান এবং টাঙ্গাইল কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের অধ্যক্ষ রাশেদুল ইসলাম প্রমুখ। সৌজন্যে: বিজনেসআই২৪

  • শহীদ জিয়ার আদর্শই হবে আগামী দিনের পথ-পরিক্রমার দিশারি

    শহীদ জিয়ার আদর্শই হবে আগামী দিনের পথ-পরিক্রমার দিশারি

    ৩০ মে-কে জাতীয় শোক দিবস, ডিসেম্বরের মধ্যে জাতীয় নির্বাচন এবং ৫ আগস্টের পর থেকে সীমাহীন দুর্নীতি ও অব্যবস্থাপনার জন্যে দায়ীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবিতে নিউইয়র্কসহ সারা আমেরিকায় গভীর শ্রদ্ধায় ৩০ মে পালিত হলো ‘শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৪তম শাহাদৎ বার্ষিকী’। বিএনপি, যুবদল, জাসাস ছাড়াও উত্তর আমেরিকায় বাংলাদেশীদের বাণিজ্যিক রাজধানী খ্যাত ‘জ্যাকসন হাইটস এলাকাবাসী’র উদ্যোগেও বড় ধরনের একটি দোয়া-মাহফিল এবং তবারক বিতরণের কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছিল। নিউইয়র্ক স্টেট বিএনপি এবং ‘জ্যাকসন হাইটস এলাকাবাসী’র পৃথক কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারিগণের মধ্যে তবারকের পাশাপাশি ‘জায়নামাজ’ও বিতরণ করা হয়েছে।

    সবচেয়ে বড় সমাবেশ হয় ডাইভার্সিটি প্লাজায় ‘নিউইয়র্ক স্টেট বিএনপি’র উদ্যোগে। হাজারো প্রবাসী এতে অংশ নেন। বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির অন্যতম সদস্য গিয়াস আহমেদ এই কর্মসূচির উদ্বোধনী বক্তব্যে বলেন, ‘একাত্তরের মার্চে স্বাধীনতার জন্যে উদগ্রিব মানুষকে সুনির্দিষ্ট কোন দিক-নির্দেশনা না দিয়ে শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্তানী বাহিনীর কাছে আত্মসমর্পণ করেছিলেন। তেমন একটি পরিস্থিতিতে জিয়াউর রহমান কালুর ঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে নিজ উদ্যোগে স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছেন। তিনি কারো নির্দেশে খবর পাঠ করেননি। তিনি সংবাদ পাঠক ছিলেন না। যখোন পশ্চিমা বাহিনী রাতের অন্ধকারে বাংলাদেশের মানুষের ওপর অতর্কিতে হামলা করেছে, যখোন শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা না দিয়ে স্বেচ্ছায় পাক হানাদার বাহিনীর কাছে ধরা দিয়েছেন, ঠিক সেই মুহূর্তে মেজর জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছেন। তিনি শুধু ঘোষণাই দেননি, তিনি বাংলাদেশে অবস্থান করে যুদ্ধ পরিচালনা করেছেন, যুদ্ধ করেছেন। গিয়াস আহমেদ বলেন, শুধু তাই নয়, পঁচাত্তরের পট পরিবর্তনের আগে শেখ মুজিবুর রহমান গণতন্ত্রেও গলাটিপে বাকশাল কায়েম করলেন। বাকশাল ছিল একাত্তরের চেতনার পরিপন্থি। বাকশাল ছিল মুক্তিযুদ্ধের চেতনার পরিপন্থি। বাকশাল ছিল একদলীয় শাসন ব্যবস্থা। বাংলাদেশের মানুষ এক দলীয় শাসন ব্যবস্থার জন্যে যুদ্ধ করেনি। পঁচাত্তরের ১৫ আগস্টে রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর সংকটময় মুহূর্তে জিয়াউর রহমান ক্ষমতায় এসে বহুদলীয় গণতন্ত্র ফিরিয়ে দিয়েছিলেন। তিনি সমস্ত সংবাদপত্রের স্বাধীনতা ফিরিয়ে দিয়েছেন। এই সেই জিয়াউর রহমান যিনি বাকশাল গঠনের সময় শেখ মুজিব কর্তৃক বিলুপ্ত আওয়ামী লীগকে তিনি আবার পুনরুজ্জীবনের লাইসেন্স দিয়েছিলেন। গিয়াস আহমেদ উল্লেখ করেন, এভাবেই শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বাংলাদেশে বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা, স্বাধীনতার ঘোষক, এবং আধুনিক বাংলাদেশ রচনার সত্যিকারের রূপকার হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করে গেছেন। এমন একজন দূরদৃষ্টিসম্পন্ন রাষ্ট্রনায়কের ৪৪তম শাহাদৎ বার্ষিকীতে সুদূর এই প্রবাসেও বাংলাদেশীরা দোয়া-মোনাজাত এবং আলোচনা সভার ব্যাপক কর্মসূচি হাতে নিয়েছেন।

    জিয়াউর রহমানের শাহাদৎ বার্ষিকী সমাবেশে ভাষণ দিচ্ছেন এটর্নী মঈন চৌধুরী। ছবি-এনওয়াইভয়েস২৪ ডটকম।

    ‘গেস্ট অব অনর’ হিসেবে কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির অপর প্রভাবশালী সদস্য জিল্লুর রহমান ৩০ মে-কে ‘জাতীয় শোক দিবস’ হিসেবে ঘোষণার দাবি জানান সরকারী সমীপে।

    লন্ডন থেকে টেলিফোনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিএনপির উত্তর আমেরিকা সম্পর্কিত আন্তর্জাতিক সম্পাদক আনোয়ার হোসেন খোকন বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের যোগ্য উত্তরসূরি বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ক’বছর আগেই সময়ের প্রয়োজনে, দেশের প্রয়োজনে ৩১ দফা কর্মসূচি জাতির সামনে উপস্থাপন করেছেন। সেখানেই রয়েছে একটি দেশ কীভাবে আগামিতে পরিচালিত হবে তার সুনির্দিষ্ট সংস্কারের রূপরেখা। দেশের তরুণ প্রজন্ম যদি নিজেদের দায়িত্ব ও আত্মপরিচয়ের জায়গা থেকে রাজনীতিকে ধারণ করে সেই ক্ষেত্রে নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণের আদর্শ এবং দর্শণ হিসেবে তা বিবেচিত হবে। তাই আসুন, আজকের দিনে আমরা সবাই শপথ করি আমরা কোন ত্যাগে ভয় করি না, আমরা গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাবো। আমাদের আন্দোলন চালিয়ে যাবো। শহীদ জিয়ার আদর্শই হবে আমাদের আগামি দিনের পথ-পরিক্রমার দিশারি।

    জিয়াউর রহমানের শাহাদৎ বার্ষিকী সমাবেশের সংগঠকরা। ছবি-এনওয়াইভয়েস২৪ ডটকম।

    এ মাহফিল ও আলোচনা সমাবেশের সভাপতি মো. অলিউল্লাহ আতিকুর রহমান সমাপনী বক্তব্যে সকলের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বলেন, দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া সত্ত্বেও বাংলাদেশের সত্যিকারের দেশপ্রেমিক নেতা এবং বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা-চেয়ারপার্সনের শাহাদৎ বার্ষিকীর এ আয়োজনকে সাফল্যমন্ডিত করার মধ্যদিয়ে মূলত: প্রবাসীরাও ফ্যাসিস্ট সরকারের অপশাসনের প্রতি এখনো যে সকলে প্রতিবাদমুখর তারই জানান দিলেন। সংগঠনের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট জসিমউদ্দিন ভিপি বলেন, দীর্ঘ ১৬ বছরের আন্দোলনের লক্ষ্য ছিল মানুষের ভোটের অধিকার নিশ্চিত করা তথা গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার। এখনো সে দাবি আদায় হয়নি। গণমানুষের এই দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আমাদেরকে সরব থাকতে হবে।

    জিয়াউর রহমানের শাহাদৎ বার্ষিকী সমাবেশে বক্তব্য দিচ্ছেন বিএনপি নেতা কাজী আসাদউল্লাহ। ছবি-এনওয়াইভয়েস২৪ ডটকম।

    সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক সাঈদুর রহমান সাঈদের সঞ্চালনায় এ আলোচনা সভায় আরো বক্তব্য রাখেন বিশেষ অতিথি হিসেবে যুক্তরাষ্ট বিএনপির সাবেক সাধারন সম্পাদক মোস্তফা কামাল পাশা বাবুল, কোষাধ্যক্ষ জসীম ভ’ইয়া, বীর মুক্তিযোদ্ধা মশিউর রহমান, যুবদলের সাবেক কেন্দ্রীয় নেতা আবু সাঈদ আহমেদ এবং এম এ বাতিন, যুক্তরাষ্ট্র যুবদলের সাবেক সভাপতি জাকির এইচ চৌধুরী, যুক্তরাষ্ট্র ছাত্রদলের সভাপতি মাজহারুল ইসলাম জনি। এই আয়োজনের জন্যে গঠিত কমিটির আহবায়ক দেওয়ান কাউসারের সার্বিক সমন্বয়ে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আত্মার মাগফেরাত এবং বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার সুস্বাস্থ্য কামনা করে আরো বক্তব্য রাখেন সদস্য সচিব মো আশরাফ হোসেন, যুগ্ম সদস্য সচিব এম এ কাইয়ুুম, প্রধান সমন্বয়ককারী আমিনুল ইসলাম চৌধুরী, সমন্বয়কারী হুমায়ুন কবীর, রানা চৌধুরী, নুর আমিন, দেলোয়ার হোসেন, আবুল খায়ের, মাসুদুল আলম, মজিবর রহমান স্বপন, মনসুর আলম, স্টেট বিএনপির নেতা কাজী আসাদউল্লাহ, আনিসুর রহমান, রাহিমুল ইসলাম প্রিন্স, শাহাবুদ্দিনশাহীন, কাউসার আলম, তানভীর করিম, শাকিলা মাহবুব। নেতৃবৃন্দের মধ্যে আরো ছিলেন যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির সাবেক মহিলা সম্পাদিকা সৈয়দা মাহবুদা শিরিন, জিনাত রেহেনা রিনা, খন্দকার সাবু, বেগম খালেদা জিয়ার এপিএস জিয়াউর রহমান জিয়া, সাবেক ছাত্র নেতা মার্শাল মোরাদ, নিউইয়র্ক মহানগর দক্ষিনের সাধারন সম্পাদক বদিউল আলম ও সাংগঠিক সম্পাদক আলমগীর হোসেন মৃধা, আরাফাত রহমান কোকো স্মৃতি পরিষদের সভাপতি শাহাদত হোসেন রাজু, যুক্তরাষ্ট্র জাসাসের সদস্য-সচিব জাহাংগীর সোহরাওয়ার্দী, বাফেলো বিএনপির সাবেক সভাপতি সিরাজদৌলা বাবুল, সোহেল হাওলাদার প্রমুখ।

    জিয়াউর রহমানের শাহাদৎ বার্ষিকী সমাবেশে জায়নামাজ বিতরণ করা হয়। ছবি-এনওয়াইভয়েস২৪ ডটকম।

    কর্মসূচির সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন বদরুল হক আজাদ, তাজুল ইসলাম, শাহীন আবদুল্লাহ, খাদেমুল ইসলাম রুবেল, শেখ হাসান, ফাহাদ ইসলাম বাঁধন, মাইনুল করিম টিপু, আনোয়ার হোসেন, নীরা রাব্বানী, এ আর মাহবুব,ু হাফিজুর রহমান পিন্টু, আলমগীর খান ভিপি, স্টেট বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক আরিফুর রহমান এবং সাংগঠনিক সম্পাদক রইচ উদ্দিন।

    জিয়াউর রহমানের আত্মার মাগফেরাত কামনায় বিশেষ মোনাজাতে নেতৃবৃন্দ। ছবি-এনওয়াইভয়েস২৪ ডটকম

    অপরদিকে, ‘তোমার কীর্তির চেয়ে তুমি মহান’ শিরোনামে ‘জ্যাকসন হাইটস এলাকাবাসী’র দোয়া মাহফিলে অতিথির বক্তব্য রাখেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা জিল্লুর রহমান, ডেমক্র্যাটিক পার্টির ডিস্ট্রিক্ট লিডার এটর্নী মঈন চৌধুরী, যুবদলের নেতা জাকির এইচ চৌধুরী এবং আবু সাঈদ আহমেদ প্রমুখ। হোস্ট সংগঠনের সভাপতি শাকিল মিয়া এবং সাধারণ সম্পাদক মো. আলম নমীর সার্বিক দিক-নির্দেশনায় এ আয়োজনের আহবায়ক দেওয়ান মনির, সদস্য-সচিব আমানত হোসেন আমান, যুগ্ম সদস্য-সচিব মনিরুল ইসলাম মনির, প্রধান সমন্বয়কারি সারওয়ার খান বাবু, অন্যতম সমন্বয়কারি রফিকুল ইসলাম ডালিম দলমত-নির্বিশেষে সকল প্রবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা জিয়াউর রহমানের বিদেহী আত্মার প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি প্রদর্শনের এ আয়োজনে অংশগ্রহণের জন্যে।

    বক্তব্য দিচ্ছেন দেওয়ান কাউসার। ছবি- এনওয়াইভয়েজ২৪ডটকম।
  • ২৪ আগস্ট নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির সাবেক কর্মকর্তাগণের সমাবেশ

    ২৪ আগস্ট নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির সাবেক কর্মকর্তাগণের সমাবেশ

    নিউইয়র্ক তথা উত্তর আমেরিকায় সবচেয়ে পুরনো এবং সর্ববৃহৎ সামাজিক সংগঠন ‘বাংলাদেশ সোসাইটি’র সাবেক কর্মকর্তাগণের পারিবারিক মিলনমেলা অনুষ্ঠিত হবে ২৪ আগস্ট রোববার নিউইয়র্কস্থ লাগোয়ার্ডিয়া এয়ারপোর্ট সংলগ্ন ম্যারিয়ট হোটেলে। সন্ধ্যা ৭টা থেকে রাত ১১টা নাগাদ চলবে এ সমাবেশ। এ উপলক্ষে চলছে বিস্তারিত প্রস্তুতি।

    ইতিমধ্যেই সাবেক কর্মকর্তাগণের বৈঠকও অনুষ্ঠিত হয়েছে এবং সকলের সম্মিলিত অংশগ্রহণে কম্যুনিটির কল্যাণমূলক একটি বৃহৎ পদক্ষেপ গ্রহণের প্রত্যাশাও রয়েছে বলে জানা গেছে। এরফলে অন্যান্য সামাজিক-সাংস্কৃতিক-পেশাজীবী-আঞ্চলিক সংগঠনের সাবেক কর্মকর্তারাও নবউদ্যমে ঐক্য গড়ার কথা ভাবছেন বলে শোনা যাচ্ছে। এভাবেই যদি সময়ের প্রয়োজনে সকল ভেদাভেদ-হিংসা-বিদ্বেষ ভুলে ঐক্যবদ্ধ হওয়া সম্ভব হয় তাহলে আমেরিকান স্বপ্ন পূরণের পথও সুগম হবে বলে বিদগ্ধজনের ধারণা।

  • বাংলাদেশ সোসাইটির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মহিউদ্দিন দেওয়ান

    বাংলাদেশ সোসাইটির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মহিউদ্দিন দেওয়ান

    যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী বাংলাদেশীদের আমব্রেলা সংগঠন ‘বাংলাদেশ সোসাইটি’র ভারপ্রাপ্ত সভাপতির দায়িত্ব গ্রহণ করলেন সংগঠনের সিনিয়র সহ-সভাপতি মহিউদ্দিন দেওয়ান। সভাপতি আতাউর রহমান সেলিম পবিত্র হজ্জ পালনের লক্ষ্যে সৌদি আরবে যাওয়ায় সংগঠনের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী তিনি এই দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

    সভাপতি আতাউর রহমান সেলিম নিউইয়র্কে ফিরে আসার আগ পর্যন্ত তিনি এই দায়িত্ব পালন করবেন বলে ২৬ মে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছেন সংগঠনের জনসংযোগ সম্পাদক রিজু মোহাম্মদ।

    এদিকে ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মহিউদ্দিন দেওয়ান এই দায়িত্ব পালনে কম্যুনিটির সকলের আন্তরিক সহায়তা কামণা করেছেন।

  • সেরা শেফের আজীবন সম্মাননা এওয়ার্ড পেলেন টনি করিম খান

    সেরা শেফের আজীবন সম্মাননা এওয়ার্ড পেলেন টনি করিম খান

    এবার আপনিও হবেন শেফ’ স্লোগানে বহুজাতিক সমাজে বাঙালি খাবারকে আরো জনপ্রিয় করার অভিপ্রায়ে যুক্তরাষ্ট্রে প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত ‘আমেরিকান কারি অ্যাওয়ার্ড ’ বিতরণের বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠান হলো ২৪ মে শনিবার রাতে নিউইয়র্ক সিটির কুইন্সে অভিজাত ভেন্যু টেরেস অন দ্য পার্কে। খাবারের কারিগরদের সম্মাননা জানানোর এ অনুষ্ঠান বিভিন্ন পেশাজীবীদের মিলনমেলাতেও পরিণত হয়েছিল।

    নিউইয়র্ক তথা সারা আমেরিকায় ইতিমধ্যেই খ্যাতি অর্জনকারি ‘খলিল বিরিয়াানি হাউজ’র কর্ণধার খলিলুর রহমান এবং আশা গ্রুপের যৌথ উদ্যোগে বৃটিশ কারি অ্যাওয়ার্ডের আদলে ‘আমেরিকান কারি অ্যাওয়ার্ড’-এ সেরা শেফের আজীবন সম্মাননা এওয়ার্ড পেয়েছেন বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় শেফ টনি করিম খান। এছাড়াও সেরা রেস্টুরেন্ট, বেস্ট শেফ, বেস্ট হোম শেফ, বেস্ট এন্টারপ্র্যেনিউর, কারি লিজেন্ড অ্যাওয়ার্ড, শেফ অব দ্য ইয়ার, পারসনালিটি অব দ্য ইয়ারসহ ৮ ক্যাটাগরিতে পুরস্কার জিতেছেন ৩০ জন।

    সেরা শেফের আজীবন সম্মাননা এওয়ার্ড পাওয়া টনি করিম খানের সাথে বিশিষ্টজনেরা। ছবি-এনওয়াইভয়েস২৪ ডটকম।

    ‘আমেরিকান কারি অ্যাওয়ার্ড’র জুরি বোর্ডে টনি করিম খান, ভারতের বিশিষ্ট রন্ধন বিশেষজ্ঞ ও কালিনারি ফোরামের সদস্য ড. ইজ্জত হুসেন, মালয়েশিয়ান কালিনারি বিশেষজ্ঞ রসাহম বিন রুসলি, সৌদি আরবে ওয়ার্ল্ড কালিনারি অ্যাসোসিয়েশন (ডব্লিউএসি) এর সার্টিফাইড প্রশিক্ষক মুনতাসির মাসউদ, বাহরাইনের বিখ্যাত কালিনারি বিশেষজ্ঞ ও হসপিটালিটি কনসালটেন্ট সিলভারস্টার রোজারিও, জর্ডানের পেশাদার কালিনারি বিশেষজ্ঞ মাহমুদ ইয়াসিন, বৃটিশ-বাংলাদেশি ক্যাটারিং ব্যবসায়ী অলি খান এমবিই, যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী সংলগ্ন ভার্জিনিয়ায় ‘ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স এন্ড টেকনোলজি’র কালিনারি এ্যান্ড হসপিটালিটি বিভাগের অ্যাসিসট্যান্ট প্রফেসর মো. গোলাম মোস্তফা, বাংলাদেশের নারী উদ্যোক্তা, রন্ধনশিল্পী রাহিমা সুলতানা রীতা প্রমুখ।

    অ্যাওয়ার্ড আয়োজনের বিভিন্ন পর্বে অংশ নেন বাংলাদেশ, ভারতসহ এশিয়া, উত্তর আমেরিকা ও ইউরোপের বিভিন্ন দেশ থেকে রন্ধন শিল্পের সঙ্গে যুক্ত শেফরা। আয়োজকদের অন্যতম আশা গ্রুপের কর্ণধার আকাশ রহমান এবং খলিল গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজ’র খলিলুর রহমান বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার বিশিষ্টজনদের এ সমাবেশে জানান যে, ‘আমেরিকান কারি অ্যাওয়ার্ড’ আগামীতেও অনুষ্ঠিত হবে। যুক্তরাষ্ট্রসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের রন্ধনশিল্পীদের সম্মাননা দেয়ার এই প্রক্রিয়া আগামীতে আন্তর্জাতিকভাবেও স্বীকৃতি পাবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন আকাশ ও খলিলুর রহমান।

  • নড়াইলে যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি নেতা সম্রাটের ওপর সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে নিউইয়র্কে সংবাদ সম্মেলন

    নড়াইলে যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি নেতা সম্রাটের ওপর সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে নিউইয়র্কে সংবাদ সম্মেলন

    নড়াইলে ঘোর-দৌড় প্রতিযোগিতায় অতিথি হিসেবে যোগদানের পথে ১৮ মে দুপুরে ‘যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির সাবেক সভাপতি ও বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির অন্যতম সদস্য আব্দুল লতিফ সম্রাটের গাড়ি বহরের ওপর নড়াইলের সন্ত্রাসী জাহাঙ্গির বিশ্বাসের নির্দেশে তার পেটোয়া বাহিনীর নির্লজ্জ বর্বরোচিত হামলার প্রতিবাদে’ ২৬ মে সন্ধ্যায় নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলন থেকে নেতৃবৃন্দ অবিলম্বে অভিযুক্তদের গ্রেফতারের দাবি জানানো হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনসমূহের যৌথ উদ্যোগের এ সংবাদ সম্মেলনে আরো জানানো হয় যে, ‘কথিত সন্ত্রাসী জাহাঙ্গির বিশ্বাস হলেন নড়াইল জেলা বিএনপির সভাপতি।’

    যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির সংবাদ সম্মেলনে গিয়াস আহমেদ। ছবি-এনওয়াইভয়েস২৪ ডটকম।

    নিজ এলাকায় সশস্ত্র সন্ত্রাসী হামলায় আহত আব্দুল লতিফ সম্রাট নিউইয়র্কে ফিরেই এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন এবং এতে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে আরো কথা বলেন বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির অন্যতম সদস্য ও মূলধারার ব্যবসায়ী গিয়াস আহমেদ, যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা কামাল পাশা বাবুল। সঞ্চালনা করেন বিএনপি নেতা এম এ বাতিন।

    আব্দুল লতিফ সম্রাট জানান, হামলার পর সেখানকার হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছি। আহত কয়েকজন এখানো চিকিৎসা নিচ্ছেন। সন্ত্রাসীরা আমার নগদ অর্থ এবং সেলফোনটিও ছিনিয়ে নিয়েছে। নিকটস্থ পুলিশ স্টেশনে মামলা করা হয়েছে। এবং বিষয়টি বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটিকে লিখিতাকারে অবহিত করেছি। এরপরই আমি নিউইয়র্কে ফিরেছি। নড়াইলে ঐ সন্ত্রাসী হামলায় গুরুতরভাবে আহতদের একজনকে লন্ডন থেকে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান সাহেব ফোন করেছিলেন এবং তার কাছ থেকে বিস্তারিত অবহিত হয়েছেন বলে জেনেছি। আশা করছি শীঘ্রই বিএনপির ঐ নেতার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

    যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির সংবাদ সম্মেলনে এম এ বাতিন। ছবি-এনওয়াইভয়েস২৪ ডটকম।

    এ সময় গিয়াস আহমেদ বলেন, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান আগেই জানিয়েছেন যে, প্রবাসের যোগ্যতাসম্পন্নরা নির্বাচনে আগ্রহী হলে অবশ্যই এলাকায় যেতে হবে। তৃণমূলের নেতা-কর্মীগণের সমর্থন আদায় করতে হবে। তেমন আহবানে সাড়া দিয়েই আব্দুল লতিফ সম্রাট এলাকার মানুষের উপযূুপরি অনুরোধে নড়াইলে যাচ্ছিলেন। এমন আচরণকে কখনোই মেনে নেয়া যায় না।

    এ সময় গিয়াস আহমেদ জানান, ৩২ দেশের প্রবাসী নেতৃবৃন্দের সাথে যোগাযোগ করেছি। সকলেই পার্লামেন্টে ১০% কোটার মাধ্যমে সংসদীয় আসন সংরক্ষণের জন্য আহ্বান জানিয়েছেন এবং একমত হয়েছেন। গিয়াস আহমেদ আরো উল্লেখ করেন, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক মেরুদন্ডকে চাঙ্গা রাখতে অপরিসীম ভ’মিকা পালনকারি এবং গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলনে আন্তর্জাতিক জনমত গঠনে অপরিসীম ভ’মিকা রাখা প্রবাসীদের এখনো বিদেশী হিসেবে অভিহিত করার প্রয়াস পরিলক্ষিত হচ্ছে। এটা অবশ্যই নিন্দনিয়। তিনি বলেন, ‘ফ্যাসিস্ট হাসিনার আমলে বাংলাদেশে বিএনপির নেতারা যখন কোন কথা বলতে পারেননি তখন যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি জাতিসংঘ, হোয়াইট হাউস, ক্যাপিটাল হিল সহ বিশ্বব্যাপী আন্দোলন করেছেন। ১/১১ পরবর্তী সময়ে আব্দুল লতিফ সম্রাটের নেতৃত্বে গোটা প্রবাসে সেনা সমর্থিত সেই কেয়ারটেকার সরকারের অপকর্মের বিরুদ্ধে জনমত সোচ্চার হয়েছিল। এগুলো অজানা নেই কারোরই। তবুও কেন প্রবাসীরা নিজ এলাকায় নিজ দলীয় কর্মীগণের আক্রমণের শিকার হচ্ছেন? উল্লেখ্য, ফেনীর থেকে মনোনয়নের আশায় যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির অপর সহ-সভাপতি আলহাজ্ব সোলায়মান ভ’ইয়াও এলাকার নেতা-কর্মীদের বিদ্বেষী হামলার ভিকটিম হয়েছেন।

    যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির সংবাদ সম্মেলনে নেতৃবৃন্দ। ছবি-এনওয়াইভয়েস২৪ ডটকম।

    সংবাদ সম্মেলনে নেতৃবৃন্দের মধ্যে আরো ছিলেন মুক্তিযোদ্ধা দলের কেন্দ্রীয় কমিটির অন্যতম ভাইস প্রেসিডেন্ট আলহাজ্ব বাবরউদ্দিন, যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির সাবেক যুগ্ম সম্পাদক কাজী আজম, কোষাধ্যক্ষ জসীম ভ’ইয়া, বাসিত রহমান, আব্দুল কাহের, এম এ খালেক, মনিরুল ইসলাম, বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর মশিউর রহমান, যুক্তরাষ্ট্র জাসাসের আহবায়ক ইঞ্জিনিয়ার সায়েম রহমান এবং সদস্য-সচিব জাহাঙ্গির সোহরাওয়ার্দি, যুক্তরাষ্ট্র ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক মাজহারুল ইসলাম জনি, আরাফাত রহমান কোকো স্মৃতি পরিষদের চেয়ারম্যান শাহাদৎ হোসেন রাজু প্রমুখ।

    সংবাদ সম্মেলনে আব্দুল লতিফ সম্রাট আরো জানান যে, নিউইয়র্কে ফিরেই তিনি তার চিকিৎসকের শরনাপন্ন হয়েছিলেন। তাকে চিকিৎসার ফলোআপের পাশাপাশি সামনের সপ্তাহ থেকে নিয়মিত থেরাপি নিতে হবে।

  • নিউইয়র্কে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক বইমেলা সম্পন্ন

    নিউইয়র্কে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক বইমেলা সম্পন্ন

    রাজিব ভট্টাচার্যের সঙ্গে মধ্যরাত অবধি উপস্থিত ছিলেন ৮৫ বছর বয়সী চারণ কবি বেলাল বেগসহ অসংখ্য প্রবাসী। সকলেই ‘শোন একটি মুজিবরের থেকে লক্ষ মুজিবরের কণ্ঠস্বরের ধ্বনি-প্রতিধ্বনি আকাশে বাতাসে ওঠে রণী বাংলাদেশ, আমার বাংলাদেশ’ গানটি নেচে-গেয়ে পরিবেশন করে দুই দিনের বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক বইমেলার সমাপ্তি ঘোষণা করেন গত ২৫ মে, রোববার।

    বইমেলার সমাপনী পর্বে আয়োজক সংগঠনের শীর্ষ কর্মকর্তাগণকে পাশে নিয়ে বক্তব্য দিচ্ছেন ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক তাজুল ইমাম। ছবি-এনওয়াইভয়েস২৪ ডটকম।

    বইমেলা কমিটির অন্যতম সংগঠক মিনহাজ আহমেদ সাম্মু বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট কিংবা তারও আগে মধ্য জুলাই থেকে যারা আমাদের সঙ্গে ছিলেন, তাদের প্রতি আমরা কৃতজ্ঞ। এই সময়েই কিছু শব্দ তৈরি হয়েছে যার একটি হচ্ছে ‘লাল বদর’, যা এসেছে একাত্তরের আল বদরের অনুপ্রেরণা থেকে। এখন আমি একটি নতুন শব্দ যুক্ত করেছি—‘মাল বদর’। আপনারা কেউ এসব হবেন না এবং কাউকে প্রশ্রয় দেবেন না।

    বইমেলার সমাপনী পর্বে আয়োজক সংগঠনের শীর্ষ কর্মকর্তাগণকে পাশে নিয়ে বক্তব্য দিচ্ছেন অন্যতম যুগ্ম আহ্বায়ক মো. আব্দুল কাদের মিয়া। ছবি-এনওয়াইভয়েস২৪ ডটকম।

    বইমেলার সমাপনী পর্বে আয়োজক সংগঠনের শীর্ষ কর্মকর্তাগণকে পাশে নিয়ে বক্তব্য দিচ্ছেন অন্যতম যুগ্ম আহবায়ক মো. আব্দুল কাদের মিয়া। ছবি-এনওয়াইভয়েস২৪ ডটকম।

    মেলা কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক কণ্ঠশিল্পী ও লেখক তাজুল ইমাম বলেন, বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক বইমেলা এই প্রথম অনুষ্ঠিত হলো। এর আগে এমন প্রয়োজন হয়নি, কারণ ‘বাংলা বইমেলা’ বললেই চলতো। কিন্তু এখন বঙ্গবন্ধুর নাম যুক্ত করা প্রয়োজন হয়েছে—কেন, তা আপনারা সবাই জানেন। এখন থেকে এই বইমেলা চালু থাকবে।

    বইমেলা প্রাঙ্গনে ৩ কবি আবু সাঈদ রতন, খালেদ শরফুদ্দিন এবং শিমু আক্তার অ্যানি। ছবি-এনওয়াইভয়েস২৪ ডটকম।

    যুক্তরাষ্ট্র বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশনের সভাপতি ও অপর যুগ্ম আহ্বায়ক মো. আব্দুল কাদের মিয়া বলেন, যতদিন পর্যন্ত বাংলাদেশকে নব্য হায়েনার কবল থেকে মুক্ত করতে না পারব, ততদিন এই বইমেলা প্রতি বছর অনুষ্ঠিত হবে। সামনের বছর আরও বৃহৎ পরিসরে দ্বিতীয় বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক বইমেলার প্রস্তুতি আমরা শিগগিরই শুরু করবো।

    বইমেলার অন্যতম নেপথ্য-সংগঠক রওশনআরা নিপা। ছবি-এনওয়াইভয়েস২৪ ডটকম।

    বইমেলার সদস্য সচিব স্বীকৃতি বড়ুয়া বলেন, মাত্র ১০ দিনের প্রস্তুতিতে যে সাড়া পেয়েছি তা আমাদের অভিভূত করেছে। প্রবাসী বাঙালির আন্তরিকতায় আমরা অনুপ্রাণিত, আগামী বছর আরও বড় পরিসরে মেলা অনুষ্ঠিত হবে এ প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি।

    মেলা কমিটির আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা ড. নুরুরন্নবী কানাডায় একটি বিশেষ অনুষ্ঠানে অংশ নিতে যাওয়ায় সমাপনী আয়োজনে উপস্থিত থাকতে পারেননি। তবে তার নির্দেশনা ও ভাবনা পুরো আয়োজনজুড়ে সক্রিয় ছিল।

    বইমেলা দর্শকের একাংশ। ছবি-এনওয়াইভয়েস২৪ ডটকম।

    কমিটির অন্যান্য সংগঠকদের মধ্যে লেখক-কবি ফকির ইলিয়াস, বাচিক শিল্পী মিথুন আহমেদ, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব লুৎফুন্নাহার লতা ও বিপার সংগঠক অ্যানি ফেরদৌস একযোগে বলেন, মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বাংলাদেশ না ফেরা পর্যন্ত প্রবাসে এই আয়োজন অব্যাহত থাকবে।

    বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে গাওয়া গানের সময় আবেগাপ্লুত জয় বাংলার কবি বেলাল বেগ। ছবি-এনওয়াইভয়েস২৪ ডটকম।

    বেলাল বেগের উপস্থিতি ছিল পুরো আয়োজনজুড়ে সরব। ‘জয় বাংলা’ স্লোগানে তার বক্তৃতা, গান, কবিতা ও কথকতায় নতুন প্রজন্ম ও প্রবাসীরা উদ্বুদ্ধ হয়েছেন। বঙ্গবন্ধুর ভাবনা মুছে দিতে লাল বদরদের হিংস্র আচরণের বিরুদ্ধে তিনি তীব্র প্রতিক্রিয়া জানান।

    আবৃত্তিশিল্পী হাসানআল আব্দুল্লাহ। ছবি-এনওয়াইভয়েস২৪ ডটকম।

    কমিউনিটির জনপ্রিয় চিকিৎসক ও সমাজকর্মী ডা. সায়েরা হকের পাশে দাঁড়িয়ে মেলা কমিটির অর্থ উপ-কমিটির সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ ফজলুল হক বলেন, এটি কেবল শুরু, শেষ নয়। জাতির পিতার প্রতি যথার্থ সম্মান জানাতে এই আয়োজন অব্যাহত থাকবে অনাদিকাল পর্যন্ত।

    আবৃত্তিশিল্পী তাহমিনা শহীদ। ছবি-এনওয়াইভয়েস২৪ ডটকম।

    নিউইয়র্ক সিটির কুইন্সে উডহ্যাভেন বুলেভার্ডে ‘জয়া পার্টি’ হলে এ বইমেলা শুরু হয় ২৪ মে দুপুরে জাতীয় সঙ্গীতের আগে মেলা প্রাঙ্গনে বঙ্গবন্ধুর বিশাল প্রতিকৃতিতে নিউইয়র্কে বসসাসরত বীর মুক্তিযোদ্ধাগণের অভিবাদন জ্ঞাপনের মধ্যদিয়ে। এ পর্বে নেতৃত্ব দেন যথারীতি বীর মুক্তিযোদ্ধা ও একুশে পদকপ্রাপ্ত লেখক-বিজ্ঞানী ড. নুরুরন্নবী। মুক্তিযোদ্ধাগণের মধ্যে ছিলেন ড. জিনাত নবী, লাবলু আনসার, আবুল বাশার চুন্নু, গুলজার হোসেন, মোহাম্মদ আলী, হাবিব রহমান আকন্দ, রাশেদ আহমেদ, হেলাল মজিদ, প্রাণ গোপাল কুন্ডু প্রমুখ।

    সদস্য-সচিব স্বীকৃতি বড়ুয়া। ছবি-এনওয়াইভয়েস২৪ ডটকম।

    মেলা সম্পর্কিত আলোচনা, কবিতা পাঠ ও আবৃত্তি, নৃত্য-গীতের পাশাপাশি ছিল মুুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস-ঐতিহ্য ছাড়াও বাঙালির হাজার বছরের সাংস্কৃতিক ঐহিত্য আলোকে বই-পুস্তকের স্টল। সেগুলোতেও ভীড় পরিলক্ষিত হয়েছে প্রবাস প্রজন্মের। লেখক-কবি-সাহিত্যিকেরাও ছিলেন আড্ডায় মেতে। তারাও পারস্পরিক সম্প্রীতির জয়গানে বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ আর মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বিরোধী সকল অশুভ তৎপরতাকে মুছে ফেলার ষড়যন্ত্র রুখে দিতে বদ্ধ পরিকর বলে মন্তব্য করেছেন।

    কবি ও আবৃত্তি শিল্পী জি এইচ আরজুর সঞ্চালনায় প্রবাসের ক’জনের সদ্য প্রকাশিত গ্রন্থের মোড়ক উম্মোচনী পর্বেও সমস্বরে উচ্চারিত হয় মুক্তিযুদ্ধের বাতিঘর ধানমন্ডির ৩২ নম্বর ধ্বংসের জন্যে দায়ীদের নির্মূল না করা পর্যন্ত সরব থাকার অঙ্গিকার। কবি-লেখক-সাহিত্যিকগণের মধ্যে এ সময় মঞ্চে ছিলেন ড. নুরুন্নবী, ফারহানা তুলি, মঞ্জুর কাদের, আবু সাঈদ রতন, খালেদ শরফুদ্দিন, শিমু আতার অ্যানি, নাজনীন সিমন, মিশুক সেলিম, লুৎফুন্নাহার লতা, ডা. অনুপমা বড়ুয়া, বদিউজ্জামান নাসিম, রত্না বাড়ৈ, বনানী সিনহা, ড. দেলোয়ার আরিফ, সুব্রত বণিক।

    নয়া গ্রন্থের মোড়ক উম্বোচন পর্বে ড. নুরুরন্নবী, বেলাল বেগ, ড. দীলিপ নাথ। ছবি-এনওয়াইভয়েস২৪ ডটকম।

    গোপন সাহা, সাবিনা শারমিন এবং তাহরিনা পারভিন প্রীতির সম্মিলিত সঞ্চালনায় সমাপনী দিবসে সাংবাদিক-লেখক-নির্মাতা শামিম আল আমিন নির্মিত প্রামান্যচিত্র ‘জাতির যাদুঘর’ প্রদর্শনের সময় পুরো মিলনায়তনে ভিন্ন এক আবহ তৈরী হয়। ক্ষোভে ফেটে পড়েন সকলে। ছি: ছি: ধ্বনিতে ধিক্কার জানান ইউনূস ও তার চেলা চামুন্ডাদেরকে। সে সময় মঞ্চের পাশে সাদা পর্দায় ভাসতে দেখা যায় ‘টেসলা’ রিক্সার ছবি। রওশনআরা নিপা নির্মিত বীরাঙ্গনা নারীর কাহিনী চিত্র এবং নাসরীন আক্তার নির্মিত ‘স্বাধীনতায় ডাক টিকিট’র অবদান শির্ষক ডক্যুমেন্টারি প্রবাসী বাঙালিদেরকে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের সাথে নতুন যোগসূত্র স্থাপনে অনন্য এক অবলম্বন বলে মনে করা হচ্ছে।

    দায়িত্বশীল সাহিত্য ও প্রজন্মের সম্পৃক্ততা শীর্ষক এক মনোজ্ঞ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয় আসলাম আহমেদ খানের সঞ্চালনায়। বিষয়বস্তুর আলোকে গবেষণামূলক লিখিত বক্তব্য উপস্থাপন করেন কবি ফারহানা ইলিয়াস তুলি। আলোচনায় আরো অংশ নেন লেখক-সাংবাদিক বদিউজ্জামান খসরু এবং রাজনীতিক রাফায়েত চৌধুরী।

    বইমেলায় মুক্ত আলোচনায় লেখক-সাহিত্যিক-সাংবাদিক-রাজনীতিক বিশ্লেষকরা। ছবি-এনওয়াইভয়েস২৪ ডটকম।

    এ মেলায় জারিন মাইশা, মুন হাই, ফাবিহা নিসা, জাহিন হোসেন, তানিয়া সৈয়দ দিয়া, আনিসা হোসেনের পরিবেশনা সকলকে আপ্লুত করেছে। প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে বঙ্গবন্ধুকে উপস্থাপনে গান আর কবিতার জয়গানে অভিভ’ত করেছেন শিল্পীরা। জনপ্রিয় আবৃত্তি শিল্পী ও কন্ঠশিল্পীগণের মধ্যে আরো ছিলেন হাসানাল আব্দুল্লাহ, দিনাত জাহান মুন্নি, তৃষ্ণা মাহমুদ, তাহমিনা শহীদ, আবির আলমগীর, কান্তা আলমগীর, সেলিমা আশরাফ, নিলোফার জাহান, পারভিন সুলতানা, শুক্লা রায়, রুদ্রনীল দাশ রূপাই, আমিনা ইসলাম, কামেলা সোফি আলম, পিঙ্কি চৌধুরী, পাপড়ি বড়ুয়া, সেজান মাহমুদ, আনিসা হোসেন, এলমা রুদ্রমিলা, দিনার মনি, লিমন চৌধুরী, তন্ময় মজুমদার, মুমু আনসারী, সুতপা মন্ডল, শিমু আকতার অ্যানি, ছন্দা বিন্তে সুলতানা, বিদিশা দেওয়ানজি, লিপি রোজারিয়ো, ড. বিলকিস রহমান দোলা, শাহরিয়ার সালাম প্রমুখ। যন্ত্রে ছিলেন পিনু সেনদাস, মাসুদ, জিতু প্রমুখ।

    বইমেলার প্রবেশ পথ থেকে পুরো মিলনায়তন জুড়েই বাঙালি সংস্কৃতির আবহ তৈরী হয়েছিল শিল্পী তাজুল ইমামের ছোঁয়ায়। আগতরা অভিভ’ত এবং আপ্লুত বঙ্গবন্ধু ও বাঙালিত্বতে হৃদয়ে ধারণ ও লালনে অক্লান্ত এ প্রয়াসে। দর্শক-শ্রোতার মধ্যে লেখক-সাহিত্যিক-কবি ছাড়াও ছিলেন রাজনীতিক-সমাজকর্মী-সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বরাও। সপরিবারেও অনেকে এসেছিলেন।

  • নিউইয়র্কে শহীদ জিয়ার শাহাদৎ বার্ষিকী উদযাপনে ব্যাপক প্রস্তুতি

    নিউইয়র্কে শহীদ জিয়ার শাহাদৎ বার্ষিকী উদযাপনে ব্যাপক প্রস্তুতি

    শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৪তম শাহাদৎ বার্ষিকী যথাযথভাবে পালনের জন্যে নিউইয়র্ক স্টেট বিএনপির গৃহিত কর্মসূচির ওপর এক প্রস্তুতি সভা ১৯ মে সন্ধ্যায় অনুষ্ঠিত হয়। উল্লেখ্য, ৩০ মে শুক্রবার বিকাল ৪ টায় শাহাদৎ বার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া-মাহফিল ও স্মৃতিচারণ-সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে জ্যাকসন হাইটসের ডাইভার্সিটি প্লাজায়।

    নিউইয়র্ক স্টেট বিএনপির প্রস্তুতি সভায় বক্তব্য দিচ্ছেন ভিপি জসিমউদ্দিন। ছবি-এনওয়াইভয়েস২৪ ডটকম।

    জ্যাকশন হাইটসে সেফ মহলে অনুষ্ঠিত প্রস্তুতি সভায় সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি মাওলানা অলিউল্লাহ আতিকুর রহমান এবং সঞ্চালনায় ছিলেন ষ্টেট বিএনপির সাধারন সম্পাদক সাইদুর রহমান সাঈদ। সামগ্রিক প্রস্তুতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনায় অংশ নেন সিনিয়র সহ সভাপতি ভিপি জসিম উদ্দিন, সি সহ-সাধারন সম্পাদক আরিফুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক রউচ উদ্দিন, সাবেক যুগ্ম আহব্বায়ক বদরুল হক আযাদ, দেওয়ান কাউসার, হুমায়ুন কবীর, আশরাফ হোসেন, সাংবাদিক আনিসুর রহমান, মোশারফ ফাউন্ডেশনের সভাপতি আলামিন সুমন প্রমুখ।

    নিউইয়র্ক স্টেট বিএনপির প্রস্তুতি নেতৃবৃন্দ। ছবি-এনওয়াইভ

    শাহাদৎ বার্ষিকীর কর্মসূচিকে সর্বাত্মকভাবে সাফল্যমন্ডিত করতে দেশপ্রেমিক প্রতিটি প্রবাসীর আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করা হয়। উল্লেখ্য, শাহাদৎ বার্ষিকী উদযাপনে যুক্তরাষ্ট্র জাসাসের পক্ষ থেকেও বিস্তারিত কর্মসূচি গ্রহণের সংবাদ পাওয়া গেছে। এছাড়া ‘জ্যাকসন হাইটস এলাকাবাসী’র ব্যানারে বরাবরের মত এবারও তবারক বিতরণের ব্যাপক পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।

  • বাঙালির আমেরিকান স্বপ্ন পূরণে অনন্য এক উদাহরণে পরিণত

    বাঙালির আমেরিকান স্বপ্ন পূরণে অনন্য এক উদাহরণে পরিণত

    জমজ বোন আনিকা জেবা এবং মালিহা জেবা নিউইয়র্ক অঞ্চলে বাংলাদেশী আমেরিকানদের কাছে আমেরিকান স্বপ্ন পূরণের ক্ষেত্রে অনন্য এক উদাহরণে পরিণত হয়েছেন। বরিশাল সদরের এই দু’বোন ২০১০ সালে যুক্তরাষ্ট্রে আসার পর আর পেছনে ফিরে তাকানোর সুযোগ ছিল না। মায়ের সার্বিক তত্ত্বাবধানে হাই স্কুল পেড়িয়ে ইউনিভার্সিটিতে ভর্তি হয়েছিলেন। ভার্সিটিতে ব্যবসা-প্রশাসনে ভর্তির পাশাপাশি ইউএস আর্মিতেও ভর্তি হয়েছিলেন। এরফলে তাদের উচ্চ শিক্ষা লাভের ব্যয়-ভার নিয়ে মা মোর্শেদা বেগম মায়াকে কোন টেনশনে থাকতে হয়নি। এভাবেই বিশেষ কৃতিত্ব সহকারে নিউইয়র্কস্থ খ্যাতনামা ‘সেন্ট জোন্স ইউনিভার্সিটি’ থেকে গত ১৬ মে আনিকা ও মালিহা মাস্টার্স অব বিজনেস এডমিনিস্ট্রেশন (এমবিএ) কোর্স সম্পন্ন করেছেন অর্থাৎ সেদিন তারা এমবিএর আনুষ্ঠানিক সার্টিফিকেট অর্জন করেছেন। এর পরদিনই তারা একই ইউনিভার্সিটি থেকে ‘ইউএস আর্মি রিজার্ভ অফিসার্স ট্রেনিং কোর্স’ সম্পন্নের সার্টিফিকেট তথা ‘সেকেন্ড লেফট্যানেন্ট’ হিসেবে অভিষিক্ত হয়েছেন বর্ণাঢ্য এক সমাবেশের মধ্যদিয়ে। এ সময় এই ভার্সিটির প্রেসিডেন্ট ব্রায়ান জে শ্যানলী ক্লাস-২০২৫ কমিশনিংপ্রাপ্ত ১৪ জনকে অভিনন্দন জানান এবং বলেন, প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার পাশাপাশি ইউএস আর্মির অফিসার হিসেবে এই সনদপ্রাপ্তির ঘটনাটি অন্যদের জন্যে অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে। চাকরি, ব্যবসার মত যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তার প্রশ্নে তথা কোন দেশ কর্তৃক যুক্তরাষ্ট্র আক্রান্ত হলে তারা নিয়মিত বাহিনীর সাথে রনাঙ্গনে ঝাঁপিয়ে পড়বেন।

    আনিকা জেবা ও মালিহা জেবার সাথে পার্টনার আশরাফ খান লিটন। ছবি-এনওয়াইভয়েস২৪ডটকম।

    অনুষ্ঠানটি ছিল বিশেষ এক আমেজে এবং কমিশন্ড অফিসারগনের স্বজনেরাও আমন্ত্রিত ছিলেন। সেকেন্ড লেফট্যানেন্টের ব্যাজ পরার আনন্দে উৎফুল্ল আনিকা জেবা এবং মালিহা জেবা এ সংবাদদাতার সাথে কথা প্রসঙ্গে বলেন, এমবিএ হয়েছি নিজের ব্যবসাকে আরো সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার মধ্যদিয়ে বহুজাতিক সমাজে বাঙালির এগিয়ে চলার ক্ষেত্রে দৃষ্টান্ত হয়ে থাকার জন্যে। আনিকা এবং জেবা বললেন, অধ্যয়নের পাশাপাশি নিউইয়র্ক সিটির কুইন্সে ৫টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান চালু করেছি। বাংলাদেশেও রয়েছে দুটি-কসম্যাটিক্স ব্র্যান্ড ‘দ্য বিউটি মল’ এবং ক্লথিং ব্র্যান্ড ‘ইলেনি’। এদুটো পরিচালিত হচ্ছে অনলাইনে অর্ডার নিয়ে। ‘আর রাজ্জাক ম্যানেজমেন্ট ইনক’র অধীনে নিউইয়র্কের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ৫টি হচ্ছে : এবিসি ফুড অ্যান্ড ভেজিটেবল, বুচার মীট, আর রাজ্জাক সুপার মার্কেট, আর রাজ্জাক ব্যাঙ্কুয়েট এবং আর রাজ্জাক হোলসেল ফ্লাওয়ার।

    আনিকা জেবা ও মালিহা জেবার বিজনেস এডভেঞ্চারে মাটির ডিনার সেট। ছবি-এনওয়াইভয়েস২৪ডটকম।

    এমবিএ হিসেবে গ্র্যাজুয়েশনের পরদিন সেকেন্ড ল্যাফটেন্যান্ট হিসেবে কমিশন্ড হবার পরের দিন ১৮ মে ছিল এই জমজ দু’বোনের জন্মদিন। জন্মদিনের অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানটি হলো নিউইয়র্ক সিটির জ্যাকসন হাইটসে বাংলাদেশী বাণিজ্যিক পাড়ায় (৭১১২ ৩৫ এভিনিউ) আর রাজ্জাক সুপার মার্কেটের বেসমেন্টে মনোরম সাজে সজ্জিত ব্যাঙ্কুয়েট হলে।

    আনিকা জেবা ও মালিহা জেবাকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান বীর মুক্তিযোদ্ধা-সাংবাদিক লাবলু আনসার এবং সাংবাদিক আনিসুর রহমান। ছবি-এনওয়াইভয়েস২৪ডটকম।

    সেখানে পরিচয় করিয়ে দেয়া হয় ‘আর রাজ্জাক ম্যানেজমেন্ট’র তৃতীয় স্তম্ভ হিসেবে আশরাফ আলী খান লিটনকে অর্থাৎ এই কর্পোরেশনের পার্টনার হলেন ৩ জন।

    মা মোর্শেদা বেগম মায়া, বোন মালিহা জেবা এবং পার্টনার আশরাফ লিটনকে পাশে নিয়ে নিজের ব্যাঙ্কুয়েট-পার্টি হলে সুধীজনের উদ্দেশ্যে কথা বলছেন আনিকা জেবা। ছবি-এনওয়াইভয়েস২৪ডটকম।

    উল্লেখ্য, আনিকা ও মালিহার মা মোর্শেদা বেগম মায়ার সার্বক্ষণিক তত্ত্বাবধানে বহুজাতিক সমাজে ‘আর রাজ্জাক ম্যানেজমেন্ট’ ক্রমান্বয়ে দৃঢ়ভিতের ওপর দাঁড়াচ্ছে বলে সুধীজনের ধারণা। এই কর্পোরেশনের অনলাইন ব্যবসায় মাটির ডিনার সেট ইতিমধ্যেই দেশপ্রেমিক প্রবাসীগণের মধ্যে আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। বাংলা নতুন বছরের দিনই শুধু নয়, বাঙালিয়ানা প্রদর্শনের অন্য সকল অনুষ্ঠানে এবং সৌখিন প্রবাসীগণের ড্রয়িং রুমেও স্থান করে নিয়েছে মাটির ডিনার সেট। অন্য সকল ব্যবসা প্রতিষ্ঠানই প্রতিযোগিতার মার্কেটে ক্রমে সমৃদ্ধ হচ্ছে বলে জানালেন তিন পার্টনার। এক্ষেত্রে তারা প্রবাস প্রজন্মের আন্তরিক সহায়তা কামনা করেছেন বাঙালি কালচারকে লালনের অভিপ্রায়ে। আর এভাবেই নিউইয়র্ক অঞ্চলে নতুন প্রজন্মের শিক্ষিত বাংলাদেশী আমেরিকানদের মধ্যে হাজার বছরের ঐতিহ্যমন্ডিত বাঙালি পরিচিত হচ্ছে অনন্য এক অভিযাত্রায়।

  • কুইন্স লাইব্রেরিতে কবিতা পড়লেন কবি হাসানআল আব্দুল্লাহ

    কুইন্স লাইব্রেরিতে কবিতা পড়লেন কবি হাসানআল আব্দুল্লাহ

    নিউইয়র্ক সিটিতে কুইন্স পাবলিক লাইব্রেরির উডহেভেন শাখায় ফিচার পোয়েট হিসেবে ১৫ মে বৃহস্পতিবার কবিতা পাঠ করেন কবি ও শব্দগুচ্ছ সম্পাদক হাসানআল আব্দুল্লাহ। পাঠ শেষে উপস্থিত তরুণ কবিদের নিয়ে কবিতা লেখার উপরে একটি ওয়ার্কশপ পরিচালনা করেন তিনি। অনুষ্ঠান উপস্থাপন ও সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন লাইব্রেরীয়ান কেন গর্ডন!

    সদ্য প্রকাশিত কবির বহুল আলোচিত কাব্যগ্রন্থ ‘আন্ডার দ্যা থিন লেয়ারস অব লাইট’-এর স্প্যানিশ ভার্সন থেকে হাসানআল আব্দুল্লাহ একে একে অনেকগুলো কবিতা পড়েন। কবিতাপাঠ শুরু হয় একাত্তরে শহীদ তাঁর বাবাকে নিয়ে রচিত “দ্য ক্যাকোফনি অব গানফায়ার” দিয়ে। তিনি তিরিশ লক্ষ শহীদের আত্মদানের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বাংলাদেশের বর্তমান শ্বাসরুদ্ধকর পরিস্থিতি তুলে ধরেন। অন্য যেসব কবিতা পড়েন তার মধ্যে “শকুনেরা ভালো আছে”, “খাবো”, “কবরের অভিজ্ঞতা”, “ছায়াপথে উদ্বেগ” ও “স্বতন্ত্র সনেট ৭৭” উল্লেখযোগ্য। “আন্ডার দ্য থিন লেয়ারস অব লাইট” প্রথম ইংরেজি-বাংলা দ্বিভাষিক গ্রন্থ হিসেবে প্রকাশ পায় ২০১৫ সালে নিউইয়র্ক থেকে। পরে এই বইয়ের চাইনিজ ও পোলিশ অনুবাদ প্রকাশ পায় ২০১৯ ও ২০২২ সালে তাইওয়ান ও পোল্যান্ড থেকে। অচিরেই এই বইয়ের একটি আরবি অনুবাদ মরক্কো থেকে প্রকাশ পাবে বলে কবি জানান। উল্লেখ্য হাসানআল আব্দুল্লাহ’র কবিতা অনূদিত হয়েছে ১৬ ভাষায় এবং হোমার ইয়োরোপিয়ান মেডেলসহ তিনি চারটি আন্তর্জাতিক কবিতা পুরস্কার পেয়েছেন। তিনি বিশ্বের নানা দেশে আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে আন্তর্জাতিক কবিতা উৎসবে অংশ নিয়েছেন। তাঁর প্রকাশিত গ্রন্থসংখ্যা ৫৯। সম্প্রতি তিনি নিউইয়র্ক সিটি হাইস্কুলে গণিত শিক্ষকতা থেকে অবসর নিয়েছেন।

  • ফ্লোরিডা ষ্টেট আওয়ামী লীগের বিক্ষোভ

    ফ্লোরিডা ষ্টেট আওয়ামী লীগের বিক্ষোভ

    জঙ্গিদের মদদে ফ্যাসিস্ট ইউনূস সরকার কর্তৃক আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করার প্রতিবাদ এবং অবিলম্বে তা প্রত্যাহারের দাবিতে ফ্লোরিডা ষ্টেট আওয়ামী লীগের উদ্যোগে ১৩ মে সন্ধ্যায় লেকওয়ার্থে ক্র্যাজি মারিয়ো রেস্টুরেন্টে এক বিক্ষোভ-সমাবেশ হয়েছে।

    প্রতিবাদ সভায় ফ্লোরিডা আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ। ছবি-এনওয়াইভয়েস২৪ ডটকম।

    সংগঠনের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা নান্নু আহমেদের সভাপতিত্বে ও সাধারন সম্পাদক মুজিব উদ্দীন এবং যুগ্ম সম্পাদক তৌহিদুল ইসলাম খানের যৌথ পরিচালনায় মহান মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্বদানকারী সংগঠন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করার তীব্র নিন্দা এবং প্রতিবাদ জানানো হয়। এ সময় মুখ্য আলোচক হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের (দক্ষিণ ) সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা এম ফজলুর রহমান বলেন, অবৈধ, অযোগ্য, অনির্বাচিত, অসাংবিধানিক ও জোরপূর্বক ক্ষমতা দখলদার সরকারের কোন অধিকার নেই আওয়ামী লীগের কাযর্ক্রম বন্ধ করার। অতীতেও ইয়াহিয়া খান আওয়ামী লীগের কাযর্ক্রম বন্ধ করেছিল কিন্তু কোন লাভ হয়নি বরং আওয়ামী লীগ দ্বিগুণ শক্তিতে উপনীত হয়ে বাংলাদেশের স্বাধীনতা এনে দিয়েছে। নেতা-কর্মীদের ধৈর্য্য ধারণ করার জন্য অনুরোধ করেন ফজলুর রহমান।

    এতে আরো বক্তব্য প্রদান করেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের অর্থ ও পরিকল্পনা বিষয়ক উপ-কমিটির সদস্য সাজ্জাদ হাসান, ফ্লোরিডা স্টেট আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি সালমা রহমান মিনু, নাফিজ আহমদ জুয়েল, শেখ বাবুল এবং মোহাম্মদ দিদারুল আলম, বঙ্গবন্ধু পরিষদের সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার একরামুল ভূঁইয়া, সাংগঠনিক সম্পাদক সাজ্জাদুর রহমান, ইফতেখারুল ইসলাম রিংকু, আলী আক্কাস, শিক্ষা ও মানব সম্পদ বিষয়ক সম্পাদক মুজাম্মেল হক, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক আবু জাকের খান বাবু, সদস্য মাজেদুল হক আদর, সেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি রেজাউল করিম চৌধুরী, মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি জেমী খান, রাবেয়া খাতুন প্রমুখ।

  • ৬ জুলাই চট্টগ্রাম সমিতির বনভোজন

    ৬ জুলাই চট্টগ্রাম সমিতির বনভোজন

    আসছে ৬ জুলাই রোববার চিটাগাং এসোসিয়েশন অব নর্থ আমেরিকা ইন্ক্ এর উদ্যোগে পিকনিক অনুষ্ঠিত হবে। পিকনিককে আনন্দমুখর এবং বৈচিত্রময় করে তোলার জন্যে একটি শক্তিশালী উপ-কমিটি গঠন করা হয়েছে এবং ইতিমধ্যেই কমিটির কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
    পিকনিক উপ-কমিটির উদ্যোগে ১২ মে ব্রুকলিনস্থ “চট্টগ্রাম ভবন’এ একটি মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সমিতির সভাপতি মোহাম্মদ আবু তাহেরের সভাপতিত্বে এই সভাটি পরিচালনা করেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আরিফুল ইসলাম। মতবিনিময় সভায় অন্যান্যের মধ্যে ছিলেন চট্টগ্রাম সমিতির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি আব্দুর রহিম, ট্রাস্টি বোর্ডের সাবেক চেয়ারম্যান মোহাম্মদ হানিফ, সাবেক সাধারণ সম্পাদক মুনির আহমেদ এবং মোহাম্মদ সেলিম, কার্যকরী কমিটির সাবেক কর্মকর্তা কামাল হোসেন মিঠু, সাবেক সহ-সভাপতি আবুল কাসেম চট্টলা ,সাবেক ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আশ্রাব আলী খান লিটন, মিরসরাই সমিতির সভাপতি মেজবাহ আহমেদ , উপদেষ্টা কাউসার চৌধুরী, দিদারুল আলম, এডভোকেট আব্দুল হামিদ, নওশাদ কামাল, শফিকুল আলম, কলিমুল্লাহ মাস্টার, নুরুল আমিন, তানিম মহসিন, পল্লব রায়, মহিমুদ্দিন, সৈয়দ এম. মানু, মোহাম্মদ তারেক ,ফখরুদ্দিন, মামুনুর রাশিদ প্রমুখ।

    চট্টগ্রাম সমিতির বনভোজনের প্রস্তুতি সভায় কথা বলছেন মোহাম্মদ আরিফ। ছবি-এনওয়াইভয়েস২৪ ডটকম।

    এ সময় উপ-কমিটির আহবায়ক ইমরুল কায়সার এবং সদস্য সচিব মোহাম্মদ ঈছা পিকনিক আয়োজনের সামগ্রিক পরিকল্পনা তুলে ধরেন। চট্টগ্রামবাসীর এই বৃহত্তম মিলনমেলাকে সফল করার জন্য সকলের সহযোগিতা কামনা করেন তারা।

  • পারিবারিক পুনর্মিলনীর অভিপ্রায়ে সোসাইটির সাবেক কর্মকর্তাগণের সভা

    পারিবারিক পুনর্মিলনীর অভিপ্রায়ে সোসাইটির সাবেক কর্মকর্তাগণের সভা

    নিউইয়র্কস্থ ‘বাংলাদেশ সোসাইটি’র সাবেক কর্মকর্তারা এ বছর একটি মিলনমেলা আয়োজনের লক্ষ্যে ১২ মে সোমবার জ্যামাইকার মেজ্জান রেস্টুরেন্টে এক সভায় মিলিত হন। এটি ছিল সোসাইটির সাবেক কর্মকর্তাদের দ্বিতীয় সভা। এতে সভাপতিত্ব করেন আয়োজক কমিটির আহ্বায়ক ডাঃ ওয়াদুদ ভুঁইয়া। পরিচালনা করেন যৌথভাবে সদস্য-সচিব বাবুল চৌধুরী এবং প্রধান সমন্বয়ক মোহাম্মদ জামান তপন।
    সভায় ২১ এপ্রিলের প্রথম সভার ধারাবাহিকতায় একটি পূর্নাঙ্গ কমিটি গঠন, মিলনমেলা কোথায় এবং কখন করা যায়, বাজেট নির্ধারণ, ম্যাগাজিন প্রকাশ, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও রেজিস্ট্রেশনের মাধ্যমে অতিথি হিসেবে কারা থাকবেন-এসব ছিল এজেন্ডা। এমনি অবস্থায় বাংলাদেশ সোসাইটির কার্যকরি কমিটির পক্ষ থেকে কয়েকজন সাবেক সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের কাছে পাঠানো ক্ষুুদে বার্তায় সোসাইটি ৫০ বছর পূর্তি ও মিলন মেলা আয়োজনের যে পরিকল্পনা নিয়েছে সে সম্পর্কেও আলোচনা হয়। ঐ ক্ষুদে বার্তায় সাড়া দিয়ে আলোচনা-পর্যালোচনা শেষে কেউ কেউ মনে করেন যে, সাবেক কর্মকর্তাগণের পুনর্মিলনী এবং কার্যকরী কমিটি কর্তৃক সোসাইটির ৫০ বছর পূর্তি উৎসব পরস্পর বিরোধী হবে কিনা সেটি বিবেচনায় রাখা জরুরী। তবে জন্য উপস্থিত অনেকে বলেন, ৫০ বছর পূর্তি উদযাপন সোসাইটি করতে পারে এবং তারা যদি আমন্ত্রণ জানায় এবং সহযোগিতা চায় তবে সাবেক কর্মকর্তারা সার্বিক সহযোগিতা করতে প্রস্তুত। সোসাইটির সাবেক কর্মকর্তারা শুধু নিজেদের সমন্বয়ে আনন্দমেলা বা মিলন মেলা করলে তা অবশ্যই কোন কনফ্লিকট হবে না। সাবেক কর্মকর্তারা তাদের মিলনমেলা অনুষ্ঠানের পক্ষে দৃঢ়মত পোষণ করেছেন। উল্লেখ্য, সাবেক কর্মকর্তারা এর আগে ২০০৮ এবং ২০১০ সালে সমাবেশ করেছেন এবং অতীত স্মৃতি রোমন্থনের পাশাপাশি পারস্পরিক সহযোগিতায় কম্যুনিটির কল্যাণে নিবেদিত থাকার সংকল্পও ব্যক্ত করেছেন। তাই ৫০ বছর পূর্তি উৎসবের সাথে সাবেক কর্মকর্তাগণের পুনর্মিলনী কোনভাবেই সাংঘর্ষিক হবে বলে মনে করার কোনই কারণ নেই। নাম গোপন রাখার শর্তে একাধিক সাবেক কর্মকতর্কা এ সংবাদদাতাকে জানিয়েছেন যে, বাংলাদেশ সোসাইটির সাবেক একজন সাধারণ সম্পাদক কমিটির শীর্ষ পদ না পাওয়ায় ক’টকৌশল চালাচ্ছেন মিলনমেলাকে নস্যাতের জন্যে। সভায় অনেকে ক্ষোভের সাথে বলেন, এ বছর বাংলাদেশ সোসাইটি একটা ‘বাংলাদেশ ডে প্যারেড’ করলো অথচ সেখানে অধিকাংশ সাবেক কর্মকর্তাকে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি। এ অবস্থায় দু’চারজন যারা বিনা দাওয়াতে প্যারেডে উপস্থিত ছিলেন তাদের সম্মান দেয়া হয়নি। সভায় সাবেক কর্মকর্তাদের পরিবার নিয়ে এবছরে মিলনমেলা বা আনন্দ মেলার সিদ্ধান্ত চ’ড়ান্ত করা হয়। সভায় বলা হয়, রেজিস্ট্রেশন সাপেক্ষে অনুষ্ঠানে বর্তমান কমিটির সদস্য, বোর্ড অব ট্রাস্টির সকল সদস্য ও নির্বাচন কমিশনারদের আমন্ত্রন জানানো হবে।

    বাংলাদেশ সোসাইটির সাবেক কর্মকর্তাগণের পুনর্মিলনী উপলক্ষে প্রস্তুতি সভায় নেতৃবৃন্দ। ছবি-এনওয়াইভয়েস২৪ ডটকম।

    এদিকে, প্রস্তুতি কমিটিতে আহ্বায়কের সাথে একজনের স্থলে ২ জন যুগ্ম আহবায়কের প্রস্তাব করা হয়। ডাঃ ওয়াদুদ ভুঁইয়া আহ্বায়ক এবং যুগ্ম আহবায়ক হিসেবে মো. রব মিয়ার সাথে নার্গিস আহমেদকে যুক্ত করা হয়। সদস্য-সচিব বাবুল চৌধুরীর সাথে যুগ্ম সদস্য সচিব হিসেবে জেড আই চৌধুরী জুয়েল ও জে সানি মোল্লার নাম প্রস্তাব করা হয়। এছাড়া সমন্বয়ক মোঃ জামান তপনের সাথে সহ-সমন্বয়কারী হিসেবে মোঃ সাইফুল ইসলাম, সরোয়ার খান বাবু, মঈন উদ্দিন মাহবুব, একেএম রফিকুল ইসলাম (ডালিম)এর নাম প্রস্তাব করা হয়। ফাইন্যান্স কমিটির প্রধান একেএম নুরল হকের সাথে সদস্য হিসেবে মোঃ হায়দারের নাম প্রস্তাব করা হয়। সাংস্কৃতিক কমিটির প্রধান হিসাবে সাইদ আহমেদ চৌধুরীর নাম প্রস্তাব করা হয়েছে। অভ্যর্থনা কমিটির প্রধান হিসেবে মনিরুল ইসলামের সাথে সকল সাবেক সভাপতি এবং সাধারণ সম্পাদক থাকার প্রস্তাব করা হয়েছে। স্যুভেনির কমিটির প্রধান শেখ সিরাজের নাম এবং সদস্য হিসেবে খান শওকত ও সিরাজ উদ্দিন সোহাগের নাম প্রস্তাব করা হয়েছে। মিলনমেলার ভেন্যু হিসেবে কুইন্স ও লং আইল্যান্ডের তিনটি স্থান বিবেচনায় রয়েছে। আরো পাওয়া গেলে তা বিবেচনা করা হবে। এবং উত্তম স্থানটিকে বেছে নেয়া হবে পরবর্তী সভায়।

    এ প্রস্তুতি সভায় ছিলেন নার্গিস আহমেদ, মো. রব মিয়া, মাহমুদ চৌধুরী, নজরুল ইসলাম, সউদ আহমেদ চৌধুরী, মোহাম্মদ হোসেন খান, ফখরুল আলম, এ কে এম ফজলে রাব্বী, মনিরুল ইসলাম, দুলাল মিয়া এনাম, নিশান রহীম, একেএম নুরল হক, শেখ সিরাজ, খন্দকার ফরহাদ, জেড আই জুয়েল চৌধুরী, সাইফুল ইসলাম, সিরাজ উদ্দিন সোহাগ, ওয়াহিদ কাজী এলিন, কাজী তোফায়েল ইসলাম, খান শওকত, সরোয়ার খান বাবু, সাইফুল্লাহ ভূঁইয়া প্রমুখ।