অনলাইন ডেস্ক
প্রিন্ট
বুধবার, ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ সর্বশেষ আপডেট : ৯:৫৬ পূর্বাহ্ণ
মিয়ানমারের তরুণদের কাছে বাংলাদেশি সংস্কৃতি এবং রসনা সম্ভার উপস্থাপন। রাষ্ট্রদূত ড. মোঃ মনোয়ার হোসেন বলেছেন, তরুণরা তাঁদের কর্মচাঞ্চল্য, আবেগ এবং উদ্যোগ দিয়ে নতুন পৃথিবী গড়তে এবং বিশ্বজুড়ে পরিবর্তন আনতে সক্ষম। তিনি গত ১ ফেব্রুয়ারী শনিবার ইয়াঙ্গুনস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসের উদ্যোগে ‘ইয়ুথ ফেস্টিভ্যাল-২০২৫’ সমাবেশে বক্তব্য রাখছিলেন। অনুষ্ঠানমালায় ছিল তরুণদের অংশগ্রহণমূলক বিভিন্ন গেমস, বাংলাদেশী পোশাক, পাট ও চামড়াজাত পণ্যেও প্রদর্শনী, সাংস্কৃতিক পরিবেশনা, মেহেদি লাগানো, মাটিরপাত্রে আলপনা, বাংলাদেশি শাড়ি-পাঞ্জাবি পরিধান, দেশাত্মবোধক ভিডিও চিত্র প্রদর্শন এবং বাংলাদেশী খাবারের আয়োজন। মিয়ানমারের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের সদস্য, বাংলাদেশ কমিউনিটি এবং দূতাবাস পরিবারের সদস্যসহ প্রায় ২০০ তরুণ-তরুণী এই অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন।
রাষ্ট্রদূত ড. হোসেন তার বক্তৃতায় বাংলাদেশ ও মায়ানমারের মধ্যে পোশাক, সংস্কৃতি এবং খাবারে সাদৃশ্যের কথা তুলে ধরে বলেন যে, বিভিন্নক্ষেত্রে বিদ্যমান এই মিল দুই দেশের মধ্যে সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করতে পারে। দিবসটির প্রতিপাদ্য ‘ঊহমধমরহম ণড়ঁঃয, ঈড়হহবপঃরহম ঋঁঃঁৎব’ উল্লেখ করে ড. হোসেন বলেন যে, তরুণরাই পারে দুদেশের মানুষের মধ্যেকার বন্ধন জোরদার করতে।
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের বিভিন্ন ঐতিহাসিক স্থাপনা, পর্যটনকেন্দ্র, মৃৎশিল্প, পাটশিল্প,পাটজাত ও চামড়াজাত পণ্য, সিরামিক এবং রপ্তানিযোগ্য পোশাকের বেশ কয়েকটি স্টল ছিল। বাংলাদেশের পোশাকের সমৃদ্ধ ঐতিহ্য প্রদর্শন করে একটি পোশাক ট্রাই-অন বুথ নির্মিত হয়, যেখানে মিয়ানমারের তরুণরা বাংলাদেশী জামদানি শাড়ি এবং পাঞ্জাবি পরিধান করে। এছাড়াও, মেহেদী কর্নারে মায়ানমারের তরুণীরা বাংলাদেশী ঐতিহ্যবাহী মেহেদীর রঙ্গে হাত রাঙায়। বাংলাদেশী প্রচলিত আল্পনার ডিজাইনে একটি ফটোফ্রেম এবং ঐতিহ্যবাহী রিকশার আদলে ফ্রেম স্থাপন করা হয় যেখানে সবাই ছবি তোলে।
সাংস্কৃতিক পর্বে মায়ানমারের তরুণ-তরুণীরা বাংলাদেশী ও বার্মিজ গানের সাথে মনোমুগ্ধকর নৃত্য পরিবেশন করে। দূতাবাস পরিবারের শিশু-সদস্যরা ঐতিহ্যবাহী বাংলা গানের সাথে নৃত্য পরিবেশন করেন। আগত অতিথিদের জন্য বিরিয়ানি, সিঙ্গারা, পিয়াজু, পিঠা, মিষ্টি এবং বার্মিজ মিষ্টান্নসহ বিভিন্ন ধরণের বাংলাদেশী খাবারের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠান শেষে বাংলাদেশের বিভিন্ন পর্যটন কেন্দ্র এবং প্রাকৃতিক সৌন্দর্য তুলে ধরে একটি সুন্দও ভিডিওচিত্র প্রদর্শিত হয়। অনুষ্ঠানটি মিয়ানমারের তরুণ সমাজের মাঝে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে।
Posted ৯:৫৬ পূর্বাহ্ণ | বুধবার, ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৫
nyvoice24 | New York Voice 24
এ বিভাগের আরও খবর