নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রিন্ট
রবিবার, ১৮ মে ২০২৫ সর্বশেষ আপডেট : ১০:২২ পূর্বাহ্ণ
ফাইল ছবি
ড. ইউনূস বাংলাদেশ সম্পর্কে দুটো জিনিস বিশ্ববাসীকে ফলাও করে জানিয়েছেন এবং তা হলো বাংলাদেশের পুলিশ ও সেনাবাহিনী নিজেদের লোকদের প্রোটেকশন বা নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ। তারা গণহত্যা বা জিনোসাইডের অংশীদার।
দ্বিতীয়ত বাংলাদেশ পূথিবীর মধ্যে সবচেয়ে দূরনীতিপরায়ন দেশ। তার এই ব্রেণ্ডিং বা বদনামের ফলে বাংলাদেশকে বহুবছর আক্ষেপ করতে হবে।
এক সময় বাংলাদেশ “তলাবিহীন ঝুড়ির” বদনাম পায় এবং তারফলে এদেশে বিদেশী বিনিয়োগ হতো না। বাংলাদেশীদের দেখলেই বলতো মিসকিন। শেখ হাসিনা অভাবনীয় উন্নয়ন করে সে বদনাম ঘুচিয়েছিলো । ইউনূস সাহেব আবার নতুন বদনাম অর্জন করলেন।
আর ইউনূস সাহেবের এই ব্রেণ্ডডিঁং এর কারণে বাংলাদেশের পুলিশ ও সেনাবাহিনী আগামীতে জাতিসংঘে শান্তিরক্ষী বাহিনী হিসেবে নিয়োজিত নাও হতে পারে। হলেও কম হবে। ইতিমধ্যেই সংখ্যা কমেছে। আগে প্রায় সাড়ে বারো হাজার শান্তিরক্ষা কাজে নিয়োজিত হতো এবং বর্তমানে মাত্র সাড়ে পাঁচ হাজার। এটা আরো কমতে থাকবে।
দ্বিতীয়ত দুর্নীতিপরায়ন দেশ হিসেবে একে কেউ ঝণ দেবে না। আর দিলেও ছডা দামে দিবে। তাছাড়া বাংলাদেশীদের কোনো দায়িত্বপুর্ণ কাজে নিয়োগ দিবে না। তাদের সবসময় সন্দেহ করবে। ইয়াং টেলেন্ডেড (young talented) ছেলেপুলেদের দেখলে মনে করবে এরা চোর ও দুর্ণীতিপরায়ন। এজন্য দায়ী ড.ইউনূস ও তার সহযোগীরা ।
আট মাসে ৯০ হাজার কোটি টাকা স্টক মার্কেট থেকে লুঠপাট— এ এক অকল্পনীয় লুঠপাট। ইউনূস সাহেবের সরকার দরবেশকেও হারিয়েছেন। দরবেশ তার কাছে নস্যি বৈকি।
Posted ১০:২২ পূর্বাহ্ণ | রবিবার, ১৮ মে ২০২৫
nyvoice24 | New York Voice 24
এ বিভাগের আরও খবর