অজিৎ ভৌমিক
প্রিন্ট
মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ সর্বশেষ আপডেট : ৭:০৮ পূর্বাহ্ণ
সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দিচ্ছেন নিউইয়র্ক মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ইমদাদ চৌধুরী। ছবি-বাংলা গেজেট।
অজিৎ ভৌমিক
নিউইয়র্কে ১৪ সেপ্টেম্বর সোমবার সন্ধ্যায় এক জনাকীর্ন সংবাদ সম্মেলনে মহানগর আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে যোগদানের জন্যে আসা বাংলাদেশের ‘অসাংবিধানিক-অবৈধ প্রধানমন্ত্রী তথা জঙ্গি-সন্ত্রাসবাদের জনক তারেক রহমান’ কে সর্বাত্মকভাবে প্রতিরোধের বিস্তারিত কর্মসূচি অবহিত করা হয়। এ সময় জানানো হয়, চব্বিশের জুলাই-আগস্টে বাংলাদেশে জঙ্গিবাদের উত্থান ঘটেছে এবং সেই সন্ত্রাসের নেপথ্য নায়ক ছিলেন তারেক রহমান। এছাড়া, এটা সকলেই জানেন যে, ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট ঢাকায় গ্রেনেড হামলায় আওয়ামী লীগকে নেতৃত্বশুণ্য করার যে ষড়যন্ত্র চালানো হয়েছিল তার মাস্টারমাইন্ডও ছিলেন তারেক রহমান। তারেক রহমানের আচরণ এতটাই নৃশংস ছিল, ঘোষ দুর্নীতিতে এতটাই নিমজ্জিত ছিল যে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র তাকে নিষিদ্ধ করেছিল। কখনোই সে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা পাননি। কিন্তু সুদখুর ইউনূসের কূটকৌশলে বাংলাদেশকে সন্ত্রাসের অভয়রাণ্যে পরিণত করে বিশেষ গোষ্ঠির স্বার্থ রক্ষায় কাজ করার অঙ্গিকারে বাংলাদেশের রাষ্ট্র ক্ষমতা দখল করা হয়েছে। সংবাদ সম্মেলন থেকে বাঙালি জাতিগোষ্ঠির বিরুদ্ধে জঘন্য ষড়যন্ত্রে লিপ্ত তারেক রহমানকে যুক্তরাষ্ট্রে অবাঞ্ছিত ঘোষণা এবং সর্বত্র তারেককে প্রতিহত করার সংকল্প ব্যক্ত করা হয়। জেএফকে এয়ারপোর্টে তুমুল প্রতিরোধ রচনায় হাজার হাজার নেতা-কর্মীর সমাবেশ ঘটানো হবে বলেও উল্লেখ করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, বিক্ষোভ-সমাবেশের জন্যে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমতি সংগ্রহ করা হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে কথা বলছেন ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ আলী সিদ্দিকী। ছবি-বাংলা গেজেট।
সংবাদ সম্মেলনে সূচনা বক্তব্য প্রদানের পর লিখিত বক্তব্য উপস্থাপন করেন নিউইয়র্ক মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ইমদাদুর রহমান চৌধুরী ইমদাদ। পরিস্থিতির প্রেক্ষাপট উপস্থাপন করেন এবং প্রশ্নোত্তর পর্বে অংশ নেন সংগঠনের প্রধান উপদেষ্টা ডা. মাসুদুল হাসান এবং মানবাধিকার সংগঠক ও যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ আলী সিদ্দিকী। নিউইয়র্ক মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি রফিকুর রহমান রফিকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সম্মেলনের মঞ্চে উপবেশনকারি নেতৃবৃন্দের মধ্যে ছিলেন যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের নেতা নুরুল আবসার সেন্টু, যুক্তরাষ্ট্র যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান চৌধুরী, স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ কিবরিয়া জামানসহ মহানগর আওয়ামী লীগের গুরুত্বপূর্ণ নেতৃবৃন্দ।
সংবাদ সম্মেলনে কথা বলছেন ডা. মাসুদুল হাসান (সর্ববামে)। ছবি-বাংলা গেজেট।
এ সময় ইমদাদ চৌধুরী বিশেষভাবে উল্লেখ করেন যে, তারেক রহমানকে নিউইয়র্কে প্রতিরোধ করতে আওয়ামী পরিবার ঐক্যবদ্ধ এবং সারা আমেরিকার নেতৃবৃন্দ জড়ো হবেন নিউইয়র্কে। বিদ্যমান আইনের আওতায় আমরা সবকিছু করবো। বিশ্ব সম্প্রদায়কে আমরা অবহিত করতে চাই যে, তারেক রহমান হচ্ছেন মানবতার দুশমন, গণতন্ত্রের শত্রু এবং ঘুষ-দুর্নীতির বরপুত্র। তারেকের কারণে বাংলাদেশে কেউ স্বস্তি-শান্তিতে নেই। বিচারের নামে চলছে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে শায়েস্তার হোলিখেলা। তারেক রহমানেরা গণতন্ত্রের জিকির তোলে বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ রাজনৈতিক দল ‘আওয়ামী লীগ’কে নিষিদ্ধের নামে তামাশা শুরু করেছে। এসব তথ্য বিশ্ব সম্প্রদায়কে অবহিত করে অবিলম্বে তারেকের অপসারণ দাবি করা হবে। ডা. মাসুদুল হাসান জানান, তারেকের বিরুদ্ধে এবারের আন্দোলন হবে সবচেয়ে জোরদার এবং সুসংগঠিত।
সংবাদ সম্মেলনের প্রারম্ভে যুক্তরাষ্ট্র যুবলীগের নেতা-কর্মীরা স্লোগানে মুখরিত অবস্থায় নবান্ন পার্টি সেন্টারে প্রবেশের সময় ভিন্ন এক পরিবেশ তৈরী হয়েছিল এবং এরমধ্যদিয়েই বাংলাদেশে চলমান অপশাসনের বিরুদ্ধে প্রবাসেও তৈরী হওয়া ক্ষোভের আভাস মেলেছে বলে অনেকে মন্তব্য করেন।
সংবাদ সম্মেলনে সমাপনী বক্তব্য দেন রফিকুর রহমান রফিক। ছবি-বাংলা গেজেট।
উপস্থিত সকলের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তারেকের বিরুদ্ধে সকল কর্মসূচিতে সচেতন প্রবাসী এবং গণমাধ্যমের আন্তরিক সহযোগিতা প্রত্যাশা করে সংবাদ সম্মেলনের সমাপ্তি ঘোষণা করেন সভাপতি রফিকুর রহমান রফিক।
সংবাদ সম্মেলনের লিখিত বক্তব্য এখানে উপস্থাপন করা হলো :
আসসালামুআলাইকুম/আদাব। শুভসন্ধ্যা ও নিউইয়র্ক মহানগর আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে সকলকে জানাই মুজিবীয় শুভেচ্ছা। আপনারা জানেন গত ১২ ফেব্রুয়ারির সান্ধ্য ভোট তথা পাতানো নির্বাচনের মাধ্যমে নির্বাচিত অবৈধ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আগামী ২১ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের ৮১তম সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দিতে যুক্তরাষ্ট্র আসছেন। আপনারা জানেন তারেক রহমান সেই ব্যক্তি যাকে মার্কিন সরকার ব্যাপক দুর্নীতির জন্য তাদের দেশ অর্থাৎ যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল। তদানীন্তন বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান ব্যাপক মাত্রায় দুর্নীতিতে জড়িত থাকায় যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থ ক্ষুণ্ন হয়েছে উল্লেখ করে ২০০৮ সালের ৩ নভেম্বর ঢাকার মার্কিন দূতাবাস এক গোপন তারবার্তা পাঠিয়েছিল। পরবর্তীতে বিশ্বে সাড়া-জাগানো ওয়েবসাইট উইকিলিকস ওই তারবার্তাটি প্রকাশ করে। তারবার্তায় বলা হয়, দূতাবাস মনে করে, রাজনৈতিকভাবে সংঘটিত ব্যাপক মাত্রায় দুর্নীতির জন্য তারেক রহমান দায়ী। তার দুর্নীতির কারণে মার্কিন ঘোষণাপত্রে বর্ণিত গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানের স্থিতিশীলতা এবং যুক্তরাষ্ট্রের বৈদেশিক সহায়তার লক্ষ্য বিনষ্ট হওয়ার মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় স্বার্থ ক্ষুণ্ন হয়েছে। এই নিষেধাজ্ঞার কারণে তারেক রহমান যাকে বাংলাদেশের মানুষ সন্ত্রাস ও দুর্নীতির বরপুত্র হিসেবে চেনে এবং সেই সময়ে যার আরেক নাম ছিলো “মি. টেন পারসেন্ট”, আজ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রে সফর করতে পারেননি। এই সেই তারেক রহমান যিনি ২০০১ থেকে ২০০৬ সালে হাওয়া ভবন-খোয়াব ভবন খুলে বাংলাদেশকে সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ ও দুর্নীতির স্বর্গরাজ্যে পরিণত করেছিলেন।
সংবাদ সম্মেলনে যুবলীগের নেতৃবৃন্দ। ছবি-বাংলা গেজেট।
একুশে আগস্ট ভয়াবহ গ্রেনেড হামলার মূল মাস্টারমাইন্ড তারেক রহমানের এই মামলায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হয়েছিল এবং দীর্ঘ ১৭ বছর সে লন্ডনে পালিয়েছিল। তারেক রহমানের বিরুদ্ধে ২০০৭ সালের তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে ১৭টি মামলা হয়েছে।
পরবর্তীতে আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে ২১শে আগস্ট গ্রেনেড হামলা, অর্থ-পাচারসহ ২০ টি মামলা বিচারাধীন ছিলো। কিন্তু ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর খুনী ও সুদখোর ইউনুসের নেতৃত্বাধীন অবৈধ অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সহযোগিতায় আদালতের ওপর প্রভাব খাটিয়ে ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলাসহ সকল মামলা থেকে তার বেকসুর খালাসের ব্যবস্থা করেন তিনি। পরে ইউনুসের সাথে লন্ডনে অনুষ্ঠিত এক গোপন সমঝোতার অংশ হিসেবে ১৭ বছরের পলাতক জীবন কাটিয়ে গত বছরের ২৫ ডিসেম্বর দেশে ফেরেন।
সুতরাং যেই মার্কিন সরকার তারেক রহমানের মতো একজন চরম দুর্নীতিবাজ লোককে তাদের দেশে প্রবেশের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল তাঁকে আবার তাঁদের দেশে আসার সুযোগ করে দিয়েছে দেখে আমরা খুবই আশ্চর্য ও মর্মাহত হয়েছি। আমরা এর তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানাই এবং একই সাথে মার্কিন সরকারের নিকট এই সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার অনুরোধ জানাই।
প্রিয় সাংবাদিক বন্ধুরা,
আপনারা জানেন ২০২৪ সালের ৫ আগস্টে দেশি-বিদেশি চক্রান্ত তথা মেটিকুলাস ডিজাইনের মাধ্যমে বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন জনগণের ভোটে নির্বাচিত আওয়ামী লীগ সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করা হয়। আর এই ষড়যন্ত্রের পেছনে অন্যতম প্রধান কুশীলব ছিলো তারেক রহমান ও তার দল বিএনপি।
তারেক রহমানের প্রত্যক্ষ নির্দেশে এই বিএনপি-জামাত অশুভ চক্র কথিত বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনের নামে বহু আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মী, পুলিশ সদস্যসহ অসংখ্য মানুষকে নির্মমভাবে হত্যা করে ও পুড়িয়ে মারে এবং সরকারি-বেসরকারি সম্পদ ধ্বংস করে ও জ্বালিয়ে দেয়।
পরবর্তীতে ৫ আগস্টের পর তাদের এই বর্বরতা ইতিহাসের সকল রেকর্ড ভেঙে ফেলে দেশকে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে যায়। রাজনৈতিক প্রতিশোধের নামে তারেক রহমানের প্রত্যক্ষ নির্দেশে বিএনপি-জামাতের সন্ত্রাসীরা বঙ্গবন্ধুর ধানমন্ডির ঐতিহাসিক ৩২ নম্বরের বাড়ি বুলডোজার দিয়ে গুঁড়িয়ে দেয় এবং আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেয় এবং সারা দেশে বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য ও মুক্তিযুদ্ধের সকল স্মৃতি চিহ্ন মাটির সাথে মিশিয়ে দেয়।
তারা শত শত আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীকে হত্যা এবং তাদের বাড়িঘর ভাঙচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগ করে। তাদের হামলা-মামলার কারণে আওয়ামী লীগের হাজার হাজার নেতা-কর্মী আজ বিনাবিচারে কারাগারে মানবেতর জীবন যাপন করছেন। এদের অনেকেই বিনা চিকিৎসায় জেলেই মারা গেছেন। তাদের প্রতিহিংসার কারণে লক্ষ লক্ষ আওয়ামী লীগ নেতাকর্মী আজ দেশ ছাড়া, ঘর ছাড়া।
ষড়যন্ত্রকারী ও হায়েনাদের দখলে থাকা বিধ্বস্ত বাংলাদেশের মানুষের জীবন আজ অভিশপ্ত ও অন্ধকারাচ্ছন্ন । বাংলাদেশ আজ স্বাধীনতা বিরোধী প্রতিক্রিয়াশীল শক্তির হাতে অবরুদ্ধ। তাঁদের কারণে দেশ আজ খুন, ছিনতাই, ডাকাতি, সন্ত্রাস, ধর্ষণ, বলাৎকার, দুর্নীতি, চাঁদাবাজির স্বর্গরাজ্যে পরিণত হয়েছে। মানুষের জীবনে এখন নিরাপত্তা বলতে কিছু নেই। গ্যাস, বিদ্যুৎ, জ্বালানি, সারের হাহাকার এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের আকাশচুম্বী মূল্যের কারণে দেশের মানুষ চরম দুঃসহ জীবন কাটাচ্ছে।
সুশাসনের অভাবে মাত্র ৬ মাসে তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ আজ খেলাপি ঋণের দিক থেকে বৈশ্বিক তালিকায় শীর্ষে বা ১ নম্বরে অবস্থান করছে ঠিক যেমন ২০০১ থেকে ২০০৫ সাল পর্যন্ত বিএনপির শাসনামলে বাংলাদেশ টানা ৫ বার দুর্নীতিতে “বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন” হয়েছিল।
আমরা মনে করি দেশ পরিচালনায় চরম ব্যর্থতা ও এই ভয়াবহ সংকটের জন্য এই অবৈধ বিএনপি সরকার ও এর অবৈধ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সম্পূর্ণভাবে দায়ী এবং সেই জন্য জাতিসংঘের আসন্ন ৮১তম সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ এবং ভাষণ দেয়ার কোন অধিকার তার নেই।
সুতরাং ২৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তারেক রহমানের নিউ ইয়র্ক অবস্থানকালে অর্থাৎ ২১ সেপ্টেম্বর জেএফকে এয়ারপোর্টে অবতরণ থেকে শুরু করে তার নিউইয়র্ক ত্যাগ করা পর্যন্ত “যেখানে তারেক—সেখানেই প্রতিরোধ” কর্মসূচি গ্রহণ করেছি। এই কর্মসূচির অংশ হিসেবে তারেক রহমানের আগমনের প্রতিবাদে ২১ সেপ্টেম্বর জেএফকে এয়ারপোর্টের সামনে এবং ২৪ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘ হেডকোয়ার্টারের সামনে বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে।
আর এই কর্মসূচি সফল করার জন্য নিউ ইয়র্কের সাংবাদিক সমাজ থেকে শুরু করে সকল পেশা ও শ্রেণীর মানুষের আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করছি।
জয় বাংলা
জয় বঙ্গবন্ধু
বাংলাদেশ চিরজীবী হোক ।
Posted ৭:০৮ পূর্বাহ্ণ | মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
nyvoice24 | New York Voice 24
এ বিভাগের আরও খবর