অনলাইন ডেস্ক
প্রিন্ট
মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬ সর্বশেষ আপডেট : ২:১০ অপরাহ্ণ
![]()
খান সাবেরা
প্রথমে শুরু করি পলিটিক্যাল ডঙ্কি আসম রবকে দিয়েঃ ব্যক্তি আসম রবের জৈবিক জন্মদাতা বা বায়োলজিক্যাল ফাদার ছিলেন লক্ষীপুরের একজন সাধারণ ড্রাইভার । কিন্ত জাতীয় পতাকার উত্তোলক রব, ডাকসুর ভি পি রব,
স্বাধীনতা যুদ্ধের অন্যতম সংগঠক রব, মুক্তিযোদ্ধা রব, খলিফা রব-সর্বোপরি রাজনীতিক রবের জন্মদাতা বা পলিটিক্যাল ফাদার কে?
কার ছায়াতলে থেকে তিনি এতগুলো ঐতিহাসিক চরিত্রের অধিকারী হয়েছেন ? এত পরিচিতি পেয়েছেন ? এবং মন্ত্রী রবের জন্মদাতা কে? তাকে কে সৃষ্টি করেছে ?
তিনি কি শেরে বাংলা ফজলুল হক থেকে এসেছেন? সোহরাওয়ার্দী বা মাওলানা ভাসানী থেকে? না এরা কেউই তার পলিটিক্যাল ফাদার নয়, এমন কি তিনি যাকে গুরু মানেন যার মৃত্যুতে তিনি হাউমাউ করে কেঁদেছিলেন সেই সিরাজুল আলম খানও নন । সিরাজুল আলম খান তার রাজনৈতিক বড় ভাই ।
এই দুই অকৃতজ্ঞ, রাজনৈতিক সহোদরের রাজনৈতিক পিতার নাম জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু
হক, ভাসানী, সোহরাওয়ার্দী কেউ এদের পলিটিক্যাল ফাদার নয় । এই অকৃতজ্ঞ রাজনীতিক রব তার পলিটিক্যাল ফাদারের জীবদ্দশায় তাকে কত গালাগাল করেছে, কত বদনামী করেছে । তারপরও তার পলিটিক্যাল ফাদারের কন্যা শেখ হাসিনাই তাকে মন্ত্রী বানিয়েছিল ।
অথচ এই রব এমপি, মন্ত্রী হওয়া দুরের কথা জীবনে কখনো ইউপি সদস্যও হতে পারতোনা । আজ সেই অকৃতজ্ঞ রব বাপ ডাকে জিয়াকে, মা ডাকে খালেদাকে, ভাই ডাকে দূর্বৃত্ত খাম্বা তারেক কে । অথচ ঐ জিয়াই ১৯৭৬ এ তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছিল । জিয়ার বেগম খালেদার সরকার তাকে পাছায় লাথি দিয়ে কারাগারের অন্ধ প্রকোষ্ঠে নিক্ষেপ করেছিল । জেল থেকে বেরিয়ে যে তাকে জেলে ঢুকিয়েছে, সে খালেদার আ-ধোয়া ট্যাংগে কদমবুচি করে, যে মন্ত্রী বানিয়েছে সেই শেখ হাসিনাকে গালাগালি শুরু করে। প্রতিনিয়ত তার পতন কামনা করে ।
আসম রব আজ জীবনের শেষ প্রান্তে এসেও অকৃতজ্ঞতা, ঘৃনা, বিদ্ধেষের বিষবাষ্প ছড়াচ্ছে । আসলে এই ধরনের মোনাফেকরাই “যে পাতে খায়, সে পাতে মল ত্যাগ করে”। তাই আজ আসম রব পরিণত হয়েছে জনবিচ্ছিন্ন নিধিরাম সর্দার, পলিটিক্যাল ডঙ্কি বা রাজনৈতিক গাধায় ।
এরা সারাজীবন হিংসা, বিদ্ধেষের বিষবাষ্প ছড়াতে ছড়াতে ব্যর্থমন আর অতৃপ্তি নিয়ে পেসিমিষ্ট হয়ে মৃত্যুবরন করে এবং তাদের সন্তানদের কাছে রেখে যায় একটি ভ্রান্ত, ব্যর্থ দৃষ্টান্ত ।
![]()
পলিটিক্যাল মাঙ্কি এম,আর, মান্না ।
এবার আসি বাপে খেদানো, মায়ে তাড়ানো চৌদ্দ ঘাটের পানি খাওয়া রাজনৈতিক বাঁদর এম,আর,মান্নার বিষয়েঃ
সারাজীবন রাজনৈতিক গাছের এ ডাল থেকে, ও ডালে শাখামৃগের মত লাফালাফি করেছে কোন শাখাতেই স্থির থাকতে পারেনি এই রাজনৈতিক টোকাই ।
১৯৭১ সালে স্বাধীনতা যুদ্ধ চলাকালে চট্টগ্রাম বেতার কেন্দ্র থেকে ” সাত সতের” নামে স্বাধীনতা বিরোধী কথিকা আবৃত্তি করতো মুক্তিযোদ্ধাদের কটাক্ষ করে । অবশ্য পাকিস্তান আমলে চবি’তে সে কুখ্যাত “এন,এস,এফ” এর সদস্য ছিল । স্বাধীনতার পর পথ হারানো বিভ্রান্ত জাসদ ছাত্রলীগে যোগদান করে।
’৭৫এর ৭ নভেম্বরের পর জিয়ার সামরিক সরকার তাহের, জলিল, রব, শাজাহান সিরাজদের সাথে তাকে গ্রেফতার করে । তাহেরকে মৃত্যুদন্ড এবং অন্যদের সাথে তাকেও যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয় । মুক্ত হয়ে ৭৯/৮০ সালে ডাকসুর ভি পি নির্বাচিত হয়ে বঙ্গভবনে গিয়ে জিয়ার পিঁয়াজু, সিঙ্গারা খেয়ে এসে জাসদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র শুরু করে । তাই কলাভবনের ভিতর তৎকালীন ডাকসু অফিসের ( মধুর ক্যান্টিনের সামনে আজকের ডাকসু ভবন তখন হয়নি )বিপরীতে দেয়ালে “চিকা” দেখা যায় ” বঙ্গভবন থেকে এলো গাই, সঙ্গে বাছুর মান্না ভাই”। ফলাফল “জারজ সন্তানের দল”= “জাসদ” ভেঙে” খালেক, মাহবুবুলের সাথে “বালের সন্তানের দল”= বাসদের জন্ম হলো। তারপর নিজেদের বউ নিয়ে ফষ্টিনষ্টি’ ইত্যাদি কারণে বাসদ খালেক-মাহবুব গ্রুপে বিভক্ত হলো। “পলিটিক্যাল মাঙ্কি” শাখামৃগ মান্নাকে বাঁদরামির কারণে জাসদের শাখা থেকে বিতাড়িত হয়ে বাসদের শাখায় আসলো।
বাসদের শাখায় বিতাড়িত হয়ে, বাসদের অন্য শাখায় লাফ দিল। তারপর মির্জা সুলতান রাজার “জমুপা”র (জনতা মুক্তি পার্টি) শাখায় আসলো। এই ভাবে এই রাজনৈতিক শাখামৃগ রাজনীতির এই শাখা থেকে ওই শাখায় ঘুরে বেড়াতে লাগলো। বাঁদরামির কারণে কোন শাখায় স্থির থাকতে পারলোনা ।
অবশেষে শেখ হাসিনা আওয়ামী লীগের বিশাল বটবৃক্ষের শাখায় আশ্রয় দিল। একেবারে কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক । এবার এই বাঁদর হনুমান হয়ে গেল । ‘৯৬তে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় যাবার পর আওয়ামী লীগের ঘাড়ে বসে ক্ষমতার অপব্যবহার করে ব্যাবসা বানিজ্য করে ভাল মালপানির মালিক হলো । দুই দুইবার আওয়ামী লীগ থেকে বগুড়ায় মনোনয়ন দেয়া হলো কিন্তু দুইবারই ফেল । এই শাখামৃগ ভাবলো বগুড়া ধানের শিষের বিল, এই বিলে পানি নাই, এখানে নৌকা চলবোনা । তাই ১/১১র পরে এই হনুমান হয়ে গেল মূখ পোড়া হনুমান ।
অবশেষে আওয়ামী লীগের শাখা থেকে বিতাড়িত হয়ে এই অকৃতজ্ঞ শাখামৃগ মুখপোড়া হনুমান এখন প্রতিদিন সরকারের বিরুদ্ধে আষাঢ়ের তর্জন-গর্জন করে। “ভাইবার” মান্না হয়ে রাজনৈতিক ফায়দার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে লাশ ফেলে মা’য়ের বুক খালি করার নিষ্ঠুর খেলায় মেতে উঠে । বর্তমানে হাতগোনা কিছু বানর, হনুমান নিয়ে তথাকথিত নাগরিক ঐক্য নামে একটি টোকাই দল করে প্রেসক্লাবের সামনে রাজনীতির ফুটপাতে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে প্রতিনিয়ত ভেংচি কেটে ডুগডুগি বাজায় । আসলে অকৃতজ্ঞ মোনাফেকরা কখনোই সফল হয়না। এরা সারাজীবন হিংসা, বিদ্ধেষ, মিথ্যার ভিতর বাস করে এক সময় অতৃপ্ত আত্মা নিয়ে বিদায় নেয় এবং তাদের সন্তানদের ভবিষ্যৎও অন্ধকারে রেখে যায় । (ফেসবুক থেকে নেয়া)।
Posted ২:১০ অপরাহ্ণ | মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬
nyvoice24 | New York Voice 24